মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ২৮ জুন: লক্ষ্যমাত্রা আড়াই লক্ষাধিক শিশু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ২৮ জুন: লক্ষ্যমাত্রা আড়াই লক্ষাধিক শিশু
নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী ২৮ জুন দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় এক মতবিনিময় ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকাল ৩টায় সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সাতক্ষীরা জেলা সিভিল সার্জন ডা: আব্দুস সালাম ক্যাম্পেইনের বিস্তারিত তথ্য ও প্রস্তুতির বিবরণ তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সংক্রান্ত মূল মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা: এসমত জাহান সুমনা। জেলা স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমানের পরিচালনায় সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা: জয়ন্ত সরকারসহ জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা: আব্দুস সালাম বলেন, “ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কেবল শিশুদের অন্ধত্ব থেকেই রক্ষা করে না, বরং এটি শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগে শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে শিশুর জন্মের পর প্রথম ৬ মাস পর্যন্ত মায়ের শালদুধ এবং পরবর্তী সময়ে সাধারণ খাবারের পাশাপাশি রঙিন শাকসবজি খাওনোর ব্যাপারেও ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। জেলার কোনো শিশু যেন এই ক্যাম্পেইন থেকে বাদ না পড়ে, সে লক্ষ্যে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২৮ জুন সাতক্ষীরা জেলার ৭টি উপজেলা ও ২টি পৌরসভার মোট ১,৯৩৮টি কেন্দ্রে একযোগে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
  জেলায় এবার মোট ২ লাখ ৫৩ হাজার ৭২৩ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ০৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৭ হাজার ৯২১ জন শিশুকে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ লাখ ২৫,৮০২ জন শিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। মোট ১,৯৩৮টি কেন্দ্রের মধ্যে স্থায়ী কেন্দ্র রয়েছে ১৫টি (৭টি উপজেলা হাসপাতাল, সদর হাসপাতাল, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পৌরসভা, সদর উপজেলা পরিষদ, শিশু হাসপাতাল, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, সূর্যের হাসি ক্লিনিক ও ম্যাটারনিটি ক্লিনিক)। এছাড়া আউটরিচ কেন্দ্র ১,৯১২টি, অতিরিক্ত কেন্দ্র ১১টি এবং দুর্গম এলাকায় ৩৩৬টি কেন্দ্র রয়েছে। ক্যাম্পেইনটি সফল করতে মোট ৯০৫ জন সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী এবং ৩,৮৭৮ জন বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী কর্মী নিয়োজিত থাকবেন।
 জেলার ০৭টি উপজেলা, ০২টি পৌরসভা, ৭৮টি ইউনিয়ন এবং ২৩৪টি ওয়ার্ডে একযোগে এই কার্যক্রম চলবে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময়ে সুন্দরবন উপকূলীয় ও চরাঞ্চলসহ দুর্গম এলাকার (৩৩৬টি কেন্দ্র) শিশুদের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে যেন শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়। “ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ান, শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমান” — এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ইতিমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

Ads small one

কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় সাতক্ষীরায় যুবদলের উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় সাতক্ষীরায় যুবদলের উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল

নিজস্ব প্রতিনিধি: সংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষে অপপ্রচার শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় যুবদলের নির্দেশনায় সাতক্ষীরায় যুবদলের উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকালে শহরের একটি চায়নিজ রেস্টুরেন্টের সামনে থেকে সাতক্ষীরা জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর যুবদলের আয়োজনে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। প্রতিবাদ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পলাশপোল স্কুলের সামনে গিয়ে সমাবেশ করে।

 

সমাবেশে জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান মুকুলের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল আলম বাবু, সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ নজরুল ইসলাম, পৌর যুব দলের আহ্বায়ক আলী শাহিন, সদস্য সচিব মাসুম রানা সবুজ, তরিকুল ইসলাম কল্লোল, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক দেবাশীষ চৌধুরী, সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক কাজী রাসিউল করিম রোমান, অ্যাডভোকেট হাসিব, সাবেক সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এসআই আশা প্রমুখ।

 

