সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

লাবসায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশন ক্যাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
লাবসায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশন ক্যাম্প

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার ১৩ নম্বর লাবসা ইউনিয়নের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোগে এবং লাবসা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাফেজ মাওলানা মনোয়ার হোসেন মোমিনের পরিচালনায় এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। রোববার (১৯ জুলাই) সকাল নয়টায় দেবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দিনব্যাপী এই ক্যাম্পের কার্যক্রম শুরু হয়।
ক্যাম্পের ইনচার্জ ইমরান হোসেন জানান, ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা চার শতাধিক মানুষকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চোখের বিভিন্ন রোগ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২ জনকে বিনামূল্যে চশমা, ১৯ জনকে প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং ৫৫ জনকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ছানি অপারেশনের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আবদুল খালেক। তিনি বলেন, “দৃষ্টিশক্তি মানুষের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। অনেক মানুষ অর্থাভাবে সময়মতো চিকিৎসা নিতে পারেন না। গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের এ ধরনের উদ্যোগ সমাজের প্রান্তিক মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও যদি এভাবে মানবিক উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসে, তাহলে অন্ধত্ব প্রতিরোধে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।”
ক্যাম্পে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও সাবেক ছাত্রনেতা শহীদ হাসান এবং সদর উপজেলা জামায়াতের শুরা কর্মপরিষদ সদস্য ও লাবসা জামায়াতের তদারককারী মাওলানা শহীদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লাবসা ইউনিয়ন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির ডা. (ভিলেজ) হাফেজ আমিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, অন্ধত্ব প্রতিরোধে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা জরুরি। গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এই সেবা দিয়ে আসছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে উন্নত চিকিৎসার আওতায় আনতে এই ধারা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
ক্যাম্পে এসে বিনামূল্যে আধুনিক চিকিৎসা, ওষুধ ও চশমা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন সাধারণ রোগীরা। অনেকেই জানান, অর্থাভাবে দীর্ঘদিন ধরে চোখের চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না, এই ক্যাম্প তাঁদের জন্য বড় আশীর্বাদ হয়ে এসেছে।
দিনব্যাপী এই ক্যাম্পটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও সুরক্ষায় দায়িত্ব পালন করেন লাবসা ইউনিয়ন জামায়াতের নায়েবে আমির ইউসুফ আল আজাদী, সেক্রেটারি এস এম মামুন হোসেন, সহকারী সেক্রেটারি আলহাজ্ব কামরুজ্জামানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিক্ষাবিদ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।

Ads small one

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পাইকগাছার হুসাইন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পাইকগাছার হুসাইন

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: পড়াশোনা শেষ করে এক বুক স্বপ্ন নিয়ে যখন দরিদ্র পরিবারের হাল ধরার কথা, ঠিক তখনই নিয়তির এক নিষ্ঠুর পরিহাসে হাসপাতালের সাদা চাদরে ঢাকা পড়েছে এক সম্ভাবনাময় তরুণ প্রাণ। খুলনা জেলার পাইকগাছার গদাইপুর ইউনিয়নের এক প্রদীপ্ত কৃতিসন্তান হুসাইন আহমেদ। যার চোখের তারায় ছিল আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন, আর আজ সেখানে কেবলই বেঁচে থাকার আকুল আকুতি নিয়ে হাসপাতালের করিডোরে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।

বর্তমানে হুসাইন ভারতের তামিলনাড়ুর ভেলোরে অবস্থিত ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হুসাইন যক্ষ্মা (টিবি) রোগের অত্যন্ত জটিল ও শেষ পর্যায়ে রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটছে। তাকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী এবং ব্যয়বহুল উন্নত চিকিৎসা।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের এই মেধাবী শিক্ষার্থী এবং উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০১৮ ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্রের জীবন প্রদীপ আজ এক মরণব্যাধির থাবায় নিভু নিভু। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হুসাইন বর্তমানে টিবি রোগের শেষ পর্যায়ে ছটফট করছেন। দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটছে এবং তাকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন জরুরি ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদী ও ব্যয়বহুল চিকিৎসা।

হুসাইন শুধু একজন মেধাবী শিক্ষার্থীই নয়, সে তার পরিবারের একমাত্র কর্মক্ষম ব্যক্তি এবং বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। নি¤œ মধ্যবিত্ত এই পরিবারের পক্ষে এত দিন চিকিৎসার খরচ চালানো সম্ভব হলেও, এখন তারা সম্পূর্ণ নিঃস্ব। চিকিৎসার পেছনে ইতোমধ্যেই পরিবারের সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার যে বিপুল খরচ, তা বহন করার মতো সামর্থ্য এই অসহায় পরিবারের নেই। টাকার অভাবে চোখের সামনে একটি তরতাজা প্রাণ ঝরে যাবে, তা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তার সহপাঠী ও স্বজনরা।

হুসাইনের এই চরম বিপদে ঘরে বসে থাকতে পারেনি তার বন্ধুরা। তাকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে স্থানীয়ভাবে ফান্ড সংগ্রহের পাশাপাশি গণ-ফান্ডিংয়ের উদ্যোগ নিয়েছে তার সহপাঠীরা।

ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০১৮ ব্যাচের পক্ষে সাকিবুল হাসান আবেগভারাক্রান্ত কণ্ঠে বলেন, “হুসাইন আমাদের ভাই, আমাদের বন্ধু। ওর চোখের ভেতরের বাঁচার আকুতি আমরা সইতে পারছি না। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছি, কিন্তু চিকিৎসার মোটা খরচের সামনে তা খুবই সামান্য। সমাজের বিত্তবান ও সাধারণ মানুষের একটুখানি সহানুভূতিই পারে আমাদের ভাইকে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিতে। দয়া করে সবাই ওর পাশে দাঁড়ান।”

