সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

সাতক্ষীরার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠন

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ম্যানেজিং কমিটি (এসএমসি) গঠন করা হয়েছে। রবিবার (২১ জুন) পৃথক পৃথক সাধারণ সভা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে এসব কমিটি চূড়ান্ত করা হয়। বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মানোন্নয়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ।
পাটকেলঘাটা বড়বিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: পাটকেলঘাটা থানার বড়বিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২ সদস্যবিশিষ্ট নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সর্বসম্মতিক্রমে মো. আব্দুল আহাদ সভাপতি এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার দাশ সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন। রবিবার সকাল ১১টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আলী হোসেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য শেখ আজিজুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
কমিটির অন্যান্য সদস্য: সহ-সভাপতি মো. রুস্তম আলী, দাতা সদস্য গোলাম নবী, বিদ্যোৎসাহী সদস্য মো. খলিলুর রহমান ও লিমা খাতুন, শিক্ষক প্রতিনিধি মনোয়ারা খাতুন। অভিভাবক সদস্য হিসেবে আছেন শাহাবুদ্দীন, বিষ্ণু প্রিয়া দাশ, রাজিয়া খাতুন, মো. আব্দুর রশিদ ও আজিবর রহমান।


শহীদ কাজল স্মৃতি পশ্চিম জোড়দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের শহীদ কাজল স্মৃতি পশ্চিম জোড়দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কার্যকরী কমিটি গঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১০টায় শরিফা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় সর্বসম্মতিক্রমে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক এসএম জুলফিকার আলী-কে সভাপতি এবং সাংবাদিক ও ইউপি সদস্য মো. আবু ছালেককে সহ-সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফা পারভীন কমিটিতে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
কমিটির অন্যান্য সদস্য: দাতা সদস্য নেসার আলী সরদার, বিদ্যোৎসাহী সদস্য (নারী) লাকি খাতুন, বিদ্যোৎসাহী সদস্য (পুরুষ) এস কে আরিফুল ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রতিনিধি মিল্টন হোসেন এবং শিক্ষক প্রতিনিধি পম্পা রানী। অভিভাবক সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন রিজিয়া খাতুন, রাবেয়া খাতুন, আলমগীর হোসেন ও শামীম হোসেন।

 


ব্রহ্মরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ডি.বি ইউনাইটেড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও ‘মা’ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মমিনুর রহমান মুকুল। রবিবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নতুন কমিটির সদস্যদের নিয়ে এক মতবিনিময় ও নির্বাচন সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কমিটির সদস্য সচিব শিরিন সুলতানা।
কমিটির অন্যান্য সদস্য: সহ-সভাপতি ইউপি সদস্য মো. আব্দুল হাকিম, বিদ্যোৎসাহী সদস্য (মহিলা) তাপসী ভঞ্জু, বিদ্যোৎসাহী সদস্য (পুরুষ) সোমনাথ সাহা এবং সদস্য মো. মহাসীন উদ্দিন। এছাড়া শিক্ষক প্রতিনিধিদের মধ্যে রয়েছেন মো. আবুল খায়ের, রেখা খাতুন, হাওয়া খাতুন, বিমল চৌধুরী, প্রকাশ দেবনাথ ও মো. আব্দুর রহিম।

ইটাগাছা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ বছর মেয়াদি নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সভাপতিত্বে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মজিদকে সভাপতি এবং সহ-সভাপতি পদে মো. মোফাজ্জেল হোসেনকে নির্বাচিত করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ কামাল উদ্দীন এই কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
কমিটির অন্যান্য সদস্য: সদস্য হিসেবে আছেন সৈয়দ আসাদুজ্জামান, শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন, আবু সাইদ বিশ্বাস, মো. মামুন রেজা, মোছা. টুমপা খাতুন, আশরাফিয়া খাতুন এবং শিরিনা সুলতানা। শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন হরেন ও রবীন্দ্র নাথ পাল।

 


শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: সদরের ভোমরা ইউনিয়নের শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। রবিবার সকাল ১০টায় শ্রীরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উক্ত কমিটি গঠন করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খবিরন্নেছার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান, কলেজ শিক্ষক একে আজাদ কানন। কমিটিতে মনোনীতরা হলেন-বিদ্যেৎসাহী মহিলা অভিভাবক সদস্য আসমা খাতুন, বিদ্যেৎসাহী পুরুষ সদস্য একেএম আজাদ কানন, জমিদাতা উত্তরাধীকার সদস্য সাবেক ইউপি সদস্য বজলুর রহমান, বিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধি রাকিবুল বাশার, পুরুষ অভিভাবক সদস্য আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ও ইয়াহিয়া আলম, মহিলা অভিভাবক সদস্য লিমা খাতুন ও সুমা রানী সেন, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাবেক সুপার মাওলানা নূরুল আমিন। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী পদোধীকার বলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফতেমা খাতুন সদস্য সচিব। ইউপি সদস্য নেছারুল্ল্যাহ আল মামুন সদস্য ও পল্লীশ্রী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রফিকুল ইসলামসহ মোট ১২সদস্য বিশিষ্ট ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মনোনীত হয়। পরে পুরুষ অভিভাবক সদস্য ইয়াহিয়া আলমকে সভাপতি ও পুরুষ বিদ্যেৎসাহী সদস্য একেএম আজাদ কাননকে সহ-সভাপতি মনোনীত করা হয়।

Ads small one

শ্যামনগরের মুন্সীগঞ্জে জেলেখালী খাল খনন শেষে পুনরায় মাছ ছেড়ে দখল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরের মুন্সীগঞ্জে জেলেখালী খাল খনন শেষে পুনরায় মাছ ছেড়ে দখল

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগর উপজেলায় মুন্সীগঞ্জ জেলেখালীতে প্রায় ২৫ একর জমির মধ্যে গ্রামবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে বেসরকারি উদ্যোগে খাল খনন করা হয়েছে। খাল খনন শেষ না হতেই খাল পূর্বের দখলকারীরা পুনরায় মাছ ছেড়ে দখল করা হয়েছে বলে জানান স্থানীয় গ্রামবাসী।

এলাকার কৃষকরা বলেন, মাটির নিচে লবনাক্ত হলেও এই এলাকায় আমন মৌসুমী ফসল উৎপাদন হয়। একটি ফসলের উপর নির্ভর করে এই অঞ্চলের কৃষক কষ্ট করে টিকে আছে। বছরের অন্যান্য সময় শহরের ইটভাটাসহ বিভিন্ন কাজে যেতে হয়। এলাকায় মিষ্টি পানির সংকট থাকার কারণে কৃষকরা এখানে শুধুমাত্র আমন ধান চাষ করে। জেলেখালির খালে বোরো মৌসুমী খালের ২ থেকে ৩ ফিট পানির থাকে, সেই পানির উপর ভরসা করে দুইটি ফসল করার চেষ্টা করলেও অধিকাংশ সময়ে পানি সংকট দেখা যায়। ফলে বোরো ফসল শুকিয়ে নষ্ট হয়ে যায়।

গ্রামের মধ্যে জেলেখালি খালটি প্রবাহিত হয়েছে, যার ২.২ কিঃমিঃ উন্মুক্ত আছে। সেই অংশটি খনন করা হয়েছে বলে জানান স্থানীয় কৃষকরা। বর্ষা মৌসুমী কৃষি ফসলের মাঠের পানি নিষ্কাশনের জন্য খালটি উন্মুক্ত রাখারও প্রয়োজন। কিন্তু খালটি ভরাট থাকার কারণে প্রতিবছর জলবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার ফলে পানি নিষ্কাশন না হলে ফসল ও বীজতলায় বিগত কয়েক বছর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমী খালে পানি থাকে না, বেশিরভাগ জায়গা পতিত থাকে। এমতাবস্থায় খালটি উন্মুক্ত রাখার দাবিতে জেলেখালি গ্রামবাসী গণস্বাক্ষর করে উপজেলা প্রশাসনের নিকট পেশ করেন।

জনগণের দাবির পক্ষে প্রশাসন ও বেসরকারি সংগঠন খালটি খননের উদ্যোগ গ্রহণ করে। যার দাগ নম্বর ২৩৯, ২৮১। জনগনের দাবি, আইনগত মতামতের ভিত্তিতে ও উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে, সুইডেন দূতাবাস, ঢাকা এর অর্থায়নে, সিএনআরএস-বিফরআরএল প্রকল্পের উদ্যোগে খালটি পুনঃখননের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। খালটি খনন উদ্বোধন করেন সাংসদ গাজী নজরুল ইসলাম।

খালটি খনন করার পর পূর্বের দখলকারী ইসাক আলী পাড়ের নেতৃত্বে তার সহযোগীরা স্থানীয় মানুষের হুমকি দিয়ে খালের একটি অংশে কিছু রুই জাতীয় মাছের পোনা ছেড়ে দেন। সাথে সাথে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করে। খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি বিষয়টি স্থানীয় সুধীমহল ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের কাছে তুলে ধরেন। এলাকাবাসীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ খালটি উন্মুক্ত রাখার জন্য সংসদ সদস্য বরাবর লিখিত আবেদন করেন। এছাড়া শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপির নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রশাসক, সহকারী কমিশনার ভূমিসহ বিভিন্ন মহলে খালটি মুক্ত রাখার আবেদন করেন।

