শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

যশোরে অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লববার্ষিকীতে লাল পতাকা মিছিল ও সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
যশোরে অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লববার্ষিকীতে লাল পতাকা মিছিল ও সমাবেশ

১০৯তম মহান অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লববার্ষিকী উপলক্ষে যশোরে লাল পতাকা মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের জেলা কমিটি।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় সংগঠনের দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের পাইপপট্টি মোড় থেকে মিছিলটি বের হয়। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মিছিলটি যশোর প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের জেলা সভাপতি আশুতোষ বিশ্বাস। সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণা সরকারের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের যশোর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতির জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক সমীরণ বিশ্বাস এবং যশোর জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কামাল পারভেজ বুলু।

বক্তারা বলেন, বিশ্বজুড়ে শ্রমিকশ্রেণি অধিকার আদায়ে লড়াই করছে। সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো যুদ্ধ ও সামরিক ব্যয় বাড়ানোর মাধ্যমে শ্রমিক-জনগণের অধিকার সংকুচিত করছে। এ পরিস্থিতিতে পুঁজিবাদী রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থার বিপরীতে শ্রমিকশ্রেণির রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের তাৎপর্য তুলে ধরতে হবে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, রেশনিং ব্যবস্থা চালু এবং গণতান্ত্রিক শ্রম আইন বাস্তবায়নের দাবি জোরালো করার আহ্বান জানান তাঁরা।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে নেতারা বলেন, বর্তমান বাজারদরে শ্রমিকদের আয় দিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। ন্যায্য দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর নির্যাতন, গ্রেপ্তার ও হয়রানির অভিযোগ তুলে তাঁরা এর নিন্দা জানান এবং আটক শ্রমিক নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেন।

সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের বাজার, প্রাকৃতিক সম্পদ, কৃষি ও শ্রমশক্তি নিয়ে দেশি-বিদেশি প্রভাবশালী শক্তির স্বার্থসংশ্লিষ্ট তৎপরতা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং দক্ষিণ চীন সাগর ও তাইওয়ান প্রণালী ঘিরে উত্তেজনার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে বলে তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। মানবিক করিডরের প্রস্তাব, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা, এনডিএসহ বিভিন্ন সামরিক ও প্রতিরক্ষা চুক্তি এবং বিদেশি সামরিক উপস্থিতির বিরোধিতা করে এসব উদ্যোগ বাতিলের দাবি জানান নেতারা। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

Ads small one

অনুষ্ঠান থেকে বাদ দেওয়া হলো পরীমণিকে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:০২ অপরাহ্ণ
অনুষ্ঠান থেকে বাদ দেওয়া হলো পরীমণিকে

সাংবাদিকদের প্রতিবাদের মুখে চট্টগ্রামের ‘ফ্যাশন ভ্যানগার্ড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অনুষ্ঠান থেকে চিত্রনায়িকা পরীমণিকে বাদ দিয়েছেন আয়োজকরা। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়।

আয়োজকরা জানান, ঢাকা আদালত চত্বরে সাংবাদিকের সঙ্গে পরীমণির ঘটনার ১৭ দিন আগেই তার সঙ্গে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের বিষয়ে চুক্তি হয়েছিল। তবে সংবাদমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণের অভিযোগ এবং চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের প্রতিবাদের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে অনুষ্ঠান থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন আয়োজকরা।

এর আগে, গতকাল শুক্রবার রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘চট্টগ্রাম ফ্যাশন ভ্যানগার্ড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এর একটি পোস্টার শেয়ার করে পরীমণি লেখেন, ‘দেখা হচ্ছে প্রিয় চট্টগ্রাম।’

পরে পোস্টারটি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে আয়োজকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য ফারুক মুনির।

ফারুক মুনির লেখেন, ‘এই প্রোগ্রামের আয়োজকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমাদের সহকর্মী দৈনিক সমকালের রবির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে, তার মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে বিষয়টি মিটমাট না করলে আপনারা বিকল্প অতিথি খুঁজে নিন।’