প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশে সাতক্ষীরা জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর যুবদলের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সাতক্ষীরায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের কমিটি গঠন, উপকূল সুরক্ষায় ১৮ দফা দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের কমিটি গঠন, উপকূল সুরক্ষায় ১৮ দফা দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম (ক্যাফ)-এর জেলা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা শহরের পানসি হোটেলের সম্মেলন কক্ষে ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের গঠন ও অর্ধবার্ষিক সমন্বয় সভায় এ কমিটি গঠন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন।

সভায় জলবায়ু সংকট ও উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লিডার্সের অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অফিসার বিপাশা অধিকারী। এছাড়া বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাবেক সদস্য সচিব শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন, অ্যাডভোকেট এস এম বিপ্লব, নাট্যকর্মী ও শিক্ষক মাহফুজা লিপি, শিক্ষক নয়ন ভট্টাচার্য্য, লিডার্সের ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মো. আব্দুল্লাহ, আশাশুনি উপজেলা ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন লিংকন, সাধারণ সম্পাদক মো. আকাশ হোসেন, সহ-সভাপতি মিনতি সরকার, শ্যামনগর উপজেলা ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের সভাপতি প্রধান শিক্ষক এস এম আমজাদ হোসেন, গণফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও নাগরিক নেতা আলী নুর খান বাবুল, তরুণ জলবায়ু কর্মী হৃদয় মন্ডল, নুত্যশিল্পী তনয়া মেধা সায়নী, যুব জলবায়ু কর্মী সুদীপা বসু, সঙ্গীতশিল্পী মিতু মন্ডল ও নিপমালা সাহা।

লিডার্সের অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অফিসার বিপাশা অধিকারী তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমাত্রিক সংকটের মুখোমুখি। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও সুপেয় পানির সংকট উপকূলের মানুষের জীবন-জীবিকা, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতির ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাটসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত সবচেয়ে বেশি বহন করছে।

আলোচনায় শেখ মোশফিকুর রহমান মিল্টন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় উপকূলীয় কৃষিজমি ও বসতভিটা হুমকির মুখে পড়ছে এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। অ্যাডভোকেট এস এম বিপ্লব বলেন, সিডর, আইলা, আম্পান ও রেমালের মতো দুর্যোগ উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনীতি ও জনজীবনে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষত সৃষ্টি করেছে।

 

মাহফুজা লিপি বলেন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি কৃষি, সুপেয় পানি ও জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রধান শিক্ষক এস এম আমজাদ হোসেন বলেন, টেকসই বেড়িবাঁধ, নিরাপদ পানির ব্যবস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং সুন্দরবন সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। আলী নুর খান বাবুল বলেন, জাতীয় বাজেটে উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য বিশেষ বরাদ্দ ও দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি।

সভা থেকে সভার সভাপতি সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন উপকূল উন্নয়ন বোর্ড গঠন, উপকূলীয় অঞ্চলকে জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নিরাপদ সুপেয় পানির ব্যবস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, সুন্দরবন সংরক্ষণ, জেলে সম্প্রদায়ের সুরক্ষা এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিতসহ ১৮ দফা দাবি তুলে ধরেন।

সভায় সর্বসম্মতিতে সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনকে আহবায়ক ও এডভোকেট এস এম বিপ্লবকে সদস্য সচিব করে ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের সাতক্ষীরা জেলা কমিটি গঠন করা হয়।

কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় পনেরো লক্ষ টাকার মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় পনেরো লক্ষ টাকার মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: মঙ্গলবার (২৩ জুন ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ কাকডাঙ্গা, মাদরা, হিজলদী ও চান্দুরিয়া বিওপির টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ঔষধ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন হেডকোয়াটার জানায়, কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার কেড়াগাছি হতে ৮ লাখ ২০ হাজার টাকার মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে উত্তর ভাদিয়ালি হতে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার ঔষধ আটক করে। হিজলদী বিওপির আভিযানে বড়ালি হতে ৯০ লাখ ৬০০ টাকার মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, চান্দুরিয়া বিওপির আভিযানে কাঁদপুর হতে ৪ লাখ ২০ হাজার টাকার মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।
আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ১৪ লাখ ৭০ হাজার ৬০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।