সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

খুলনা প্রেসক্লাবে হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ
খুলনা প্রেসক্লাবে হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের

খুলনা প্রেসক্লাবে ঢুকে কর্মরত সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও লাঞ্ছনার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্র।

 

সোমবার (২৭ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্র হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।

 

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, পেশাদার সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলা স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার অপপ্রয়াস। প্রেসক্লাবে ঢুকে সাংবাদিকদের আক্রমণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুততম সময়ে আইনের আওতায় আনতে হবে।

 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব।

 

বিবৃতিদাতারা হলেন, সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি আব্দুস সামাদ (বাংলাদেশের খবর/বাংলাদেশ নিউজ), সাধারণ সম্পাদক আহসানুর রহমান রাজীব (এখন টিভি/জাগোনিউজ), সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হোসেন আলী (ঢাকা টাইমস/দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস), নির্বাহী সদস্য (অর্থ) এসএম বিপ্লব হোসেন (মানবজমিন), নির্বাহী সদস্য (দপ্তর) এসএম জিন্নাহ (এনটিভি), শামীম পারভেজ (বৈশাখী টিভি), মোশারফ হোসেন (কালের কণ্ঠ), কৃষ্ণ ব্যানার্জি (প্রতিদিনের বাংলাদেশ/নাগরিক টিভি), আসাদুজ্জামান সরদার (বাংলা ট্রিবিউন), রাহাত রাজা (গ্লোবাল টিভি), মোজাহিদুল ইসলাম (যুগান্তর), হাবিবুর রহমান সোহাগ (স্বদেশ প্রতিদিন), রিজাউল করিম (দ্য এডিটরস), শহীদুজ্জামান শিমুল (রানার), নাজমুস সাহাদাৎ জাকির (খবরের কাগজ), ইব্রাহিম খলিল (ঢাকা পোস্ট), মিলন রুদ্র (ভয়েস অব টাইগার), মৃত্যুঞ্জয় রায় অপূর্ব (বার্তা ২৪), তানজির কচি (বাংলানিউজ) এবং আলী মুক্তাদা হৃদয় (হৃদয় বার্তা) প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Ads small one

তীব্র তাপদাহে পাখিদের তৃষ্ণা মেটাতে খোলা পাত্রে পানির ব্যবস্থা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
তীব্র তাপদাহে পাখিদের তৃষ্ণা মেটাতে খোলা পাত্রে পানির ব্যবস্থা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: তীব্র তাপদাহে পাখিদের তৃষ্ণা মেটানোর জন্য খোলা পাত্রে পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সারা দেশে তীব্র তাপপ্রবাহে মানুষ ও প্রাণিকুল প্রায় বিপন্ন। মানুষের পাশাপাশি অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে পশু-পাখি। প্রাণিকুলেও পড়েছে হাহাকার।

খুলনার পাইকগাছায় পরিবেশবাদী সংগঠন বনবিবি পাখিদের তৃষ্ণা মেটাতে নতুন বাজার এলাকার বিভিন্ন স্থানে খোলা পাত্রে পানি রাখার ব্যবস্থা করছে। সারা দেশে তাপদাহে জনজীবন হাঁসফাঁস অবস্থা। তীব্র গরমে কেবল মানুষের প্রাণই ওষ্ঠাগত নয়, পশু-পাখিরাও অতিষ্ঠ। দুপুরের তীব্র তাপদাহে পাখিরা হিট স্টোকে আক্রান্ত হচ্ছে। পানি শুন্যতায় মারাও যাচ্ছে পাখি।

চলমান তাপদাহে পশু-পাখিরা অসুস্থ ও মারা না গেলেও, গরমে ছটফট করছে। স্বাভাবিক চলাফেরা বাদ দিয়ে ওরা নেমে পড়ছে পাানিতে, আশ্রয় নিচ্ছে ছায়ায়। পশু-পাখিরা গরমে বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। একটু প্রশান্তি পেতে ঘন ঘন গা ভেজাচ্ছে পানিতে।