একটি সম্ভাবনাময় তরুণ প্রাণকে অকালে ঝরে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে এবং একটি অসহায় পরিবারকে আলোর মুখ দেখাতে আপনার সামান্যতম ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দিন। হুসাইনের জরুরি চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা পাঠাতে পারেন সরাসরি তাঁর সহপাঠীদের দেওয়া এই বিকাশ বা নগদ ব্যক্তিগত নম্বরে-০১৯২৬৮১৮০৬১।

প্রকৃতির নিয়মে যেমন অজগ্র ছোট ছোট বালু কণা পরম মমতায় জমে একটি বিশাল দ্বীপের ভিত্তি গড়ে তোলে, তেমনি আপনার একান্ত ব্যক্তিগত এই ক্ষুদ্র সহায়তা বা সামান্য অনুদানও হতে পারে হুসাইনের জন্য এক নতুন জীবনের স্বপ্নবীজ।

 

 

পাইকগাছায় হঠাৎ বেড়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় হঠাৎ বেড়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (খুলনা): খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় হঠাৎ করেই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমের বৃষ্টির স্থায়িত্ব বাড়ার সাথে সাথে উপজেলা জুড়ে ডেঙ্গ জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সর্বশেষ তথ্যে জানা যায়, চলতি জুলাই মাসে হাসপাতালটিতে মোট ৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। অথচ গত জুন মাসে এই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল মাত্র ২ জন। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে উপজেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আক্রান্ত ৫ জনের মধ্যে বর্তমানে ৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বাকি ২ জন রোগী পুরোপুরি সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। তবে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ড্রেন, ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার ও ডাবের খোসায় জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে এডিস মশার বংশবৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই ডেঙ্গুর এই হঠাৎ ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইতোমধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য জরুরি সেবা ও বিশেষ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চিকিৎসার চেয়ে ব্যক্তিগত সচেতনতাই সবচেয়ে বড় প্রতিষেধক। এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ জানান, “চলতি বর্ষা মৌসুমে হঠাৎ করেই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা হাসপাতাল ও মাঠ পর্যায়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করেছি। জলোচ্ছ্বাস বা বৃষ্টির কারণে যেসব স্থানে পানি জমে থাকে, তা নিয়মিত পরিষ্কার করার জন্য সাধারণ মানুষকে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”

ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ আরও সতর্ক করে বলেন, “শুধু পাইকগাছা থেকে নয়, বাইরে থেকেও আক্রান্ত রোগীরা এ উপজেলায় ঢুকছেন। যারা বাইরে থেকে আসছেন, তাদেরকেও সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টাঙিয়ে ঘুমাতে হবে। আমরা সকলেই যদি এখন থেকে সচেতন না হই, তবে এটি মহামারী আকার ধারণ করলে তখন নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে যাবে।” চিকিৎসকরা জ্বর হলে ঘরে বসে না থেকে অবহেলা না করে দ্রুত হাসপাতালে এসে ডেঙ্গু পরীক্ষা করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, কেবল সচেতনতা মূলক প্রচারণাই যথেষ্ট নয়। দ্রুত পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদগুলোর মাধ্যমে মশক নিধন স্প্রে ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করা না হলে আগামী দিনগুলোতে পাইকগাছার ডেঙ্গু পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় নয় লক্ষ টাকার মালামালসহ একজন আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় নয় লক্ষ টাকার মালামালসহ একজন আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: রবিবার ও সোমবার (১৯ ও ২০ জুলাই ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ ঘোনা, মাদরা, ভোমরা, কাকডাঙ্গা, বৈকারী বিওপি এবং ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১ জন আসামীসহ ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ঔষধ, উইনকোরেক্স সিরাপ, ইস্কফ সিরাপ ও গাঁজা আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, ঘোনা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন দাঁতভাঙ্গা হতে ২ লাখ ১০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার রাজপুর ও উত্তর ভাদিয়ালী হতে ৮৮ হাজার টাকার ১৯৯ বোতল ভারতীয় উইন কোরেক্স সিরাপ ও ২১ বোতল ভারতীয় ইস্কফ সিরাপ আটক করে।

 

ভোমরা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার কানপাড়া হতে ৪ হাজার ৪০০ টাকার ১১ বোতল ভারতীয় উইন কোরেক্স সিরাপ আটক করে। বৈকারী বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার গরির মাঠ হতে ২২ হাজার টাকার ৫৫ বোতল ভারতীয় উইন কোরেক্স সিরাপ আটক করে। ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর পৃথক দুইটি আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার হঠাৎগঞ্জ ও চায়নার মোড় হতে ৪ লাখ ২০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

কাকডাঙ্গা বিওপি আভিযানে কলারোয়া থানার গেরাখালি হতে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে। এছাড়াও উক্ত বিওপির পৃথক অভিযানে কাকডাংগা মোড় হতে কলারোয়ার হঠাৎগঞ্জ বাকসা নিকারীপাড়ার মৃত মনসুর আলী বিশ্বাসের ছেলে মোঃ আল আমিন বিশ্বাস (৩১) কে ৩ হাজার ৬০৩ টাকা ৫০ পয়সার ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট এবং গাঁজাসহ আটক করে। আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৮ লাখ ৮৮ হাজার ৩ টাকা ৫০ পয়সা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে মাদক ও ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।