বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

মিড ডে মিল কোনো অনুগ্রহ বা দয়া নয়, এটি প্রতিটি শিক্ষার্থীর অধিকার: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৯ অপরাহ্ণ
মিড ডে মিল কোনো অনুগ্রহ বা দয়া নয়, এটি প্রতিটি শিক্ষার্থীর অধিকার: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, মিড ডে মিল কোনো অনুগ্রহ বা দয়া নয়, এটি বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রতিটি শিক্ষার্থীর অধিকার। পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিশুদের সুস্থতা, বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি ও শেখার সক্ষমতা বাড়ানোই স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, প্রতিটি শিশুর পুষ্টি ও শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। স্কুল ফিডিং কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম, অবহেলা বা নিম্নমানের খাবার সরবরাহের সুযোগ দেওয়া হবে না। এ কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কার্যকর অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো হবে।

আজ (বৃহস্পতিবার) খুলনার স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্প সম্পর্কে প্রধান শিক্ষকগণের ওরিয়েন্টেশন ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘কোনো শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে না’ এবং ‘প্রতিটি শিশু সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত হবে’ প্রাথমিক শিক্ষার এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করছে, যা শেখার সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শিক্ষায় বিনিয়োগ ধারাবাহিকভাবে বাড়ানো হচ্ছে। এই বিনিয়োগের মূল উদ্দেশ্য শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়; বরং প্রতিটি শিশুকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা, তার পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে একটি দক্ষ ও শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে তোলা।

স্কুল ফিডিংয়ে মান নিশ্চিত করার বিষয়ে কঠোর অবস্থান তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো খাবার নি¤œমানের, পচা বা অনুপযুক্ত মনে হলে তা গ্রহণ না করে ফেরত দিতে হবে এবং সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানাতে হবে। সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো অনিয়ম বা নি¤œমানের খাবারের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, স্কুল ফিডিং কর্মসূচির তদারকিতে মাদারস কমিটিকে আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। বিদ্যালয় পর্যায়ে খাবারের মান, পরিমাণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর অভিভাবকদের নজরদারি বাড়লে অনিয়ম কমবে এবং কর্মসূচির প্রতি জনগণের আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

খুলনা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সিফাত মেহনাজের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. মতিয়ার রহমান, ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল আমিন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (উপবৃত্তি) মো: মাসুদ হোসেন, খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত ও খুলনা বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষার বিভাগীয় উপপরিচালক ড. মো: শফিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তৃতা করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ অহিদুল আলম।
খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার একশত ৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তথ্যবিবরণী

 

Ads small one

শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের বেদখল হওয়া জমি উদ্ধার করলেন প্রশাসক হাবিব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের বেদখল হওয়া জমি উদ্ধার করলেন প্রশাসক হাবিব

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা সদরে শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের অবৈধভাবে দখল হওয়া জমি উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনার কাজ বন্ধ করে জায়গাটি দখলমুক্ত করেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। দুপুর ২টায় শ্যামনগর থানা গেটের সামনে পরিচালিত এ উদ্ধার অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান। এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব জেলা পরিষদের মালিকানাধীন বিভিন্ন স্থাপনা ও সম্পত্তি পরিদর্শন করেন।

পরে তিনি শ্যামনগরের নীলডুমুর ডাকবাংলো, চন্ডিপুর ২২ বিঘা পুকুর, আকাশনীলা ইকোপার্কসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জেলা পরিষদের সম্পত্তির অবস্থা সরেজমিনে দেখেন। এসব সম্পত্তি কীভাবে অবৈধ দখলমুক্ত করে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, “শ্যামনগর উপজেলায় জেলা পরিষদের যেসব সম্পত্তি বিভিন্ন সময়ে দখল হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে উদ্ধার করে সরকারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এসব সম্পত্তি আইন অনুযায়ী সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

উদ্ধার অভিযান ও পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশেক এলাহী মুন্না, জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার আল-আমিন, শ্যামনগর থানার ওসি, সাংবাদিক মারুফ হুসাইন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসি কাউসার আজিজের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসি কাউসার আজিজের

