বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

জীবন বদলানোর এক নিরলস প্রচেষ্টার নাম শামছুন নাহার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ণ
জীবন বদলানোর এক নিরলস প্রচেষ্টার নাম শামছুন নাহার

শামছুন নাহার, প্রশিক্ষক, সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর সদর উপজেলায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীনে জাতীয় মহিলা সংস্থায় কর্মরত। তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসের ২৮ ও ২৯ তারিখে বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রামস কর্তৃক আয়োজিত UN WOMEN-এর ‘Empower’ প্রকল্পের অধীনে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ও জেন্ডার কর্মপরিকল্পনা বিষয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।

এই প্রশিক্ষণে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পক্ষে শামছুন নাহার কর্মপরিকল্পনা তৈরিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ভাবেন, এই কর্মপরিকল্পনা তাদের বিদ্যমান কর্মসূচির মধ্য দিয়েই বাস্তবায়ন সম্ভব। তিনি উপলব্ধি করেন যে, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, জীবিকার উন্নয়নসহ সহনশীল সমাজ গঠনে তাঁরও ভূমিকা রয়েছে। তিনি অসহায় নারীদের পাশে দাঁড়াতে চান।

প্রশিক্ষণ শেষে তিনি তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে তাঁদের বিদ্যমান প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে জলবায়ু পরিবর্তন ও জেন্ডার বিষয় আলোচনায় অন্তর্ভুক্তির কথা বলেন। তিনি তাঁর প্রশিক্ষণার্থীদের সঙ্গে জেন্ডার ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কী কী সমস্যা হয় এবং কীভাবে এর মোকাবিলা করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়াও, দুর্যোগপূর্ব ও পরবর্তী কার্যক্রম এবং আয়ের উৎস কী কী হতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করেন। সেলাই কাজের পাশাপাশি নারীরা ঘরে বসে বাড়ির আঙিনায় কীভাবে সবজি চাষ করতে পারে, পুকুরে মাছ চাষ, গবাদিপশু পালন এবং কৃষিকাজে সহায়তা করতে পারে এবং কীভাবে পরিবার ও সমাজকে আরও সহনশীল করা যায়, সে বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে আলোচনা করেন।

শামছুন নাহারের উদ্যোগে আয়োজিত প্রশিক্ষণ ও সহায়তার মাধ্যমে জীবন পরিবর্তনের অন্যতম উদাহরণ তাঁর এলাকার আরেক নারী খাইরুল নেছা। ৩৭ বছর বয়সি খাইরুল নেছা ৪ মাস সেলাই কাজের ওপর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার পর একটি সেলাই মেশিন কিনে ঘরে বসে ব্যবসা শুরু করেন। পরবর্তীতে শামছুন নাহারের সহযোগিতায় খাইরুল নেছা জাতীয় মহিলা সংস্থা থেকে প্রথম ৭৫ হাজার টাকা ঋণ গ্রহণ করে স্থানীয় বাজারে একটি দোকান ভাড়া করেন এবং বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য স্কুলের ড্রেস তৈরি করা শুরু করেন। পোশাক তৈরির আয় দিয়ে খাইরুল নেছা এখন স্বাবলম্বী।

আরেকজন সফল প্রশিক্ষণার্থী আম্বিয়া খাতুন। ৩৮ বছর বয়সি আম্বিয়ার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে মোট ৪ জনের সংসার। ঋণ গ্রহণ করে তিনি ঘরে বসে সেলাইয়ের পাশাপাশি বাড়ির উঠানে সবজি চাষ শুরু করেন। বর্তমানে তিনি ঘরে বসে আয় করছেন এবং সংসারের খরচ বহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

শামছুন নাহারের এই উদ্যোগ যথার্থই প্রমাণ করে যে, সঠিক সময়ে সঠিক প্রশিক্ষণ, আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং সচেতনতার মাধ্যমে নারীরা শুধু অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হন না, বরং জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই জীবিকা গড়ে তুলতেও সক্ষম হন। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা শ্যামনগর উপজেলায় অনেক নারীর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনে দিয়েছে, যা নারী ক্ষমতায়নে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে।

Ads small one

‎সাতক্ষীরার সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানের ফাঁদ!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
‎সাতক্ষীরার সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানের ফাঁদ!

