বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

খুলনা আহছানউল্লাহ কলেজ জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৯ অপরাহ্ণ
খুলনা আহছানউল্লাহ কলেজ জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন

সংবাদদাতা: খুলনা আহছানউল্লাহ কলেজ জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় খুলনা ময়লাপোতার মোড়ে কলেজ গেটের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেডিএ চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনা।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ‘বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসী’র সভাপতি ড. নাসির উদ্দিন, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান খোকন, সহসভাপতি সিরাজউদ্দিন সেন্টু, কামরুল ইসলাম ভুট্টো, সিপিবি নেতা মিজানুর রহমান বাবু, বাংলাদেশ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ ও দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার বিভাগীয় ব্যুরো চিফ প্রভাষক স্বদেশ সরকার, সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী এস এম নাজমুল হাসান, সহসভাপতি অধ্যক্ষ মল্লিক ওয়াহিদুজ্জামান, সাংবাদিক এস এম কামাল আহমেদ, পলাশ সরকার, ইমন শেখ, সুরঝংকার খুলনার সাধারণ সম্পাদক জি এম মহিউদ্দিন এবং খুলনা পোলট্রি ফিশ মালিক সমিতির নেতা জি এম মোশারফ হোসেন, আইনুল হক ও আবদুল আলিম।

‘বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসী’, সিপিবি, দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা বিভাগীয় পরিবার, খুলনা পোলট্রি ফিশ মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ খুলনা বিভাগীয় কমিটি ও সুরঝংকার খুলনাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী এবং কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনে সংহতি জানান।

Ads small one

এআই ডিপফেকের বিষাক্ত রাজনীতি: মিথ্যার ডিজিটাল কারবার বন্ধে চাই কঠোর আইন!

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
এআই ডিপফেকের বিষাক্ত রাজনীতি: মিথ্যার ডিজিটাল কারবার বন্ধে চাই কঠোর আইন!

গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎রাজনীতি মানেই মতের ভিন্নতা। গণতন্ত্রে একজনের রাজনৈতিক আদর্শের সঙ্গে অন্যজনের মতের অমিল থাকবেই। সরকারের সমালোচনা হবে, বিরোধী দলের সমালোচনা হবে, রাজনৈতিক নেতাদের কর্মকা- নিয়ে প্রশ্ন উঠবে এটাই গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির স্বাভাবিক অংশ।
‎কিন্তু সমালোচনা আর অপপ্রচার এক জিনিস নয়।

‎বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, মিথ্যা তথ্য, চরিত্রহনন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া ছবি, অডিও ও ভিডিও তৈরির প্রবণতা ভয়াবহভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে ‘ডিপফেক’ প্রযুক্তির মাধ্যমে এমন ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে কোনো রাজনৈতিক নেতা এমন কথা বলেছেন বা এমন কাজ করেছেন বলে দেখানো হচ্ছে বাস্তবে যার কোনো অস্তিত্বই নেই।

‎এটি শুধু একজন ব্যক্তির সম্মানহানির বিষয় নয়, এটি রাষ্ট্র, গণতন্ত্র এবং সমাজের তথ্যব্যবস্থার জন্যও একটি বড় হুমকি। রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদা রক্ষা কি গণতন্ত্রবিরোধী? কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা জনগণের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী সমালোচনার ঊর্ধ্বে নন। তাঁদের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করার অধিকার জনগণের আছে এবং সেই অধিকার গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু সমালোচনার নামে মিথ্যা বক্তব্য বসিয়ে দেওয়া, এআই দিয়ে ভুয়া ভিডিও বানানো, কণ্ঠস্বর নকল করা কিংবা সম্পাদিত ভিডিওকে সত্য হিসেবে প্রচার করা কোনোভাবেই মতপ্রকাশের স্বাধীনতার স্বাভাবিক প্রয়োগ হতে পারে না। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থাকা ব্যক্তিদের মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপমানজনক বা বিভ্রান্তিকর প্রচারণা মোকাবিলায় বিভিন্ন ধরনের আইন রয়েছে। তুরস্কে রাষ্ট্রপতিকে অপমানের জন্য দ-বিধিতে কারাদ-ের বিধান রয়েছে।

 

