বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরা আদালত প্রাঙ্গনে গড়ে উঠছে দৃষ্টিনন্দন ‘শাপলা চত্বর’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা আদালত প্রাঙ্গনে গড়ে উঠছে দৃষ্টিনন্দন ‘শাপলা চত্বর’

বদিউজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গনে দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত জায়গাকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ‘শাপলা চত্বর’। আদালত প্রাঙ্গণের সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি বিচারপ্রার্থী ও দর্শনার্থীদের জন্য একটি মনোরম পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ হিসেবে ইতোমধ্যে এর দৃশ্যমান কাজ শুরু হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম-এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় পরিত্যক্ত জায়গাটিতে জাতীয় ফুল শাপলার নান্দনিক প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়েছে। এর চারপাশে রয়েছে ছোট ছোট শাপলাপাতা ও ফুলের সমন্বয়ে আরও চারটি সৌন্দর্যবর্ধক সেট। পুরো স্থাপনাটি আদালত চত্বরের সৌন্দর্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বৃত্তাকার জলাধারের মাঝখানে স্থাপন করা হয়েছে আকর্ষণীয় বৃহৎ শাপলা। চারপাশের জলাধারে রয়েছে শাপলাপাতা ও ফুলের সৌন্দর্যবর্ধক নকশা। ইতোমধ্যে স্থাপনাটি আদালত চত্বরে আগত বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, শাপলা চত্বরের সৌন্দর্য আরও বাড়াতে সেখানে দৃষ্টিনন্দন ফোয়ারা নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে বিচারপ্রার্থী ও দর্শনার্থীদের স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচলের জন্য নির্মাণ করা হবে ওয়াকওয়ে। পরিকল্পনা অনুযায়ী অন্যান্য সৌন্দর্যবর্ধক কাজও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আব্দুস সাত্তার জানান, পরিত্যক্ত জায়গাটিকে নান্দনিক ও ব্যবহারযোগ্য করে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বল্প সময়ের মধ্যেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ফোয়ারা, ওয়াকওয়েসহ অন্যান্য সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।

আদালত চত্বরে এমন একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, বিচারালয়ের কর্মপরিবেশ ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি ‘শাপলা চত্বর’ সাতক্ষীরা আদালত প্রাঙ্গণের একটি নান্দনিক পরিচিতি হয়ে উঠবে।

Ads small one

শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের বেদখল হওয়া জমি উদ্ধার করলেন প্রশাসক হাবিব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের বেদখল হওয়া জমি উদ্ধার করলেন প্রশাসক হাবিব

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা সদরে শ্যামনগর থানার সামনে জেলা পরিষদের অবৈধভাবে দখল হওয়া জমি উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনার কাজ বন্ধ করে জায়গাটি দখলমুক্ত করেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। দুপুর ২টায় শ্যামনগর থানা গেটের সামনে পরিচালিত এ উদ্ধার অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান। এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব জেলা পরিষদের মালিকানাধীন বিভিন্ন স্থাপনা ও সম্পত্তি পরিদর্শন করেন।

পরে তিনি শ্যামনগরের নীলডুমুর ডাকবাংলো, চন্ডিপুর ২২ বিঘা পুকুর, আকাশনীলা ইকোপার্কসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে জেলা পরিষদের সম্পত্তির অবস্থা সরেজমিনে দেখেন। এসব সম্পত্তি কীভাবে অবৈধ দখলমুক্ত করে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, “শ্যামনগর উপজেলায় জেলা পরিষদের যেসব সম্পত্তি বিভিন্ন সময়ে দখল হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে উদ্ধার করে সরকারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এসব সম্পত্তি আইন অনুযায়ী সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি ও উন্নয়ন কর্মকান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

উদ্ধার অভিযান ও পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশেক এলাহী মুন্না, জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার আল-আমিন, শ্যামনগর থানার ওসি, সাংবাদিক মারুফ হুসাইন ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসি কাউসার আজিজের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির নির্দেশ ডিসি কাউসার আজিজের

