শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

বিবিসির প্রতিবেদন: বাংলাদেশে ফেরার জন্য ভারত সীমান্তে অপেক্ষা, জেরা এবং তারপর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
বিবিসির প্রতিবেদন: বাংলাদেশে ফেরার জন্য ভারত সীমান্তে অপেক্ষা, জেরা এবং তারপর

অনলাইন ডেস্ক: যারা ভারতে অবৈধপথে গিয়েছিলেন, তারা যদি ‘স্বেচ্ছায়’ ফিরে যেতে চান তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে, ওই ঘোষণার আগেই সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য অনেক মানুষ প্রতিদিন হাজির হচ্ছেন সাতক্ষীরা আর পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত অঞ্চলে।

 

তাদেরই একজন বাচ্চু মুন্সি বলেন, ‘যখন আমার বছর দশেক বয়স, বাবা মায়ের হাত ধরে ভারতে চলে আসি। প্রায় ৩৮ বছর হয়ে গেল, এখানেই বিয়ে করেছি, ছেলেমেয়ে হয়েছে। তাদের বিয়েও দিয়েছি এখানে।’

কলকাতার দমদম বিমানবন্দর লাগোয়া এলাকায় থাকতেন বাচ্চু মুন্সি। তিনি সপরিবারে হাজির হয়েছিলেন বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনার একটি সীমান্ত চৌকি- হাকিমপুরে। বাচ্চু জানান, তিনি খুলনা জেলার বাসিন্দা।

 

বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য হাকিমপুর সীমান্তে প্রতিদিনই হাজির হচ্ছেন বাচ্চুর মতো আরও বহু নারী-পুরুষ ও শিশু। তাদের দাবি, তারা কেউ যশোর, কেউ খুলনা, কেউ সাতক্ষীরা থেকে ভারতে গিয়েছিলেন। কেউ যান বছর দুয়েক আগে, কেউবা পাঁচ-ছয় বছর আগে।

 

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি জয়ী হয়ে নতুন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার কয়েকদিন পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা দেন, ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’দের আর থাকতে দেওয়া হবে না। তাদের ফেরত পাঠানো হবে। এরপর গত এক সপ্তাহ ধরে প্রায় প্রতিদিনই সাত সকালে সীমান্তে জড়ো হচ্ছেন নিজের দেশে ফিরে যেতে চাওয়া মানুষরা।

 

হাকিমপুরের স্থানীয় বাসিন্দা হাসানুর গাজি বলেন, শুরুর দিকে দৈনিক ১০-১২ জন করে আসছিল। এরপর প্রতিদিনই বাড়ছে এই সংখ্যা। দিন তিনেক আগে থেকে সংখ্যাটা কয়েকশোতে গিয়ে ঠেকেছে।

 

সীমান্তে যারা জড়ো হচ্ছেন তাদের অনেকেই বলছেন, তারা ‘চোরাই পথে’ ভারতে গিয়েছিলেন এবং পশ্চিমবঙ্গে ‘অবৈধভাবেই’ বসবাস ও কাজকর্ম করছিলেন।

 

সীমান্ত চৌকিতে একদিন
হাকিমপুর এলাকাটা উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর থানার অধীনে। বিএসএফের চেকপোস্ট পেরিয়ে কিছুটা গেলেই তারালি গ্রাম, তারপরই সোনাই নদী। নদীর ওপারে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা।

 

সীমান্ত চৌকিতে দাঁড়িয়ে গত বুধবার বিবিসির সাংবাদিক অমিতাভ ভট্টশালী দেখেন, বাংলাদেশে চলে যাওয়ার জন্য সীমান্তে জড়ো হওয়া মানুষদের প্রথমে একটি পরিত্যক্ত ঘরে অপেক্ষা করতে বলা হচ্ছে। সেখান থেকে পুলিশ কর্মীরা একেকটি পরিবারকে ডেকে এনে নথি যাচাই করছেন। বাংলাদেশের পরিচয়পত্র দেখার পাশাপাশি লিখে নেওয়া হচ্ছে নাম ও স্থায়ী ঠিকানা। এরপর ছবি তোলা হচ্ছে।

 

সীমান্তে যাওয়া ব্যক্তিদের কীভাবে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে, সে ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন বা বিএসএফ আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলেনি। তবে স্থানীয় গ্রাম হাকিমপুরের বাসিন্দারা সব কার্যক্রমই দেখেছেন। তাদের একজন ব্যবসায়ী হাসানুর গাজি জানান, চেকপোস্টে নথি যাচাই হচ্ছে, বায়োমেট্রিক হচ্ছে। এরপর সীমান্তের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বিএসএফ। এখান থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে আমোদিয়া বলে একটা হাঁটা বর্ডার আছে, সেখান দিয়ে পার করে দিচ্ছে। দিনের বেলাতেও করছে, আবার অনেক সময়ে রাত হয়ে যাচ্ছে।

 

গত বুধবার হাকিমপুরের সীমান্ত চৌকিতে কয়েকজনের নথি যাচাইয়ের পর অপেক্ষা করতে বলা হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা সেখানেই অপেক্ষা করেন। এরপর তাদের বাসে করে নিয়ে যাওয়া হয় স্বরূপনগর থানা এলাকাতে গড়ে তোলা ‘হোল্ডিং সেন্টার’ বা আটক শিবিরে।

 

‘ভারতের ভোটার কার্ডও করিয়েছিলাম’
স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তাফা শাওজি জানান, সীমান্ত পেরিয়ে যারা বাংলাদেশে চলে যাওয়ার জন্য জড়ো হয়েছিলেন, তাদের অনেকের কাছেই ভারতের নানাবিধ পরিচয়পত্র আছে। কারো কাছে সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্রও আছে। সবাই হয়তো এ বিষয়ে কথা বলছে না, কিন্তু পরিচয়পত্র দেখিয়েছে।

 

ভারতের ভোটার কার্ড থাকার কথা স্বীকার করেছেন সীমান্তে অপেক্ষায় থাকা কয়েকজন। এরকমই একজন বাচ্চু মুন্সি। তিনি বলেন, ‘অনেক চেষ্টা করে ভোটার কার্ড করিয়েছিলাম। আধার কার্ড, প্যান কার্ডও করিয়েছিল। প্রথমবার আমি এখানে ভোট দিয়েছিলাম ২০২৪ সালে।’

 

তবে বাধ সেধেছে ২০২৬ সালের ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর। সংশোধিত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বাচ্চুর পরিবারের নাম।

 

নাজমা নামের একজন বলেন, ‘বিজেপি এখানে সরকারে আসার পর থেকেই তো বলে দিয়েছে আমাদের আর থাকতে দেবে না। তাই বাধ্য হয়ে চলে যাচ্ছি নিজের দেশে। বাংলাদেশের লোক ধরলেই জেলে ঢুকিয়ে দিচ্ছে। এখন সুযোগ দিয়েছে ফেরত চলে যাওয়ার, তাই চলে যাচ্ছি।’ নাজমার দাবি তিনি যশোরের আদি বাসিন্দা।

 

‘ভারতে আর ফিরব না’
নিজেকে সাতক্ষীরার বাসিন্দা বলে দাবি করা রাইসা পারভিন বলেন, ‘বিজেপি যখন থেকে জিতে এসেছে, তারপর থেকেই বলছে বাংলাদেশিদের আর থাকতে দেবে না। তাই আমি, আমার স্বামী, সন্তানদের নিয়ে চলে যেতে চাই। এসআইআরের সময়ে যখন অনেকে বাংলাদেশে চলে গেছে, সেই সময়েই আমার বাবা-মা ফিরে গেছেন।’

 

শেখ মাসুদ রানা নামে আরেকজন বলেন, ‘সরকারি ঘোষণা তো আছেই, একই সঙ্গে তারা যে অঞ্চলে থাকতেন, সেখানকার পুলিশ কড়াকড়ি করছে। বাড়িওয়ালারাও আর থাকতে দিতে চাইছে না।’

