বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে সাতক্ষীরা থেকে আরও উঠে আসবে জাতীয় মানের খেলোয়াড়: জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ২:১১ অপরাহ্ণ
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে সাতক্ষীরা থেকে আরও উঠে আসবে জাতীয় মানের খেলোয়াড়: জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ আয়োজন উপলক্ষে সাতক্ষীরায় প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

 

সভায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ আফরোজা আখতার বলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারা দেশে একযোগে আটটি ইভেন্টে আগামী ২ মে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ অনুষ্ঠিত হবে। এ আয়োজনের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বাছাই করে প্রশিক্ষণের আওতায় এনে তাদের দক্ষতা উন্নয়ন করা হবে। এতে করে ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতার জন্য যোগ্য খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

তিনি আরও বলেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি তরুণ প্রজন্মের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আয়োজনটি সফল করতে গণমাধ্যমের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ইতোমধ্যে জেলায় অনলাইনে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। আশাশুনি উপজেলায় ২৫৬ জন, সাতক্ষীরা পৌরসভায় ২২৬ জন, কলারোয়া উপজেলায় ২০২ জন, তালা উপজেলায় ১৪৬ জন, দেবহাটা উপজেলায় ১২৫ জন, শ্যামনগর উপজেলায় ১২০ জন এবং কালীগঞ্জ উপজেলায় ১০৬ জন নিবন্ধন করেছেন। সব মিলিয়ে নিবন্ধনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৭৫ জনে। শেষ দিনে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

 

ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও পৌর প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রিপন বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরীফ আসিফ রহমান, জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক সঞ্জীত কুমার দাসসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

 

বক্তারা বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

 

প্রসঙ্গত, আগামী ২ মে দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর উদ্বোধন করা হবে। জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা প্রেস ব্রিফিংয়ে অংশ নেন।

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।