মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

জেলার মানচিত্র শেয়ার করছেন অনেকেই, এই ট্রেন্ডের নেপথ্যে কী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
জেলার মানচিত্র শেয়ার করছেন অনেকেই, এই ট্রেন্ডের নেপথ্যে কী

বাংলাদেশের কোন কোন জেলা ঘোরা হয়েছে, তা ম্যাপে সংরক্ষণ করার পাশাপাশি ভ্রমণের পরিকল্পনা সাজানোর সুযোগ দিচ্ছে ‘আনসিন বাংলাদেশ’ নামের একটি ওয়েবসাইট। ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য তৈরি প্ল্যাটফর্মটিতে দেশের ৬৪ জেলা ও বিশ্বের ১৯৫টি দেশ নিয়ে বিভিন্ন ইন্টার‍্যাকটিভ সুবিধা রাখা হয়েছে।

ওয়েবসাইটটির অন্যতম সুবিধা হলো নিজের ঘুরে আসা জেলার তালিকা তৈরি করে তা দিয়ে একটি ভ্রমণ ম্যাপ বানানো। ব্যবহারকারী ৬৪ জেলার মধ্যে যেসব জায়গায় গেছেন, সেগুলো বেছে নিতে পারবেন। এরপর পছন্দের থিম নির্বাচন করে নিজের ছবি ও নাম যোগ করে ম্যাপটি পিএনজি, জেপিজি বা পিডিএফ ফরম্যাটে ডাউনলোড করা যাবে।

শুধু বাংলাদেশের জেলা নয়, বিশ্বের কোন কোন দেশে ঘোরা হয়েছে তার হিসাব রাখার সুবিধাও রয়েছে। ওয়েবসাইটে ১৯৫টি দেশ ও ছয় মহাদেশের ম্যাপ থেকে ভ্রমণ করা দেশগুলো নির্বাচন করে একইভাবে বিশ্বভ্রমণের ম্যাপ তৈরি ও ডাউনলোড করা যায়।

ভ্রমণের জায়গা খোঁজার জন্যও রয়েছে আলাদা ব্যবস্থা। ৬৪ জেলার ২৪০টির বেশি দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে তথ্য দেখার সুযোগ রয়েছে প্ল্যাটফর্মটিতে। কোনও জেলা বা জায়গা নির্বাচন করলে সেখানকার জনপ্রিয় ও কম পরিচিত দর্শনীয় স্থান, কীভাবে যাওয়া যায়, আনুমানিক খরচ এবং কোথায় থাকা যায় এসব তথ্যও দেখানো হয়।

এ ছাড়া রয়েছে ‘ট্রিপ প্ল্যানার’। এতে কোথা থেকে যাত্রা শুরু হবে, কোন কোন জেলায় যাওয়া হবে, কোন ক্রমে ভ্রমণ করা হবে, কত দিনের সফর এবং মোট বাজেট এসব তথ্য নির্ধারণ করা যায়। ব্যবহারকারী চাইলে সবচেয়ে কম দূরত্বের রুট অনুযায়ী জেলার ক্রম সাজাতে পারবেন অথবা নিজের পছন্দমতো ক্রম ঠিক করতে পারবেন। বাজেট নির্ধারণ করলে সেই অনুযায়ী যাতায়াত ও থাকার ব্যবস্থা ধরে ভ্রমণ পরিকল্পনা সাজানোর সুযোগও রয়েছে।

ভ্রমণকে আরও আকর্ষণীয় করতে ওয়েবসাইটে বাংলাদেশ নিয়ে কুইজ ও ম্যাপ পাজলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। কুইজে খাবার, দর্শনীয় স্থান, জেলার নামের গল্প ও বাংলাদেশের ম্যাপ নিয়ে প্রশ্ন থাকে। রয়েছে তিনটি লেভেল। অন্যদিকে ম্যাপ পাজলে জেলার নাম সঠিক জায়গায় বসিয়ে বাংলাদেশকে সাজাতে হয়। কুইজ ও পাজলে ভালো করা ব্যবহারকারীদের জন্য লিডারবোর্ডও রয়েছে।

হামীম নামে এক ব্যাবহারকরী বলেন, ওয়েবসাইটটি ইন্টারঅ্যাক্টিভ ডিজিটাল ম্যাপ এবং ভ্রমণ গাইড হিসেবে দেশের পর্যটনের একটি নতুন মাত্রা। প্ল্যাটফর্মটিতে ট্রিপ প্ল্যানার, ম্যাপ পাজল এবং ভিজ্যুয়াল ভ্রমণ প্রোফাইল ডাউনলোডের মতো আকর্ষণীয় ফিচার আমাকে মুগ্ধ করেছে। ভ্রমণের স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে শেয়ার করার সুযোগ তৈরি করায় আরও বেশি ভালো লেগেছে।

রেজবা মাহমুদ অন্তু নামে অপর এক ব্যাবহারকারী বলেন, আমি এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের কতগুলো জেলা ভ্রমণ করতে পেরেছি তার একটা ওভারভিউ দেখতে পাচ্ছি এ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। যে অঞ্চলগুলো বা জেলাতে যাওয়া হয়নি সেখানে যাওয়ার জন্য অনুপ্রণিত হচ্ছি।

এছাড়াও নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ব্যাতিক্রমি এই ওয়েবসাইটি। অনেকে ম্যাপের ছবি শেয়ার করে। তাদের ভ্রমণ অবিজ্ঞতা তুলে ধরছেন।

ওয়েবসাইটটির নির্মাতা হিসেবে মো. সাব্বির হোসেন রবিনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ভ্রমণের প্রতি আগ্রহ থেকেই নিজের ভ্রমণের ম্যাপ তৈরি করতে গিয়ে প্ল্যাটফর্মটির ধারণা আসে। ওয়েবসাইটটি বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায় এবং এতে বিজ্ঞাপন নেই।

ব্যবহারকারীর নির্বাচিত জেলা ও ছবি শুধু তার ব্রাউজারেই থাকে বলেও ওয়েবসাইটটিতে উল্লেখ করা হয়েছে। দর্শনীয় স্থানগুলোর ছবির ক্ষেত্রে উইকিমিডিয়া কমন্স ব্যবহারের কথাও জানানো হয়েছে।

ওয়েবসাইটটির নির্মাতা মো. সাব্বির হোসেন রবিন বলেন, সম্প্রতি নেত্রকোনা ভ্রমণ করার সময় তথ্য সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে বেশ ঝামেলা পোহাতে হয়েছে। সেখান থেকে মনে হলো ভ্রমণ পিপাশু মানুষদের জন্য কিছু করার দরকার, এজন্য আমার এ প্রচেষ্টা।

তিনি আরও বলেন, যারা ম্যাপ তৈরি করছে, যাদের ভালো লাগছে তাদেরকে ধন্যবাদ। আমি চাই সরকারি উদ্যোগে এরকম ব্যবস্থা থাকুক যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে ভ্রমণ করার জন্য তথ্য সহায়তা পায়

Ads small one

সাতক্ষীরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সূচি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৮ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার সূচি