প্রচন্ড তাপদাহে পাখিদের পিপাসা নিবারণে নতুন বাজার এলাকার বিভিন্ন স্থানে খোলা পাত্রে পানি রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাখিরা সহজে যাতে পানি পেতে পারে তার জন্য প্রতিদিন সকালে পাত্রে পানি পূর্ণ করে রাখা হচ্ছে।
গেল কয়েক দিন ধরে প্রচন্ড তাপদাহে প্রাণীকুল ওষ্ঠাগত। তাপমাত্রা ৩৯ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠা নামা করছে। টানা তাপপ্রবাহের মধ্যে অতিষ্ঠ পাখিরাও যাচ্ছে জলের কাছে। কেউ তেষ্টা মেটাচ্ছে, কেউ ভিজিয়ে নিচ্ছে গা। কুকুরও পানিতে নেমে গা ভিজাচ্ছে।

পাখি বাঁচাও, প্রকৃতি বাঁচাও এ শ্লোগানকে সামনে রেখে পাখির নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিতের লক্ষে পরিবেশবাদী সংগঠন বনবিবি উপজেলায় ২০১৬ সাল থেকে পাখি ও পরিবেশ সুরক্ষায় বিভিন্ন কাজ করে যাচ্ছে। পাখির অভয়ারণ্য তৈরির লক্ষে পাখির সুরক্ষা, নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিতের জন্য উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে গাছে গাছে পাখির বাসার জন্য মাটির পাত্র, ঝুড়ি, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতারণ, উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও বিলবোর্ড স্থাপন কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে।

পরিবেশবাদী সংগঠন বনবিবির সভাপতি সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান বলেন, তীব্র তাপদাহে পাখিদের তৃষ্ণা মেটানো এবং শরীর ঠান্ডা রাখতে খোলা পাত্রে পানির ব্যবস্থা করা একটি মানবিক দায়িত্ব। এই প্রচন্ড গরমে প্রাকৃতিক পানির উৎসগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় পাখিরা সহজেই পানিশূন্যতায় ভোগে, যা তাদের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বিশেষ করে দুপুরে প্রখর রোদে প্রাকৃতিক পানির উৎস শুকিয়ে যাওয়ায় পাখিরা পানিশূন্যতায় মারা যেতে পারে। তীব্র গরমে সচেতনতা ও আমাদের সামান্য উদ্যোগ অনেক পাখির প্রাণ বাঁচাতে পারে।

 

 

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সনাক-টিআইবির অধিপরামর্শ সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সনাক-টিআইবির অধিপরামর্শ সভা

স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করতে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-এর উদ্যোগে এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর সহায়তায় এক অধিপরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত এ সভায় হাসপাতালের সার্বিক সেবার বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনায় উঠে আসেÑসিটিজেন চার্টার ও তথ্য বোর্ড দৃশ্যমানভাবে প্রদর্শন, বহির্বিভাগে বিনামূল্যের ওষুধের সংকট হ্রাস, টিকিট ও ওষুধ কাউন্টারে নারী-পুরুষের জন্য পৃথক লাইন চালু, হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ, রোগীদের খাবারের মান উন্নয়ন, ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপন, রোগীদের বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে বাধ্য করার প্রবণতা বন্ধ, দালালদের দৌরাত্ম্য রোধ এবং নার্সদের সৌজন্যমূলক আচরণ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা। এসব সমস্যা সমাধানে করণীয় নির্ধারণে সভায় অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন সুপারিশ ও কর্ম-কৌশল উপস্থাপন করেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের পরিচালক ডা. শেখ কুদরত-ই-খোদা। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ডা. সুশান্ত কুমার ঘোষ, আহ্বায়ক, স্বাস্থ্যবিষয়ক উপকমিটি, সনাক সাতক্ষীরা। বক্তব্য রাখেন কল্যাণ ব্যানার্জি, যুগ্ম আহ্বায়ক; এসিজি সমন্বয়ক রায়হাতুল জান্নাত; সহ-সমন্বয়ক উজ্জ্বল মাখাল; এবং ইয়েস সদস্য মো. মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ। সভা পরিচালনা ও তথ্য উপস্থাপন করেন আল-আমিন, এরিয়া সমন্বয়কারী, সনাক-টিআইবি, সাতক্ষীরা।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. শেখ কুদরত-ই-খোদা বলেন, “বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও হাসপাতালের সার্বিক উন্নয়নে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য-সহনশীলতা নীতির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। স্বচ্ছতা ও সেবার মান উন্নয়নে সনাক-টিআইবির তথ্যভিত্তিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে।” প্রেসবিজ্ঞপ্তি

