বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

বিএনপি প্রতিশ্রুতি রক্ষার রাজনীতি করে: নার্গিস বেগম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ
বিএনপি প্রতিশ্রুতি রক্ষার রাজনীতি করে: নার্গিস বেগম

পত্রদূত ডেস্ক: যশোর শহরের এইচএমএম রোডে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম। যশোর শহরের এইচএমএম রোডে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম।

আগামী ২৭ এপ্রিল বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যশোর আগমন উপলক্ষে প্রচারণা লিফলেট বিতরণ করেছে বিএনপি। মঙ্গলবার দুপুরে যশোর শহরের এইচএমএম রোডে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম।

 

যশোর স্থানীয় খবর উদ্বোধনকালে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম বলেন, যশোরবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করতে আগামী ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরে আসছেন। তিনি যশোরবাসীর দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশা যশোর মেডিকেল কলেজের ৫০০ শয্যা হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে জনসভায় যশোরবাসীর দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশা পূরণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। মাত্র দুই মাসের মধ্যে তিনি যশোরবাসীর কাক্সিক্ষত স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে আসছেন।

এ সময় তিনি আরও বলেন, বিএনপি প্রতিশ্রুতি রক্ষার রাজনীতি করে। প্রধানমন্ত্রী যশোর মেডিকেল কলেজের যে হাসপাতাল নির্মাণ করতে আসছেন সেই কলেজটিও তার মা বেগম খালেদা জিয়ার হাতে তৈরি। দীর্ঘ ১৭ বছর যারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিল তারা যশোরবাসীর স্বপ্নের ৫০০ শয্যার হাসপাতাল তৈরি করেনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাসপাতালের পাশাপাশি পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে খনন করা উলাশীর খাল পুনঃখনন করবেন। তিনি নির্বাচনের আগে যশোরবাসীকে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে যশোরবাসীর যে চাহিদাগুলো বাকি আছে সেগুলো তুলে ধরবো। তিনি সেগুলো পূরণ করবেনÑইনশাআল্লাহ।

উদ্বোধনের পর নেতৃবৃন্দ শহরের বড়বাজারের বিভিন্ন মার্কেটে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেন। লিফলেট বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, সাবেক সহসভাপতি গোলাম রেজা দুলু, সাবেক প্রচার সম্পাদক অ্যাড. হাজী আনিছুর রহমান মুকুল, নগর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুল্লুক চাঁদ, সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক সেতু, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মাসুম, ফারুক হোসেন প্রমুখ।

 

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগ নেতা রাজ্যেশ্বর দাশ গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় আওয়ামী লীগ নেতা রাজ্যেশ্বর দাশ গ্রেপ্তার

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রাজ্যেশ্বর দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে আশাশুনি উপজেলার সরাফপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আওয়ামী লীগ নেতা রাজ্যেশ্বর দাশ (৬৫) সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের সরাফপুর গ্রামের মৃত কাত্তিক চন্দ্র দাসের ছেলে।

তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাতক্ষীরা জেলা কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক।
আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আরিফ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জেলা কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রাজ্যেশ্বর দাশ আশাশুনি থানায় দায়ের করা একটি নিয়মিত মামলার পলাতক আসামি ছিলেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সরাফপুর গ্রামের নিজের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। আজ বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হবে বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

ন্যাশনাল ডেস্ক: আজ ১২ রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। আল্লাহর প্রিয় নবী ও রসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন। এ ছাড়া ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের এই দিনে তিনি ৬৩ বছর বয়সে ওফাত লাভ করেন। সারা বিশ্বের মুসলমান এ দিনটি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন। আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর একাত্মবাদের দাওয়াত দিয়ে সত্য-ন্যায়, শান্তি ও মানবতার ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁকে সৃষ্টি করেছিলেন ‘রহমাতুল্লিল আলামিন’ হিসেবে। মহান আল্লাহ তাঁর ওপর নাজিল করেন পবিত্র কোরআন। মুসলিম উম্মাহ দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী হিসেবে উদ্যাপন করে থাকে। এ দিনে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, বেশি বেশি দরুদ পাঠ, দান-খয়রাতসহ নফল ইবাদতে মগ্ন থাকেন। অনেকে নফল রোজা রাখেন। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জশনে জলুস (আনন্দ শোভাযাত্রা), আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের কর্মসূচি নিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ নানা ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। এ ছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিলসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা ও রাজশাহীর মতো প্রধান শহরগুলোয় সুষ্ঠু ও নিরাপদে শোভাযাত্রা নিশ্চিতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

সম্পাদকীয়/ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.): বিশ্ব মানবতার মুক্তি ও সম্প্রীতির বার্তা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.): বিশ্ব মানবতার মুক্তি ও সম্প্রীতির বার্তা

বিশ্বমানবতার পরম বন্ধু, শান্তি, সাম্য ও ইনসাফের প্রতীক সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত মাহান্বিত দিনÑপবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.)। ১২ই রবিউল আউয়াল শুধু মুসলিম জাহানের জন্যই নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের ইতিহাসেই এক অনন্য ও বৈপ্লবিক মাইলফলক। যে সময়ে আরব সমাজ চরম অজ্ঞতা, অরাজকতা, সহিংসতা ও অমানবিকতার অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিলÑইতিহাসে যা ‘আইয়ামে জাহিলিয়াত’ বা অন্ধকার যুগ হিসেবে পরিচিতÑঠিক সেই প্রাক্কালে আল-আমিন বা পরম বিশ্বাসী হিসেবে আবির্ভূত হয়ে মহানবী (সা.) বিশ্ববাসীকে মুক্তির আলো দেখিয়েছিলেন। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে এরশাদ করেছেন, “আমি আপনাকে সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছি।” রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ কেবল একটি নির্দিষ্ট ধর্ম বা গোত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিশ্বজগতের সব জাতি ও মানুষের জন্য সার্বজনীন হেদায়েতের মশাল। তিনি তাঁর আদর্শ ও চরিত্র দিয়ে হিংসা-বিদ্বেষে জর্জরিত সমাজকে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করেছিলেন। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ন্যায়বিচার, মানবাধিকার এবং নারী ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার। ‘মদিনা সনদ’-এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বকে উপহার দিয়েছিলেন ধর্মীয় সহাবস্থান ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র কাঠামোর কালজয়ী দলিল।
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে, যখন সারা বিশ্বে হিংসা, পরশ্রীকাতরতা, যুদ্ধ, অন্যায় এবং সামাজিক অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়েছে, তখন মহানবী (সা.)-এর শিক্ষাকে নতুন করে লালন করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। শুধু বাহ্যিক আনুষ্ঠানিকতা বা মিলাদ মাহফিলের মধ্যে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী-এর তাৎপর্যকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। আসল উদ্যাপন লুকিয়ে আছে তাঁর রেখে যাওয়া সুন্নাহ ও নীতি-আদর্শকে দৈনন্দিন জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাস্তবায়নের মাধ্যমে।
সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা: ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে সৎ, আমানতদার ও ইনসাফভিত্তিক আচরণের চর্চা করা।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি: অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পরিবেশ তৈরি করা।
মানবিক সেবা: সমাজে দুস্থ, এতিম, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার সেবা নিশ্চিত করা।
পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) আমাদের আত্মশুদ্ধি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক ভালোবাসার শিক্ষা দেয়। প্রিয় নবী (সা.)-এর মহান আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও জাতীয় জীবন থেকে সব ধরনের অন্যায়, বৈষম্য ও হিংসা দূর করাই হোক আজকের দিনের দৃঢ় অঙ্গীকার। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ মেনে চলে দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তিময় জীবন গড়ার তৌফিক দান করুন।