বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় নির্মিত হলো জনসচেতনতামূলক চলচ্চিত্র ‘একটি কার্ড, একটি স্বপ্ন’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৪০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নির্মিত হলো জনসচেতনতামূলক চলচ্চিত্র ‘একটি কার্ড, একটি স্বপ্ন’

পত্রদূত ডেস্ক: ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং এর কার্যক্রম সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে সাতক্ষীরায় নির্মিত হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘একটি কার্ড, একটি স্বপ্ন’। ঘাসফড়িং ফিল্মসের প্রযোজনায় চলচ্চিত্রটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন মো. আসিফুল আলম (আসিফ)।

সম্প্রতি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পুরাতন সাতক্ষীরাসহ শহরের কয়েকটি স্থানে চলচ্চিত্রটির চিত্রায়ণ সম্পন্ন হয়েছে। এতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্দেশ্য, তথ্য সংগ্রহ, উপকারভোগী নির্বাচন এবং কর্মসূচি সম্পর্কে জনসচেতনতামূলক বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় ও সহযোগিতা করেছেন জিয়াউল হক (জিয়া), খালেদুর রহমান (বাচ্চু), ছন্দা, মনিরুল ইসলাম (মনির), মনিরা, আফরিন, বিজলি, মিম, তাসমিন, মায়া, মায়মুনা, ফাতেমা, আল-আমিন ও নয়নসহ অনেকে। ফ্যামিলি কার্ডের তথ্যকর্মী, ক্যামেরাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারাও চিত্রায়ণে সহযোগিতা করেন।

চলচ্চিত্রটির সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছেন শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মশিদুল হক। এ ছাড়া বন্ধন টেলিমিডিয়া ও শিল্পী সংসদ সহযোগিতা করেছে।

পরিচালক মো. আসিফুল আলম জানান, সাধারণ মানুষের কাছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া এবং এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরিই চলচ্চিত্রটি নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য। সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় চিত্রায়ণ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

Ads small one

আদালত চত্বরে মেজাজ হারালেন পরীমণি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
আদালত চত্বরে মেজাজ হারালেন পরীমণি

মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা এক মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমানের আদালত পাঁচ শত টাকায় মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন

পরীমণির পক্ষের আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী) এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে জামিন পাওয়ার পর আদালত চত্বর থেকে বের হওয়ার সময় কিছুটা উত্তেজিত হয়ে পড়েন পরীমণি। এ সময় তাকে ঘিরে ধরেন উৎসুক জনতা। এর মধ্যেই এক ব্যক্তির সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। পরীমণির অভিযোগ, ওই ব্যক্তি তার গায়ে হাত দিয়েছেন। তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেন পাশের ওই ব্যক্তি।

গতকাল বুধবার (৪ নভেম্বর) মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে পরীমনি আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। তার পক্ষে সময় চেয়ে আবেদন করা হলেও আদালত তা নামঞ্জুর করে জামিন বাতিল এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

২০২২ সালের ৬ জুলাই ঢাকার আদালতে মামলাটি করেন নাসির উদ্দিন মাহমুদ।

ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ণ
ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা

ভারতীয় ভিসা আবেদনকারীদের জন্য নতুন বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন। এখন থেকে সব ধরনের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরম্যাটে ‌‌’Visa Undertaking Form’ বা ভিসা অঙ্গীকারনামা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হাইকমিশনের ভিসা সংক্রান্ত পোর্টালে এক জরুরি অ্যাডভাইজরিতে এ তথ্য জানানো হয়।

অ্যাডভাইজরিতে বলা হয়েছে, ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সব ভিসা আবেদনকারীর জন্য নির্ধারিত ফরম্যাটে ভিসা আন্ডারটেকিং ফর্ম জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী আবেদনকারীদের যা করতে হবে:

হাইকমিশনের দেওয়া লিংক থেকে নির্ধারিত ফরম্যাটে ‘Visa Undertaking Form’ ডাউনলোড করতে হবে। ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। NIC Visa Application Portal-এ অনলাইন ভিসা আবেদনের সঙ্গে ওই পূরণকৃত ফর্মটি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, আবেদনকারীদের শুধুমাত্র নির্ধারিত ফরম্যাটের ফর্মটিই ব্যবহার করতে হবে। অন্য কোনও ফরম্যাটে ফর্ম জমা দিলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করতেই এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ভারতীয় ভিসা প্রত্যাশীদের নির্ধারিত লিংক থেকে ফর্ম ডাউনলোড করে দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ফর্মে কী কী তথ্য লাগবে

