শ্যামনগরে জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে মালিকানাধীন মার্কেটসহ জমি দখলের চেষ্টা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট চালানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে মোঃ মনির হোসেন নামের এক সৌদি প্রবাসী। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন দুস্কৃতিকারীরা মার্কেটের সম্মুখভাগে রেকর্ডীও সম্পত্তিতে গড়ে ওঠা হাটবাজারের খাজনা পর্যন্ত আদায় করছে।
শনিবার সকাল ১০টায় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন উক্ত জমির পুর্ববর্তী মালিক মৃত হরিপদ মন্ডলের স্ত্রী নমিতা বালা এবং মৃত রবিন্দ্রনাথ মন্ডলের স্ত্রী রীনা রানী। এঘটনায় তিনি শ্যামনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন উল্লেখ করে লিখিত বক্তব্যে দাবি করেন ইছাকুড় মৌজার খানপুর বাজার সংলগ্ন এস এ ১৮৪ নং খতিয়ানে নিজ স্ত্রী ও ভাইয়ের ক্রয়কৃত এবং স্বনামে রেকর্ডীয় ৬২শতক জমিতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন।
দীর্ঘদিনের ভোগদখলে থাকা সত্ত্বেও গত ৩০ আগষ্ট তারিখে ইছাকুড় গ্রামের মতিন গাজী, আঃ রশিদ, শফিকুল ইসলাম, আকবর আলী, রুহুল আমিন গাইন, রাজু আহমেদ, সৈয়দ শহিদুল ইসলামসহ অনেকে জোর পুর্বক সীমানা ঘেরাবেড়া ভাংচু করে। এসময় তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটতরাজ চালানোর পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের প্রকাশ্যে সম্মানহানী করে। একপর্যায়ে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে খুন জখম করার হুমকী দিয়ে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যায়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন উক্ত জমির পূর্ববর্তী এস এ রেকর্ডীয় মালিকদের মৃত্যুর পর তার ওয়ারেশ ছিলেন ৭ কন্যা তাদের মধ্যে ৬ জন নিজেদের সম্পত্তি রীনা বালাকে দানপত্র দলিলের মাধ্যমে ১৯৮৪ সালে দুই দফায় হস্তান্তর করেন। পরবর্তীতে রীনা বালা নিজ নামে উক্ত সম্পত্তি রেকর্ড করেন ও ভোগদখল অবস্থায় ২০০৫ সালে মনিরসহ তার স্ত্রী ও ভাই দু’দফায় উক্ত সম্পত্তি ক্রয় করে নিজেদের নামে ৬২ শতক জমি রেকর্ড করে।
তিনি আরও জানান, জমি জবর দখল, সম্মানহানী ও খুন জখমের হুমকির বিষয়ে শ্যামনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন, যার নম্বর ১৩৪৪। পাশাপাশি বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করেন। তাঁর অভিযোগ আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ জমিতে অনধিকার প্রবেশ এবং দোকানপাট ও সীমানা-সংক্রান্ত বিরোধে জড়াচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।









