শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩

বন বিভাগের অভিযানে ১৫০ কেজি চিংড়ি মাছ, ২ টি বিষের বোতল, ১ টি নৌকা আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
বন বিভাগের অভিযানে ১৫০ কেজি চিংড়ি মাছ, ২ টি বিষের বোতল, ১ টি নৌকা আটক

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগ খুলনা রেঞ্জের অধীনস্থ জোড়শিং হারেজ খালী লোকালয় সংলগ্ন নদীতে অভিযান চালিয়েছে বন বিভাগ। এ সময় ১৫০ কেজি চিংড়ি মাছ, ২ টি বিষের বোতল ও ১ টি নৌকা জব্দ করা হয়।

শনিবার দিনগত রাত আনুমানিক ১২:৪০ মিনিটের সময় এই অভিযান চালায় বন বিভাগ।

জানা গেছে, কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশন, বজবজা বন টহল ফাঁড়ি সহ বন বিভাগের স্মার্ট টিমের অভিযানের সময় জোড়শিং হারেজখালী লোকালয় সংলগ্ন নদীতে অভিযান চালিয়ে ১৫০ কেজি চিংড়ি মাছ, দুইটি বিষের বোতল, ১ টি নৌকা সহ নৌকায় থাকা অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা ডেপুটি রেঞ্জার মোঃ নাসির উদ্দীন বলেন, আমাদের নিয়মিত টহলের সময় জোড়শিং হারেজখালী লোকালয় সংলগ্ন এলাকায় নদীতে অভিযান চালায়। এ সময় নৌকায় থাকা ১৫০ কেজি চিংড়ি মাছ, ১ টি নৌকা, ও ২ টি বিষের বোতল জব্দ করি।

 

তিনি আরো বলেন আমাদের স্পিড বোড, ও হাং এর উপস্থিতি টের পেয়ে দুষ্কৃতকারী পালিয়ে লোকালয়ে চলে যায়। তিনি আরও বলেন, আদালতের নির্দেশে জব্দকৃত চিংড়ি মাছ ও বিষের বোতল মাটিতে পুতে বিনষ্ট করা হয়েছে। এ বিষয়ে বন আইনে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Ads small one

ইন্দোনেশিয়ায় অনুপ্রবেশের অভিযোগে ৮ বাংলাদেশি গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৭ পূর্বাহ্ণ
ইন্দোনেশিয়ায় অনুপ্রবেশের অভিযোগে ৮ বাংলাদেশি গ্রেফতার

মালয়েশিয়া থেকে ইন্দোনেশিয়ায় অবৈধভাবে প্রবেশের অভিযোগে আট বাংলাদেশিসহ ১৬ জনকে গ্রেফতার করেছে দেশটির নৌবাহিনী।

সোমবার (৩১ আগস্ট) পশ্চিমাঞ্চলীয় ডুমাই জেলা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার সংবাদমাধ্যম জাকার্তা পোস্ট।

নৌবাহিনীর কর্মকর্তা আগুং এন. কুসুমাজির বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়া থেকে রিয়াউ প্রদেশে প্রবেশের সময় তাদের আটক করা হয়। গ্রেফতার হওয়া অপর আটজন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক।

নৌবাহিনী জানায়, দুই ইঞ্জিনবিশিষ্ট একটি স্পিডবোটে করে তারা অবৈধভাবে ইন্দোনেশিয়ায় প্রবেশ করছিলেন। পুর্নামা সমুদ্রসৈকতে প্রবেশের সময় নৌবাহিনীর সদস্যরা তাদের আটক করেন।

ডুমাই নৌঘাঁটির প্রধান কর্নেল কুসুমাজি বলেন, রোববার সন্ধ্যায় গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে তারা অনুপ্রবেশের বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর নৌ সদস্যদের পুর্নামার জলসীমা ও উপকূলজুড়ে নজরদারি জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন নৌঘাঁটির গোয়েন্দা ইউনিটের প্রধান ওয়াহিউ উইদিদি ওয়িদায়াত। অভিযানটি তিনটি দলে ভাগ করে পরিচালনা করা হয়।

নৌঘাঁটির কুইক রেসপন্স টিম, নৌবাহিনীর আঞ্চলিক কমান্ডের (কোডায়েরাল) সামুদ্রিক গোয়েন্দা ইউনিট এবং ফ্লিট কমান্ড (কোয়ারমাদা) ‘আইয়ের’ ইনটেলমার অপারেশনস টাস্কফোর্স অভিযানে অংশ নেয়।

ভক্তদের কৌতূহল: সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
ভক্তদের কৌতূহল: সমুদ্রপাড়ে নতুন লুকে দীঘি

অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির নীল জলরাশি, বিস্তীর্ণ বালুচর আর সমুদ্রের নির্মল বাতাস- কক্সবাজারের এমন মনোরম পরিবেশে হঠাৎই দেখা মিলল । সমুদ্র সৈকত থেকে নিজের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করতেই ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। তবে নিছক ঘুরতে নয়, শুটিংয়ের কাজেই কক্সবাজারে অবস্থান করছেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে দুটি ছবি শেয়ার করেন দীঘি। ছবিতে সমুদ্রের পাড়ে স্বাভাবিক ও ছিমছাম সাজে দেখা গেছে তাকে। সাগরের নীল জল আর বালুচরের আবহে অভিনেত্রীর নতুন লুকও নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। ছবির ক্যাপশনে দীঘি লিখেছেন, ‘আমি এসেছি সাগর পাড়ে ‘গো প্লান’-এর সাথে।’ এরপর থেকেই তার কক্সবাজার সফরের কারণ নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে ভক্তদের মধ্যে। কমেন্ট বক্সে অনেকেই অভিনেত্রীর প্রশংসা করার পাশাপাশি জানতে চেয়েছেন, সেখানে নতুন কোনো কাজের শুটিং করছেন কি না।