দেশব্যাপী চলমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পরবর্তী ধাপগুলোর নতুন সময়সূচী প্রকাশ করেছে সাতক্ষীরা জেলা তথ্য অফিস। জেলা তথ্য অফিসার মোঃ জাহারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার সময়সূচী নি¤œরূপ: প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডার গার্টেন স্কুল, মাধ্যমিক ও কারিগরি বিদ্যালয়: ৭ ও ৮ অক্টোবর। মাদ্রাসা (এবতেদায়ী, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল): ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবর। কলেজ (উচ্চমাধ্যমিক, সমমান, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর): ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবর। বিভাগীয় পর্যায়:প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, মাধ্যমিক ও কারিগরি বিদ্যালয়: ১৩, ১৪ ও ১৫ অক্টোবর। মাদ্রাসা: ২৫ ও ২৬ অক্টোবর। কলেজ: ২৭ ও ২৮ অক্টোবর। বিশ্ববিদ্যালয়: পরবর্তীতে সময়সূচী নির্ধারণ করা হবে। জাতীয় পর্যায়:প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন, মাধ্যমিক ও কারিগরি বিদ্যালয়: ২৭, ২৮ ও ২৯ অক্টোবর। মাদ্রাসা: ৩০ ও ৩১ অক্টোবর। কলেজ: ৩০ ও ৩১ অক্টোবর। বিশ্ববিদ্যালয়: পরবর্তীতে সময়সূচী নির্ধারণ করা হবে। প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য জেলা তথ্য অফিস, সাতক্ষীরার ওয়েবসাইট (www.info.satkhira.gov.bd) অথবা ফোন নম্বরে (০২৪৭৭৭৪০০৯৩) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

একাধিকবার নোবেল পেয়েছিলেন কারা?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
একাধিকবার নোবেল পেয়েছিলেন কারা?

একবার নোবেল পুরস্কার পাওয়াই যেকোনো বিজ্ঞানী, লেখক বা গবেষকের জন্য জীবনের সর্বোচ্চ প্রাপ্তি হিসেবে গণ্য হয়। তবে মেধার এমন কিছু অনন্য ও বিস্ময়কর ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত রয়েছে, যেখানে একই ব্যক্তি বা সংস্থা একাধিকবার এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

নোবেল কমিটির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত মাত্র পাঁচজন ব্যক্তি এবং দুটি সংস্থা একাধিকবার নোবেল পুরস্কার পাওয়ার নজিরবিহীন গৌরব অর্জন করেছেন।

দুইবার নোবেলজয়ী পাঁচ অনন্য বিজ্ঞানী ও ব্যক্তিত্বব্যক্তিগত যোগ্যতায় বিজ্ঞানের ভিন্ন ভিন্ন শাখায় বা একই শাখায় দুইবার নোবেল পেয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন পাঁচ কিংবদন্তি:

মারি ক্যুরি (পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন)
ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে দুইবার নোবেল জয়ের রেকর্ড গড়েন ফরাসি বিজ্ঞানী মারি ক্যুরি। ১৯০৩ সালে তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণার জন্য পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে এবং ১৯১১ সালে বিশুদ্ধ রেডিয়াম পৃথকীকরণের জন্য এককভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি। দুটি ভিন্ন বিজ্ঞান শাখায় নোবেল পাওয়ার এই অনন্য রেকর্ড আজ পর্যন্ত কেউ ভাঙতে পারেনি।

লিনাস পলিং (রসায়ন ও শান্তি)
মার্কিন রসায়নবিদ লিনাস পলিং ইতিহাসের একমাত্র ব্যক্তি, যিনি দুটি ভিন্ন বিভাগে এককভাবে (কারো সঙ্গে ভাগ না করে) নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৫৪ সালে রাসায়নিক বন্ধনের প্রকৃতির ওপর গবেষণার জন্য তিনি রসায়নে নোবেল পান। পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার বিরুদ্ধে জোরালো আন্দোলনের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৬২ সালে তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

জন বারডিন
মার্কিন এই পদার্থবিজ্ঞানী ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি, যিনি একই বিভাগে (পদার্থবিজ্ঞান) দুইবার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৫৬ সালে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য এবং ১৯৭২ সালে অতিপরিবাহিতা বা সুপারকন্ডাক্টিভিটির মৌলিক তত্ত্ব প্রমাণের জন্য তিনি দুইবারই পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পান।

