বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

পাইকগাছায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক

 

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছা উপজেলার সবুজ পল্লী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা (ম্যানেজিং) কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। লটারির মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচন করার পরও দীর্ঘ দিন কমিটির অনুমোদন প্রক্রিয়া ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জুন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে ১২ সদস্যের পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়। পরে সভাপতি পদে তুষার কান্তি ম-ল ও নিতীশ ম-লের মধ্যে সমানসংখ্যক ভোট পড়ে। এই পরিস্থিতিতে সর্বসম্মতিতে লটারির মাধ্যমে শিশু শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর হাত দিয়ে তুষার কান্তি ম-লকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য রাজীব ম-ল ও ডা. সুভাষ ম-লসহ কয়েকজন অভিভাবকের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচিত না হওয়ায় কমিটির তালিকা উপজেলা শিক্ষা অফিসে পাঠাতে কালক্ষেপণ করা হচ্ছে। নির্বাচনের ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও তালিকা না পাঠানোয় নতুন কমিটি বাতিলের আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুব্রত কুমার ম-ল জানান, কোনো অভিযোগের বিষয়ে তাঁর জানা নেই। বিধি অনুযায়ী কমিটি জমা দেওয়ার জন্য এক মাস সময় থাকে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তালিকা শিক্ষা অফিসে পাঠানো হবে।
পাইকগাছা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার বিশ্বাস জানান, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির তালিকা দপ্তরে আসার পর কোনো আইনি বা প্রশাসনিক জটিলতা না থাকলে দ্রুত তা অনুমোদন করা হবে।

 

Ads small one

লোগো বদলালেই কি বদলে যাবে বিটিভি, যা বলছেন সংস্কৃতিজনরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ
লোগো বদলালেই কি বদলে যাবে বিটিভি, যা বলছেন সংস্কৃতিজনরা

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) সাড়ে পাঁচ দশকের পুরনো ঐতিহ্যবাহী লাল-সবুজ লোগো পরিবর্তনের সাম্প্রতিক উদ্যোগকে কেন্দ্র করে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আগস্টের শেষের দিকে বিটিভির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘ফিরছে নতুন রূপে বিটিভি’ শিরোনামে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। সেখানে সাধারণ নাগরিকদের কাছ থেকে নতুন লোগোর ডিজাইন ও আইডিয়া আহ্বান করা হয়। এরপরই এই বিতর্কটি সামনে আসে।

দেশের সংস্কৃতিকর্মীদের একটাই প্রশ্ন লোগো বদলালেই কি বদলে যাবে বিটিভি? দেখে নেওয়া যাক সংস্কৃতিজনদের কে কী বলেছেন-

খ.ম. হারূন (সাবেক উপমহাপরিচালক ও নন্দিত টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব)

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘বিটিভির স্বর্ণালী সময়ের একটি আবেগ এখনও টিকে আছে, সেটি হলো বিটিভির লোগো। এই লোগোকে আরও আকর্ষণীয় করা যেতে পারে, কিন্তু সেটা হতে হবে ঐতিহাসিক ‘লোগো’টিকে টিকিয়ে রেখে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘এখন এনালগ থেকে ডিজিটাল মাধ্যমে রূপান্তরিত হয়ে গেছে বিটিভি। প্রতিদিন প্রযুক্তি আরও আধুনিক হচ্ছে। কিন্তু আমরা আমাদের সম্প্রচার কর্মীদের সেভাবে প্রস্তুত করতে পারিনি এটা আমাদের ব‍্যর্থতা।’

আবুল হায়াত (অভিনেতা)

বিটিভির লোগো পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত আমার কাছে পাগলামি মনে হয়। এটা একটা হাস্যকর বিষয়। কাউকে দামি পোশাক পরালে কি সে কখনো জ্ঞানী হয়? এর আগেও আমরা বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করতে দেখেছি, পোশাক পরিবর্তন করতে দেখেছি। কিন্তু নাম ও পোশাক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে কী আমরা ভালো কিছু পেয়েছি?

