রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩

ঢাকা-বেনাপোল ও খুলনা রুটে ট্রেনে হিজড়াদের দৌরাত্ম বাড়ছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
ঢাকা-বেনাপোল ও খুলনা রুটে ট্রেনে হিজড়াদের দৌরাত্ম বাড়ছে

Oplus_131072

এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): যোগাযোগ ব্যবস্থায় নিরাপদ বাহন হিসাবে যাত্রীদের কাছে রেলের রয়েছে চাহিদা ও কদর, গ্রহণযোগ্যতা। অল্প সময়ে কম মুল্যে নিরাপদে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলাচল করতে পছন্দ করেন সব শ্রেণীর যাত্রীরা। বাড়ছে রেল সংযোগ ও ট্রেনসেবা। সরকারের আসছে বাড়তি আয়। তবে সম্প্রতি সময়ে আবারও ঢাকা-বেনাপোল-যশোর ও বেনাপোল-খুলনা-মোংলা রুটে চলাচলকারী ট্রেনে তৃতীয় লিঙ্গের হিজড়া হকার ও ভিক্ষুকদের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ট হয়ে উঠছে যাত্রী সাধারণ। ফলে ব্যাহত হচ্ছে রেল সেবা। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যরা জেগে ঘুমাচ্ছেন। নির্বাক যেন প্রশাসন ও যাত্রীরা।

প্রতিদিন ঢাকা টু বেনাপোল ও খুলনা রুটে ট্রেনে চলাচল করেন দেশি বিদেশী পর্যটকসহ ব্যবসায়ি শিক্ষার্থী রোগীসহ সব শ্রেণী পেশার মানুষ। রেল মানুষের আস্তা অর্জন করেছেন। তবে হিজড়াদের চাঁদাবাজি ও অশ্লীলতায় চরম ভোগান্তি ও অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। অপমানিত ও নির্গিত হচ্ছেন যাত্রীরা। অতিষ্ট হয়ে উঠছেন তারা। রেল কর্তৃপক্ষ রয়েছেন নিশ্চুপ। এক সময়ে রেলে চোরাচালানী পন্যের অবাধ বিচরণসহ যাত্রী সেবাই যশোর জেলা প্রশাসনের নির্দেশে রেলে ভ্রাম্যমান অভিযান চালাতো প্রশাসন। বিজিবি, র‌্যাব. কাস্টম ও পুলিশসহ রেল সংশ্লিষ্টদের বিশেষ অভিযানে স্বস্তি ফেরে যাত্রীদের। অভিযান বন্ধ থাকায় আবারও রেলের পরিবেশ বিনষ্ট হচ্ছে। রেলে অনেকটা জিস্মি ও অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন যাত্রীরা।

রেলের যাত্রী সাবিরা খাতুন, জামাল উদ্দিন ও মহাসিন হোসেন জানান, সব শ্রেণীর ও সাধারণ যাত্রীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে টাকা আদায় করছের সংঘবদ্ধ হিজড়ারা। রয়েছে হেনস্তা করার বিস্তর অভিযোগ। রেলওয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে প্রতিনিয়ত এধরনের ঘটনা ঘটলেও নেওয়া হয়না ব্যাবস্থা। নিশ্চুপ থাকেন তারা।

এসব বিষয়ে বেনাপোল রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হুসাইন জানান, ট্রেনে অননুমোদিত ব্যক্তিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জিআরপি পুলিশ চক্রটিকে চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। যাত্রী সেবাই রেল পুলিশ আন্তরিক ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান তিনি।

ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ, বেনাপোল-ঢাকা ও খুলনা রুটের ট্রেনে চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’ এবং ‘রুপসী বাংলা’ ও ‘বেতনা এক্সপ্রেস’ ট্রেনে চোরাচালানি, হকার, ভিক্ষুক, হিজরা ও নেশাখোররা বিনা টিকিটে ওঠে বসে থাকায়। রেলের টিকিট কেটেও যাত্রীরা থাকেন দাঁড়িয়ে। রেলের নিরাপত্তা কর্মী পুলিশের প্রতিটি কামরায় থাকার নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ সময়ে একটি বগিতে সিট নিয়ে ঘুমিয়ে পালন করেন দায়িত্ব। নিরাপত্তাহীনতাই ভোগেন যাত্রীরা। যাত্রীদের ব্যাগ, টাকা খোয়া গেলে বাধে বাকবিতন্ডা।

নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএসবি) সদস্যরা রেলস্টেশন ও রেলের সম্পদ দেখাশুনার সার্বিক দায়িত্বে থাকলেও তাদের চোখের সামনে চোরাচালানী, হিজরা, ভিক্ষুক, নেশাখোররা বিনা টিকিটে ট্রেনে উঠছেন। দেখেও নির্বাক থাকছেন নিরাপত্তা কর্মীরা।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, রেলওয়ে পুলিশ ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে চোরাচালানীদের যোগসাজসে চোরাচালানীরা ট্রেনে ভারতীয় পণ্য পাচার করছে। সম্প্রতি আবির হোসেন ও মহাসিন হোসেন তারা পরিবারসহ ‘রূপসী বাংলা’ ট্রেনে যশোর যাচ্ছিলেন। ট্রেনটি ছাড়তেই বগিতে হিজড়ারা উঠে যাত্রীদের কাছে টাকা দাবি করে। টাকা না দিলেই ক্ষিপ্ত হয়ে আপত্তিকর ও অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি শুরু করে। প্রতিবাদ করলেই উগ্র রূপ ধারণ করে এবং পরিবারের সামনেই কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালিগালাজ ও হেনাস্তা করে। দেওয়া হয় হুমকি। ফলে প্রতিনীয়ত ট্রেনের ভেতর হিজড়াদের দৌরাত্বে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি হয়। ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা।

পাবলিক পরিবহনে পরিবার নিয়ে যাতায়াত কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থায়ী প্রতিকার চান ভুক্তভোগী যাত্রীরা।
এসব ঘটনায় পরিত্রাণে ভুক্তভোগী যাত্রী মহাসিন হোসেন বেনাপোল রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি ও স্টেশন মাস্টারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আয়নাল হাসান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, টিকিট বা অনুমতি ছাড়া ট্রেনে হিজড়া, হকার বা বহিরাগতদের প্রবেশ বেআইনি। ঘটনার পর স্টেশনের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং ট্রেনে কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি যেন উঠতে না পারে, সেজন্য গার্ড ও নিরাপত্তা কর্মীদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি স্থায়ী সমাধানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও জিআরপি পুলিশকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হযেছে বলে জানান ষ্টেশন মাষ্টার আয়নাল হাসান।

Ads small one

পাইকগাছায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে ছাতা প্রদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের মাঝে ছাতা প্রদান

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় দুটি মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ছাতা বিতারণ করেছে।

 

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে রোববার সকাল সাড়ে ১০ টায় গদাইপুর মহিলা দাখিল মাদ্রাসা ও আল- আমিন মহিলা দাখিল মাদ্রাসার ৪০ জন ছাত্রীকে এ ছাতা প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, গদাইপুর মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট সালাউদ্দীন, আল আমিন মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট বাহারুল ইসলাম, ওয়ার্ল্ড ভিশন গদাইপুর ইউনিয়ন কর্মকর্তা গাজী শারমিন রহমান, উর্মি মালা সরদার ও তম্ময় রায়।

সাতক্ষীরায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন: অনুপস্থিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন: অনুপস্থিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ

মোঃ সিরাজুল ইসলাম: সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। রোববার বেলা ৩টা ৫ মিনিটে তিনি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পৌঁছান এবং বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে চিকিৎসা সেবার সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। সরকারি চিকিৎসাসেবা ও সুযোগ-সুবিধা ঠিকঠাক পাওয়া যাচ্ছে কি না, সে বিষয়ে তিনি রোগীদের কাছে জানতে চান। এ সময় উপস্থিত রোগীরা সেবা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সুযোগ-সুবিধার জন্য ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে সেবার মান আরও বৃদ্ধির জন্য মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

