মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন  

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন  

module: a; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: Auto; cct_value: 5562; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 156.34442; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~25: 0.0;

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা শহ‌রের নিম্নআয়ের মানুষ ও বস্তিবাসীর জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসন এবং মৌলিক নগরসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সাতক্ষীরা সরকা‌রি ম‌হিলা ক‌লে‌জ সড়কে বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গ‌বেষণা প্রতিষ্ঠান বার‌সিক এবং শিক্ষা সংস্কৃ‌তি ও বৈ‌চিত্র্য রক্ষা টি‌ম আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এসব দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, নাগরিক নেতা আব্দুস সামাদ, জি এম রেজা, ইটাগাছা বস্তির বাসিন্দা জাহানারা খাতুন, ফি‌রোজা বেগম, হা‌ফিজা খাতুন, কাজীপাড়া ব‌স্তির সা‌হিদা খাতুন,  বারসিক কর্মকর্তা গাজী মা‌হিদা মিজান প্রমুখ।

এসময় কাজীপাড়া ব‌স্তির সা‌হিদা খাতুন বলেন, আমরা নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হয়ে শহরে এসে আশ্রয় নিয়েছি। এই শহরের নোংড়া বোতল, পলিথিন, ময়লা ইত্যাদি সংগ্রহ করি। শহরকে পরিষ্কার-পরিছন্ন রাখি। কিন্তু আমাদের থাকার জায়গা নেই।

ইটাগাছা বস্তির জাহানারা বেগম বলেন, আমরা এখানে ভোট দেই। মানুষের বাড়িতে কাজ করি।  আমরা কাজ না করলে বা খাবার রান্না না করলে অনেকে খেতে পারেন না। কিন্তু আমাদের সবসময় ঘরবাড়ি ভাঙ্গার আতঙ্কে থাকতে হয়। আমরা আমাদের বাসস্থান, পানি, স্যানিটেশন ও আমাদের সন্তানদের জন্য শিক্ষার অধিকার চাই।

ভূ‌মিহীন নেতা আব্দুস সামাদ বলেন, উন্নয়নের নামে নিম্নআয়ের মানুষকে উচ্ছেদ নয়, তাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন নিশ্চিত করতে হবে। নগর পরিকল্পনায় স্থানীয় জলবায়ু বাস্তবতা, তাপঝুঁকি, আবাসন, নাগরিকসেবা, জীবিকা ও পরিবেশগত নিরাপত্তাকে সমন্বিত করার পাশাপাশি নিম্নআয়ের মানুষের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।

বারসিকের কর্মসূচি কর্মকর্তা গাজী মা‌হিদা মিজান বলেন, নগরের যেসব মানুষ প্রতিদিন নিজেদের শ্রমের মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন সেবা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখেন, তাদের জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করা শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি একটি টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলার প্রয়োজনীয় শর্ত।

মানববন্ধন থেকে বস্তিবাসীর নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসনের নিশ্চয়তা প্রদান, উচ্ছেদের পূর্বে পুনর্বাসন নিশ্চিতকরণ, নিম্নআয়ের মানুষের জন্য স্বল্পমূল্যে নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, বস্তি এলাকায় নিরাপদ পানি, বিদ্যুৎ, স্যানিটেশন, ড্রেনেজ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সরকারি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে সহজ ও বৈষম্যহীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিতকরণ, বস্তি এলাকায় সবুজায়ন, খোলা জায়গা ও নগর কৃষির সুযোগ বৃদ্ধি, নিম্নআয়ের মানুষের জীবিকা ও কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন ও আয়বর্ধক কার্যক্রমে সহায়তা প্রদানের দাবি জানানো হয়।

Ads small one

স্কুল থেকেই শিশুদের বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৪ অপরাহ্ণ
স্কুল থেকেই শিশুদের বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

ভবিষ্যতে বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত করতে স্কুল থেকেই শিশুদের অতিরিক্ত বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার মতে, একটি তৃতীয় ভাষায় দক্ষতা ভবিষ্যতে বিদেশে পড়াশোনা কিংবা কর্মক্ষেত্রে অন্য দেশের মানুষের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে শিশুদের সহায়তা করবে।

এর মাধ্যমে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরবি, ম্যান্ডারিন, জার্মান, জাপানিজসহ কয়েকটি বিদেশি ভাষার মধ্য থেকে শিশুরা নিজেদের পছন্দের একটি ভাষা বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ‘শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেকটি বাচ্চার মধ্যে কোনও না কোনও একটা কোয়ালিটি আছে। আমাদের দরকার শুধু তাকে সেই সুযোগটা করে দেওয়া, যার মাধ্যমে সে নিজেকে বিকশিত করতে পারবে।

‘দেশের অধিকাংশ পরিবারের পক্ষে ব্যক্তিগতভাবে সন্তানদের এসব সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই শহরের পাশাপাশি প্রত্যন্ত গ্রামের শিশুরাও যেন শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত ও খেলাধুলার সুযোগ পায়, সে জন্য স্কুল পর্যায় থেকে এসব সুবিধা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

