বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় পরিবেশ রক্ষায় ও টিআরএম কার্যক্রমকে গতিশীল করতে যুব পানি কমিটির বৃক্ষরোপণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় পরিবেশ রক্ষায় ও টিআরএম কার্যক্রমকে গতিশীল করতে যুব পানি কমিটির বৃক্ষরোপণ

সংবাদদাতা: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলাবদ্ধতা নিরসনে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং টিআরএম (টাইডাল রিভার ম্যানেজমেন্ট) কার্যক্রমকে গতিশীল করার লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় এক বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টায় উত্তরণ এসআরবিএম প্রকল্পের সহযোগিতায় সাতক্ষীরা যুব পানি কমিটি এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

কর্মসূচিতে যুব পানি কমিটির সদস্যরা আম গাছ, মেহগনি, আমড়া, বকুল, রেইনট্রি ও সুপারি গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির ৫০টি বড় আকৃতির গাছের চারা রোপণ করেন। চারা রোপণের পাশাপাশি প্রতিটি গাছের সুরক্ষায় ও পরিচর্যার সুবিধার্থে ছোট ছোট সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। তীব্র রোদ ও বৃষ্টির প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করেই স্বেচ্ছাসেবী তরুণরা পুরো কর্মসূচি সম্পন্ন করেন। রোপণ করা গাছগুলো নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের মাধ্যমে সঠিকভাবে বাড়িয়ে তোলার দায়িত্বও নিয়েছে সংগঠনটি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা যুব পানি কমিটির সেক্রেটারি ইব্রাহিম খলিল, সহ-সভাপতি সাজেদুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মো. মোকাররাম বিল্লাহ ইমন, সদস্য ইফতি জামিল, ইমতি জামিল, লামিয়া জেরিন, মো. সাইমুন হাসনাত, মাহাবুবুর রহমান, সিয়াম হোসেন, করিমন নেছা শান্তরা, তাসনিহা জুই, মো. নাইমুর রহমান চৌধুরী, লামিয়া সুলতানা, আবু তাহের বিল্যাহ, মিলন কুমার রুদ্র, জাহাঙ্গীর আলম ও হাফিজা আফরোজ নীলা। এছাড়া অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক এবং বেসরকারি সংস্থা ‘উত্তরণ’-এর ফিল্ড অর্গানাইজার মো. গোলাম হোসেনসহ স্থানীয় প্রতিনিধি ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাতক্ষীরা যুব পানি কমিটির সেক্রেটারি ইব্রাহিম খলিল বলেন, “সাতক্ষীরা উপকূলীয় অঞ্চলের অন্যতম বড় সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা। নদী ও খালের নাব্যতা হ্রাস, অতিরিক্ত পলি জমা ও অপরিকল্পিত নিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে এখানে বছরের পর বছর সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে টিআরএম বা জোয়ারাধার ব্যবস্থাপনা জলাবদ্ধতা নিরসনে অত্যন্তর কার্যকারী নদীভিত্তিক সমাধান। টিআরএমের মাধ্যমে জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রিতভাবে নির্দিষ্ট বিলে প্রবেশ করিয়ে পলি জমার সুযোগ তৈরি করা হয়, যা নদীর পানি ধারণ ও নিষ্কাশন সক্ষমতা বৃদ্ধি করে।”

সংগঠনের প্রচার সম্পাদক মোকাররাম বিল্লাহ ইমন বলেন, টিআরএমের সুফল টেকসই করতে শুধু বিল ও নদী ব্যবস্থাপনা যথেষ্ট নয়। নদী-খালের আশপাশে পরিকল্পিত সবুজায়ন, মাটির ক্ষয় রোধ এবং জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা অত্যন্তর জরুরি। অন্যদিকে, সহ-সভাপতি সাজেদুল ইসলাম জানান, তরুণদের সম্পৃক্ত করে পরিবেশ ও নদী-খাল সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধিই তাদের মূল লক্ষ্য।

যুব পানি কমিটি আশা প্রকাশ করে, এ ধরনের ধারাবাহিক সবুজায়ন ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকায় সবুজ পরিবেশ তৈরি হবে, তরুণ সমাজ তাদের দায়িত্ববোধ সম্পর্কে সচেতন হবে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম ও পলি ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হবে।

Ads small one

সাতক্ষীরায় অসুস্থ বিএনপি নেতা তারিকুল হাসানকে দেখতে জেলা নেতৃবৃন্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় অসুস্থ বিএনপি নেতা তারিকুল হাসানকে দেখতে জেলা নেতৃবৃন্দ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তারিকুল হাসানকে দেখতে যান জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় তার বাসভবনে নেতৃবৃন্দ তার শয্যাপাশে কিছু সময় অতিবাহিত করেন, তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং আশু আরোগ্য কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জেলা বিএনপির আহবায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান হাদি, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন, ধুলিহর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তাকদীর আহসান রুবেল।