গাজী মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ
‎একটি দেশের সীমান্ত কেবল ভৌগোলিক বিভাজনরেখা নয়, এটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আইনের শাসনের গুরুত্বপূর্ণ প্রহরী। অথচ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তের জেলা সাতক্ষীরার দীর্ঘ সীমান্ত ঘিরে চোরাচালান, মাদক পাচার এবং সীমান্তকেন্দ্রিক নানা অপরাধের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এসব অপরাধ শুধু সীমান্তের নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলছে না, বরং স্থানীয় সমাজ, অর্থনীতি ও তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়েও তৈরি করছে গভীর উদ্বেগ। সাতক্ষীরা সীমান্তের বাস্তবতা চোরাচালানকারীদের জন্য নানা সুযোগ তৈরি করে। সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকা, নদী-খাল, জনবসতির কিছু অংশকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ধরনের পণ্য অবৈধভাবে পারাপারের অভিযোগ রয়েছে। এর সঙ্গে মাদক পাচারের বিষয়টি আরও ভয়াবহ। সীমান্তপথে কোনো মাদক বা নিষিদ্ধ পণ্য দেশে প্রবেশের পর তা শুধু সীমান্তবর্তী এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকে না, একটি সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এ ধরনের অপরাধে শুধু সীমান্তের অপরাধী চক্রই নয়, স্থানীয় পর্যায়ের কিছু ব্যক্তি ও মধ্যস্বত্বভোগীর সম্পৃক্ততার অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে সামনে আসে। বেকারত্ব, দারিদ্র্য ও সহজে অর্থ উপার্জনের প্রলোভনে কিছু তরুণ ও এই অবৈধ কর্মকা-ে জড়িয়ে পড়ছে। ফলে চোরাচালান একদিকে যেমন অপরাধের অর্থনীতি তৈরি করছে, অন্যদিকে তেমনি সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। তবে সীমান্ত নিরাপত্তার আলোচনায় একটি বিষয় স্পষ্টভাবে মনে রাখা জরুরি। জীবিকার তাগিদে কিংবা অসচেতনতার কারণে কেউ সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করলে তার জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা যেমন প্রয়োজন, তেমনি যারা পরিকল্পিতভাবে এই অপরাধের নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে, তাদের শনাক্ত করাও জরুরি। সীমান্তে সাধারণ মানুষের প্রাণহানি, আটক বা নির্যাতনের অভিযোগ যেমন উদ্বেগজনক, তেমনি দেশের ভেতরে বসে যারা এই অবৈধ বাণিজ্যের পেছনে অর্থ, যোগাযোগ ও সংগঠন জোগান দেয়, তাদের আইনের আওতায় আনা আরও গুরুত্বপূর্ণ।
‎প্রশ্ন হচ্ছে একজন বাহক ধরা পড়লেই কি চোরাচালান বন্ধ হবে? নাকি প্রয়োজন সেই নেটওয়ার্কের মূল হোতা, অর্থদাতা, সরবরাহকারী ও স্থানীয় সহযোগীদের শনাক্ত করা প্রয়োজন। সীমান্ত নিরাপত্তা কেবল বিজিবির টহল বাড়ানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। প্রয়োজন সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। প্রথমত, চোরাচালান ও মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর করতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক প্রভাব কিংবা অর্থনৈতিক ক্ষমতা, কোনো কিছুই যেন অপরাধীদের আইনের ঊর্ধ্বে যাওয়ার সুযোগ না দেয়। তবে ব্যবস্থা হতে হবে নির্ভরযোগ্য তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে, যাতে নিরপরাধ কেউ হয়রানির শিকার না হন।
‎সাতক্ষীরার সীমান্তকে শুধু অপরাধের পরিসংখ্যান দিয়ে বিচার করলে সমস্যার গভীরে পৌঁছানো যাবে না। এখানে যেমন নিরাপত্তার প্রশ্ন রয়েছে, তেমনি রয়েছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব, সীমান্তবাসীর জীবন-জীবিকা এবং রাষ্ট্রীয় সেবার পর্যাপ্ততার প্রশ্ন। তাই সীমান্ত নিরাপত্তাকে মানবিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত করেই দেখতে হবে। লেখক: গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ সাবেক ছাত্রনেতা ও উদ্যোক্তা

ব্রহ্মরাজপুরে মন্দিরের তালা ভেঙে মূর্তি ও স্বর্ণালঙ্কার চুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
ব্রহ্মরাজপুরে মন্দিরের তালা ভেঙে মূর্তি ও স্বর্ণালঙ্কার চুরি

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর বাজারের পাশের ‘জগন্নাথ মন্দির’ থেকে তালা ভেঙে তিনটি পিতলের মূর্তি ও সোনার চেইন চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত ১০ আগস্ট বিকেল পাঁচটা থেকে ১১ আগস্ট দুপুর দুইটার মধ্যে যেকোনো সময় মন্দিরে ঢুকে অজ্ঞাতনামা চোরেরা এসব মালামাল নিয়ে যায়। এ ঘটনায় মন্দিরে চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ১০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছেন মন্দির কমিটি।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১০ আগস্ট বিকেল অনুমান পাঁচটার দিকে মন্দির পরিচালনা কমিটির লোকজন কাজ শেষে প্রধান ফটকে তালা বন্ধ করে নিজ নিজ বাড়িতে চলে যান। পরদিন ১১ আগস্ট দুপুর দুইটার দিকে কমিটির সভাপতি ভীম অধিকারী (৫৫) পূজার উদ্দেশ্যে মন্দিরে যান। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান মন্দিরের মূল ফটকের তালা ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে।
ভেতরে প্রবেশ করে তিনি দেখতে পান, মন্দিরে থাকা নিতাই, গৌর ও গোপালের তিনটি পিতলের মূর্তি (আনুমানিক মূল্য ৮০ হাজার টাকা) এবং মূর্তির গলায় থাকা দুই আনা ওজনের একটি সোনার চেইন (আনুমানিক মূল্য ৩০ হাজার টাকা) নেই।
ঘটনার পর পরই স্থানীয় লোকজন ও আশপাশের বাসিন্দাদের খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় চুরি যাওয়া মালামালের খোঁজাখুঁজি করে কোনো সন্ধান না পেয়ে মন্দির কমিটির সভাপতি ভীম অধিকারী বাদী হয়ে সাতক্ষীরা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