পরিদর্শন শেষে বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে তিনি সাতক্ষীরা সার্কিট হাউসের উদ্দেশে রওনা হন।

সদর হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মিজ্ কাওসার আজিজ, সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুস সালাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আমিনুর রহমান, জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও সাংবাদিকেরা।

সদর হাসপাতালে আসার আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এসময় মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জতউল্যাহ, সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, জেলা প্রশাসক (ডিসি) মিজ্ কাওসার আজিজ, সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুস সালাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আমিনুর রহমান, জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও সাংবাদিকেরা। এখানেও অনুরূপভাবে চিকিৎসক ও রোগীদের সাথে কথা বলেন মন্ত্রী এবং একই নির্দেশনা দেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা মেডিকেল অফিসার ডা. শাওলী নানজিবা তন্নির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেন তিনি।

তালা পরিদর্শনের শুরুতে মন্ত্রী হাসপাতালের রান্নাঘরে প্রবেশ করেন এবং রোগীদের জন্য প্রস্তুত করা খাবার চেখে দেখে সেটির মান যাচাই করেন। পরবর্তীতে তিনি পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ড, ওয়াশরুম, ওষুধ স্টোর, অপারেশন থিয়েটার (ওটি) ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাজিরা খাতা পরীক্ষা করেন। একই সঙ্গে হাসপাতালের এসি চুরির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং চলমান সংস্কারকাজ দ্রুত সম্পন্ন করারও নির্দেশ দেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ ছাড়া ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

তিনি আরও জানান, তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে দ্রুত ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে এবং শিগগিরই মাটি পরীক্ষার (সয়েল টেস্ট) কাজ শুরু হবে। সেখানে ৭ থেকে ৮ তলাবিশিষ্ট একটি আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হবে, যেখানে পৃথক প্যারালাইসিস সেন্টার, ফিজিওথেরাপি সেন্টার, মাতৃদুগ্ধ কর্নার ও ট্রমা সেন্টার থাকবে।

এ সময় তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আশাশুনিতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য যাচাইকারী আবেদনকারীদের মৌখিক পরীক্ষা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য যাচাইকারী আবেদনকারীদের মৌখিক পরীক্ষা

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনিতে ফ্যামিলি কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ কাজে কর্মী নিয়োজন কার্যক্রমের প্রথম দিনে আবেদন ও ভাইবা দিতে শত শত মানুষের সমাগম ঘটেছে। রবিবার (২৬ জুলাই) বেলা ১১টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ও সমাজ সেবা কার্যালয়ে আবেদন গ্রহণ ও ইউএনও অফিস সংলগ্ন ভাইবা পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়।

উপজেলার ১১ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ কাজের জন্য ১০১জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ১০জন সুপার ভাইজার নিয়োজন করা হবে।

শনিবার পর্যন্ত আবেদনকারীদের ভাইবা পরীক্ষা রবিবার উপজেলা পরিষদের দুটি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। ইউএনও কার্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু ও কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আফরোজা খাতুন এবং উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম ও আইসিটি কর্মকর্তা আক্তার ফারুক বিল্লাল ভাইবা পরীক্ষা গ্রহণ করেন। রবিবার (১ম দিন) সুপারভাইজার পদে ২৩জনের ও তথ্য সংগ্রহকারী পদে ২০৩জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেন।

আগামী ২৮ জুলাই পর্যন্ত আবেদন গ্রহণের সময় বাড়ানো হয়েছে। এসময়ে আবেদনকারীদের ২৯ জুলাই (দ্বিতীয় ধাপে) নিয়োজন পরীক্ষার ভাইবা অনুষ্ঠিত হবে।