রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাংবাদিকতার বটবৃক্ষ: শুভ অবসর, কল্যাণ দা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২১ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকতার বটবৃক্ষ: শুভ অবসর, কল্যাণ দা

‎তারিক ইসলাম

‎সাতক্ষীরাতে ‘‘প্রথম আলো’’ নামটি উচ্চারণ করলেই যার স্নেহমাখা মুখটি চোখের সামনে ভেসে ওঠে, তিনি আর কেউ নন-সবার প্রিয়, সর্বজনশ্রদ্ধেয় কল্যাণ ব্যানার্জি। সবার ভালোবাসার কল্যাণ দা।

‎১৯৯৮ সালের ৪ নভেম্বর-স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার অঙ্গীকার নিয়ে পথচলা শুরু করেছিল “প্রথম আলো”। আর সেই সূচনা থেকেই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই প্রান্তিক জনপদ সাতক্ষীরায় প্রথম আলোর প্রদীপটি যিনি নিজ হাতে জ্বালিয়েছিলেন, তিনি কল্যাণ ব্যানার্জি। দীর্ঘ পথচলায় সাতক্ষীরায় প্রথম আলো মানেই যেমন ছিলেন কল্যাণ দা, ঠিক তেমনই কল্যাণ দা মানেই ছিল প্রথম আলোর নির্ভরযোগ্য কণ্ঠস্বর।

‎সাতক্ষীরার সাংবাদিকতার ইতিহাস লিখতে গেলে যার নাম প্রথম সারিতে স্থান পাবে, তিনি এই প্রথিতযশা সাংবাদিক ও আধুনিক সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র। বিশাল আয়তনের এই জনপদের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে খবরের খোঁজে তিনি ছুটে চলেছেন দিন-রাত। সত্যের সন্ধানে তার এই ক্লান্তিহীন যাত্রা সাতক্ষীরার মানুষকে দিয়েছে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ, আর তরুণ প্রজন্মকে দেখিয়েছে সৎ সাংবাদিকতার পথ।

‎তবে কল্যাণ ব্যানার্জি কেবল একজন সাংবাদিক নন; তিনি এক চলন্ত প্রতিষ্ঠান, আলোকিত মানুষ গড়ার অনন্য কারিগর। তার স্নেহতলে ও দিকনির্দেশনায় তৈরি হয়েছেন এই অঞ্চলের বহু প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিক। কেবল সংবাদ পরিবেশনেই তার দায়িত্ব সীমাবদ্ধ ছিল না-সহকর্মী বা কোনো সাংবাদিক বিপদে পড়লে সবার আগে যিনি অভিভাবক হয়ে পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন, তিনি আমাদের কল্যাণ দা। সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা, সাধারণ মানুষের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তিনি সবসময় থেকেছেন প্রথম সারির অগ্রনায়ক হয়ে।

‎দীর্ঘ ও গৌরবোজ্জ্বল পথচলা শেষে ১ আগষ্ট তিনি ‘প্রথম আলো’র নিজস্ব প্রতিবেদকের পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর গ্রহণ করছেন। প্রথম আলোর পাতা হয়তো তার লেখা নতুন কোনো প্রতিবেদনের অপেক্ষায় থাকবে। সাতক্ষীরার সাংবাদিকতায় এবং মানুষের হৃদয়ে তার অবদান চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।

‎কল্যাণ দা, প্রথম আলো থেকে আপনার প্রশাসনিক বিদায় হতে পারে, কিন্তু সাতক্ষীরার বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ইতিহাসের পাতায় আপনার নাম খোদাই করা থাকবে চিরকাল।

‎আপনার এই অবসর জীবন কাটুক সুস্থতায়, শান্তিতে এবং অনাবিল আনন্দে। শুভ অবসর, প্রিয় কল্যাণ দা।আপনি আমাদের প্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবেন আজীবন।

‎‎লেখক: তারিক ইসলাম, ‎সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি।

Ads small one

সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ নাজিম উল্লাহর প্রয়াণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ নাজিম উল্লাহর প্রয়াণ

Oplus_131072

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও শিক্ষাবিদ এ কে এম নাজিম উল্লাহ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার ভোর চারটার দিকে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর প্রয়াণে জেলার শিক্ষক ও সচেতন সমাজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার জানায়, রোববার বাদ জোহর শহরের মেহেদীবাগ এলাকার খাদিজাতুল কোবরা মসজিদে জানাজা শেষে তাঁকে নলতা শরীফে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নাজিম উল্লাহ ১৯৯৮ সালে খুলনার ডুমুরিয়া শাহপুর কলেজ থেকে স্থানান্তরিত হয়ে সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজে অধ্যক্ষ পদে যোগ দেন এবং ২০১২ সালে অবসর নেন। তাঁর মেধা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও সততার গুণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ কলেজের স্বীকৃতি অর্জন করেছিল। তৎকালীন সরকারপ্রধানের হাত থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষ সম্মাননাও লাভ করে।
বড় ধরনের সরকারি তহবিল ছাড়াই নিজস্ব অর্থায়নে টিনশেড ক্যাম্পাসকে চার ও পাঁচতলা একাডেমিক ভবনে উন্নীত করার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন তিনি। তাঁর কর্মনিষ্ঠা ও শিক্ষার্থীবান্ধব মনোভাব স্থানীয় শিক্ষার প্রসারে অবিস্মরণীয় অবদান হিসেবে বিবেচিত।

আশাশুনিতে সাংসদের পক্ষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিলিং ফ্যান বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে সাংসদের পক্ষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিলিং ফ্যান বিতরণ

আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশারের উদ্যোগে আশাশুনি সদর ইউনিয়নের শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে সিলিং ফ্যান বিতরণ করা হয়েছে।

রোববার সকালে আশাশুনি সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে এই উপহারসামগ্রী তুলে দেন।

বিতরণকৃত প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে—আশাশুনি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, আশাশুনি হাফিজিয়া মাদ্রাসা, বড় দুর্গাপুর সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, আশাশুনি প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংগঠন, আশাশুনি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুল, আশাশুনি মোটরসাইকেল চালক সমবায় সমিতি, আদালতপুর দারুল আরকান হাফিজিয়া মাদ্রাসা এবং আশাশুনি ফজলুর রহমান হাফিজিয়া মাদ্রাসা।
অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতা আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও জনসেবার ধারাবাহিক অংশ হিসেবে সাংসদের পক্ষে এই উপহার দেওয়া হয়েছে। জনকল্যাণমুখী এ ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

এ সময় সদর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর হাফেজ আব্দুল্লাহ, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য এবিএম আলমগীর পিন্টু, সহ-সেক্রেটারি এস এম শহিদুজ্জামান বাবলুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আশাশুনিতে নতুন এসিল্যান্ড হিসেবে যোগ দিচ্ছেন মিঠুন মৈত্র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে নতুন এসিল্যান্ড হিসেবে যোগ দিচ্ছেন মিঠুন মৈত্র

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলায় নতুন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগ দিচ্ছেন মিঠুন মৈত্র (পরিচিতি নম্বর: ১৯০২৪)। খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের এসএ শাখার এক আদেশে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

৩৮তম বিসিএস প্রশাসনের এই কর্মকর্তা ইতিপূর্বে বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। গত ২৮ জুলাই জারীকৃত এক আদেশে তাকে আশাশুনি উপজেলায় বদলি ও পদায়ন করা হয়।