মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

নেক্সাস কর্মসূচির মূল স্তম্ভ ও নীতিমালা কমিউনিটির কর্ম-পরিকল্পনা প্রশিক্ষণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ
নেক্সাস কর্মসূচির মূল স্তম্ভ ও নীতিমালা কমিউনিটির কর্ম-পরিকল্পনা প্রশিক্ষণ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা ইয়ূথ হাবে যুব-নেতৃত্বাধীন যুব নেতৃত্বাধীন নেক্সাস কর্মসূচির মূল স্তম্ভ ও নীতিমালা অনুসরণে কমিউনিটির কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন ২৬) সকাল ৯ টায় সাতক্ষীরা ইয়ূথ হাবে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো সাতক্ষীরার বাস্তবায়নে এবং একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মো: তহিদুজ্জামান (তহিদ)। প্রশিক্ষণে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন ও পৌরসভা এবং তালা উপজেলার ধানদিয়া ও নগরঘাটা ইউনিয়ন থেকে ২৫ জন যুব সদস্য ও কমিউনিটির মানুষ অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণটি চলবে ৩ দিন।

অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক উন্নয়ন, সামাজিক দায়বদ্ধতা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং নাগরিক অধিকার প্রসারে তরুণরা এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে, অনেক তরুণ নেতারই স্থানীয় শাসন কাঠামোর সাথে কার্যকরভাবে যুক্ত হওয়া এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনের পক্ষে কথা বলার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও জ্ঞান অর্জনের সুযোগ সীমিত।

এই প্রশিক্ষণটি নেক্সাস অ্যাপ্রোচ, লিঙ্গ ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, ক্ষমতা ও সম্পদ ম্যাপিং, বাজেট বিশ্লেষণ, সামাজিক পরিকল্পনা, পর্যবেক্ষণ এবং জলবায়ু অভিযোজন উদ্যোগের উপর আলোকপাত করবে। দলগত আলোচনা, ব্যবহারিক অনুশীলন, কেস স্টাডি, ভূমিকাভিনয় এবং কর্মপরিকল্পনা সেশনের মতো অংশগ্রহণমূলক শিক্ষণ পদ্ধতির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাদের নেতৃত্বের সক্ষমতা জোরদার করবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক, দায়বদ্ধ ও জলবায়ু-সহনশীল সামাজিক উন্নয়ন প্রসারের জন্য ব্যবহারিক সরঞ্জাম অর্জন করবে।

 

এই ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে, প্রকল্প এলাকার তরুণ নেতা এবং সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের জন্য তিন দিনব্যাপী “যুব নেতৃত্বাধীন নেক্সাস উন্নয়ন সামাজিক পদ্ধতি” শীর্ষক একটি প্রশিক্ষণের আয়োজন করা । সিডিওডব্লিউ-এর যে সকল তরুণ-তরুণী জিপিবি এবং এ৪টি প্রকল্পের কর্মীদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন, তারা এই প্রশিক্ষণে সহায়ক হিসেবে কাজ করবেন। এছাড়া, সহযোগী প্রশিক্ষক সকল প্রশিক্ষণ অধিবেশনে সহায়তা করবেন।

প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ইয়ুথ লিড নেক্সাস ডেভেলপমেন্ট কমিউনিটি পদ্ধতি সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের বোঝাপড়া বৃদ্ধি করা এবং স্থানীয় কর্মসূচি পরিকল্পনা, পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়নে এটি প্রয়োগ করার সক্ষমতা জোরদার করা। স্থানীয় চাহিদা চিহ্নিতকরণ, ক্ষমতার কাঠামো বিশ্লেষণ, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও লিঙ্গ সংবেদনশীলতা নিশ্চিতকরণ এবং সম্প্রদায়-ভিত্তিক জলবায়ু অভিযোজন ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ প্রণয়নে অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা। কার্যকর সম্প্রদায় উন্নয়ন ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য পরিকল্পনা সরঞ্জাম, পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা, অংশগ্রহণমূলক সংলাপ এবং অনলাইন ও অফলাইন উভয় পদ্ধতি ব্যবহারে অংশগ্রহণকারীদের ব্যবহারিক দক্ষতা তৈরি করা।

প্রশিক্ষণ থেকে প্রত্যাশিত ফলাফল অংশগ্রহণকারীরা ‘যুব নেতৃত্বাধীন নেক্সাস ডেভেলপমেন্ট কমিউনিটি’ পদ্ধতি এবং কমিউনিটি উন্নয়ন পরিকল্পনা ও পর্যবেক্ষণে এর বাস্তব প্রয়োগ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা প্রদর্শন করবে। এছাড়াও, তারা তরুণ ও কমিউনিটি সদস্যদের সহায়তায় ক্ষমতা ম্যাপিং, সম্পদ ম্যাপিং, পরিকল্পনা এবং কমিউনিটি উদ্যোগের পর্যবেক্ষণ পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। অংশগ্রহণকারীরা স্থানীয় প্রতিবন্ধকতা, ক্ষমতার কাঠামো এবং অন্তর্ভুক্তির ঘাটতি চিহ্নিত করতে এবং জলবায়ু সহনশীলতা, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও টেকসই কমিউনিটি উন্নয়নকে উৎসাহিত করে এমন বাস্তবসম্মত যুব-নেতৃত্বাধীন কর্ম-পরিকল্পনা তৈরি করতে সক্ষম হবে।

