শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

রঙের আগে মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
রঙের আগে মানুষ

 

ইরফানুল আহছান জীম
জন্মের পর প্রথম কান্নাটুকুতে
কেউ জিজ্ঞেস করেনি-
“শিশুটির গায়ের রং কেমন?”
তখন সে শুধু মানুষ,
মায়ের বুকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর সন্তান।
কিন্তু একটু একটু করে বড় হতে হতে
শুনতে পায়-
“ও তো বেশ কালো!”
“রোদে এত ঘোরো কেন?”
“একটু ফর্সা হলে দেখতে ভালো লাগত!”
শব্দগুলো তখনও ছোট,
কিন্তু শিশুটির মনে
দাগগুলো বড় হতে থাকে।
স্কুলের অনুষ্ঠানে
ফর্সা মেয়েটি সামনে দাঁড়ায়,
কালো মেয়েটিকে কেউ বলে-
“তুমি একটু পেছনে দাঁড়াও।”
খেলার মাঠে সে-ও দৌড়ায়,
স্বপ্ন দেখে, হাসে, কাঁদে-
তবু তার পরিচয়ের আগে
কেন যেন তার গায়ের রংটাই আসে?
বয়স বাড়ে,
স্বপ্নও বড় হয়।
কেউ মঞ্চে উঠতে চায়,
কেউ নাটকে অভিনয় করতে চায়,
কেউ সিনেমার পর্দায় নিজের মুখ দেখতে চায়,
কেউ মডেলিংয়ের আলোয় দাঁড়িয়ে
নিজের গল্প বলতে চায়।
কিন্তু অডিশনের দরজায়
কখনো কখনো প্রতিভার আগে
আয়নায় খোঁজা হয় রং।
চোখের ভাষার আগে
ত্বকের ছায়া মাপা হয়।
অভিনয়ের আগে
মুখের উজ্জ্বলতা নিয়ে কথা হয়।
যেন চরিত্রের প্রয়োজন নেই,
প্রয়োজন শুধু একটি নির্দিষ্ট রং!
তারপর একদিন
বিয়ের প্রস্তাব আসে।
ঘরে চায়ের কাপ সাজে,
মিষ্টির প্লেট আসে,
দুই পরিবার মুখোমুখি বসে।
কেউ জিজ্ঞেস করেÑ
“মেয়েটা কী পড়েছে?”
“কী করতে ভালোবাসে?”
“মানুষ হিসেবে কেমন?”
কিন্তু সব প্রশ্নের আগেই
কারও চোখ গিয়ে থামে তার মুখেÑ
তারপর ফিসফিস করে ওঠে,
“রংটা একটু চাপা না?”
একটি মানুষের
শিক্ষা, স্বপ্ন, সততা, মায়া,
হাসি, হৃদয়Ñ
সবকিছু যেন মুহূর্তেই হারিয়ে যায়
দুটি শব্দের কাছেÑ
“গায়ের রং।”
কী অদ্ভুত এই পৃথিবী!
যে রং নিয়ে এত অহংকার,
সে রং তো আমরা নিজেরা বেছে নেয়নি।
যে রং নিয়ে কাউকে ছোট করি,
সেই রঙও তো আমাদের হাতে আঁকা নয়।
তবু মানুষ মানুষকে মাপে
ত্বকের রঙ দিয়ে;
কেউ সুন্দর হয় বিজ্ঞাপনের ভাষায়,
কেউ সুন্দর হয় আয়নার বিচারে,
আর কেউ সারাজীবন
নিজের স্বাভাবিক রংটাকে
অপরাধ ভেবে বয়ে বেড়ায়।
অথচ-
একদিন সবাইকে যেতে হবে
একটি অন্ধকার ঘরে।
সেখানে কোনো ক্যামেরা থাকবে না,
মডেলিংয়ের র‌্যাম্প থাকবে না,
সিনেমার পর্দা থাকবে না,
বিয়ের আসর থাকবে না,
কেউ দাঁড়িয়ে বলবে নাÑ
“এই মানুষটি ফর্সা,
ওই মানুষটি কালো।”
সেখানে
সবাই একই মাটির নিচে,
একই নীরবতায়।
যে মুখের রং নিয়ে
পৃথিবীতে এত বিচার হয়েছিল,
মাটির নিচে সে মুখও
একদিন মিশে যাবে মাটির সঙ্গে।
সেদিন কেউ জিজ্ঞেস করবে নাÑ
“গায়ের রং কী ছিল?”
হিসাব হবে অন্য কিছুরÑ
কতটা মানুষ ছিলে,
কতটা ভালো ছিলে,
কতটি হৃদয় ভাঙোনি,
কতটি চোখের জল মুছেছিলে,
কতটা ন্যায় নিয়ে বেঁচেছিলে।
তাই, মানুষকে রঙে নয়Ñ
মানুষ হিসেবে দেখো।
কারণ আয়নার সামনে
গায়ের রং হয়তো পরিচয় হতে পারে,
কিন্তু জীবনের শেষে
পরিচয় হবে শুধু একটাইÑ
সে একজন মানুষ ছিল।

