শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

কোমরপুর দাখিল মাদ্রাসার নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আব্দুল খালেক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
কোমরপুর দাখিল মাদ্রাসার নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আব্দুল খালেক

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর দাখিল মাদ্রাসার নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ মে) দুপুর সাড়ে ১২টায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে প্রায় ১ কোটি ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য ৪তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি আব্দুল খালেক বলেন, “একটি দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষার উন্নয়ন অত্যাবশ্যকীয়। শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি কখনো উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পারে না।”

 

তিনি আরও বলেন, কোমরপুর দাখিল মাদ্রাসাসহ দেবহাটা উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহার সভাপতিত্বে এবং উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আলিম, সাতক্ষীরা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী এম এম এ আবু জায়েদ বীন গফুর, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম, দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আল ফেরদাউস আলফা এবং মাদ্রাসার শিক্ষক গোলাম রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ নতুন ভবনের নির্মাণকাজের শুভ সূচনা করেন এবং মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়ন কামনা করেন।

 

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় জমকালো আয়োজনে ভাই ভাই ট্রেডার্সের হালখাতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জমকালো আয়োজনে ভাই ভাই ট্রেডার্সের হালখাতা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার অন্যতম ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘ভাই ভাই ট্রেডার্স’-এর বাৎসরিক হালখাতা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সাতক্ষীরা লেকভিউ কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে প্রীতিভোজ এবং দ্বিতীয় পর্বে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণীর আয়োজন করা হয়।
ভাই ভাই ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আসাদুজ্জামান বাবুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী জায়েদ বিন গফুর, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, ভিআরএম গোল্ডের সিনিয়র কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান, এসএস স্টিলের মো. আক্কাজ আলী, মো. আকবর আলী এবং সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. বেলাল হোসাইন। প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার জাহিদ হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের নির্বাহী সদস্য কাজী জামাল উদ্দীন মামুন ও কামরুজ্জামান।

বজ্রপাত নিরাপত্তা দিবস: সচেতনতা, বিজ্ঞান ও মানবিক দায়বদ্ধতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ণ
বজ্রপাত নিরাপত্তা দিবস: সচেতনতা, বিজ্ঞান ও মানবিক দায়বদ্ধতা

সাকিবুর রহমান বাবলা

প্রতি বছর ২৮ জুন পালিত হয় আন্তর্জাতিক বজ্রপাত নিরাপত্তা দিবস। প্রকৃতির অমোঘ শক্তির সামনে অসতর্কতা প্রাণঘাতী হতে পারে, তবে সচেতনতা ও বৈজ্ঞানিক প্রস্তুতি জীবন বাঁচাতে একটু হলেও সহায়ক। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশে বজ্রপাতের সংখ্যা ও তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম।

বিশ্বের সর্বাধিক বজ্রপাত প্রবণ দেশ হিসেবে ব্রাজিল পরিচিত। অন্যদিকে, ভেনেজুয়েলার লেক মারাকাইবো অঞ্চল পৃথিবীর সবচেয়ে বজ্রপাত-প্রবণ এলাকা হিসেবে স্বীকৃত। বাংলাদেশ আয়তনে ছোট হলেও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বজ্রপাত-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। বিভিন্ন গবেষণা অনুযায়ী, এ দেশে প্রতি বছর গড়ে ২০০ থেকে ২৫০ জনেরও বেশি মানুষ বজ্রপাতে প্রাণ হারান, সেই সঙ্গে আহত হন অনেকে। হতাহতদের একটি বড় অংশই কৃষক, জেলে এবং মাঠে কর্মরত শ্রমজীবী মানুষ। আর পশু পাখি তো অগুনিত।

বিজ্ঞানীদের মতে, বজ্রপাত সাধারণত ভূমির সবচেয়ে উঁচু ও বিদ্যুৎ পরিবাহী বস্তুকে আঘাত করে। এ কারণে তালগাছকে প্রাকৃতিক বজ্রনিরোধক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর দীর্ঘ, সোজা ও দৃঢ় কাঠামো বজ্রপাতকে আকর্ষণ করে এবং বিদ্যুৎকে দ্রুত মাটিতে পৌঁছে দিতে সহায়তা করে। ফলে উন্মুক্ত মাঠে মানুষ ও গবাদিপশুর ঝুঁকি অনেকটা কমে যায়। তাই পরিবেশ সংরক্ষণ ও দুর্যোগ প্রশমনে তালগাছ রোপণ একটি কার্যকর ও টেকসই উদ্যোগ হতে পারে।

বাংলাদেশ সরকার বজ্রপাতকে ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আগাম সতর্কবার্তা প্রদান, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এছাড়া বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও বিত্তবান ব্যক্তিরাও এ কাজে সম্পৃক্ত হচ্ছেন। গবেষণা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভবিষ্যতের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞানই আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। তাই বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আবহাওয়াবিজ্ঞান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পরিধি আরও বিস্তৃত করতে হবে।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, “আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে বিদ্যুতের ঝলক, যা তোমাদের ভয় ও আশার সঞ্চার করে” (সূরা আর-রূম: ২৪)। এই বাণী আমাদের সতর্কতা, জ্ঞানার্জন ও দায়িত্বশীল আচরণের শিক্ষা দেয়।

বজ্রপাত সম্পূর্ণরূপে রোধ করা সম্ভব না হলেও সচেতনতা, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ এবং সম্মিলিত সামাজিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রাণহানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব। একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে এ বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই।

 

 

সাতক্ষীরায় সরকারি কলেজ রোডের ড্রেন সংস্কারকাজের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সরকারি কলেজ রোডের ড্রেন সংস্কারকাজের উদ্বোধন

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমস্যা দূর করতে সরকারি কলেজ রোডের উত্তর পাশের ড্রেন অবমুক্ত ও সংস্কারকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) সকাল আটটায় এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর শেখ আব্দুল ওয়াদুদ।
সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় এই ড্রেন অবমুক্ত ও সংস্কারকাজের জন্য ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ টাকা বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সরকারি বরাদ্দটি গ্রহণ করেছেন ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমীর মাস্টার শফিকুল ইসলাম। সংস্কার প্রকল্প সুচারুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি প্রকল্প কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাস্টার শফিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে গাজী আব্দুল হাফিজকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—অ্যাডভোকেট সৈয়দ রেজওয়ান আলি, আব্দুল আজিজ ও মুক্তা পারভীন কেয়া।
কাজটির শতভাগ গুণগত মান বজায় রাখতে শুরু থেকেই কঠোর তদারকির ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুরো প্রকল্পটির সার্বিক মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্থানীয় সচেতন বাসিন্দা শেখ সিদ্দিকুর রহমানকে। উদ্বোধনকালে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, ড্রেনটি সংস্কারের ফলে বর্ষা মৌসুমে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন হবে এবং পরিবেশের উন্নয়ন ঘটবে। কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করতে তারা এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।