শ্যামনগরে ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো নির্যাতীতা দ্বিতীয় স্ত্রী
শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে পারিবারিক কলহের জেরে জিএম ইসমাইল হোসেন(৪১) নামে এক ব্যক্তির কেটে নিয়েছে তার নির্যাতীতা দ্বিতীয় স্ত্রী। মঙ্গলবার ভোররাতে ঘটনাটি ঘটে উপজেলার ভুরুলিয়া ইউনিয়নের সিরাজপুর গ্রামে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারী নাজমা বেগম(৩২)কে আটক করেছে পুলিশ। আহত ইসমাইলকে আশংকাজনক অবস্থায় শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইসমাইল রাতের খাবার খেয়ে স্ত্রী নাজমা খাতুনের সাথে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোর রাতের দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় নাজমা খাতুন ধারালো বটি দিয়ে তার স্বামীর পুরুষাঙ্গ কর্তন করে। এ সময় ইসমাইলের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে ইসমাইলকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌছে দেয়।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শাকির হোসেন জানান, ইসমাইল গাজীর পুরুষাঙ্গ সম্পূর্ণ কাটা গেছে। তার অবস্থা আশংকাজনক বলে দ্রুত সামেক হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত নারী কর্তনকৃত পুরুষাঙ্গ হাতে নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে আসেন। এসময় স্থানীয়রা অভিযুক্ত নাজমা খাতুনকে হাসপাতালে আটকে রেখে পুলিশের হাতে উঠিয়ে দেয়।
শ্যামনগর ওসি খালেদুর রহমান জানান, অভিযুক্ত নাজমা খাতুনকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে স্থানীয়রা জানিয়েছে ইতিপুর্বে নাজমা তার প্রথম স্বামী সাথে একই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছিলেন ২০১৭ সালে। সে যাত্রায় তার স্বামী প্রাণে রক্ষা পেয়েছিল। নাজমা খাতুন জানায়, তার স্বামী নির্মমভাবে নির্যাতন করতো। ভরণপোষণ দিতই না বরং উল্টো বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ সৃষ্টি করতো। শরীরে গরম পানি ঢেলে নির্যাতন করা হতো। এভাবে প্রতিদিন নির্যাতন চালাতো তার স্বামী। নির্যাতন সইতে না পেরে এবং অতীষ্ঠ হয়ে তিনি একাজ করতে বাধ্য হয়েছেন।









