সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর ও হেনস্তা, এসআইসহ ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ
ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর ও হেনস্তা, এসআইসহ ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে মারধর ও থানায় হেনস্তার অভিযোগে চট্টগ্রামের খুলশী থানার তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) রাতে চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার থেকে ক্রিকেটার নাঈমকে আটক করে মারধর ও হেনস্তা করা হয়। প্রত্যাহার করা তিন পুলিশ হলেন- খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল ও অভিযানে থাকা আরেক কনস্টেবল।

ক্রিকেটার নাঈম হাসান রাতে সাংবাদিকদের জানান, ঢাকায় প্রিমিয়ার লিগের খেলা শেষ করে শুক্রবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটের ফ্লাইটে চট্টগ্রাম আসার কথা ছিল তার। তবে বিলম্ব হওয়ায় রাত ১০টা ২০ মিনিটে তিনি চট্টগ্রাম পৌঁছান। এরপর চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অটোরিকশা করে বাসার উদ্দেশে রওনা দেন। অটোরিকশাটি এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার পর লালখান বাজার এলাকায় পুলিশের এক সদস্য গাড়ি থামার সংকেত দেন।

নাঈম হাসান বলেন, গাড়ি থামাতেই কয়েকজন ডিবি পুলিশ পরিচয়ে চালকের কাছ থেকে গাড়ির কাগজপত্র নিয়ে নেন। এরপর আমাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে গলায় ধাক্কা দিয়ে পুলিশের গাড়িতে তোলার চেষ্টা করা হয়। তখন নিজেকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে পরিচয় দিই, পরিচয়পত্রও দেখাই। তবু আমাকে ঘটনাস্থলে থাকা খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম হাতে থাকা লাঠি দিয়ে কোমরে আঘাত করতে থাকেন। পুলিশের ওই এসআইয়ের সঙ্গে সাদা পোশাকে থাকা (পুলিশের সোর্স সোহেল) এক ব্যক্তিও হাতে থাকা পাইপ দিয়ে আমাকে পেটান।

মারধরের সময় ঘটনাস্থলে লোকজন জড়ো হয়ে যায় জানিয়ে জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার বলেন, ‘প্রায় ১০০ থেকে ২০০ মানুষ জড়ো হয়ে আমার ক্রিকেটার পরিচয় দিলেও তারা মারধর থামায়নি। তারা বলছিল—তুই আসামি, চুপ থাক, একটা কথাও বলবি না। মারধরের একপর্যায়ে তাকে থানায় নিয়ে যান এসআই শফিকুল। এরপর ওসির কক্ষে নেওয়া হয়। ওসির কক্ষেও তাকে হেনস্তা করা হয়েছে। ওসিকে তিনি যখন ঘটনার বিস্তারিত জানাচ্ছিলেন তখন ওসি বারবার বলেন, চোখ নামিয়ে কথা বল। এর মধ্যেই একটি ফোন পেয়ে ওসি শান্ত হন।’

তিনি বলেন, ‘অটোরিকশা থেকে নামানোর পর আমার ফোন নিয়ে নেওয়া হয়। থানায় আসার পর ফোনটি পেয়ে আমি বিসিবির সভাপতি তামিম ইকবালকে ফোন করি। তিনি বিসিবির সদস্য ইসরাফিল খসরুকে বিষয়টি জানান। এরপর তারা পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই। আজকে আমার সঙ্গে হয়েছে। আমার জন্য অনেক লোক এসেছে থানায়। কিন্তু অন্য সাধারণ লোকের জন্য কেউ থানায় আসবে না। আর কাউকে যাতে এভাবে হয়রানির শিকার হতে না হয়।’

খুলশী থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেন, ‘অভিযানের বিষয়ে এসআই শফিকুল ইসলাম আমাকে কিছু জানাননি। থানায় নিয়ে আসার পর ক্রিকেটার নাঈমের পরিচয় জানি। দুঃখপ্রকাশ করে সসম্মানে থানা থেকে তাকে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। তবে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তারা থানা থেকে যাবেন না জানান। পরে এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল ও অভিযানে থাকা আরেক কনস্টেবলকে তাৎক্ষণিক ক্লোজ করা হয়েছে।