 

সীমান্তে জড়ো হওয়া আরও কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছে বিবিসি বাংলা। তাদের মধ্যে আছেন আখতারুল মোড়ল। তিনি বলেন, ‘পুলিশ এসে ঝামেলা করছে, বলছে বাংলাদেশিরা ভাগো। আগেরবার যখন এসআইআর হলো, সেই সময়ে চলে গেলেই ভালো হতো।’ শাহিন আলম মোল্লা নামে আরেকজন বলেন, তিনি আর ‘অবৈধ পথে’ ভারতে ফিরবেন না। ফিরলেও বৈধভাবে পাসপোর্ট নিয়ে বেড়াতে যাবেন।

Ads small one

ফাইনালের আগে লামিনে ইয়ামালকে নিয়ে শঙ্কা, যা জানালো স্পেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ণ
ফাইনালের আগে লামিনে ইয়ামালকে নিয়ে শঙ্কা, যা জানালো স্পেন

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে স্পেন শিবিরে দেখা দিয়েছে সাময়িক দুশ্চিন্তা। দলের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল মূল দলের সঙ্গে অনুশীলন না করে আলাদাভাবে অনুশীলন করায় তাকে নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়। তবে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ) জানিয়েছে, উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে আলাদা অনুশীলন করানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে অনুশীলনে ইয়ামালের সঙ্গে ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরোকেও মূল দল থেকে আলাদা রাখা হয়। দুজনই পুনর্বাসন ও হালকা ফিটনেস অনুশীলন করেন। এটি ছিল ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার পর স্পেনের প্রথম অনুশীলন।

অনুশীলনের ছবি প্রকাশ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইয়ামালের চোট নিয়ে জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে দ্রুতই বিষয়টি পরিষ্কার করে আরএফইএফ জানায়, দুজনকেই কেবল অতিরিক্ত চাপ এড়ানোর জন্য আলাদা অনুশীলন করানো হয়েছে। তাদের ফিটনেস নিয়ে কোনও উদ্বেগ নেই।

ফেডারেশনের আশা, রবিবার আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালে লামিনে ইয়ামালকে নিয়েই মাঠে নামবে স্পেন।

১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল চলতি বিশ্বকাপে স্পেনের অন্যতম সেরা পারফর্মার। তাই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগে তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া শঙ্কা দ্রুতই কাটিয়ে ওঠে স্প্যানিশ শিবির।

 

ফাইনালের আগে অনুশীলনে আর্জেন্টিনা, বেঞ্চে বসেই সময় কাটালেন মেসি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ণ
ফাইনালের আগে অনুশীলনে আর্জেন্টিনা, বেঞ্চে বসেই সময় কাটালেন মেসি

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ের পর বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রস্তুতি শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগে আটলান্টায় প্রথম অনুশীলন সেশন করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে এই সেশনে মাঠে বল নিয়ে অনুশীলনের বদলে বেঞ্চে বসেই সময় কাটাতে দেখা গেছে অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে।

সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারানোর ২৪ ঘণ্টাও পার হয়নি। তাই বৃহস্পতিবারের অনুশীলন ছিল মূলত পুনরুদ্ধার (রিকভারি) সেশন। যেসব খেলোয়াড় ৬০ মিনিটের বেশি খেলেছেন, তারা শুধু হালকা শারীরিক অনুশীলন করেন। অন্যদিকে কম সময় খেলা কিংবা না-খেলা ফুটবলাররা বল নিয়ে হালকা অনুশীলন করেন।

অনুশীলনের সময় মেসির সঙ্গে লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও এনজো ফার্নান্দেজকে খালি পায়ে একটি বেঞ্চে বসে গল্প করতে ও হাসতে দেখা যায়। পরে জুলিয়ানো সিমিওনে, হুলিয়ান আলভারেজসহ সেমিফাইনালের শুরুর একাদশের আরও কয়েকজন খেলোয়াড়ও তাদের সঙ্গে যোগ দেন।