শারীরিক অবস্থার অবনতি: আসমার চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আবেদন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ
শারীরিক অবস্থার অবনতি: আসমার চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আবেদন

সংবাদদাতা: হৃদযন্ত্রে ছিদ্র নিয়েই জন্মগ্রহণ করেছিল আসমা খাতুন (৬)। সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন তার পিতা-মাতা।

আসমার চিকিৎসক খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. কে এম এনায়েতের পরামর্শ, দ্রুততম সময়ে, সম্ভব হলে ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে অপারেশন করতে হবে আসমার। এজন্য খরচ হবে প্রায় তিন লাখ টাকা। শুধু হৃদরোগই নয়, হার্নিয়ায়ও আক্রান্ত আসমা। এই দুই রোগে আক্রান্ত হয়ে দিনের পর দিন শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে আসমা।

কিন্তু আর্থিক সংকটে মেয়ে আসমার চিকিৎসা করাতে পারছেন না সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের মোচড়া গ্রামের মো. আসাদুল্লাহ আল গালিব।

পারিবারিক সূত্র জানায়, বছরখানেক আগে জীবিকার আশায় সৌদি আরবে পাড়ি দিয়েছিলেন আসাদুল্লাহ আল গালিব। সেখানে কাজ করার সময় এক দুর্ঘটনায় কোমরে আঘাতপ্রাপ্ত হন তিনি। এরপর বিদেশ থেকে বাড়ি ফিরে চিকিৎসা নিলেও ভারী কাজ করা নিষেধ ছিল তার। কিন্তু দুই মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে ইটভাঙ্গা মেশিনে কাজ করে কোনরকম দিন পার করছেন তিনি। এরই মধ্যে বড় মেয়েটির চিকিৎসা করতে না পেরে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন তিনি।

কথাপ্রসঙ্গে আসমার পিতা আসাদুল্লাহ আল গালিব বলেন, টাকার অভাবে মেয়ের চিকিৎসা করাতে না পেরে নিজেকে খুব অসহায় লাগছে। সরকারি হাসপাতালে কিছুটা কম খরচে এই অপারেশন করা গেলেও সেটি সময় সাপেক্ষ।

তিনি আরও বলেন, ডাক্তার সময় দিয়েছেন মাত্র ১০ থেকে ১৫ দিন। এর মধ্যে অপারেশন না করা গেলে আসমার অবস্থা আরও খারাপের দিকে চলে যাবে। এমন বিপদের সময়ে মানবিক সাহায্য ছাড়া আর কোন পথ নেই আমার।
আসমার মা হালিমা খাতুন জানান, গত কয়েক মাসে আসমার শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি হয়েছে। ওজন কমে এখন মাত্র ১০ কেজি হয়ে গিয়েছে। ডাক্তার তো যত দ্রুত পারি অপারেশন করাতে বলেছে। কিন্তু টাকার কারণে সেই সাধ্য আমাদের হচ্ছে না। ভিটেমাটি ছাড়া আমাদের আর কোন সম্পদ নেই যে, তাই বিক্রি করে মেয়ের চিকিৎসা করবো।

তিনি আরও বলেন, মেয়ের বাপের জন্যেও প্রতিনিয়ত ওষুধ কিনতে হয়। যা আয়-রোজগার হয় তাতে খেয়ে পরে কোনরকমে আল্লাহ বাঁচিয়ে রেখেছেন। এখন এত বড় চিকিৎসার খরচ কিভাবে করবো, সেই চিন্তায় শেষ হয়ে যাচ্ছি। যারা সামর্থ্যবান তারা যদি চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার হাত বাড়াতো তাহলে আমার আসমা সুস্থ হয়ে অন্যান্য শিশুদের মতো স্বাভাবিক জীবনযাপনের সুযোগ পেত।

আসমার পরিবার তার চিকিৎসার জন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহযোগিতার আহবান জানিয়েছেন। তাকে সহযোগিতার জন্য ০১৭৮৯ ৭২৫৩৮৩ (আসমার বাবা) নাম্বারে যোগাযোগ করা যেতে পারে।