বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

কেশবপুরে ৩৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী নেই ১২১ টিতে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে ৩৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী নেই ১২১ টিতে

এম এ রহমান, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুরে ১৫৮ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৬টিতেই নেই স্থায়ী প্রধান শিক্ষক। একই সঙ্গে ১২১টি বিদ্যালয়ে নেই নৈশপ্রহরী-কাম-দপ্তরি। এতে একদিকে যেমন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের অতিরিক্ত দায়িত্বের কারণে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে নৈশপ্রহরী না থাকায় রাতে অরক্ষিত থাকছে বিদ্যালয়গুলো।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, ১৫৮ টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৬ টিতে সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২১ হাজার ৭৬৫ জন। কিন্তু বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক ও প্রশাসনিক নেতৃত্বের সংকট শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজ, বিভিন্ন সভা, উপবৃত্তি ও সরকারি হিসাব-নিকাশসহ নানা কাজে প্রায়ই শিক্ষা অফিসে যেতে হয়।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকরা এসব দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত থাকায় তাঁদের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। এতে ৩৬ টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অন্যদিকে বিদ্যালয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রমেও স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

কেশবপুরের একাধিক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকরা বলেন, অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের পাঠদান যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি অন্যান্য শিক্ষকরাও চাপে পড়ছেন। দ্রুত শূন্যপদগুলোতে নিয়োগ ও পদায়ন করা প্রয়োজন।

প্রধান শিক্ষক সংকটের পাশাপাশি বিদ্যালয়গুলোর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ১৫৮ টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ১২১ টিতে কোনো নৈশপ্রহরী-কাম-দপ্তরি নেই।

দীর্ঘদিন ধরে এসব পদ শূন্য থাকায় রাতে বিদ্যালয়গুলো অরক্ষিত অবস্থায় থাকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ সুযোগে বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে ল্যাপটপ, প্রজেক্টর, সাউন্ড সিস্টেম, বৈদ্যুতিক ফ্যানসহ সরকারি সরঞ্জাম চুরির ঘটনা ঘটছে। এতে সরকারি সম্পদের ক্ষতির পাশাপাশি ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে কেশবপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘শূন্যপদের তালিকা নিয়মিত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হচ্ছে। নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এই সংকট দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা করছি।’ নৈশ প্রহরী নিয়োগ নিয়ে মামলা থাকায় নিয়োগ বন্ধ রয়েছে, যার কারনে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত এ সমস্যা সমাধান হলে লেখাপড়ার মান বাড়বে।

Ads small one

দেবহাটা থানা পুলিশে অভিযানে ধর্ষণ মামলার ১জন আসামী গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
দেবহাটা থানা পুলিশে অভিযানে ধর্ষণ মামলার ১জন আসামী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: দেবহাটা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ধর্ষণ মামলার ১জন আসামী গ্রেফতার হয়েছে।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, (৩ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার অনুমানিক সকাল ১০ টায় দেবহাটা থানার এসআই আল-আমিন সংগীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করে দেবহাটা থানাধীন পলগাদা এলাকা হতে ধর্ষণ মামলা আসামী হাড়দ্দা গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে সজিব হোসেন গ্রেপ্তার করেন।

এ বিষয়ে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ এইচ এম শাহিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আসামীকে ৩ সেপ্টেম্বর যথাযথ পুলিশ প্রহরার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের বেদখল হওয়া জমি উদ্ধার করলেন প্রশাসক হাবিব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের বেদখল হওয়া জমি উদ্ধার করলেন প্রশাসক হাবিব

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা সদরে শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের অবৈধভাবে দখল হওয়া জমি উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনার কাজ বন্ধ করে জায়গাটি দখলমুক্ত করেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। দুপুর ২টায় শ্যামনগর থানা গেটের সামনে পরিচালিত এ উদ্ধার অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান। এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব জেলা পরিষদের মালিকানাধীন বিভিন্ন স্থাপনা ও সম্পত্তি পরিদর্শন করেন।

পরে তিনি শ্যামনগরের নীলডুমুর ডাকবাংলো, চন্ডিপুর ২২ বিঘা পুকুর, আকাশনীলা ইকোপার্কসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জেলা পরিষদের সম্পত্তির অবস্থা সরেজমিনে দেখেন। এসব সম্পত্তি কীভাবে অবৈধ দখলমুক্ত করে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, “শ্যামনগর উপজেলায় জেলা পরিষদের যেসব সম্পত্তি বিভিন্ন সময়ে দখল হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে উদ্ধার করে সরকারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এসব সম্পত্তি আইন অনুযায়ী সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

উদ্ধার অভিযান ও পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশেক এলাহী মুন্না, জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার আল-আমিন, শ্যামনগর থানার ওসি, সাংবাদিক মারুফ হুসাইন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসি কাউসার আজিজের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসি কাউসার আজিজের

পত্রদূত ডেস্ক: দুর্যোগের আগেই সাইক্লোন সেন্টারগুলো প্রস্তুত করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ।

মঙ্গলবার (০৩ সেপ্টেম্বর ) জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি, সাতক্ষীরা আয়োজনে ‘বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘূর্ণিঝড় পূর্বাভাসভিত্তিক আগাম সাড়াদান কর্মসূচি ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে দুর্যোগ প্রতিক্রিয়াশীলকরণ এবং জলবায়ু ঝুঁকি বীমা কর্মসূচি’ বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত কর্মশালায় জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ বলেন, ঘূর্ণিঝড় বা কোনো বড় ধরনের দুর্যোগ আঘাত হানার আগেই সাইক্লোন সেন্টারগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় মেরামত ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। দুর্যোগের সময় ক্ষয়ক্ষতি শুরু হওয়ার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে নিরাপদে সাইক্লোন সেন্টারে নেওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি সাইক্লোন সেন্টারের পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রস্তুত রাখতে হবে। সংশ্লিষ্ট সব কমিটি, সদস্যদের দায়িত্ব ও করণীয়সহ প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত হালনাগাদ করে উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।

কর্মশালায় প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। এতে দুর্যোগের পূর্বাভাস পাওয়ার পর আগাম সাড়াদান, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে দুর্যোগ প্রতিক্রিয়াশীল করা এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বীমা কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এবং জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা।

এ ছাড়া দাতা সংস্থার প্রতিনিধি, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি খুলনা ফিল্ড অফিসের প্রধান আল মামুন আজাদ, বাস্তবায়নকারী সংস্থা সুশীলনের উপ-পরিচালক জিএম মনিরুজ্জামান, সমন্বয়কারী মো. ইমরান হোসেন, মিল কো-অর্ডিনেটর মো: খালিদ মাহমুদ উপজেলা সমন্বয়কারী নিখিল রঞ্জন ও মো: আয়ুব আলী উপস্থিত ছিলেন।