তুমি বুনে দাও বেণী
মুকুন্দ মন্ডল
পশমি চাদরের ভেতর থেকেও তোমার চোখ
দেখতে দেখতে চলে যাও দৃশ্য থেকে দৃশ্যান্তরে
ঢুকে পড়ো বাস্ত বীক্ষণে
জহুরির ঘষামাজা, অক্ষয় তিলক
সুনেত্রা, তুমি অন্ধকার ভেঙে ভেঙে
পথ তৈরি করো আলোর উৎসবের
মার্বেল পাথরের উজ্জয়িনী প্রাসাদ।
ভালোবাসার অকৃত্রিম প্রাবল্যে
প্রেরণার উৎস মুখে দাঁড়িয়ে
সমুদ্রকেও টেনে আনো কাছে
সীমানা ছাপিয়ে উপহারের ডালা হাতে
ছড়িয়ে দাও অরণ্যকে বিশাল চেতনায়
বৃক্ষের আন্দোলিত পত্রাবলিতে।
শিশুর খেলনা বক্সের রং পেন্সিলে
সব রঙ গুলো উঠে আসে রংধনুর
উড়িয়ে দাও শ্বেত কপোত সাথে
বেদনার নীল অপরাজিতা
শান্ত বাতাসের সাথে প্রবল ঝড়োহাওয়ার
স্নিগ্ধ স্রোতের সাথে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের।
বিস্তৃীর্ণ ফসলের মাঠ
চেতনার উর্বর ভূমিতে উৎকীর্ণ,
লাঙলের ফাল রতনের সুগভীর অন্বেষা।
কবিতা তুমি বুনে দাও বেণী, মানব জমিনে
ঋদ্ধ ফসলের, কোরাস সুরেও কণ্ঠ জোড়ে
স্বরলিপির আহূত সাধন,
প্রজ্ঞার আলোকে নির্মিত
ছন্দ উপমা অলংকারের এক বিমূর্ত মনোভূমি।