পত্রদূত ডেস্ক: দুর্যোগের আগেই সাইক্লোন সেন্টারগুলো প্রস্তুত করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ।

মঙ্গলবার (০৩ সেপ্টেম্বর ) জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি, সাতক্ষীরা আয়োজনে ‘বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঘূর্ণিঝড় পূর্বাভাসভিত্তিক আগাম সাড়াদান কর্মসূচি ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে দুর্যোগ প্রতিক্রিয়াশীলকরণ এবং জলবায়ু ঝুঁকি বীমা কর্মসূচি’ বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত কর্মশালায় জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ বলেন, ঘূর্ণিঝড় বা কোনো বড় ধরনের দুর্যোগ আঘাত হানার আগেই সাইক্লোন সেন্টারগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় মেরামত ও প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে। দুর্যোগের সময় ক্ষয়ক্ষতি শুরু হওয়ার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে নিরাপদে সাইক্লোন সেন্টারে নেওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি সাইক্লোন সেন্টারের পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রস্তুত রাখতে হবে। সংশ্লিষ্ট সব কমিটি, সদস্যদের দায়িত্ব ও করণীয়সহ প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত হালনাগাদ করে উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।

কর্মশালায় প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। এতে দুর্যোগের পূর্বাভাস পাওয়ার পর আগাম সাড়াদান, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে দুর্যোগ প্রতিক্রিয়াশীল করা এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বীমা কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এবং জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা।

এ ছাড়া দাতা সংস্থার প্রতিনিধি, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি খুলনা ফিল্ড অফিসের প্রধান আল মামুন আজাদ, বাস্তবায়নকারী সংস্থা সুশীলনের উপ-পরিচালক জিএম মনিরুজ্জামান, সমন্বয়কারী মো. ইমরান হোসেন, মিল কো-অর্ডিনেটর মো: খালিদ মাহমুদ উপজেলা সমন্বয়কারী নিখিল রঞ্জন ও মো: আয়ুব আলী উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াতের বহিষ্কৃত এমপি নজরুল ইসলামকে নিয়ে স্পিকার বললেন, ‘জিএম তো নাই’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
জামায়াতের বহিষ্কৃত এমপি নজরুল ইসলামকে নিয়ে স্পিকার বললেন, ‘জিএম তো নাই’

বাংলাদেশ জামায়তে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলাম (গাজী নজরুল ইসলাম) সংসদে উপস্থিত ছিলেন না। কিন্তু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের আজ চতুর্থ দিন বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) তার জন্য লিখিত প্রশ্ন ছিল উত্থাপনের জন্য।

নির্ধারিত সময় প্রশ্নোত্তর পর্বে স্পিকার তারকাচিহ্নিত প্রশ্ন উত্থাপনের আহ্বান জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। প্রশ্ন উত্থাপনের আহ্বান জানানোর সময় দেখেন তিনি নেই। এ সময় স্পিকার বলেন, জিএম তো নাই। এরপর হাসি দেন স্পিকার। সংসদে অন্যদের মধ্যে অনেককে হাসতে দেখা গেছে।

তার অনুপস্থিতির কারণে সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নটি উত্থাপিত হলো না বলে উল্লেখ করেন স্পিকার।

প্রশ্নোত্তর পর্বের ওই কপি যেটা সাংবাদিকদের হাতে এসেছে, তাতে দেখা গেছে, সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলামের প্রশ্নটি ছিল শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর কাছে। তার লিখিত প্রশ্নে ছিল শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করে বলবেন কি, বর্তমানে দেশে শ্রম আদালতের সংখ্যা কত, ওইগুলো কোথায় কোথায় অবস্থিত। ওই আদালতগুলোতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা কত? ওই মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে?

মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর জবাব দেওয়ার কথা ছিল, ‘বর্তমানে দেশে একটি শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল এবং ১৪টি শ্রম আদালতসহ মোট ১৫টি শ্রম আদালত রয়েছে। এগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, গাজীপুর ও ময়মনসিংহে অবস্থিত।