Ads small one

শান্তিতে নোবেলজয়ী নাভি পিল্লাইকে ‘কট্টর বর্ণবাদী ও দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে মন্তব্য নেতানিয়াহুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
শান্তিতে নোবেলজয়ী নাভি পিল্লাইকে ‘কট্টর বর্ণবাদী ও দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে মন্তব্য নেতানিয়াহুর

চলতি বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী আন্তর্জাতিক আইনের প্রখ্যাত প্রবক্তা ও দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে ‘কট্টর বর্ণবাদী’ ও ‘দুর্নীতিগ্রস্ত কৌঁসুলি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়। ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে, পিল্লাইয়ের এমন মন্তব্যের জের ধরে এ প্রতিক্রিয়া জানায় দেশটি।

শুক্রবার পিল্লাইয়ের নোবেল বিজয়ের ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানায়, নোবেল প্রাইজ কমিটি তাদের নৈতিক দিকনির্দেশনা হারিয়ে ফেলেছে। তারা এমন একজন কট্টর বর্ণবাদীকে তাদের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করেছে, যিনি একমাত্র ইহুদি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা ও অপপ্রচার চালিয়ে ক্যারিয়ার গড়েছেন।

একই সঙ্গে পিল্লাই ইহুদিদের প্রতি বিদ্বেষ ও কুৎসা রটাতে উসকানি দিয়েছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

জাতিসংঘের অধীনে গঠিত ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অব ইনকোয়ারি অন দ্য অকুপাইড প্যালেনস্টাইন টেরিটরি-এর প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দেন ৮৫ বছর বয়সী নাভি পিল্লাই। অবশ্য এই কমিশনটি জাতিসংঘের মূল প্রতিনিধি হিসেবে সরাসরি কথা বলে না। তবে গত বছর এক প্রতিবেদনে কমিশনটি উল্লেখ করে যে, ইসরায়েল গাজায় গণহত্যা সংঘটিত করছে।

সূত্র: এএফপি

গ্রেফতার এড়াতে লিঙ্গ পরিবর্তন, ৮ বছর পর ধরা পড়লেন পলাতক আসামি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
গ্রেফতার এড়াতে লিঙ্গ পরিবর্তন, ৮ বছর পর ধরা পড়লেন পলাতক আসামি

আইনের চোখকে ফাঁকি দিতে মানুষ কত কৌশলই না অবলম্বন করে! কিন্তু কারাদণ্ড এড়াতে নিজের লিঙ্গ পরিবর্তন করে বোন সেজে থাকার মতো ঘটনা সচরাচর দেখা যায় না। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ২০১৮ সাল থেকে পলাতক তোঘরুল বাশার নামের এক ব্যক্তি ঠিক এই অবিশ্বাস্য কাণ্ডটিই ঘটিয়েছেন। অবশেষে দীর্ঘ আট বছর পর পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।

২০১০ সালে সরকারি কর্মকর্তা সেজে তিনটি চুরির ঘটনায় তোঘরুল বাশারকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। কিন্তু ২০১৮ সালে সাজা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। সম্প্রতি ইস্তাম্বুলের কাদিকোয় জেলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের ধরতে এক বিশেষ অভিযান শুরু হলে পুলিশ বাশারের সন্ধান পায়।

তবে পুলিশকে সবচেয়ে বেশি চমকে দিয়েছে বাশারের আত্মগোপনের অদ্ভুত কৌশল। তিনি হুবহু তার বোনের রূপ ধারণ করেছিলেন এবং নিজের চেহারা এতটাই বদলে ফেলেছিলেন যে তাকে চেনার কোনও উপায় ছিল না। দীর্ঘদিন ধরে তিনি একজন রূপান্তরকামী নারী হিসেবে বাস করছিলেন।