 

বৃষ্টির ছড়ায় মিশে থাকা শৈশব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
বৃষ্টির ছড়ায় মিশে থাকা শৈশব

‎তারিক ইসলাম
‎বৃষ্টির দিনের দুপুরে টিনের চালে বৃষ্টির ঝমঝম শব্দ আর বাড়ির আঙিনায় ছোট ছোট শিশুদের কিচিরমিচির—এই চিরাচরিত রূপটি আমাদের গ্রামবাংলার। আর এই বর্ষার আমেজ যেন আরও গাঢ় হয়ে ওঠে যখন সেই বহু পুরোনো ছড়াটি কানে আসে:
‎‘আয় বৃষ্টি ঝেপে/‎ধান দেবো মেপে/‎লেবুর পাতা করমচা/ ‎যাহ বৃষ্টি ঝরে যা।’
‎এই চারটি পঙ্ক্তি কেবল একটি ছড়া নয়, বরং এটি আমাদের বাংলার শৈশবের এক জীবন্ত দলিল। করমচা, যা গ্রামবাংলার ঝোপঝাড়ের এক সাধারণ ফল, তা এই ছড়ার হাত ধরে আমাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গে পরিণত হয়েছে।
‎‎শৈশবে আমরা যারা গ্রামে বড় হয়েছি, তাদের কাছে করমচা মানেই এক অদ্ভুত রোমাঞ্চ। কাঁটাভরা গাছ থেকে সতর্ক হয়ে করমচা পাড়া, তারপর কাঁচা লঙ্কা, কাসুন্দি আর নুন দিয়ে সেই টক ফলের স্বাদ নেওয়া—এ যেন এক দারুণ উৎসব। করমচার রক্তিম আভা আজও আমাদের মনে করিয়ে দেয় সেই হারিয়ে যাওয়া দিনগুলোর কথা। ছড়ায় উল্লেখিত ‘লেবুর পাতা আর করমচা’র মেলবন্ধন কেবল একটি শব্দের খেলা নয়, বরং এটি আমাদের গ্রামীণ জীবনধারার প্রতিফলন, যেখানে প্রকৃতি ও মানুষ মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে।
করমচা কেবল স্বাদে অনন্য নয়, পুষ্টিগুণেও এটি অতুলনীয়। এতে বিদ্যমান প্রচুর আয়রন ও ভিটামিন সি শরীরকে সতেজ রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। হজমশক্তি বাড়াতে এবং শরীরের অভ্যন্তরীণ ক্লান্তি দূর করতে করমচার ভূমিকা বৈজ্ঞানিকভাবেই স্বীকৃত। এর ঔষধি গুণের কারণেই গ্রামীণ ভেষজ চিকিৎসায় করমচার ব্যবহার অত্যন্ত জনপ্রিয়।
‎বাংলা সাহিত্যের অলিতে-গলিতে করমচার এমন উল্লেখ হয়তো কম, কিন্তু লোকজ ঐতিহ্যে এর জায়গা দখল করে আছে আমাদের এই শিশুতোষ ছড়াটি। বর্ষার বৃষ্টিকে আহ্বান জানাতে গিয়ে করমচার উল্লেখ করাটা যেন এটাই প্রমাণ করে যে, করমচা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অতি আপন সত্তা। নাগরিক জীবনের ব্যস্ততায় আমরা হয়তো আজ করমচার ঝোপগুলোকে চোখের আড়াল করছি, কিন্তু এই ছড়াটি যখনই মনে পড়ে, তখনই যেন আমরা মুহূর্তের জন্য ফিরে যাই সেই নস্টালজিক গ্রামবাংলার মেঠোপথে।
‎আজকের দিনে যখন আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম ডিজিটাল স্ক্রিনে ব্যস্ত, তখন তাদের এই মাটির সোঁদা গন্ধমাখা ছড়া ও ফলের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। করমচা কেবল একটি ফল নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতির এক টুকরো ইতিহাস, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে টিকে থাকা প্রয়োজন। লেখক: ‎সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি