সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

শ্যামনগরে শিক্ষকদের স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্স সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে শিক্ষকদের স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্স সম্পন্ন

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: বাংলাদেশ স্কাউটস শ্যামনগর উপজেলা শাখার আয়োজনে দিনব্যাপী ৬৯৫তম স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫ অক্টোবর নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনক।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. এনামুল হকের সভাপতিত্বে কোর্সে শ্যামনগর উপজেলা স্কাউটসের সহসভাপতি কৃষ্ণানন্দ মুখার্জী, খুলনা অঞ্চলের সহসভাপতি ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম, নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হারুনর রশিদসহ স্কাউট নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Ads small one

জেলার মানচিত্র শেয়ার করছেন অনেকেই, এই ট্রেন্ডের নেপথ্যে কী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
জেলার মানচিত্র শেয়ার করছেন অনেকেই, এই ট্রেন্ডের নেপথ্যে কী

বাংলাদেশের কোন কোন জেলা ঘোরা হয়েছে, তা ম্যাপে সংরক্ষণ করার পাশাপাশি ভ্রমণের পরিকল্পনা সাজানোর সুযোগ দিচ্ছে ‘আনসিন বাংলাদেশ’ নামের একটি ওয়েবসাইট। ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য তৈরি প্ল্যাটফর্মটিতে দেশের ৬৪ জেলা ও বিশ্বের ১৯৫টি দেশ নিয়ে বিভিন্ন ইন্টার‍্যাকটিভ সুবিধা রাখা হয়েছে।

ওয়েবসাইটটির অন্যতম সুবিধা হলো নিজের ঘুরে আসা জেলার তালিকা তৈরি করে তা দিয়ে একটি ভ্রমণ ম্যাপ বানানো। ব্যবহারকারী ৬৪ জেলার মধ্যে যেসব জায়গায় গেছেন, সেগুলো বেছে নিতে পারবেন। এরপর পছন্দের থিম নির্বাচন করে নিজের ছবি ও নাম যোগ করে ম্যাপটি পিএনজি, জেপিজি বা পিডিএফ ফরম্যাটে ডাউনলোড করা যাবে।

শুধু বাংলাদেশের জেলা নয়, বিশ্বের কোন কোন দেশে ঘোরা হয়েছে তার হিসাব রাখার সুবিধাও রয়েছে। ওয়েবসাইটে ১৯৫টি দেশ ও ছয় মহাদেশের ম্যাপ থেকে ভ্রমণ করা দেশগুলো নির্বাচন করে একইভাবে বিশ্বভ্রমণের ম্যাপ তৈরি ও ডাউনলোড করা যায়।

ভ্রমণের জায়গা খোঁজার জন্যও রয়েছে আলাদা ব্যবস্থা। ৬৪ জেলার ২৪০টির বেশি দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে তথ্য দেখার সুযোগ রয়েছে প্ল্যাটফর্মটিতে। কোনও জেলা বা জায়গা নির্বাচন করলে সেখানকার জনপ্রিয় ও কম পরিচিত দর্শনীয় স্থান, কীভাবে যাওয়া যায়, আনুমানিক খরচ এবং কোথায় থাকা যায় এসব তথ্যও দেখানো হয়।

এ ছাড়া রয়েছে ‘ট্রিপ প্ল্যানার’। এতে কোথা থেকে যাত্রা শুরু হবে, কোন কোন জেলায় যাওয়া হবে, কোন ক্রমে ভ্রমণ করা হবে, কত দিনের সফর এবং মোট বাজেট এসব তথ্য নির্ধারণ করা যায়। ব্যবহারকারী চাইলে সবচেয়ে কম দূরত্বের রুট অনুযায়ী জেলার ক্রম সাজাতে পারবেন অথবা নিজের পছন্দমতো ক্রম ঠিক করতে পারবেন। বাজেট নির্ধারণ করলে সেই অনুযায়ী যাতায়াত ও থাকার ব্যবস্থা ধরে ভ্রমণ পরিকল্পনা সাজানোর সুযোগও রয়েছে।

ভ্রমণকে আরও আকর্ষণীয় করতে ওয়েবসাইটে বাংলাদেশ নিয়ে কুইজ ও ম্যাপ পাজলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। কুইজে খাবার, দর্শনীয় স্থান, জেলার নামের গল্প ও বাংলাদেশের ম্যাপ নিয়ে প্রশ্ন থাকে। রয়েছে তিনটি লেভেল। অন্যদিকে ম্যাপ পাজলে জেলার নাম সঠিক জায়গায় বসিয়ে বাংলাদেশকে সাজাতে হয়। কুইজ ও পাজলে ভালো করা ব্যবহারকারীদের জন্য লিডারবোর্ডও রয়েছে।

হামীম নামে এক ব্যাবহারকরী বলেন, ওয়েবসাইটটি ইন্টারঅ্যাক্টিভ ডিজিটাল ম্যাপ এবং ভ্রমণ গাইড হিসেবে দেশের পর্যটনের একটি নতুন মাত্রা। প্ল্যাটফর্মটিতে ট্রিপ প্ল্যানার, ম্যাপ পাজল এবং ভিজ্যুয়াল ভ্রমণ প্রোফাইল ডাউনলোডের মতো আকর্ষণীয় ফিচার আমাকে মুগ্ধ করেছে। ভ্রমণের স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে শেয়ার করার সুযোগ তৈরি করায় আরও বেশি ভালো লেগেছে।

রেজবা মাহমুদ অন্তু নামে অপর এক ব্যাবহারকারী বলেন, আমি এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের কতগুলো জেলা ভ্রমণ করতে পেরেছি তার একটা ওভারভিউ দেখতে পাচ্ছি এ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। যে অঞ্চলগুলো বা জেলাতে যাওয়া হয়নি সেখানে যাওয়ার জন্য অনুপ্রণিত হচ্ছি।

এছাড়াও নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ব্যাতিক্রমি এই ওয়েবসাইটি। অনেকে ম্যাপের ছবি শেয়ার করে। তাদের ভ্রমণ অবিজ্ঞতা তুলে ধরছেন।

ওয়েবসাইটটির নির্মাতা হিসেবে মো. সাব্বির হোসেন রবিনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ভ্রমণের প্রতি আগ্রহ থেকেই নিজের ভ্রমণের ম্যাপ তৈরি করতে গিয়ে প্ল্যাটফর্মটির ধারণা আসে। ওয়েবসাইটটি বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায় এবং এতে বিজ্ঞাপন নেই।

ব্যবহারকারীর নির্বাচিত জেলা ও ছবি শুধু তার ব্রাউজারেই থাকে বলেও ওয়েবসাইটটিতে উল্লেখ করা হয়েছে। দর্শনীয় স্থানগুলোর ছবির ক্ষেত্রে উইকিমিডিয়া কমন্স ব্যবহারের কথাও জানানো হয়েছে।

ওয়েবসাইটটির নির্মাতা মো. সাব্বির হোসেন রবিন বলেন, সম্প্রতি নেত্রকোনা ভ্রমণ করার সময় তথ্য সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে বেশ ঝামেলা পোহাতে হয়েছে। সেখান থেকে মনে হলো ভ্রমণ পিপাশু মানুষদের জন্য কিছু করার দরকার, এজন্য আমার এ প্রচেষ্টা।

তিনি আরও বলেন, যারা ম্যাপ তৈরি করছে, যাদের ভালো লাগছে তাদেরকে ধন্যবাদ। আমি চাই সরকারি উদ্যোগে এরকম ব্যবস্থা থাকুক যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে ভ্রমণ করার জন্য তথ্য সহায়তা পায়

আশাশুনিতে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস নিয়ে মতবিনিময় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস নিয়ে মতবিনিময় সভা

 

আশাশুনি প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তনের দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের শির্ষাগ্রামে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫ অক্টোবর বিকেলে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘মৃত্তিকা’ এ আলোচনার আয়োজন করে।

উপকূলীয় এলাকার ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ২০ জন নারী-পুরুষকে নিয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এতে প্রতাপনগর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. রায়হানুজ্জামান এবং মৃত্তিকা সংস্থার যুব সদস্য মো. আব্দুল আহাদসহ স্থানীয় প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

সভায় জলবায়ু সহনশীল বাঁধ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও উঁচু আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের মতো টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং স্থানীয় জনগণকে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ ও শস্যের ধরন পরিবর্তনের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পাইকগাছায় প্রাণীর আক্রমণে দুই মাসে আক্রান্ত ৭৩৯, আতঙ্কে বাসিন্দারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় প্রাণীর আক্রমণে দুই মাসে আক্রান্ত ৭৩৯, আতঙ্কে বাসিন্দারা

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): খুলনার পাইকগাছায় কুকুর ও বিড়ালসহ বিভিন্ন প্রাণীর আক্রমণের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। গত দুই মাসে এসব প্রাণীর কামড় ও আঁচড়ে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী প্রতিষেধক (ভ্যাকসিন) নিয়েছেন ৭৩৯ জন।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসে কুকুরের আক্রমণে ৮১ জন এবং বিড়ালসহ অন্যান্য প্রাণীর আক্রমণে ৩০৫ জন চিকিৎসা নেন। সেপ্টেম্বর মাসে কুকুরের কামড়ে ৩৭ জন এবং অন্যান্য প্রাণীর আঁচড়-কামড়ে ৩১৬ জন হাসপাতালে যান। দুই মাসে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ডোজ মিলিয়ে মোট ৭৩৯টি ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে।

পৌরসভার বাসিন্দা মো. রবিউল ইসলামসহ স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, এলাকাটিতে বেওয়ারিশ কুকুর ও বিড়ালের উপদ্রব অনেক বেড়ে গেছে। কিন্তু এগুলো নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসানারা বিনতে ময়না জানান, প্রাণীর আক্রমণের শিকার হলে অবহেলা না করে দ্রুত সাবান ও পানি দিয়ে ক্ষতস্থান ধুয়ে চিকিৎসকের পরামর্শে ভ্যাকসিন নিতে হবে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা পার্থ প্রতিম দেবনাথ বলেন, জলাতঙ্ক প্রতিরোধে প্রাণীদের ব্যবহারের জন্য সরকারিভাবে ভ্যাকসিন তৈরি হয় না। প্রাণী পোষার ক্ষেত্রে মালিকদের নিজ দায়িত্বে বাইরে থেকে ভ্যাকসিন কিনে দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।