পুলিশ বাশারের পরিবার ও পরিচিতদের ওপর প্রযুক্তিগত নজরদারি চালিয়ে এই জট খোলে। তদন্তে দেখা যায়, তার বোনের বাড়িতে দুজন তরুণী বসবাস করছেন এবং ঘরের বাইরে বের হওয়ার সময় তারা দুজনেই একই পরিচয়পত্র ব্যবহার করছেন। পুরোনো ছবির সঙ্গে চেহারার কোনও মিল না থাকায় পুলিশ ওই রহস্যময় নারীকে অনুসরণের সিদ্ধান্ত নেয়। পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের পর বাশারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের সময় তার কাছে তার বোনের জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়া যায়, তবে আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তিনিই পলাতক বাশার। কিছু সূত্রে তার ছদ্মবেশ ধারণের কথা বলা হলেও অন্য বেশ কিছু সূত্রে দাবি করা হয়েছে যে তিনি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে লিঙ্গ পরিবর্তন করেছিলেন। অবশ্য এসবের কোনোটিই আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

তবে দৈহিক পরিবর্তন বা নিজস্ব পরিচয় যাই হোক না কেন, তুরস্কের আইন অনুযায়ী বাশারকে পুরুষদের কারাগারেই সাজা ভোগ করতে হবে। কারণ তুরস্কের সরকারি সিভিল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেমে তিনি কখনোই নিজের নাম বা লিঙ্গ পরিবর্তন করেননি। ফলে জাতীয় পরিচয়পত্রে থাকা লিঙ্গ অনুযায়ী তাকে পুরুষদের কারাগারেই পাঠানো হচ্ছে।

সূত্র: ওডিটি সেন্ট্রাল

স্তন ক্যানসার সচেতনতা দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
স্তন ক্যানসার সচেতনতা দিবস আজ

দেশে নারীদের বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হচ্ছে স্তন ক্যানসার। সঠিক সময়ে শনাক্ত না হওয়ায় এবং সচেতনতার অভাবে প্রতি বছর বহু নারীর মৃত্যু হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনই জাতীয় পর্যায়ে স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিং নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) স্তন ক্যানসার সচেতনতা দিবস। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরাম ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগ যৌথভাবে সংলাপ ও গোলাপি শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে।

শনিবার সকাল ১০টায় বিএমইউ’র ডা. মিলন হলে ‘স্তন ক্যানসারের বৈশ্বিক ও জাতীয় পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে। পরে বেলা ১১টায় শাহবাগ থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত গোলাপি শোভাযাত্রা ও লিফলেট বিতরণ করা হবে।

সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএমইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করবেন ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন। তিনি জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউটের ক্যানসার ইপিডেমিওলজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান এবং বর্তমানে গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক ক্যানসার হাসপাতালের প্রকল্প সমন্বয়কারী।

সংলাপে অংশ নেবেন বিএমইউ’র ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন, জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. হালিদা হানুম আখতারসহ ফোরামের নেতারা। অনুষ্ঠানে ফোরামের তিন সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচিও ঘোষণা করা হবে।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরাম ২০১৩ সাল থেকে প্রতিবছর ১০ অক্টোবর বেসরকারিভাবে স্তন ক্যানসার সচেতনতা দিবস পালন করে আসছে। দিবসটি উপলক্ষে অক্টোবর মাসজুড়ে স্তন ক্যানসার প্রতিরোধ, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়।

এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে আলোচনা সভা, এলাকাভিত্তিক পথসভা ও গোলাপি শোভাযাত্রা। এ ছাড়া গোলাপি রঙে সাজানো বাস নিয়ে বিভিন্ন সড়কে প্রচার কার্যক্রম চালানো হয়।

বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী এবং গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক ক্যানসার হাসপাতালের প্রকল্প সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন বলেন, ‘‘প্রাথমিক পর্যায়ে যদি শনাক্ত করা হয়, তবে স্তন ক্যানসারের ৯০ শতাংশ রোগীর সঠিক এবং সম্পূর্ণ চিকিৎসার মাধ্যমে সেরে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘‘প্রাথমিক পর্যায়ে যদি স্তন ক্যানসার ধরা পড়ে তবে এটি নিরাময়ের সম্ভাবনা বেশি থাকে, যা নারীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনে।

আইএআরসি রিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১২,৭৬৪ জন নারী স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হন এবং ৬৮৪৪ জন মারা যান। তিনি সবসময় জোর দেন, বাংলাদেশের মতো স্বল্প সম্পদের দেশে দামি মেশিনের চেয়ে সচেতনতা, নিয়মিত সেলফ এক্সামিনেশন, মায়েদের বুকের দুধ খাওয়ানো এবং তৃণমূল পর্যায়ে কম খরচে স্ক্রিনিং ক্যাম্পই পারে মৃত্যুহার কমাতে।