বিটিভির কর্তৃপক্ষের উচিত দর্শক কেন বিটিভি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে, কেন দর্শকের বিটিভির ওপর আস্থা নেই এসব বিষয় নিয়ে কাজ করা। লোগো নিয়ে পড়ে না থেকে অনুষ্ঠান বা কনন্টের মান বাড়ানো উচিত বিটিভির। এই লোগো যদি গত ৫০ বছর থাকতে পারে তাহলে আগামীতে থাকতে সমস্যা কোথায়? লোগোর মধ্যে তো আমরা কোনও সমস্যা দেখি না। যেসব বিষয়ে সমস্যা আছে সেগুলো চিহিৃত করে ঠিক করতে পারলেই মানুষ বিটিভিমুখী হবে আমি মনে করি।

ডলি জহুর (অভিনেত্রী)

আমার প্রশ্ন হলো এই লোগো কেন পরিবর্তন করতে হবে। বিটিভি কর্তৃপক্ষ যদি এই কেন প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারে তাহলে পরিবর্তন নিয়ে আমার আপত্তি নেই। লোগো পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে তো বিটিভির অন্য কিছুতে পরিবর্তন হবে না। বিটিভির মানহীন অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে আরও অনেক কিছু পরিবর্তনের সুযোগ আছে। আমি মনে করি কর্তৃপক্ষকে সে সব বিষয়ের দিকে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। বিটিভিকে দর্শকমুখী করার জন্য লোগোর পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। দর্শক কী চায় সেই বিষয়গুলো সঠিকভাবে কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারলেই চলবে।

শেখ সাদী খান (সংগীত পরিচালক ও সুরকার)

সামাজিক যোগামযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘একটা কিছু না করলে নাম থাকবে কেমন করে? এ ধরনের নতুন কিছু করতে গেলে প্রথমে একটা বিজ্ঞ কমিটি গঠন প্রয়োজন! সেই কমিটির যুক্তি মতামতকে প্রাধান্য দিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত! এটা তো কারও ব্যক্তিগত সংসার না। এসব চিন্তা ছেড়ে মান সম্মত অনুষ্ঠান এবং সুস্থ সমাজ গড়ার দিকে নজর দিলে দেশ ও জাতির মঙ্গল হবে! সবচেয়ে আগে বিটিভির স্বচ্ছতা প্রয়োজন। অভিশপ্ত জাতির মঙ্গল হোক।’

আশরাফ বাবু (গীতিকার ও সুরকার)

লোগো চেঞ্জ করে কি বিটিভির মান ঠিক করা যাবে? আবার আরেক সরকার এসেই লোগো আবার চেঞ্জ করবে। বরং সাধারণ জনগণ থেকে আইডিয়া নিতে পারে কি ধরনের কি মানের প্রোগ্রাম তারা দেখতে চায় । বিটিভিরমান পরিবর্তনে অনেক কিছু করণীয় দরকার।

যা বললেন বিটিভির বর্তমান মহাপরিচালক

এদিকে তীব্র সমালোচনার মুখে বিটিভির বর্তমান মহাপরিচালক কাজী জেসিন বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, লোগো পরিবর্তনের কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি। কেবল তরুণ প্রজন্ম (জেন-জি) এবং সাধারণ দর্শকদের দৃষ্টিভঙ্গি ও আইডিয়া জানতেই এই বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘লোগো পরিবর্তনের উদ্যোগটি বিটিভির সার্বিক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার একটি অংশ মাত্র। এর পাশাপাশি নতুন কনটেন্ট তৈরি, আর্কাইভ আধুনিকায়ন, কর্মীদের সম্মানী কাঠামো এবং বিলিং পলিসিতেও বড় ধরনের সংস্কারের কাজ চলছে।’

পপির ‘বিতর্কিত মন্তব্যে’ ওমর সানীর আপত্তি, জানালেন ভিন্ন কথা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ
পপির ‘বিতর্কিত মন্তব্যে’ ওমর সানীর আপত্তি, জানালেন ভিন্ন কথা