পুরো অনুশীলনেই ছিল স্বস্তির আবহ। যেসব ফুটবলার আগের ম্যাচে কম খেলেছেন বা খেলেননি, তারা তুলনামূলক হালকা কসরত করেছেন।

আর্জেন্টিনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলন হবে শুক্রবার। নিউ জার্সিতে ফাইনালের ভেন্যুতে রওনা হওয়ার আগে আটলান্টায় এটিই হবে তাদের শেষ সেশন।

এবার ফিফা ফাইনালের আগে দুই দলের সূচিতে কিছু পরিবর্তন এনেছে। শুক্রবারের অনুশীলনের প্রথম ১৫ মিনিট গণমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। পাশাপাশি প্রতিটি দল থেকে তিনজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাবেন সাংবাদিকরা। এদিন সংবাদ সম্মেলনে আসবেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি ও স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তেও।

তবে ফাইনালের আগের দিন শনিবার আর্জেন্টিনা ও স্পেন—দুই দলের অনুশীলনই হবে সম্পূর্ণ ক্লোজড ডোর। শেষ মুহূর্তের কৌশলগত প্রস্তুতির জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্পেনকে নিয়ে যা বললেন মেসি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ণ
স্পেনকে নিয়ে যা বললেন মেসি

ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। শিরোপার লড়াইয়ে এবার তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন। দীর্ঘদিন বার্সেলোনায় খেলার সুবাদে স্প্যানিশ ফুটবল ও খেলোয়াড়দের সম্পর্কে ভালোভাবেই জানেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তাই ফাইনালের আগে প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট সমীহ করেই কথা বলেছেন তিনি।

রবিবার বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। ম্যাচের আগে টিওআইসি স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেসি বলেন, ‘ওরা দুর্দান্ত একটি দল। চমৎকার সব খেলোয়াড় আর দারুণ ফুটবলশৈলী রয়েছে তাদের। দলটিকে আমি খুব ভালো করেই চিনি। বহু বছর ধরে তারা নিজেদের একটি নির্দিষ্ট ফুটবল দর্শন ধরে রেখেছে। তাদের অনেক খেলোয়াড়কে আমি চিনি, তাদের বিপক্ষে খেলেছি এবং এখনও তাদের খেলা অনুসরণ করি। কয়েকজন তো বার্সেলোনায় খেলে, যে ক্লাবকে আমি মন থেকে ভালোবাসি। এটি একটি বিশেষ ম্যাচ, বিশ্বকাপের ফাইনাল। আমার বিশ্বাস, ম্যাচটি খুবই হাড্ডাহাড্ডি হবে।’

সমর্থকদের উদ্দেশে মেসি বলেন, ‘আমরা যেভাবে এই মুহূর্তটি উপভোগ করছি, আপনারাও সেভাবেই উপভোগ করুন। আমরা আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছি এবং আর্জেন্টিনাকে বিশ্বের সেরা দুই দলের একটিতে পরিণত করেছি। গত চার বছর ধরে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে যে আনন্দ পেয়েছি, এবারও সেই মঞ্চে ফিরেছি। এখন বাকিটা ঈশ্বরের ইচ্ছা।’

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতার প্রশংসা করে মেসি বলেন, ‘এই দলের পারফরম্যান্স আমাকে অবাক করে না। আমরা জানি আমাদের সামর্থ্য কতটুকু। দলের কয়েকজন খেলোয়াড় শারীরিকভাবে সীমার শেষ প্রান্তে থেকেও, এমনকি ইনজুরি নিয়েও খেলেছে। তাই হয়তো অনেকে সন্দেহ করেছিল আমরা এতদূর আসতে পারব কি না। কিন্তু এই দল ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাড়তি শক্তি পায়। একে অপরকে অনুপ্রাণিত করে এমন শক্তি বের করে আনে, যা হয়তো তারা নিজেরাও আগে জানত না।’