তার এই বক্তব্যের পর চট্টগ্রামে কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পরীমণিকে বাদ দিয়ে অনুষ্ঠানের নতুন পোস্টার প্রকাশ করেন আয়োজকরা।

আগামী ২৮ নভেম্বর চট্টগ্রামের খুলশী থানার একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বিএনপির র‌্যালিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ণ
বিএনপির র‌্যালিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। দিবসটি উপলক্ষে শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে ক্ষমতাসীন বিএনপির র‌্যালি। এতে অংশ নিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকাল সোয়া ৩টার দিকে র‌্যালিটি রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন।

শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের কাছে গিয়ে ডান দিকে মোড় নেবে। এরপর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দিয়ে বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

কর্মসূচি উপলক্ষে নয়াপল্টনে সকাল থেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ও আশপাশের এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন দলটির নেতাকর্মীরা।

খণ্ড-খণ্ড মিছিল নিয়ে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড এবং আশপাশের জেলাগুলো থেকে সকাল থেকেই নয়াপল্টনে আসে নেতা-কর্মীরা। এসময় তাদের হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন এবং শীর্ষ নেতাদের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা গেছে। নানা রঙের টি-শার্ট ও টুপি পরে স্লোগানে-স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে রেখেছেন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

শোভাযাত্রার শুরুতে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রেখে এবং শোভাযাত্রার উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমাবেশে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যগণ বক্তব্য দেন।

সমাবেশ শেষে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকেই এ সুসজ্জিত শোভাযাত্রাটি যাত্রা শুরু করে। এরপর রাজধানীর নির্ধারিত সড়কগুলো পেরিয়ে সেটি গিয়ে থামে মানিক মিঞা অ্যাভিনিউতে। পুরো শোভাযাত্রা যেন সুশৃঙ্খল ও শান্ত পরিবেশেই সম্পন্ন হয়, সেজন্য দলের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে জোরালো প্রস্তুতি। রাস্তায় চলাচলের নিয়ম ও নিয়মশৃঙ্খলা ধরে রাখতে সচেষ্ট আছেন বিএনপির নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবীরা।

পাশাপাশি যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আশপাশের পুরো এলাকাজুড়ে কড়া নজরদারিতে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় শেরে বাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

১৯৭৫ সালের আজকের দিনে সিপাহী-জনতার বিপ্লবে দেশের তৎকালীন রাজনীতির গতিধারা পাল্টে গিয়েছিল। দেশ ও জাতি পেয়েছিল নতুন দিশা। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। অপরদিকে বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের এ দিনে জেনারেল জিয়াউর রহমান দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন। এরপর সেনাবাহিনীর ভেতর ও বাইরে অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্যেও জিয়াউর রহমান দেশকে স্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যান।

ইতিহাস পর্যালোচনা করে জানা যায়, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে তৎকালীন সরকারপ্রধান শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড এবং ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনার ধারাবাহিকতায় সেনাবাহিনীর তৎকালীন উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ তার অনুসারী সেনা সদস্যদের নিয়ে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করেন। নিজেকে সেনাপ্রধান হিসেবে ঘোষণা দিয়ে ৬ নভেম্বর বঙ্গভবনে গিয়ে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদকে গ্রেফতার করে মন্ত্রিসভা বাতিল ও জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেন খালেদ। প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে দেশের প্রেসিডেন্টের পদে বসান। ওই রাতেই সেনাবাহিনীর সাধারণ সিপাহিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

সেই অভ্যুত্থানে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন দিয়ে সর্বস্তরের জনতা রাজপথে নেমে আসে। সিপাহি-জনতার মিলিত সেই বিপ্লবে বন্দি অবস্থায় থেকে মুক্ত হন জিয়াউর রহমান। পাল্টা অভ্যুত্থান ঠেকাতে গিয়ে ৭ নভেম্বর সকালে কয়েকজন অনুসারীসহ প্রাণ হারান খালেদ মোশাররফ। অভূতপূর্ব এক সংহতির নজির সৃষ্টি হয় দেশের রাজনীতিতে। জিয়াউর রহমান চলে আসেন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে।

