বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩

চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যা ও পাহাড় ধসে প্রাণহানি ৩০

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যা ও পাহাড় ধসে প্রাণহানি ৩০

চট্টগ্রাম বিভাগে গত পাঁচ দিনের অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসে এ পর্যন্ত ৩০ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ, চাল ও শিশু খাদ্যসহ জরুরি ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় চট্টগ্রাম বিভাগের ক্ষয়ক্ষতি এবং জেলা প্রশাসনের নেওয়া পদক্ষেপসংবলিত সর্বশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে পর্যটন জেলা কক্সবাজারে। সেখানে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম ও বান্দরবানে ৫ জন করে এবং রাঙ্গামাটিতে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। খাগড়াছড়িতে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

বন্যা ও পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের জন্য পাঁচ জেলায় মোট ১ হাজার ৪২৭টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৪১১টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৮ হাজার ৩৪০ জন, রাঙ্গামাটিতে ২১টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ২০৬ জন, খাগড়াছড়িতে ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২ হাজার ১৭৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

তবে কক্সবাজারে ৬৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত থাকলেও বর্তমানে সেখানে কোনো আশ্রিত ব্যক্তি নেই। দুর্গতদের সহায়তায় ৭ ও ৯ জুলাই দুই দফায় বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

৭ জুলাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—প্রতিটি জেলার জন্য ১০ লাখ টাকা করে মোট ৫০ লাখ টাকা নগদ এবং ২০০ মেট্রিক টন করে মোট ১ হাজার মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরে ৯ জুলাই শিশুদের জন্য বিশেষ সহায়তা হিসেবে চট্টগ্রামে ২৫ লাখ টাকা, কক্সবাজারে ২০ লাখ টাকা এবং রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ১০ লাখ টাকা করে মোট ৭৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। একই দিনে চট্টগ্রামে ৩০০ মেট্রিক টন, কক্সবাজারে ২৫০ মেট্রিক টন এবং বাকি তিন জেলায় ২০০ মেট্রিক টন করে মোট ১ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়।

গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসে প্রাণহানির পাশাপাশি বহু পরিবার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে নিয়মিত মাইকিং ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে অবস্থান নেওয়া দুর্গত মানুষের জন্য সুপেয় পানি, উন্নত স্যানিটেশন, শিশু খাদ্য এবং তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

Ads small one

আর্জেন্টিনা ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান হারাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
আর্জেন্টিনা ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান হারাল

চলমান খেলায় নাটকীয় এক জয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। শেষ ষোলোতে মিশরের বিপক্ষে ৩-২ গোলের লড়াকু জয়ের পর এখন তাদের সামনে সুইজারল্যান্ড। তবে মাঠের সাফল্যের মাঝেই এসেছে একটি বড় দুঃসংবাদ।

ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান হারিয়েছেন লিওনেল স্কালোনির দল। মিশরের বিপক্ষে জয়ের পরও আর্জেন্টিনা আর বিশ্বের এক নম্বর দল নেই। কারণ, প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফ্রান্স আবারও র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠে এসেছে।

বর্তমান লাইভ ফিফা র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী, ফ্রান্সের সংগ্রহ ১৯২৫.৮৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার পয়েন্ট ১৯২৫.১৫। দুই দলের মধ্যে ব্যবধান মাত্র ০.৭১ পয়েন্ট। তিনে নেমে গেছে স্পেন (১৯১২.৩৪)।

বিশ্বকাপ চলাকালীন প্রতিটি ম্যাচের ফলাফলের ভিত্তিতে এই র‌্যাঙ্কিং হালনাগাদ হচ্ছে। ফলে টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোতে এই অবস্থান আবারও পরিবর্তিত হতে পারে, কারণ দুই দলই এখনও শিরোপার দৌড়ে রয়েছে।

বিশ্বকাপের আগে সর্বশেষ ফিফা আন্তর্জাতিক বিরতির পর আর্জেন্টিনা র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছিল। সে সময় ফ্রান্স প্রীতি ম্যাচে আইভরি কোস্টের কাছে ২-১ গোলে হেরে যায় এবং স্পেন ইরাকের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে। এই ফলের কারণে দুই দলই গুরুত্বপূর্ণ রেটিং পয়েন্ট হারায়।