ফ্রেডরিক সেঙ্গার
ব্রিটিশ প্রাণরসায়নবিদ ফ্রেডরিক সেঙ্গার রসায়ন শাস্ত্রে দুইবার নোবেল জয়ের বিরল কৃতিত্ব দেখান। ১৯৫৮ সালে ইনসুলিনের গঠন আবিষ্কারের জন্য তিনি প্রথমবার রসায়নে নোবেল পান। এরপর ১৯৮০ সালে ডিএনএ সিকোয়েন্সিং বা নিউক্লিক অ্যাসিডের বেস সিকোয়েন্স নির্ধারণের পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য দ্বিতীয়বার রসায়নে নোবেল লাভ করেন।

ব্যারি শার্পলেস
তালিকার সর্বশেষ সংযোজন মার্কিন রসায়নবিদ কে. ব্যারি শার্পলেস। ২০০১ সালে চিরল অনুঘটক জারণ বিক্রিয়া আবিষ্কারের জন্য তিনি প্রথম রসায়নে নোবেল পান। এর দীর্ঘ ২১ বছর পর, ২০২২ সালে ‘ক্লিক কেমিস্ট্রি’ এবং বায়োঅর্থোগোনাল রসায়নের অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো রসায়নে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

ব্যক্তিগত রেকর্ডের বাইরে বৈশ্বিক মানবিক সংকটে অবদানের জন্য দুটি আন্তর্জাতিক সংস্থাকে একাধিকবার নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে:

রেড ক্রস
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি নোবেল ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৩ বার (১৯১৭, ১৯৪৪ এবং ১৯৬৩ সালে) বিশ্ব শান্তিতে অনন্য অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করে। বিশেষ করে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধবন্দী ও আহতদের সেবায় নিয়োজিত থাকার কারণে সংস্থাটিকে এই সম্মান দেওয়া হয়।

জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার
বিশ্বজুড়ে বাস্তুচ্যুত ও শরণার্থীদের অধিকার রক্ষায় কাজ করার স্বীকৃতিস্বরূপ এই সংস্থাটি দুইবার (১৯৫৪ এবং ১৯৮১ সালে) নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
সূত্র: বিএসএস

দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ভারতকে নিয়ে খেলল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ভারতকে নিয়ে খেলল

দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে ভারতকে নিয়ে ছেলেখেলা করেছে । প্রীতি ম্যাচে আজ তারা গুনে গুনে ৬বার বল জড়িয়েছে ভারতের জালে। শেষ পর্যন্ত লাতিন আমেরিকার শক্তিশালী দেশটি ৬-১ গোলে হারিয়েছে ভারতকে। তবে ম্যাচের প্রথমার্ধে দারুণভাবে লড়াই করেছে স্বাগতিক শিবির। এই সময়ে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের জালে একবার বলও পাঠিয়েছে তারা। দুর্দান্ত লড়াই করে ভারত প্রথমার্ধে ২-১ গোলে পিছিয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধেই হাফ-ডজন গোল হজম করে বসে স্বাগতিক শিবির।

পানামা ম্যাচে ড্র এবং ব্রাজিল ম্যাচের লড়াকু ফলাফল ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের উরুগুয়ে ম্যাচে ভালো ফলের যে স্বপ্ন দেখিয়েছিল, সেই স্বপ্ন বাস্তবের রূপ নিল না। বরং বড় হারের লজ্জায় তা রুক্ষ মাটিতে আছড়ে পড়ল।

তবে চেষ্টার কোনও কমতি ছিল না। লড়াই করার মানসিকতাও প্রশংসনীয়। ৯০ মিনিট মাঠে নিজেদের নিংড়ে দিয়েছেন মনবীর, আপুইয়া, অনিরুদ্ধ থাপা। কিন্তু দিনের শেষে দুই দলের মধ্যে দক্ষতার ফারাক যে আকাশ-পাতাল। সেই ফারাক চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল আজকের যুবভারতী।

ম্যাচের প্রথমার্ধে অনিরুদ্ধ থাপা ইতিহাস গড়ে একটি গোল করলেন বটে। কিন্তু শেষমেশ ৬-১ গোলের বড় পরাজয়ই সঙ্গী হলো স্বাগতিক ভারতের।