চীনের মহাকাশ স্টেশনে প্রথম বিদেশি নভোচারী হিসেবে যাচ্ছেন পাকিস্তানি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
চীনের মহাকাশ স্টেশনে প্রথম বিদেশি নভোচারী হিসেবে যাচ্ছেন পাকিস্তানি

চীনের নিজস্ব মহাকাশ স্টেশনে প্রথম বিদেশি নভোচারী হিসেবে যোগ দিতে যাচ্ছেন একজন পাকিস্তানি নভোচারী। বেইজিংয়ের মানববাহী মহাকাশ সংস্থা (সিএমএসএ) শনিবার (৭ নভেম্বর) এক ঘোষণায় নিশ্চিত করেছে, চীনের পরবর্তী কক্ষপথ অভিযানে অংশ নিয়ে ইতিহাস গড়বেন এই পাকিস্তানি নভোচারী।

এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার অধীনে পাকিস্তানি নভোচারীদের জন্য চীনা সরকারি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সূচনা করা হয়। সিএমএসএ জানিয়েছে, ওই পাকিস্তানি নভোচারী ‘শেনঝৌ-২৪’ ক্রুদের সঙ্গে মহাকাশের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করবেন। সংস্থাটি থেকে যাত্রার নির্দিষ্ট তারিখ জানানো না হলেও চলতি বছরের শেষের দিকেই এই অভিযান অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সিএমএসএ আরও জানায়, চীনা ক্রুদের সঙ্গে যোগ দেওয়া পাকিস্তানি নভোচারী একজন ‘পেলোড বিশেষজ্ঞ’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। মে মাসে ‘তিয়াংগং’ মহাকাশ স্টেশনে ‘শেনঝৌ-২৩’ মহাকাশযানের সঙ্গে পৃথিবীতে ফেরার আগে তিনি একটি স্বল্পমেয়াদী কক্ষপথ ফ্লাইটে অংশ নেবেন।

সংস্থাটি ওই ক্রু সদস্যের নাম প্রকাশ না করলেও গত এপ্রিলে জানিয়েছিল যে, চীনে প্রশিক্ষণের জন্য মুহাম্মদ জিশান আলী এবং খুররাম দাউদ নামে দুই নভোচারীকে নির্বাচন করা হয়েছে। দুজন পাইলটই ম্যান্ডারিন ভাষা শিক্ষা গ্রহণ করেছেন, যাতে তারা চীনা ক্রুদের সঙ্গে সাবলীলভাবে যোগাযোগ করতে পারেন এবং মহাকাশযানের সম্পূর্ণ চীনা ভাষার ইন্টারফেস পরিচালনা করতে পারেন। উৎক্ষেপণ ও পুনর্বিন্যাসের সময় প্রচণ্ড মহাকর্ষীয় শক্তি সহ্য করার জন্য প্রার্থীদের উচ্চ-জি সেনট্রিফিউজ ড্রিল অনুশীলন করতে হয়েছে। বেইজিংয়ের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে তাদের পাঠ্যক্রমের মধ্যে ছিল মাইক্রোগ্র্যাভিটি প্রোটোকলে দক্ষতা অর্জন, মহাকাশ স্টেশনের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ অনুশীলন এবং তিয়াংগং মহাকাশ স্টেশনের ভেতরে ওজনহীন অবস্থায় কীভাবে খাওয়া, ঘুমানো ও চলাফেরা করতে হয় তা শেখা।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেইজিং তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মহাকাশ কর্মসূচিতে বিপুল বিনিয়োগ করেছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে নভোচারী পাঠানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া ২০২৫ সালের চুক্তির বরাতে সে সময় জানিয়েছিল, চীনে প্রশিক্ষণ শেষে আগামী ‘কয়েক বছরে’ পাকিস্তানি নভোচারীরা চীনা সহকর্মীদের সঙ্গে একাধিক স্বল্পমেয়াদী মিশন পরিচালনা করবেন।

সূত্র: উইয়ন নিউজ