রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত পবিত্র ঈদুল আজহা আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত পবিত্র ঈদুল আজহা আজ

অনলাইন ডেস্ক: সারা দেশে আজ বৃহস্পতিবার ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হবে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। ত্যাগ ও আত্মসমর্পণের মহিমায় প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদুল আজহা উদযাপনে প্রস্তুত দেশবাসী।

 

দেশে এই উৎসব ‘কোরবানির ঈদ’ নামেও পরিচিত। ঈদের দিন সকালে মুসল্লিরা নিকটস্থ ঈদগাহ ও মসজিদে সমবেত হয়ে ঈদুল আজহার দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করবেন। খতিবরা খুতবায় কোরবানির তাৎপর্য ও ইসলামের ত্যাগের আদর্শ তুলে ধরবেন। ধনী-গরিব নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামাজ আদায় ও শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এছাড়া বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

 

ঈদের প্রধান জামাত আয়োজনের জন্য রাজধানীর হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দান প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিচারপতি, কূটনীতিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঈদের জামাতে অংশ নেবেন। এ উপলক্ষে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

 

ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ভবনগুলোতে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ঈদ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করছে। এছাড়া হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা ও শিশু সদনে পরিবেশন করা হবে বিশেষ খাবার।

 

ঈদের নামাজ শেষে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে সামর্থ্যবান মুসলমানরা পশু কোরবানি করবেন। ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, হজরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর নির্দেশে প্রিয় পুত্র হজরত ইসমাঈলকে (আ.) কোরবানি করার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। মহান আল্লাহ তাঁর আনুগত্য ও ত্যাগের এই পরীক্ষায় সন্তুষ্ট হয়ে ইসমাঈল (আ.) এর পরিবর্তে একটি পশু কোরবানির ব্যবস্থা করেন। সেই ঘটনার স্মরণে ইসলামে কোরবানির বিধান চালু হয়।

 

ঈদুল আজহার সঙ্গে পবিত্র হজের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সৌদি আরবে আজ ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। এরই মধ্যে হজ পালনকারীরা আরাফাতের ময়দান, মুজদালিফা ও মিনায় হজের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করছেন। বিশ্বের বহু দেশ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ ঈদ উদযাপন করছে।

 

এদিকে ঈদ উপলক্ষে গত ২৫ মে থেকে দীর্ঘ ছুটি শুরু হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত দেশের সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ঈদের মূল ছুটির সঙ্গে নির্বাহী আদেশে ঘোষিত অতিরিক্ত ছুটি মিলিয়ে এ দীর্ঘ ছুটির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

এর আগে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গত ৭ মে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২৫ মে সাধারণ ছুটি ঘোষণা এবং ২৩ ও ২৪ মে অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে ঈদের ছুটিতেও হাসপাতাল, চিকিৎসাসেবা, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ইন্টারনেট ও ডাকসেবাসহ জরুরি সেবাগুলো চালু থাকবে। এসব খাতে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করবেন।

 

সংবাদমাধ্যমেও ঈদ উপলক্ষে পাঁচ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ২৭ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সংবাদপত্র প্রকাশিত হবে না।

 

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকার বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। দেশের সব সিএনজি ও ফিলিং স্টেশন খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাত্রী হয়রানি বা যেকোনো ভোগান্তির অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

Ads small one

গোল্ডেন বুট জিতে এমবাপ্পের ইতিহাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩২ পূর্বাহ্ণ
গোল্ডেন বুট জিতে এমবাপ্পের ইতিহাস

বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও ব্যক্তিগত অর্জনে ইতিহাস গড়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। টানা দুই আসরে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে প্রথম ফুটবলার হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো জিতেছেন বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট।

আট ম্যাচে ১০ গোল করে তিনি পেছনে ফেলেছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসিকে। এর আগে কাতার বিশ্বকাপেও আট গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন এমবাপ্পে। ফলে টানা দুই বিশ্বকাপে এই পুরস্কার জিতে ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হলেন ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।

১৯৭০ সালে পশ্চিম জার্মানির কিংবদন্তি জার্ড মুলারের পর এক আসরে প্রথম ফুটবলার হিসেবে ১০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন এমবাপ্পে। একটি বিশ্বকাপে তার চেয়ে বেশি গোল আছে শুধু ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইনের (১৩, ১৯৫৮) এবং হাঙ্গেরির শান্দর কচিশের (১১, ১৯৫৪)।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে পুরুষদের ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকাতেও এখন সবার ওপরে এমবাপ্পে। তার গোলসংখ্যা ২২, যা লিওনেল মেসির চেয়ে একটি বেশি।

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে মেসিকে ছাড়িয়ে যান এমবাপ্পে। যদিও সেই ম্যাচে ৬-৪ ব্যবধানে হেরে চতুর্থ স্থান নিয়েই টুর্নামেন্ট শেষ করে ফ্রান্স।

আর্জেন্টিনার হৃদয় ভেঙে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৪:২৯ পূর্বাহ্ণ
আর্জেন্টিনার হৃদয় ভেঙে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন

৯০ মিনিট ধরে যেন একাই দুর্গ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। তার অবিশ্বাস্য সব সেভে বারবার হতাশ হয়েছে স্পেন, আর ১০ জনের আর্জেন্টিনাও বাঁচিয়ে রেখেছিল শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন। মনে হচ্ছিল, আরেকবার হয়তো বিশ্বকাপ ট্রফি ছুঁয়ে দেখবেন লিওনেল মেসি। কিন্তু ফুটবল শেষ পর্যন্ত হাসল স্পেনের দিকেই। নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্যতে শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর মাত্র ৩৭ সেকেন্ড পর ফেরান তোরেসের অসাধারণ ফিনিশ ভেঙে দেয় আর্জেন্টিনার সব স্বপ্ন। সেই একমাত্র গোলেই ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি নিজেদের করে নিল লা রোহারা।

অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আসে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করা মুহূর্তটি। ডান প্রান্ত দিয়ে দারুণ এক আক্রমণের সূচনা করেন পেদ্রো পোরো। তার নিখুঁত ক্রস দূরের পোস্টে কোনোভাবে খেলায় রাখেন নিকো উইলিয়ামস। ফিরতি হেড থেকে বক্সের ভেতরে পাওয়া বল জোরালো শটে জালে জড়িয়ে দেন ফেরান তোরেস। গোল হতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়াম, আর স্তব্ধ হয়ে যায় আর্জেন্টিনার শিবির।

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের দখলে। বলের দখল, আক্রমণ, সুযোগ সৃষ্টি মিলিয়ে এগিয়ে ছিল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। কিন্তু আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ একের পর এক অবিশ্বাস্য সেভ করে ম্যাচ জমিয়ে রাখেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১০টি সেভ করে বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসেও গড়েন নতুন রেকর্ড।

তবে অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই ভাঙে অচলাবস্থা। ১০৬ মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে পেদ্রো পোরোর নিখুঁত ক্রস দূরের পোস্টে হেড করে ফেরান নিকো উইলিয়ামস। সেই বল কাছ থেকে জোরালো শটে জালে জড়িয়ে দেন বদলি হিসেবে নামা ফেরান তোরেস। এক মুহূর্তেই উল্লাসে ফেটে পড়ে গ্যালারি, স্তব্ধ হয়ে যায় আর্জেন্টিনার সমর্থকরা।

এর আগেই বড় ধাক্কা খেয়েছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। নির্ধারিত সময়ের শেষদিকে পাও কুবার্সির ওপর বেপরোয়া ট্যাকল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনসো ফার্নান্দেজ। ফলে অতিরিক্ত সময়ের পুরোটা ১০ জন নিয়েই খেলতে হয় লিওনেল স্কালোনির দলকে।

একজন কম নিয়েও শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। কিন্তু স্পেনের সংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা। ম্যাচের ১১৭ মিনিটে লিওনেল মেসির শট ব্লক হওয়ার মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনা প্রথমবারের মতো লক্ষ্যে আঘাত হানার চেষ্টা করে। সেটিই ছিল পুরো ম্যাচে তাদের প্রথম উল্লেখযোগ্য শট।

১৯৬২ সালে ব্রাজিলের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুটি বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়েই মাঠে নেমেছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু স্পেনের আধিপত্যের সামনে সেই স্বপ্ন অধরাই থেকে গেছে। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে মেসিও নিজের ছাপ রাখতে পারেননি।

শেষ দিকে আর্জেন্টিনা মরিয়া হয়ে সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও স্পেনের রক্ষণ আর গোলরক্ষক কোনো সুযোগ দেয়নি। শেষ বাঁশি বাজতেই শুরু হয়ে যায় লাল জার্সিধারীদের উৎসব। ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকার পর আবারও বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে উঠলো স্পেন।

বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ডে আর্জেন্টিনার রেকর্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৪:২০ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ডে আর্জেন্টিনার রেকর্ড

স্পেনের বিপক্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখে ইতিহাসের বিরল এক তালিকায় নাম লিখিয়েছেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। ম্যাচ চলাকালে বহিষ্কৃত হওয়ার মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে লাল কার্ড দেখা মাত্র ষষ্ঠ খেলোয়াড় হন।

এর পাশাপাশি এনজো তৃতীয় আর্জেন্টাইন ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখার তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন। এর আগে ১৯৯০ সালের ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে আর্জেন্টিনার পেদ্রো মনজোন এবং গুস্তাভো দেজোত্তি লাল কার্ড দেখেছিলেন।

প্রায় ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপ ফাইনালে একজন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখলেন। আর এই ঘটনার মধ্য দিয়ে এনজো ফার্নান্দেজ যুক্ত হলেন বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসের অন্যতম বিরল ও অনাকাঙ্ক্ষিত একটি পরিসংখ্যানে।

বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখা খেলোয়াড়দের তালিকা
• ১৯৯০: পেদ্রো মনজোন (আর্জেন্টিনা)
• ১৯৯০: গুস্তাভো দেজোত্তি (আর্জেন্টিনা)
• ১৯৯৮: মার্সেল দেসাই (ফ্রান্স)
• ২০০৬: জিনেদিন জিদান (ফ্রান্স)
• ২০১০: জন হেইটিঙ্গা (নেদারল্যান্ডস)
• ২০২৬: এনজো ফার্নান্দেজ (আর্জেন্টিনা)

এক নজরে দুই দলের শুরুর একাদশ:
আর্জেন্টিনার একাদশ (৪-৩-৩):
এমিলিয়ানো মার্তিনেস (গোলরক্ষক), গনসালো মন্তিয়েল, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, রদ্রিগো দে পল, এনসো ফার্নান্দেস, আলেক্সিস মাক আলিস্তার, লিওনেল মেসি (অধিনায়ক), হুলিয়ান আলভারেস, নিকোলা গনসালেস।

স্পেনের একাদশ (৪-২-৩-১ / ৪-৩-৩):
উনাই সিমন (গোলরক্ষক), পেদ্রো পোরো, পাউ কুবারসি, এমেরিক লাপোর্ত, মার্ক কুকুরেয়া, রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ, দানি অলমো, আলেক্স বায়েনা, লামিনে ইয়ামাল, মিকেল ওয়ারসাবাল।