অন্যদিকে আর্জেন্টিনা প্রস্তুতি ম্যাচে হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডকে হারিয়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করে এবং বিশ্বকাপ শুরুর আগে এক নম্বর দল হিসেবে টুর্নামেন্টে প্রবেশ করে।

এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে। ফ্রান্স আবারও র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান দখল করেছে, আর আর্জেন্টিনা নেমে গেছে দুই নম্বরে। তবে দুই দলের পয়েন্টের ব্যবধান এতটাই কম যে আগামী ম্যাচগুলোতেই আবার পরিবর্তন আসতে পারে।

ভক্তদের এআই কাণ্ডে বিরক্ত কনকচাঁপা, বললেন ‘এভাবে চললে ফেসবুক ছাড়ব’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
ভক্তদের এআই কাণ্ডে বিরক্ত কনকচাঁপা, বললেন ‘এভাবে চললে ফেসবুক ছাড়ব’

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে নিজের ছবি ও ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। এ ধরনের কাজ বন্ধ না হলে ফেসবুক ছেড়ে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে কনকচাঁপা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে নিজের জীবনের নানা স্মৃতি, ভ্রমণ ও ছবি ভাগাভাগি করে আসছেন। কিন্তু সম্প্রতি অনেকেই এআই ব্যবহার করে তার ছবি, এমনকি ভিডিওও তৈরি করছেন। কেউ নিছক আনন্দের জন্য, আবার কেউ বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যেও এসব করছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ নিয়ে নিজের অস্বস্তির কথা জানিয়ে কনকচাঁপা লেখেন, নিজের ইচ্ছা হলে তিনি নিজেই এআই ব্যবহার করবেন। কিন্তু অন্যরা কেন তার বাস্তব চেহারা বদলে দিচ্ছেন, সেটিই তার প্রশ্ন। তার ভাষায়, “বাস্তব আমাকে আর ভালো লাগছে না?”

সংগীতশিল্পীর মতে, এআই যত উন্নতই হোক, কখনোই একজন মানুষের প্রকৃত সত্তা তুলে ধরতে পারে না। বরং ছবিকে অতিরিক্ত ঝকঝকে করে তোলে, কিন্তু মানুষের স্বাভাবিক চোখের দৃষ্টি হারিয়ে যায়। “একটা মানুষের আঙুলের ছাপ যেমন অনন্য, তেমনি চোখের দৃষ্টিও একদম নিজস্ব,” লিখেছেন তিনি।

নিজের চেহারা নিয়ে সন্তুষ্টির কথাও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন কনকচাঁপা। তিনি লেখেন, “আমার থ্যাবড়ানো নাক, চওড়া চোয়াল, মোটা ঠোঁট, খাটো ঘাড় নিয়েই দিব্যি জীবন পার করে দিলাম। এতে যদি আমার মন খারাপ না হয়, তাহলে আপনাদের অসুবিধা কোথায়?”

তিনি আরও বলেন, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ছবি পুরোনো হবেই, সেটাই স্বাভাবিক। তাই পুরোনো ছবি এআই দিয়ে নতুন করে সাজানোর প্রয়োজন তিনি অনুভব করেন না। এ প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, “আল্লাহর চেয়ে বড় আর্টিস্ট আর কে আছেন!”

এআই প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহারের কথা উল্লেখ করে কনকচাঁপা বলেন, এই প্রযুক্তি দিয়ে অনেক ভালো কাজ করা সম্ভব। কিন্তু বাংলাদেশে এর বড় একটি ব্যবহার হয়ে উঠেছে মানুষের ছবি সম্পাদনা। বিশেষ করে এআই ভিডিওকে তিনি ‘ভয়ানক’ বলে মন্তব্য করেন। মৃত মানুষকে কথা বলতে দেখানোর বিষয়টিও তার কাছে অস্বস্তিকর।

পোস্টের শেষদিকে কনকচাঁপা জানান, জীবনে কখনো পার্লারে গিয়ে নিজেকে বদলানোর চেষ্টা করেননি। বোটক্স, ভ্রু প্লাক, কৃত্রিম আইল্যাশ কিংবা হেয়ার এক্সটেনশনেরও আশ্রয় নেননি। তাই এআই দিয়ে বিকৃত করা নিজের উপস্থিতি তিনি দেখতে চান না।

সবশেষে তিনি সতর্ক করে লেখেন, “এমন চললে ফেসবুক ছেড়ে চলে যাব। অল্প কিছুদিন অস্থির লাগবে, তারপর ঠিক হয়ে যাবে। তবু দর্পণে নিজের বদলে অন্য কাউকে দেখতে চাই না। আমি ‘আমার আমি’কে খুবই ভালোবাসি।”