এছাড়াও জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন। নেতৃবৃন্দ উপস্থিত সকলের কাছে অসুস্থ নেতার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

প্রতারণা মাধ্যমে ৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, আসাদের নামে ফের আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
প্রতারণা মাধ্যমে ৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, আসাদের নামে ফের আদালতে মামলা

বাগআঁচড়া (শার্শা) সংবাদদাতা: যশোরের শার্শায় মানবাধিকার কর্মী আসাদুজ্জামান আসাদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি আবারও প্রতারণার মাধ্যমে তিনলক্ষ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী এক ব্যক্তি সু’বিচার পেতে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান আসাদ যশোরের শার্শা উপজেলার ৮নং বাগআঁচড়ার আ.ফ.ম. নিছার আলীর ছেলে ও বাগআঁচড়া সাতমাইল গ্রামের বাসিন্দা। আসাদের নামে যশোর ও ঝিনাইদহ আদালতে তিনটি মামলা চলোমান ও শার্শা থানায় দুটি চাঁদাবাজি এবং একটি খুন জখমের অভিযোগসহ ছয়টি গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

নতুন মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসাদুজ্জামান আসাদ ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ থানার আসাননগর গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে চার লক্ষ ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিদেশে (মালয়েশিয়ায়) বৈধ ভিসায় মোটা টাকা বেতনের চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখালে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর বিদেশে যেতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন। পরে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর তার বাড়িতে বসে “আসাদুজ্জামান আসাদকে” প্রথম ধাপে বিদেশে যাওয়ার জন্য গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সাক্ষীগণের উপস্থিতিতে নন জুড়িশিয়াল ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে নগত তিন লক্ষ টাকা প্রদান করেন।

 

আসাদ সাক্ষীগণের উপস্থিতিতে ঐ তিন লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন। মামলার কপিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর মালয়েশিয়া যাওয়ার ফ্লাইটের দিন ০১ এপ্রিল ২৬ তারিখে বাকী এক লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আসাদকে দিতে হবে। আর যদি ইংরেজি ০১ এপ্রিল তারিখের মধ্যে অভিযুক্ত আসাদ ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীরকে মালয়েশিয়ায় পাঠাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ইংরেজি ০১ মে তারিখের মধ্যে তিন লক্ষ টাকা ফেরত দিতে বাধ্য থাকিবেন। কিন্তু উক্ত তারিখের মধ্যে ভুক্তভোগীকে মালয়েশিয়া পাঠাতে ব্যর্থ হওয়ায় আসাদকে দেওয়া তিনলক্ষ টাকা ফেরত চাইলে, তিনি টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করেন।

 

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর হোসেন সুবিচার প্রার্থনা করে বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও শৈলকুপা আমলী আদালত, ঝিনাইদহে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার ধারা- ৪০৬/৪২০/৫০৬ (২) দঃ বিঃ আইন।

কেশবপুর শিক্ষকের বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার ও টাকা চুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
কেশবপুর শিক্ষকের বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার ও টাকা চুরি

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগ করে আব্দুস সাত্তারের বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা বসতবাড়ির দ্বিতীয় তলায় ঢুকে পরিবারের সদস্যদের চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগ করে অচেতন করে ফেলে। পরবর্তীতে তারা আলমারি ভেঙে মেয়ের বিয়ের জন্য রাখা প্রায় ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ২ লাখ টাকা এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

সূত্রে জানাগেছে, চুরি শেষে দুর্বৃত্তরা পাশের একটি আমবাগানে বসে খালি গহনার প্যাকেটগুলো ফেলে রেখে মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়। বর্তমানে মাস্টার আব্দুস সাত্তার ও তার স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সাতক্ষীরার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কেশবপুর উপজেলায় প্রায়ই একইভাবে চেতনানাশক স্প্রে করে চুরির ঘটনা ঘটছে। গত কয়েক বছর ধরে উপজেলার বিভিন্ন বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা ঘটলেও পুলিশ এখন পর্যন্তর মূল চক্রকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। চিংড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই শামীম হোসাইন বলেন, ঘটনার পর পুলিশ আলামত সংগ্রহ করেছে এবং অপরাধীদের ব্যবহৃত কৌশল ও ফেলে যাওয়া প্যাকেটগুলো পর্যালোচনা করছে।

কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রোকসানা খাতুন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্তর গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অপরাধী চক্রটিকে শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে।