শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

নেপালে তুষারধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
নেপালে তুষারধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫

নেপালে হিমালয়ের তুষারধসে কমপক্ষে ১৫ জন অভিযাত্রীকর্মী নিহত হয়েছেন। দেশটির মধ্যাঞ্চলে একটি পর্বতশিবিরে তুষারধসে চাপা পড়া মরদেহ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল থেকে আরও আটটি মরদেহ উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। রবিবার ভোরে ৭ হাজার ১২৬ মিটার উচ্চতার হিমলুং পর্বতের বেস ক্যাম্পে তুষারধসটি আঘাত হানে। এটি সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম ভয়াবহ পর্বত দুর্ঘটনা।

একজন অভিযাত্রীকর্মী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তবে তাকে জীবিত বা মৃত উদ্ধারের সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। শিগগিরই উদ্ধার অভিযান শেষ হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। তুষারধসের সময় বিদেশি পর্বতারোহীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাননি।

অভিযানে অভিজ্ঞ গাইডসহ ১১ জন উদ্ধারকর্মী অংশ নিচ্ছেন। তারা বেস ক্যাম্পে থাকা তাঁবুগুলোকে চাপা দেওয়া ৪ মিটারের বেশি গভীর তুষারের স্তর সরিয়ে মরদেহ খুঁজছেন। রবিবার দুই পর্বতারোহণ গাইডের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সোমবার উদ্ধার করা হয় রান্নাঘরের দুই কর্মীর মরদেহ। এরপর মঙ্গলবার আরও তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নেপালের সবচেয়ে ভয়াবহ পর্বতারোহণ দুর্ঘটনার একটি ঘটে ২০১৪ সালে। সে বছর এভারেস্টে তুষারধসে ১৬ জন নিহত হন। ২০১৫ সালে এভারেস্টে ভূমিকম্পে নিহত হন ১৮ জন।

বিশ্বের ১৪টি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের আটটির অবস্থান নেপালে। দেশটির অর্থনীতি পর্বতারোহণ ও ট্রেকিং পর্যটনের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। রোববার তুষারধসের ঘটনা ঘটে যে হিমলুং পর্বতে, সেটি ৭ হাজার মিটার উচ্চতার পর্বতশৃঙ্গে আরোহণের প্রস্তুতি নেওয়া পর্বতারোহীদের কাছে জনপ্রিয় গন্তব্য।

Ads small one

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের পদ্মপুকুরে বজ্রপাতে কাঠমিস্ত্রি নিহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার শ্যামনগরের পদ্মপুকুরে বজ্রপাতে কাঠমিস্ত্রি নিহত

মিলন বিশ্বাস: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের বন্যাতলা এলাকায় বজ্রপাতে শওকত গাজী (৫৫) নামে এক কাঠমিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুরে বন্যাতলা এলাকায় কাঠের কাজ করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহত শওকত গাজী আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাহুনিয়া লঞ্চঘাট এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত আব্দুল সামাদ গাজীর ছেলে।

নিহতের চাচাতো ভাই আব্দুল খালেক জানান, শুক্রবার দুপুরে শওকত গাজী বন্যাতলা এলাকায় কাঠের কাজ করছিলেন। এ সময় হালকা বৃষ্টি শুরু হলে হঠাৎ বজ্রপাত ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

স্থানীয়রা জানান, শওকত গাজী দীর্ঘদিন ধরে কাঠমিস্ত্রির কাজ করতেন। পাশাপাশি দিনমজুর হিসেবেও বিভিন্ন স্থানে কাজ করে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতেন। তিনি পাঁচ সন্তানের জনক ছিলেন।

প্রতাপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু দাউদ ঢালী শওকত গাজীর বজ্রপাতে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তার মরদেহ দাফনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

৯ গোলে হেরে বাংলাদেশের দুই ফুটবলার ‘নাইট ক্লাবে’! কী বলছেন তারা?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
৯ গোলে হেরে বাংলাদেশের দুই ফুটবলার ‘নাইট ক্লাবে’! কী বলছেন তারা?

ফিফা আসিয়ান কাপে শেষ ম্যাচে ৯-২ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার কাছে উড়ে গেছে জামাল ভূঁইয়ারা। জাকার্তায় এমন ম্যাচের পর সবার মন খারাপ। ইতিহাসে অনেক বছর পর এত বড় ব্যবধানে হার দেখলো বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার ম্যাচের পর গভীর রাতে দুটি ছবি আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে খেলোয়াড়দের কমিটমেন্ট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ।

রাতে ম্যাচ হেরে ‘নাইট ক্লাবে’ নাকি গিয়েছিলেন ডিফেন্ডার সাদ উদ্দিন ও মিডফিল্ডার সোহেল রানা। ইন্দোনেশিয়ার একজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেই ক্লাবের দুটি ছবি পোস্ট করে মন্তব্য করেছেন।

আলানা লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ৯-২ গোলে হেরেছে। বাংলাদেশ জাতীয় দলের সঙ্গে তাদের এইচ ক্লাবে দেখা হয়েছে।’

এরপর আবার লিখেছে, ‘আজকের ম্যাচ দেখতে তারা আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তবে মজার ব্যাপার হবে, যদি আমি সেখানে গিয়ে নিজেদের জাতীয় দলের বদলে বাংলাদেশের পক্ষেই গলা ফাটাতে শুরু করি!’

যদিও কয়েক ঘণ্টা পর সেই মেয়ে পোস্ট ডিলিটও করে ফেলেন।

জাতীয় দলের দুজনের মধ্যে সাদ উদ্দিন দেশে রওনা হয়েছেন। আর মিডফিল্ডার সোহেল রানা বাংলা ট্রিবিউনের কাছে নাইট ক্লাবে যাওয়ার ঘটনা অস্বীকার করে বলেছেন, ‘৯ গোলে হেরে আমরা জাকার্তায় নাইট ক্লাবে যাইনি। এমনিতে আমাদের সবার মন খারাপ। তাই এখানে আনন্দ করার কিছু নেই। আর ওই ছবিগুলো আসলে নেপালের ক্লাবের ঘটনা। ঘরোয়া ফুটবলের বিরতির সময় আমি আর সাদ ওখানে গিয়েছিলাম। আমাদের বন্ধুবান্ধব ছিল সেখানে। তাদের একজন ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। তাই মনে হচ্ছে আমরা জাকার্তায় পার্টিতে গিয়েছিলাম। আসলে ঘটনা সত্যি না।’

ব্র্যাকের পর নতুন যাত্রায় মিথিলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ
ব্র্যাকের পর নতুন যাত্রায় মিথিলা

অভিনয়ের পাশাপাশি একজন উন্নয়নকর্মী হিসেবেও দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। দীর্ঘ দুই দশক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের সঙ্গে কাজ করার পর এবার তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক হিসেবে যোগ দিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের এক পোস্টে পেশাগত জীবনের এই সুখবরের কথা জানিয়েছেন তিনি।

পোস্টে মিথিলা বলেন, ‘আমার পেশাগত জীবনে এক নতুন অধ্যায়ে পা দিচ্ছি। ব্র্যাকের সাথে দুই দশকের অভিজ্ঞতা অর্জনের পর—যার মধ্যে ১৫ বছরই কেটেছে ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের হয়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন খাতে—এবার একটা নতুন প্রফেশনাল জার্নি শুরু করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির ‘আর্ভিং ইনস্টিটিউট ফর ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড ট্রান্সলেশনাল রিসার্চ’-এ অ্যাসোসিয়েট রিসার্চ সায়েন্টিস্ট বা সহযোগী ‘গবেষণা বিজ্ঞানী’ হিসেবে জয়েন করছি আজ (১ অক্টোবর) থেকে।’

এই গবেষণায় মিথিলা কী কাজ করবেন পোস্টে সেটিও জানান। তার ভাষ্য, ‘এখানে আমার কাজ হবে নিউইয়র্ক এ অবস্থিত ‘আর্লি চাইল্ডহুড অ্যান্ড ফ্যামিলি হাব’ প্রজেক্টের ডিজাইন এবং মূল্যায়নে নেতৃত্ব দেওয়া। এই উদ্যোগটি, প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশ, পারিবারিক সম্পৃক্ততা এবং কমিউনিটি স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে; যেখানে একদম ছোট বাচ্চাদের (জন্ম থেকে পাঁচ বছর বয়স) পরিবারগুলোকে তাদের বেড়ে ওঠার জন্য দরকারি সব সুযোগ-সুবিধা আর পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।’

অভিনেত্রী পোস্টে লেখেন, ‘স্থানীয় মানুষের চাহিদার সাথে গবেষণার লক্ষ্যগুলোর মেলবন্ধন ঘটাতে এবং ডেটা ও প্রমাণ তৈরির মাধ্যমে এই কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নিতে আমার গ্লোবাল এক্সপেরিয়েন্সকে কলাম্বিয়ায় কাজে লাগাতে পারবো বলে আশা করছি।’

গবেষণার পাশাপাশি সেখানে শিক্ষকতাও করবেন জানিয়ে মিথিলা বলেন, ‘আমি সিটি ইউনিভার্সিটি অফ নিউ ইয়র্ক-এ ‘অ্যাডজাংন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর’ হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেছি। আমি সেখানে ‘ননপ্রফিট ম্যানেজমেন্ট’ পড়াচ্ছি, যেখানে আমি শিক্ষার্থীদের বাস্তব জগতের ননপ্রফিট সংস্থাগুলোর কাজের ধারণার সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি।’

জন্মদিনে জেমস: জীবনকে জটিলভাবে ভাবার দরকার নেইজন্মদিনে জেমস: জীবনকে জটিলভাবে ভাবার দরকার নেই
দীর্ঘদিনের কর্মস্থল ব্র্যাকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মিথিলা বলেন, ‘আমার এই প্রফেশনাল জার্নির জন্য আমি ব্র্যাকের কাছে মনেপ্রাণে কৃতজ্ঞ। কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির মতো বিশ্বের অন্যতম সেরা রিসার্চ ইনফাস্ট্রাকচার ও মেধাবী গবেষকদের টিমের সাথে কাজ করতে পারা আশা করি আমার কর্ম অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।’