জার্মানিতেও ফেডারেল প্রেসিডেন্টকে প্রকাশ্যে অপমানের বিরুদ্ধে বিশেষ শাস্তির বিধান রয়েছে। আবার সিঙ্গাপুরে জনস্বার্থ, নির্বাচন বা জনশান্তিতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারেÑএমন জেনেশুনে মিথ্যা তথ্য অনলাইনে ছড়ানোর বিরুদ্ধে কঠোর আইন রয়েছে। তবে অন্য দেশের আইন হুবহু অনুসরণ করাই সমাধান নয়। বাংলাদেশের বাস্তবতা, সংবিধান, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিজস্ব কার্যকর আইন প্রণয়নই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।

 

বাংলাদেশের জন্য এখনই প্রয়োজন সুস্পষ্ট আইন বাংলাদেশে এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে অপরাধ মোকাবিলায় ইতোমধ্যে আইনি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আরও স্পষ্ট ও কার্যকর বিধান প্রয়োজন। বিশেষ করে রাষ্ট্রপ্রধান, প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে অও-নির্মিত ভুয়া ভিডিও, অডিও বা ছবি তৈরি ও প্রচারের ক্ষেত্রে আইনের আওতা, অপরাধের সংজ্ঞা, তদন্তের পদ্ধতি এবং শাস্তির বিষয়টি সুস্পষ্ট হওয়া দরকার।

 

আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো নিজের দলের নেতাকে নিয়ে কটূক্তি হলে আমরা প্রতিবাদ করি, কিন্তু প্রতিপক্ষের নেতার বিরুদ্ধে একই ধরনের অপপ্রচার হলে অনেক সময় সেটিকে রাজনৈতিক বিনোদন হিসেবে দেখি। এই দ্বিমুখী নীতি বন্ধ করতে হবে। আজ যে প্রযুক্তি দিয়ে একজন রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিডিও তৈরি হচ্ছে, আগামীকাল একই প্রযুক্তি অন্য দলের নেতা, সাংবাদিক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী কিংবা সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধেও ব্যবহার হতে পারে। অতএব, ডিপফেকের বিরুদ্ধে অবস্থান কোনো ব্যক্তি বা দলের পক্ষে অবস্থান নয়; এটি সত্যের পক্ষে অবস্থান।

 

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুরুতর এআই ডিপফেক, পরিকল্পিত অপপ্রচার ও ডিজিটাল চরিত্রহননের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করুন। প্রয়োজনে প্রযুক্তিগত ও ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করুন। অপরাধ প্রমাণিত হলে রাজনৈতিক পরিচয়, দলীয় অবস্থান কিংবা ক্ষমতার প্রভাব বিবেচনা না করে আইনের আওতায় আনা। একই সঙ্গে এটিও নিশ্চিত করতে হবে, এই আইন যেন প্রকৃত রাজনৈতিক সমালোচনা, ব্যঙ্গ, মতপ্রকাশ কিংবা সাংবাদিকতার স্বাধীনতাকে অযথা সীমাবদ্ধ করার হাতিয়ার না হয়।

 

শ্রীকৃষ্ণের পবিত্র জন্মতিথি শুভ জন্মাষ্টমী উদযাপিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ণ
শ্রীকৃষ্ণের পবিত্র জন্মতিথি শুভ জন্মাষ্টমী উদযাপিত

দীপঙ্কর বিশ্বাস: শুভ জন্মাষ্টমী ও পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পবিত্র জন্মতিথি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে উদযাপিত হয়েছে। দ্বাপর যুগে অন্যায়, অত্যাচার ও পাপাচার থেকে মানবসমাজকে রক্ষা করে সত্য ও সনাতন ধর্মকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে তিনি ধরায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন।

দিনটি ঘিরে দেশজুড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ। দেশের ছোট-বড় মন্দির, পূজা ম-প ও ভক্তদের নিজ গৃহে আয়োজিত হয় বিশেষ বিহিত পূজা, নামসংকীর্তন, শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ ও ভক্তিমূলক যজ্ঞ। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কৃপা লাভের আশায় দিনভর ব্রত ও উপবাস পালন করেন অনুসারীরা। মধ্যরাতে কৃষ্ণের শুভ জন্মলগ্নে নিশীথ পূজার মধ্য দিয়ে এই আরাধনা পূর্ণতা পায়।

দিনটি উদযাপনে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, যেখানে নানা বয়সের মানুষ এক হয়ে ভক্তিতে মেতে ওঠেন। একই সঙ্গে মন্দির প্রাঙ্গণগুলোতে কৃষ্ণের মহিমান্বিত জীবন ও গীতার অমর বাণী নিয়ে ধর্মীয় আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। মানবজাতির কল্যাণ, বিশ্বশান্তি ও দেশের অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে উৎসব শেষ হয়।