Ads small one

কলারোয়ায় মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করলেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করলেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 40;

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ার তিনটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও একটি দাখিল মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলমগীর কবির। ৭ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তিনি এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শন করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো কাজিরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ধানঘোরা দাখিল মাদ্রাসা, পানিকাউরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও শাকদাহ বালিকা বিদ্যালয়। পরিদর্শনকালে তিনি ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতির মান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবং শিক্ষার সার্বিক পরিবেশের খোঁজখবর নেন। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হারে সন্তোষ প্রকাশ করলেও পানিকাউরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও শাকদাহ বালিকা বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত অবস্থায় অসন্তোষ জানান তিনি।
এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহকারী জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল খায়ের, পানিকাউরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি আসাদুজ্জামান, প্রধান শিক্ষক আহসান হাবিবসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা। পরবর্তীতে বিকেলে পানিকাউরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধন করা হয়।

কলারোয়ায় শিক্ষার্থীদের সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সেমিনার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
কলারোয়ায় শিক্ষার্থীদের সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সেমিনার

সংবাদদাতা: কলারোয়া পাইলট গার্লস হাইস্কুলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ও নিরাপদ প্রযুক্তি ব্যবহার’ বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাতক্ষীরা সাইবার ক্রাইম অ্যালার্ট টিমের উদ্যোগে বিদ্যালয় মিলনায়তনে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নিগার সুলতানার সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল বক্তব্য দেন সাইবার ক্রাইম অ্যালার্ট টিমের পরিচালক শেখ মাহবুবুল হক। তিনি সাইবার বুলিং, অনলাইন প্রতারণা, হ্যাকিং, ব্ল্যাকমেইলিং ও ইন্টারনেট আসক্তির নানা ঝুঁকি এবং আইনি শাস্তির বিষয়টি তুলে ধরেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নিরাপদ ব্যবহার ও অপব্যবহার নিয়ে আলোচনা করেন টিমের আইটি শাখার সদস্য মো. তানভীর হোসেন।
উইমেনস সাপোর্ট শাখার সদস্য তাহিরা সুলতানা মিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টিমের সদস্য অমিদ হাসান ও মো. এনামুল হাসান। আয়োজকেরা জানান, শিক্ষার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সচেতন করতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

সাতক্ষীরা ল কলেজে প্রয়াত শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠাতাদের স্মরণে সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরা ল কলেজে প্রয়াত শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠাতাদের স্মরণে সভা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা ল কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও সম্মানিত শিক্ষকদের স্মরণে স্মরণসভা এবং দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৭ সেপ্টেম্বর এম এ গফ্ফার হলে কলেজের অধ্যক্ষ ডক্টর রবিউল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রয়াত শিক্ষকদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করে শ্রদ্ধা জানানো হয়। স্মরণসভায় বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা ল কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি আলহাজ ডা. মিনহাজ আহমেদ, জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও ল কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য আইনজীবী সৈয়দ ইফতেখার আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আইনজীবী মো. মোসলেম, আইনজীবী এম এ গফ্ফারের ছেলে আইনজীবী আহসান হাসিব, আইনজীবী আব্দুস সাত্তারের মেয়ে শামীমা পারভীন, আইনজীবী অরুণ ব্যানার্জির স্ত্রী অনন্যা ব্যানার্জি, আইনজীবী মোস্তাক আহমেদের ছেলে আইনজীবী শেখ মো. ফারুক এবং প্রভাষক হাসনা হেনা খানের সন্তান বিথার রবিউল খান।
অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন সাতক্ষীরা সিটি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. আবু সাঈদ, আইনজীবী মো. আকবর আলী, আইনজীবী মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম, আইনজীবী নুরুল আমিন, প্রভাষক আইনজীবী শহীদ হাসান বাবু, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম আসাদুল হকসহ কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গভর্নিং বডির সদস্যরা।
স্মরণসভায় কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ এম এ গফ্ফার, উপাধ্যক্ষ শেখ সামছুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এসএম হায়দারসহ প্রয়াত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের অবদানের কথা স্মরণ করা হয়। আলোচনা শেষে দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মো. শহিদুল ইসলাম।