দেশের সংগীতাঙ্গনের অন্যতম জনপ্রিয় কণ্ঠ কনকচাঁপা নব্বইয়ের দশক থেকে আধুনিক বাংলা গান ও চলচ্চিত্রের প্লেব্যাকে সমান জনপ্রিয়। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি অসংখ্য শ্রোতাপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়েছেন এবং সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নতুন গানের সংখ্যা তুলনামূলক কম হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় তিনি। ব্যক্তিগত ভাবনা, সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু এবং সংগীতজীবনের নানা স্মৃতি নিয়মিতই ভক্তদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেন।

ফ্রান্সের সামনে মরক্কোর নতুন ইতিহাসের হাতছানি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ
ফ্রান্সের সামনে মরক্কোর নতুন ইতিহাসের হাতছানি

 

বিশ্বকাপ ফুটবলের শেষ আটের লড়াইয়ে আবারও মুখোমুখি হচ্ছে ভিন্ন ধারার দুই শক্তিশালী দল—দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স এবং আফ্রিকার বর্তমান সেরা দল মরক্কো। চার বছর আগে বিশ্বকাপের শেষ চারে ফ্রান্সের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল মরক্কোর। এবার সেই স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন ইতিহাস গড়ার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামছে আটলাস সিংহরা।
গত বিশ্বকাপে প্রথম আফ্রিকান ও প্রথম আরব দেশ হিসেবে শেষ চারে উঠে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল মরক্কো। এবারও তারা দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা ধরে রেখে শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে। আফ্রিকা কাপ জয়ের পর আত্মবিশ্বাসে উজ্জীবিত দলটি শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবেই নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে।

অন্যদিকে ফ্রান্সও দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। টানা পাঁচ ম্যাচ জিতে শেষ আটে পৌঁছেছে তারা। এ পর্যন্ত পাঁচ ম্যাচে চৌদ্দটি গোল করে মাত্র দুটি গোল হজম করেছে দিদিয়ে দেশঁর দল। কিলিয়ান এমবাপে ইতোমধ্যে সাতটি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় রয়েছেন। তার সঙ্গে উসমান দেম্বেলে, মিশেল অলিজে ও ব্র্যাডলি বারকোলার আক্রমণভাগ প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।

তবে বড় ধাক্কাও পেয়েছে মরক্কো। দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য আক্রমণভাগের খেলোয়াড় ইসমাইল সাইবারি চোটের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে পারবেন না। তবু রক্ষণভাগের দৃঢ়তা, দ্রুত পাল্টা আক্রমণ এবং দলগত সমন্বয়ের ওপর ভর করেই ফ্রান্সকে চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত মরক্কো।

মরক্কোর প্রধান প্রশিক্ষক মোহাম্মদ ওয়াহবি বলেছেন, তাদের লক্ষ্য শুধু ইতিহাস সৃষ্টি নয়, বিশ্ব ফুটবলে দীর্ঘমেয়াদি শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা। অন্যদিকে ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ে দেশঁ মনে করেন, অতীতের ফলাফল এই ম্যাচে কোনো প্রভাব ফেলবে না। তার ভাষায়, ফুটবলে প্রতিটি ম্যাচই নতুন, আর জয় নির্ভর করবে মাঠের পারফরম্যান্সের ওপর।

এ পর্যন্ত দুই দলের ছয়বার মুখোমুখি লড়াইয়ে চারটিতে জয় পেয়েছে ফ্রান্স, বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। তবে বর্তমান মরক্কো অতীতের সেই দল নয়। সাম্প্রতিক সময়ে তাদের ধারাবাহিক সাফল্য প্রমাণ করেছে বড় দলকে হারানোর সামর্থ্য তারা রাখে।

বিশ্বকাপের শেষ চার নিশ্চিত করার এই লড়াইয়ে একদিকে থাকবে ফ্রান্সের অভিজ্ঞতা ও তারকাসমৃদ্ধ আক্রমণভাগ, অন্যদিকে মরক্কোর অদম্য লড়াইয়ের মানসিকতা। তাই ফুটবলপ্রেমীরা অপেক্ষায় রয়েছেন আরেকটি রোমাঞ্চকর মহারণের।