আশাশুনিতে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শেষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শেষ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনিতে ৫৩তম বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুরষ্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার উপজেলা পর্যায়ের খেলার সমাপ্তি ঘটে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে প্রতিযোগিতায় হ্যান্ডবল (ছাত্র) গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় দল এবং রানারআপ বুধহাটা কওছারিয়া দাখিল মাদ্রাসা। হ্যান্ডবল (ছাত্রী) গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বুধহাটা বাহাদুরপুর ভূবন মোহন কলেজিয়েট স্কুল দল ও রানারআপ আশাশুনি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় দল।

কাবাডিতে (ছাত্র) চ্যাম্পিয়ন আগরদাড়ি বাইমিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় দল ও রানারআপ কাদাকাটি আবার মাধ্যমিক বিদ্যালয় দল। কাবাডি (ছাত্রী) গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বুধহাটা বাহাদুরপুর ভূবন মোহন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং রানারআপ ত্রয়োদশ পল্লী।

দাবায় বালক (মধ্যম) গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন আহসান হাবিব (মহিষাভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়) এবং বড় গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নিয়াজ হোসেন (বুধহাটা বাহাদুরপুর ভূবন মোহন হাইস্কুল)। বালিকা (মধ্যম) গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন দিপালী রায় শ্রেয়া এবং বড় গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আফরোজা খানম (আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়)।

সাঁতারে বালক (বড় গ্রুপ): ১০০ মিটার মুক্ত সাঁতারে চ্যাম্পিয়ন লিওনার্দো মন্ডল (ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়), ১০০ মিটার চিত সাঁতারে ফিরোজ হোসেন (বুধহাটা কওছারিয়া দাখিল মাদ্রাসা), ১০০ মিটার বুক সাঁতারে ইলিয়াছ হোসেন (আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়), ১০০ মিটার প্রজাপতি সাঁতারে ইমরান হোসেন (আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়), ২০০ মিটার মুক্ত সাঁতারে ইমরান হোসেন (বুধহাটা বিবিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়) এবং ৪দ্ধ১০০ মিটার রিলে সাঁতারে প্রথম হয়েছে আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

বালিকা (বড় গ্রুপ): ১০০ মিটার মুক্ত সাঁতারে সুমাইয়া ইতি (গুণাকরকাটি খালিয়া আমিনিয়া মাদ্রাসা), ১০০ মিটার চিত সাঁতারে ইতি খাতুন (গুণাকরকাটি মাদ্রাসা), ১০০ মিটার প্রজাপতি সাঁতারে সুমাইয়া খাতুন ইতি (গুণাকরকাটি খালিয়া আমিনিয়া মাদ্রাসা) এবং ২০০ মিটার মুক্ত সাঁতারে শামিমা সুলতানা (আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়) প্রথম স্থান অধিকার করে।
বালক (মধ্যম গ্রুপ): ১০০ মিটার মুক্ত সাঁতারে রাকিবুল হাসান (চাকলা দাখিল মাদ্রাসা), ৫০ মিটার চিত সাঁতারে সাহাদ হোসেন সিজন (বুধহাটা বিবিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়), ৫০ মিটার বুক সাঁতারে আবু বক্কর ছিদ্দীক (চাপড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়), ৫০ মিটার প্রজাপতি সাঁতারে নিহান নেওয়াজ (আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়) এবং ৪দ্ধ৫০ মিটার রিলে সাঁতারে জয়ী হয় আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও চাপড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের যৌথ দল।

বালিকা (মধ্যম গ্রুপ): ১০০ মিটার মুক্ত সাঁতারে হালিমা খাতুন (গোয়ালডাঙ্গা ফকরবাড়ি মাধ্যমিক বিদ্যালয়), ৫০ মিটার চিত ও ৫০ মিটার প্রজাপতি সাঁতারে জেসমিন সুলতানা (আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়) এবং ৫০ মিটার বুক সাঁতারে মেহজাবিন (আশাশুনি বালিকা বিদ্যালয়) প্রথম স্থান অর্জন করে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু। অনুষ্ঠানে একাডেমিক সুপারভাইজার হাসানুজ্জামান, আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় নেতা আমিনুল ইসলাম মিনু উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক মো. আনিছুর রহমান।