নিজের গিটার ও কিবোর্ড শেখার আগ্রহের কথা উল্লেখ করে শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা গিটার, হারমোনিয়াম, বাঁশি কিংবা অন্য কোনও বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পছন্দ করে, তা সম্পূর্ণ করে ভালোভাবে শেখতে হবে।’

যারা গান বা নাচ পছন্দ করে, তাদেরও সেই প্রতিভা বিকাশে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একইভাবে যারা কেরাত ও কোরআন তেলাওয়াত পছন্দ করে, তাদেরও তা সুন্দরভাবে রপ্ত করার পরামর্শ দেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ‘এ-সংক্রান্ত কাজগুলো মোটামুটিভাবে গুছিয়ে আনা হয়েছে এবং ২০২৭ অথবা ২০২৮ সাল থেকে পুরো প্রক্রিয়া শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে।’ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী গান, বাদ্যযন্ত্র ও খেলাধুলার বিভিন্ন ক্ষেত্র বেছে নেয়ার সুযোগ পাবে বলেও জানান তিনি।

সরকার প্রধান বলেন, ‘শিশুদের শুধু পড়াশোনা, খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি কিংবা ভাষাজ্ঞান অর্জন করলেই হবে না; নিজেদের মানবিক মানুষ হিসেবেও গড়ে উঠতে হবে। এই দেশের প্রকৃতি, এই দেশের পশুপাখির প্রতিও কিন্তু তোমাদেরকে মানবিক হতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শিশুদের প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের প্রতি যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বাড়ি, স্কুল কিংবা আশপাশের এলাকায় থাকা গাছের যত্ন নিতে হবে। পশুপাখির প্রতিও সদয় হতে হবে।’ প্রকৃতি ও প্রাণীর প্রতি মানুষের দায়িত্বশীল আচরণ একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করেন প্রধানমন্ত্রী।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান।

তর্কে হেরে গিয়ে জীবনে জেতার আনন্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
তর্কে হেরে গিয়ে জীবনে জেতার আনন্দ

‎তারিক ইসলাম

‎প্রায় দুই হাজার বছর আগের কথা। তখন পৃথিবীজুড়ে রোমান সাম্রাজ্যের একচ্ছত্র অধিপতি ছিলেন সম্রাট মার্কাস অরিলিয়াস। দুনিয়ার সবচেয়ে ক্ষমতাধর এই মানুষটির জীবন দর্শনের একটি মূল কথাই ছিল—সব যুদ্ধে জেতার কোনো দরকার নেই। বিশেষ করে পরিবার, আপনজন আর বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে অনেক তর্কে বা বিবাদে জিতলেও মানুষ আসলে ভেতরে ভেতরে হেরে যায়। তাই ইচ্ছা করেই কিছু তর্কে হেরে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

‎আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এই উপলব্ধি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বর্তমান ব্যস্ত ও যান্ত্রিক সময়ে আমরা প্রতিনিয়त নানা সম্পর্ক ও তর্কের মুখোমুখি হই। কর্মব্যস্ততার ক্লান্তি, সামাজিক চাপ কিংবা ব্যক্তিগত হতাশা—সবকিছু মিলিয়ে আমাদের সহনশীলতা দিন দিন কমে আসছে। ফলস্বরূপ, ছোটখাটো মতপার্থক্য মুহূর্তেই তীব্র তর্কে রূপ নেয়। স্বামী-স্ত্রী, ভাই-বোন, সন্তান কিংবা দীর্ঘদিনের বন্ধু—কাউকে ছাড় দেওয়ার মানসিকতা আজ যেন হারিয়ে যেতে বসেছে। প্রত্যেকেই প্রমাণ করতে চায় যে সে-ই সঠিক।

‎কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছি, এই জয় আসলে কার? স্বামী-স্ত্রীর কোনো তুচ্ছ ঝগড়ায় আপনি আপনার যুক্তির মারপ্যাচে সঙ্গীকে চুপ করিয়ে দিলেন। সাময়িকভাবে আপনার অহংকার হয়তো তৃপ্তি পেল, কিন্তু সঙ্গীটির মনে জমে উঠল কষ্টের এক অদৃশ্য পাহাড়। রক্তের সম্পর্কের আপনজনদের সঙ্গে তর্কে জিতে গেলেও দিন শেষে সম্পর্কগুলো বিবর্ণ হয়ে যায়। সম্পর্কের মূল ভিত্তি তো ভালোবাসা, বিশ্বাস আর ছাড় দেওয়ার মানসিকতা। সেখানে যুক্তির জয় মানেই ভালোবাসার পরাজয়।

‎মনোবিজ্ঞানীরাও বলেন, সম্পর্কে ‘জিততে চাওয়ার’ প্রবণতা দূরত্ব তৈরি করে। প্রতিটি মানুষের ভাবনা, দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্বাসের জগৎ আলাদা। তাই সব বিষয়ে একমত হওয়া অসম্ভব। যখন আমরা প্রতিটি তর্কে নিজের মত প্রতিষ্ঠা করতে চাই, তখন আসলে আমরা অপরপক্ষকে কোণঠাসা করে ফেলি। এতে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ নষ্ট হয়। এর চেয়ে অনেক সময় চুপ থাকা, প্রতিপক্ষের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং প্রয়োজনে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে তর্কে হার মেনে নেওয়া অনেক বেশি পরিপক্বতার পরিচয়।

‎মার্কাস অরিলিয়াসের এই দর্শন আমাদের শেখায়, জীবনের সব লড়াইয়ে জেতার প্রয়োজন নেই। কিছু যুদ্ধ থেকে সসম্মানে সরে দাঁড়ানোই বীরত্ব। ইচ্ছাকৃতভাবে প্রিয়জনদের সঙ্গে তর্কে হেরে যাওয়া মানে নিজের পরাজয় নয়, বরং সম্পর্ককে জয় করে নেওয়া। যখন আপনি সঙ্গীকে বা বন্ধুকে বলবেন, “আচ্ছা, তোমার কথাই ঠিক হলো,” তখন হেরে গিয়েও আপনি আসলে জিতে গেলেন—অর্জিত হলো একটি অমূল্য সম্পর্ক এবং মনের দীর্ঘস্থায়ী শান্তি।

‎তাই আসুন, প্রতিদিনের ছোটখাটো অহংকার আর তর্কের জেদ বিসর্জন দিই। আপনজনদের হাসিমুখে জায়গা করে দিই হৃদয়ে। কারণ দিন শেষে নিখুঁত যুক্তি বা বিজয়ের চেয়ে ভালোবাসার মানুষগুলোর সান্নিধ্য অনেক বেশি মূল্যবান। তর্কে হেরে গিয়েই হোক জীবনের আসল জয়।

‎

লেখক : তারিক ইসলাম, ‎সভাপতি, সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি।

যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়ার কারণ জানালেন ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ
যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়ার কারণ জানালেন ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি হুমকির কারণেই যুক্তরাজ্যের একটি ঘাঁটি থেকে মার্কিন বি-১ বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার তিনি এ কথা বলেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

বিমানগুলো রাখা ছিল আরএএফ ফেয়ারফোর্ডে, যা ইউরোপে মার্কিন বোমারু বিমানের পছন্দের ঘাঁটি। সম্প্রতি ইরানে মার্কিন হামলায় বিমানগুলো ব্যবহৃত হয়েছে। গত সপ্তাহে ঘাঁটিটির কাছে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রস্তুতির সন্দেহে পাঁচ ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস আগে ঘাঁটিটিকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু বলেছিলো।

সোমবার সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, আমাদের ধারণা ছিলো যে একটি হুমকি থাকতে পারে, আর আমি কেন সেগুলো সেখানে রেখে দেব? সরিয়ে নিতে খুব সামান্য খরচ হয়। তাই আমাদের হুমকি ছিলো, আর হুমকি পেলে আমরা শুধু সরিয়ে নিই, এতে বিষয়টি কিছুটা সামাল দেওয়া যায়। আর যারা হুমকি দিয়েছে, তাদের আমরা আসলে চিনি। এসব ব্যক্তির সঙ্গে ইরানের যোগ আছে কিনা জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, তাদের যোগ ইরানের সঙ্গেই থাকবে।

এর আগে সোমবার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, সতর্কতার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বোমারু বিমান সরিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা কিছুটা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই মনে করি, ইরানি রাষ্ট্র ৪৯ বছর ধরে যা করে আসছে, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, তারা সেটিই করার চেষ্টা করছে। তাই আমরা অত্যন্ত সতর্ক আছি, এ বিষয়ে আমি শুধু এটুকুই বলব।

তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, বোমারু বিমান হঠাৎ সরিয়ে নেওয়া এবং সন্দেহভাজন ইরানি চক্রান্তের মধ্যে সরাসরি কোনও যোগসূত্র নেই। তার ভাষ্য, পেন্টাগন সব সময়ই সম্পদ প্রয়োজন অনুযায়ী পুনর্বণ্টন করছে। সোমবার রুবিও আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটির নিরাপত্তা নিয়ে তাদের আস্থা রয়েছে।

ঘটনার অনেক কিছু এখনও ব্যাখ্যাতীত থাকলেও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বলেছেন, কোনও চক্রান্ত থাকলে তার পেছনে ইরানের সমর্থন থাকার সম্ভাবনা বেশি। ইরান বলেছে, চক্রান্তে তাদের জড়িত থাকার অভিযোগ ভিত্তিহীন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এক্সে লিখেছেন, আমি নিশ্চিত করতে পারি যে ইরানের বিশ্বাস, বিদেশি রাষ্ট্রের হয়ে কাজ করা তথাকথিত সন্ত্রাসীদের ছেড়ে দেওয়াটাই সবকিছু বলে দেয়। আপনারা ভুল জায়গায় দোষারোপ করছেন।