পত্রদূত ডেস্ক: দুর্যোগের আগেই সাইক্লোন সেন্টারগুলো প্রস্তুত করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ।

মঙ্গলবার (০৩ সেপ্টেম্বর ) জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি, সাতক্ষীরা আয়োজনে ‘বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘূর্ণিঝড় পূর্বাভাসভিত্তিক আগাম সাড়াদান কর্মসূচি ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে দুর্যোগ প্রতিক্রিয়াশীলকরণ এবং জলবায়ু ঝুঁকি বীমা কর্মসূচি’ বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত কর্মশালায় জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ বলেন, ঘূর্ণিঝড় বা কোনো বড় ধরনের দুর্যোগ আঘাত হানার আগেই সাইক্লোন সেন্টারগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় মেরামত ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। দুর্যোগের সময় ক্ষয়ক্ষতি শুরু হওয়ার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে নিরাপদে সাইক্লোন সেন্টারে নেওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি সাইক্লোন সেন্টারের পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রস্তুত রাখতে হবে। সংশ্লিষ্ট সব কমিটি, সদস্যদের দায়িত্ব ও করণীয়সহ প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত হালনাগাদ করে উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।

কর্মশালায় প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। এতে দুর্যোগের পূর্বাভাস পাওয়ার পর আগাম সাড়াদান, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে দুর্যোগ প্রতিক্রিয়াশীল করা এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বীমা কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এবং জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা।

এ ছাড়া দাতা সংস্থার প্রতিনিধি, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি খুলনা ফিল্ড অফিসের প্রধান আল মামুন আজাদ, বাস্তবায়নকারী সংস্থা সুশীলনের উপ-পরিচালক জিএম মনিরুজ্জামান, সমন্বয়কারী মো. ইমরান হোসেন, মিল কো-অর্ডিনেটর মো: খালিদ মাহমুদ উপজেলা সমন্বয়কারী নিখিল রঞ্জন ও মো: আয়ুব আলী উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াতের বহিষ্কৃত এমপি নজরুল ইসলামকে নিয়ে স্পিকার বললেন, ‘জিএম তো নাই’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
জামায়াতের বহিষ্কৃত এমপি নজরুল ইসলামকে নিয়ে স্পিকার বললেন, ‘জিএম তো নাই’

বাংলাদেশ জামায়তে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলাম (গাজী নজরুল ইসলাম) সংসদে উপস্থিত ছিলেন না। কিন্তু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের আজ চতুর্থ দিন বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) তার জন্য লিখিত প্রশ্ন ছিল উত্থাপনের জন্য।

নির্ধারিত সময় প্রশ্নোত্তর পর্বে স্পিকার তারকাচিহ্নিত প্রশ্ন উত্থাপনের আহ্বান জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। প্রশ্ন উত্থাপনের আহ্বান জানানোর সময় দেখেন তিনি নেই। এ সময় স্পিকার বলেন, জিএম তো নাই। এরপর হাসি দেন স্পিকার। সংসদে অন্যদের মধ্যে অনেককে হাসতে দেখা গেছে।

তার অনুপস্থিতির কারণে সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নটি উত্থাপিত হলো না বলে উল্লেখ করেন স্পিকার।

প্রশ্নোত্তর পর্বের ওই কপি যেটা সাংবাদিকদের হাতে এসেছে, তাতে দেখা গেছে, সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলামের প্রশ্নটি ছিল শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর কাছে। তার লিখিত প্রশ্নে ছিল শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করে বলবেন কি, বর্তমানে দেশে শ্রম আদালতের সংখ্যা কত, ওইগুলো কোথায় কোথায় অবস্থিত। ওই আদালতগুলোতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা কত? ওই মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে?

মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর জবাব দেওয়ার কথা ছিল, ‘বর্তমানে দেশে একটি শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল এবং ১৪টি শ্রম আদালতসহ মোট ১৫টি শ্রম আদালত রয়েছে। এগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, গাজীপুর ও ময়মনসিংহে অবস্থিত।