প্রকাশিত এক পাতার ‘Visa Undertaking Form’ অনুযায়ী আবেদনকারীকে প্রথমে নিজের নাম লিখে অঙ্গীকার করতে হবে যে, তিনি যে উদ্দেশ্যে ভিসার আবেদন করেছেন শুধুমাত্র সেই উদ্দেশ্যেই ভারত সফর করবেন। একইসঙ্গে ঘোষণা দিতে হবে, আবেদনের তারিখে তিনি ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের অধিক্ষেত্রে বসবাস করছেন এবং তার দেওয়া সব তথ্য সঠিক। এরপর ১ নম্বর অংশে Personal Details- এর ঘরে ৫টি তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে পূরণ করতে হবে। এগুলো হলো- পাসপোর্ট অনুযায়ী নাম, পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয়তা, জন্ম তারিখ এবং ঢাকার বর্তমান ঠিকানা।

২ নম্বর অংশে ভারত যাওয়ার উদ্দেশ্য (Purpose of Visit) স্পষ্ট করে লিখতে হবে, যেমন- ট্যুরিজম, বিজনেস, মেডিক্যাল ট্রিটমেন্ট, কনফারেন্স ইত্যাদি।

৩ থেকে ৫ নম্বর অংশে মূলত ৩টি অঙ্গীকারনামা রয়েছে। আবেদনকারীকে অঙ্গীকার করতে হবে যে, সফর শেষ হওয়া মাত্রই তিনি নিজ দেশে ফিরে আসবেন এবং কোনও অবস্থাতেই ভিসার মেয়াদ অতিক্রম করে ভারতে অবস্থান করবেন না। ভারতে অবস্থানকালে ভারতের সব আইন, বিধি-বিধান ও সংস্কৃতি মেনে চলবেন এবং আইনবিরোধী কোনও কাজে জড়াবেন না। কোনও আইন লঙ্ঘন করলে ভিসা বাতিল এবং ভবিষ্যতে ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও ফর্মে উল্লেখ রয়েছে।

সবশেষে আবেদনকারীকে স্বাক্ষর এবং স্থান ও তারিখ দিয়ে ফর্মটি সম্পন্ন করতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে বাবা-মা উভয়কেই স্বাক্ষর করতে হবে বলে ফর্মে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কপ-৩১ সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়ন চাইবে বাংলাদেশ: পরিবেশমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
কপ-৩১ সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়ন চাইবে বাংলাদেশ: পরিবেশমন্ত্রী

কপ-৩১ সম্মেলনে পর্যাপ্ত অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেবে বাংলাদেশ। বিশেষ করে অভিযোজন ও জলবায়ুজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় ঋণের বোঝা না বাড়িয়ে অনুদান বৃদ্ধি এবং জলবায়ু তহবিলের আবেদন ও অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার দাবি জানানো হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কপ-৩১ উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনটি।

মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, লবণাক্ততা, খরা ও তাপপ্রবাহ মানুষের জীবন, জীবিকা ও উন্নয়নকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলছে। বাংলাদেশ এ সম্মেলনে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের সুরক্ষা, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং জাতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অর্থায়ন ও প্রযুক্তি সহায়তাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

অভিযোজন প্রসঙ্গে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং বৈশ্বিক অভিযোজন লক্ষ্যের আওতায় বাস্তব অগ্রগতি অর্জনে অর্থায়ন, প্রযুক্তি ও সক্ষমতা বৃদ্ধির সহায়তা চাইবে বাংলাদেশ। উপকূল, হাওর, চর ও খরাপ্রবণ এলাকার মানুষের পানি, খাদ্য, স্বাস্থ্য ও জীবিকার নিরাপত্তা, আগাম সতর্কীকরণ এবং স্থানীয়ভাবে পরিচালিত অভিযোজনকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

জলবায়ুজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় মন্ত্রী বলেন, ক্ষয়ক্ষতি তহবিল থেকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য দ্রুত ও সহজে অনুদানভিত্তিক অর্থায়ন প্রাপ্তির ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি বাস্তুচ্যুতি, জীবিকা হারানো ও অন্যান্য অ-অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় নতুন ও অতিরিক্ত সহায়তা প্রয়োজন।

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমিত রাখার প্রচেষ্টায় বিজ্ঞানভিত্তিক ও দ্রুত নির্গমন হ্রাসের ওপর জোর দেন পরিবেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলোকে নেতৃত্ব দিতে হবে এবং প্রধান নির্গমনকারী দেশগুলোকে দায়িত্ব ও সক্ষমতা অনুযায়ী কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর শর্তসাপেক্ষ জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান বা এনডিসি বাস্তবায়নে অর্থায়ন ও প্রযুক্তি সহায়তাও নিশ্চিত করতে হবে।

মন্ত্রী জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি দক্ষতা, পরিচ্ছন্ন শিল্প ও পরিবহন এবং জলবায়ু সহনশীল প্রযুক্তিতে সাশ্রয়ী প্রবেশাধিকার বাংলাদেশের অগ্রাধিকারে থাকবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ জানান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার মতামত এবং জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থানপত্র তৈরি করা হয়েছে। সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকার ১০০ বর্গমিটার আয়তনের একটি প্যাভিলিয়ন স্থাপন করছে।