দীঘি অবশ্য বিষয়টি এখনই খোলাসা করতে চাইছেন না। জানা গেছে, শুটিংয়ের কাজে বর্তমানে কক্সবাজারে রয়েছেন তিনি। তবে ঠিক কোন প্রজেক্টের জন্য সেখানে গেছেন, সেটি আপাতত গোপনই রাখছেন অভিনেত্রী। নতুন কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে দীঘি বলেন, ‘অপেক্ষা করুন, সময় হলে জানতে পারবেন।’ ফলে তার নতুন কাজটি সিনেমা, ওয়েব কনটেন্ট নাকি অন্য কোনো ধরনের প্রজেক্ট এ বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য জানা যায়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিতই নিজের কাজ ও ব্যক্তিজীবনের নানা মুহূর্তের ছবি-ভিডিও শেয়ার করেন দীঘি। এবার কক্সবাজারের সমুদ্রপাড় থেকে প্রকাশ করা ছবিগুলোও মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে ভক্তদের মধ্যে। ছবির পাশাপাশি নতুন কাজের রহস্যই যেন বাড়িয়ে দিয়েছে তাদের আগ্রহ।

শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেকের পর থেকেই দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি পেয়েছেন দীঘি। ছোটবেলায় অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর বড় পর্দায় নায়িকা হিসেবেও নিজের জায়গা তৈরি করেছেন তিনি। এখন নতুন এই কাজ দিয়ে দর্শকদের সামনে কী চমক নিয়ে হাজির হন, সেটিই দেখার অপেক্ষা।

 

ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়াল বিসিবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়াল বিসিবি

বিপিএল স্থগিত হওয়ায় দেশের ক্রিকেটারদের আয়ে বড় ধাক্কা লাগার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে ঘরোয়া ক্রিকেটারদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এক লাফে বড় অঙ্কে বাড়ানো হলো ম্যাচ ফি। তবে বিসিবির সভাপতি তামিম ইকবালের দাবি, এটি শুধু বিপিএল না হওয়ার ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার সাময়িক উদ্যোগ নয়; বরং ঘরোয়া ক্রিকেটারদের আয় দীর্ঘমেয়াদে বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল এ ঘোষণা দেন।

নতুন ম্যাচ ফি কাঠামো অনুযায়ী, পুরুষ ক্রিকেটাররা এখন প্রতিটি প্রথম-শ্রেণির ম্যাচের জন্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাবেন, যা আগে ছিল ৭০ হাজার টাকা। বিসিবির অ্যাডহক কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় তামিম নিজেই এই ফি বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করেছিলেন।

‘লিস্ট এ’ ম্যাচের ফি-ও দ্বিগুণ করা হয়েছে। এখন খেলোয়াড়রা প্রতি ম্যাচের জন্য ১ লাখ টাকা পাবেন, যা আগে ছিল ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ফি ৪০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

নারীদের চার দিনের ম্যাচের ফি ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ হাজার টাকা করা হয়েছে। একদিনের ম্যাচের ক্ষেত্রে তা ১৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এছাড়াও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ফি ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

তামিম ইকবাল বলেন, খেলোয়াড়দের পক্ষ থেকে এক দুটি প্রস্তাব এসেছিল। শেষ পর্যন্ত আমরা আসলে আমি এটাকে দুটি পক্ষ হিসেবে দেখি না। পক্ষ একটাই, আমরা সবাই এক। ক্রিকেটার, ক্রিকেট বোর্ড, পরিচালক, সভাপতি সবাই আমরা এক।

তিনি আরও বলেন, আমরা সবাই মিলে যা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বিপিএলে সব মিলিয়ে ৫০, ৬০, ৬৫ বা ৭০ জন স্থানীয় ক্রিকেটার খেলবেন। কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেটের সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে যদি তাকান ফার্স্ট-ক্লাস, লিস্ট ‘এ’ ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন ক্রিকেটারের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এখন ঢাকা লিগ থেকে তারা দুই-তিন বছর আগে যে আয় করতেন, তা হয়তো কমে গেছে। তার ওপর, এ বছর বিপিএল অনুষ্ঠিত না হওয়ায় এর ফলে আর্থিক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিসিবি সভাপতি বলেন, আমি কখনোই খেলোয়াড়দের জন্য কেবল এক বছরের কোনো সমাধান চাইনি। আমি এমন একটি সমাধান চেয়েছিলাম, যা ক্রিকেটাররা বছরের পর বছর উপকূত হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই পদক্ষেপের ফলে ক্রিকেটাররা কেবল বিসিবি-র টুর্নামেন্ট খেলেই আর্থিকভাবে স্থিতিশীল থাকতে পারবেন, কারণ তারা মাসে প্রায় ৩ লাখ টাকা আয় করবেন।

সাবেক এই ক্রিকেটার মতে, সবকিছুর খরচই ১০০ শতাংশ বা তার বেশি বেড়েছে। আর এর সুফল কী? সেটাই আসল প্রশ্ন। এখন একজন ঘরোয়া ক্রিকেটার যদি পুরো মৌসুম খেলেন, তবে বেতনসহ আমার হিসাব যদি ভুল না হয় তারা বছরে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা আয় করবেন। এটাকে ১২ দিয়ে ভাগ করলে দেখা যায়, একজন খেলোয়াড়ের মাসিক আয় ৩ লাখ টাকারও বেশি হবে। পরিবার চালানোর জন্য তাদের আর কোনো দুশ্চিন্তা করতে হবে না বলেই আমার মনে হয়। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সেই সঙ্গে তিনি যোগ করেন, এখন তিনি খেলোয়াড়দের কাছ থেকে পেশাদারিত্ব আশা করছেন।