 

অংশগ্রহণকারীরা পরিকল্পনা সরঞ্জাম, পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি ব্যবহারে বাস্তব দক্ষতা অর্জন করবে এবং স্থানীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে অনলাইন ও অফলাইন উভয় পদ্ধতি প্রয়োগ করতে সক্ষম হবে। প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেকের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

৩ দিন ব্যাপী এই প্রশিক্ষণের দায়িত্ব পালন করেন, রিপন হোসেন, আরাফাত হোসেন, স্বপ্না খাতুন, ময়না খাতুন। প্রশিক্ষণের সহায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সাকিব হোসেন। উপস্থিত ছিলেন ইন্সপেরিটর একশনএইড বাংলাদেশ নয়ন হোসেন, প্রোগ্রাম অফিসার চন্দ্রশেখর হালদার প্রমুখ।

 

 

Ads small one

আদালতের রায় পাওয়ার পরও জমির দখল পেতে আদালত পাড়ায় ঘুরছেন বৃদ্ধ সামছুল কবীর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
আদালতের রায় পাওয়ার পরও জমির দখল পেতে আদালত পাড়ায় ঘুরছেন বৃদ্ধ সামছুল কবীর

পত্রদূত রিপোর্ট: ওয়ারেশ ও ক্রয়সূত্রে পাওয়া জমির নামপত্তন ও খাজনা পরিশোধ করে যাচ্ছেন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার মুকুন্দপুরের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা ৮০ বছরের বৃদ্ধ একেএম সামছুল কবীর। রেকর্ড সংশোধনের মামলার রায় তার পক্ষে যাওয়ার পরও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের কাছ থেকে জমির দখল বুঝে না পেয়ে আদালতপাড়ায় সময় কাটছে তার। সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা আদালত চত্বরে এমনই হাতাশা ব্যক্ত করেন সামছুল কবীর।

কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের মুকুন্দপুর গ্রামের সামছুল রহমানের ছেলে একেএম শামছুল কবীর জানান, ২০০৭ সালে তিনি পূবালী ব্যাংকের খুলনা প্রধান শাখার পিন্সিপ্যাল ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় অবসরে যান তিনি। মুকুন্দপুর মৌজার আরএস-২৪ খতিয়ানের ৭১২ দাগে ওয়ারেশসূত্রে ৭ দশমিক ৩৩ শতক ও ১৯৭৯ সালের ৬ জুলাই আবু বক্কর সরদারের কাছ থেকে চার শতক জমি কিনে মোট ১১ দশমিক ৩৩ শতক জমির নামপত্তন করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু ওই জমি ভুল করে একই গ্রামের আশরাফ আলীর নামে রেকর্ড হয়।

 

রেকর্ড মূলে ওই জমি আশরাফ আলীর ওয়ারেশগণ গায়ের জোরে জবরদখল অব্যহত রাখায় তিনি সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ম্যােিজষ্ট্রট আদালতে পিটিশন ৪৩৯/১৭ নং মামলা করেন। ২০১৯ সালের ২২ আগষ্ট বিচারক ওই জমি তাকে ভোগদখল করার জন্য নির্দেশনা দেন। এরপরও তিনি ওই জমির দখল না পাওয়ায় রেকর্ড সংশোধনের জন্য সাতক্ষীরা ল্যা- সার্ভে ট্রাইব্যুনালে ১৩৩১/২০ নং মামলা করেন।

 

মামলায় আশরাফ আলীর ছেলে দাউদ আলী সরদারসহ ১০জনকে বিবাদী করা হয়। ওই আদালতের বিচারক মোঃ জাহিদুল আজাদ ২০২২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর তার (শামছুল কবীর) পক্ষে রায় ও ২৪ সেপ্টেম্বর ডিক্রী দেন। আদেশে তার (শামছুল কবীর) নামে রেকর্ড প্রদান করে খতিয়ান সংশোধনের জন্য তৎকালিন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও কালিগঞ্জ সহকারি কমিশনারকে (ভূমি) নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

বেগতিক বুঝে ল্যা- সার্ভে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে বিবাদীপক্ষ মহামামন্য হাইকোর্টে ৪৭০৪/২৩ নং রিট পিটিশন দাখিল করে। আদালত শুনানী শেষে সাতক্ষীরা ল্যা- সার্ভে আপীল ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার জন্য বিবাদীপক্ষ দাউদ সরদার ও তার শরীকদের নির্দেশনা দেন। এরপর বিবাদীপক্ষ ল্যা- সার্ভে আপীল ট্রাইব্যুনালে ১১৫/২৪ নং আপীল মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় তিনি (শামছুল কবীর) স্বাক্ষ্য দিয়েছেন।

 

আপিল মামলা পরবর্তী ২৪টি ধার্য দিনেও পড়লে আপিলকারি পক্ষ মামলা বিলম্বিত করতে কৌশলে সাক্ষ্য দিতে গড়িমসি করছেন। আগামি পহেলা জুলাই সাক্ষীর জন্য পরবতী দিন ধার্য রয়েছে। ফলে তিনি ল্যা- সার্ভে ট্রাইব্যুনালে রায় পাওয়ার পরও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের কাছ থেকে জমি দখলে নিতে পারছেন না। প্রায় ৮০ বছর বয়সেও তিনি ন্যয় বিচারের মাধ্যমে জমির দখল পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। জীবদ্দশায় ওই জমির দখল পাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন তিনি।

তবে এ ব্যাপারে মনিরুল সরদার সাংবাদিকদের বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তারা সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবেন।

সাতক্ষীরা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাড. প্রণব সরকার বলেন, মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তিনি একেএম শামছুল কবীরের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আদালত দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করার জন্য যথেষ্ট আন্তরিক।
আপিলকারী পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. পরিতোষ কুমার ঘোষের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

 

 

শার্শায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারি খাদ্যপণ্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
শার্শায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারি খাদ্যপণ্য

বাগআঁচড়া (শার্শা) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামে নোংরা পরিবেশে একটি বেকারি কারখানাতে তৈরি করা হচ্ছে হরেক রকম বেকারী খাদ্যপণ্য। যা খেয়ে প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন ছোট-বড় হাজারও মানুষ।

তথ্য-অনুসন্ধানে (২৯ জুন) সোমবার দুপুরে সরেজমিন দেখা গেছে, উপজেলা বাগআঁচড়া ইউনিয়নের বসতপুর বড়কলনির মোড়ের পাশে একটি বাড়ির মধ্যে রিয়াদ ফুড নামক বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে বিস্কুট, রুটি কেকসহ বিভিন্ন রকমের বেকারি খাদ্যপণ্য তৈরি করা হচ্ছে।

বেকারী খাবার তৈরী করতে ক্ষতিকারক কেমিক্যাল, রং ও নি¤œমানের পাম তেল ব্যবহার করা হচ্ছে। শ্রমিকরা বিশেষ পোশাক ছাড়া খালি পায়ে খাবার তৈরী করছে। নোংরা ও অপরিষ্কার কড়াই গুলোতে আটা ময়দা প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে। ডালডা দিয়ে তৈরী করা ক্রিম রাখা পাত্রগুলোতে ঢাকনা নাই, ঝাকে ঝাকে মাছি ভনভন করছে। উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ন তারিখ ছাড়াই বাহিরে মোড়কে বনরুটি, পাউরুটি, কেক, বিস্কুটসহ বিভিন্ন ধরনের বেকারী খাবার উৎপাদন ও বাজারজাত করা হচ্ছে।

 

প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে একটি বাসা বাড়ির মধ্যে বেকারি পণ্য তৈরি করে বাজারজাত করছে এমনও অভিযোগ রয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ভেজাল কেমিক্যাল ও নিন্মমানের উপকরণ দিয়ে তৈরী করা খাবার নিয়মিত খেলে স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্বক ঝুঁকি বয়ে আনতে পারে।

রিয়াদ ফুড এর মালিক মো. খোকনের কাছে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাবার পরিবেশনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি ছোট ব্যাবসায়ী, আমি সব আইন কারণ মানতে পারছি না। আপনারা বড় কারখানায় গিয়ে দেখুন, সেখানেও আমার চেয়ে খারাপ অবস্থা।

এবিষয়ে শার্শা উপজেলা সেনেটারি ইন্সপেক্টর শেফালী খাতুন জানান, যদি কোন ব্যক্তি ও প্রতিষ্টান নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি করেন, তবে সেই প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন দুপুর) বেলা ২টায় সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির দুই নম্বর বিল্ডিং এর তিনতলায় লাইব্রেরী হলরুমে উক্ত সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহবায়ক এড. মোঃ আকবর আলী।

 

সংগঠনের সদস্য সচিব এড. নুরুল আমিন’র সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অংশ গ্রহণ করেন এড. এবিএম সেলিম, এড. আবু সাইদ রাজা, এড. শহীদ হাসান, এড. সিরাজুল ইসলাম, এড. শাহরিয়ার হাসীব, এড. জিএম ফিরোজ আহমেদ, এড. সরদার সাইফ, এড. মিজানুর রহমান বাপ্পি, এড. এবিএম ইমরান হোসেন শাওন, এড. আবদুল জলিল, এড. সোহরাব হোসনে বাবলু, এড. শামীমা পারভীন মিঠু, এড. সুনীল কুমার, এড. নজরুল ইসলাম, এড. তারিক ইকবাল অপু, এড. আইয়ুব আলী, এড. মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ অলি, এড. আজিজুল হক প্রমুখ।

 

সভায় সিদ্ধান্ত হয় আগামী ০৫ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ আইনজীবীদের মধ্যে বৃক্ষ বিতরণ করা হবে এবং সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দদের উপস্থিতিতে নবনির্বাচিত জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুর ইসলাম হাবিবকে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়া নবাগত আইনজীবীদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ফরম বিতরণ করা হবে। এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার জন্য কয়েকটি উপকমিটি করা হয়েছে।