অভিনয় থেকে দীর্ঘদিন ধরেই দূরে আছেন একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি। স্বামী-সন্তান ও সংসারেই এখন ব্যস্ত তিনি। এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নামে ছড়িয়ে পড়া একটি বক্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। তবে ছড়িয়ে পড়া ওই বক্তব্য নিজের নয় বলে জানিয়েছেন পপি।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, পপি বলেছেন, “যতটা পাপ কামিয়েছি, তার সবটা ধুয়েমুছে সুন্দরভাবে মরতে চাই।”

এবার এই বিষয়টি নিয়ে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে পপির প্রথম নায়ক ওমর সানী মুখ খুলেছেন।

‘কুলি’খ্যাত অভিনেতা বলেন, “পপির কথাটা যেভাবে এসেছে, এভাবে ঠিক না। যদি সে এভাবে বলে থাকে।”

ধর্ম-কর্ম দুই জিনিস জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “আসলে ধর্ম-কর্ম দুইটা আলাদা জিনিস। কর্মটা হালাল ধর্মতো কোনও কথাই নেই।”

চলচ্চিত্রের বাইরে যারা ড্রাগস, মেয়ে মানুষ ও অবৈধ পয়সা কামায় তাদের থেকে চলচ্চিত্রের মানুষদের ভালো বলেও দাবি করেন অভিনেতা তার পোস্টে। তিনি বলেন, “আমরা অবশ্যই ভালো। আল্লাহর হুকুম ছাড়া কেউ মক্কা এবং মদিনাতে যেতে পারে না, কিন্তু আল্লাহ আমাদের ডেকেছেন। বুঝলে বুঝপাতা না বুঝলে তেজপাতা।”

সবশেষে ওমর সানী পপিকে এখনও ছোট মানুষ উল্লেখ করে বলেন, “ও (পপি) তো এখনও আমার কাছে ছোট মানুষ, ভালো থাকিস পপি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কুলি’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বড়পর্দায় আসেন পপি। এ সিনেমার নায়ক ছিলেন ওমর সানী। এরপর এই জুটিকে ‘আমার বউ’সহ আরও কয়েকটি সিনেমায় দেখা যায়।

প্রধানমন্ত্রী বুদ্ধিমান মানুষ, সফরের সিদ্ধান্ত তার ওপর: ভারতীয় হাইকমিশনার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রী বুদ্ধিমান মানুষ, সফরের সিদ্ধান্ত তার ওপর: ভারতীয় হাইকমিশনার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের অনুকূল পরিবেশ আছে কিনা প্রশ্নে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, এটি সম্পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্ভর করে। তিনি অনেক বুদ্ধিমান মানুষ, জনগণের নেতা তিনি। সুতরাং আমি মনে করি, এটি প্রধানমন্ত্রীর ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। আর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের খাতিরে যা করা প্রয়োজন, আমার এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে, উভয় পক্ষের অভিপ্রায় জনগণকেন্দ্রিক। যখন জনগণকেন্দ্রিক বিষয় হয়, তখন যা হওয়ার হবেই।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ডেমোক্রেসিতে আলোচনার কোনও শেষ নাই। যদি আলোচনা শেষ হয়ে যায়, তাহলে ওটা ডেমোক্রেসি না। আলোচনা তো বহমান নদীর মতো। গঙ্গা-পদ্মা আছে, তার কোনও শেষ নাই, এটি বহমান থাকেই, কোথাও থমকে থাকে না। গঙ্গা-পদ্মা থমকে যাবে– এমন হতে পারে না। আলোচনা তেমনই নদীর স্রোতের মতো, সাগরের মতো, কোনোদিন থামবে না। আমি আশাবাদী, কনফিডেন্ট এইটাই হচ্ছে প্রসেস অব ডেমোক্রেসি, আর এই প্রসেসটা চিরকাল চলতেই থাকবে।

এ সময় তিনি জানান, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।