এ বিষয়ে খাল দখলকারী ইসহাক আলী পাড়ের নিকট কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ খালের মাছ বিক্রির আয় থেকে কিছু অর্থ দলীয় ও একটি প্রতিষ্ঠানের নামে যায়। তাছাড়া আমি ব্যক্তিগত কোন কাজে এই অর্থ ব্যবহার করি না, আমার সৃষ্টিকর্তা অনেক কিছু দিয়েছেন। খালমুক্ত থাকলে সবার জন্য ভালো কিন্তু আইনি প্রক্রিয়ায় আটকানো রয়েছে। খালমুক্ত থাকলে আমিও সাধুবাদ জানাই। আইনের প্রক্রিয়ায় খালটি মুক্ত হলে আমি ১৫ দিন অথবা এক মাসের মধ্যে সব মাছ ধরে নিতে পারব। এই এলাকার হিন্দু মুসলিম আমার ভাই আত্মীয়। সবাই এই খালের সাথে যুক্ত উল্লেখ করে তাদের ক্ষয়ক্ষতি না করে সমন্বয় করে নেওয়ার কথা বলেন। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, কোটের নিষেধাজ্ঞা আছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এলাকাবাসীর সাথে যাতে সম্পর্কের অবনতি যাতে না হয় সেই দিকে খেয়াল রাখবো বলে তিনি জানান।

খালপাড়ের বাসিন্দা ধনঞ্জয় গায়েন বলেন, এই খালটি আমাদের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ। খালটি খনন হওয়ায় এলাকার পানি নিষ্কাশনসহ কৃষকরা বোরো ধান চাষ করতে পারবেন। এই খালটি খনন করার জন্য খালের দু’পাড়ে কৃষকদের কাছে গণস্বাক্ষর করে নিয়েছে যাতে খালটি উন্মুক্ত থাকে এবং খালের পাড়ে আমাদের জমিতে মাটি রাখতে পারে। খালপাশে কৃষি জমিতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ বিঘা জায়গাতে মাটি ফেলা হয়েছে যেটা আমাদের কৃষকের স্বার্থ ও খালটি উন্মুক্ত রাখার জন্য আমরা খননের জন্য একমত হয়েছি ।

কৃষাণী ফুলমতি মিস্ত্রি বলেন, এই খালটি ইজরা বা দখল থাকলে এই খালের একফোঁটা পানি ব্যবহার করার সুযোগ পাবে না স্থানীয় কৃষকরা। আমরা শত শত কৃষক কৃষাণী এখন মাছ ধরছি কিন্তু মাছ ধরার সুযোগ তো দূরে থাক, একফোঁটা পানি ব্যবহার করার সুযোগ পাবে না।

জেলেখালির গ্রামের ইউপি সদস্য দেবাশিষ গায়েন বলেন, উপজেলা প্রশাসনসহ স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ এর উদ্যোগে এই খালটি খনন করা হয়েছে। এ খালটি উন্মুক্ত রাখার জন্য আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। এই খাল দখলদারদের হাতে চলে গেলে এলাকার কৃষকগণ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং পানি নিষ্কাশনের জন্য বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়বে।

 

আলিয়ার এক প্রশংসায় রীতিমতো তারকা বনে গেলেন, কে এই যুবক?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
আলিয়ার এক প্রশংসায় রীতিমতো তারকা বনে গেলেন, কে এই যুবক?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৭ হাজার অনুসারী নিয়ে দিন কাটছিল সুক্রুত দেওর। পরিচিতি বলতে বন্ধু-স্বজন আর অল্প কিছু দর্শক। কিন্তু ভাগ্য বোধহয় অপেক্ষা করছিল একটি মঞ্চের জন্য, আর সেই মঞ্চের নাম ইন্ডিয়াজ গট ল্যাটেন্ট।

শোতে এসে এমন এক পারফরম্যান্স দিলেন সুক্রুত, যা দেখে মুগ্ধ শুধু দর্শকই নন, বলিউড তারকা আলিয়া ভাটও। আর আলিয়ার প্রশংসা যেন কাজ করল জাদুর মতো। এরপর যা ঘটল, তা অনেক নতুন শিল্পীর কাছেই স্বপ্নের মতো।

কয়েক দিনের ব্যবধানে সুক্রুতের অনুসারীর সংখ্যা ৭ হাজার থেকে লাফিয়ে পৌঁছে যায় ১ লাখ ৩৬ হাজারে। অর্থাৎ যে সংখ্যাটা একসময় কল্পনার মতো ছিল, সেটাই এখন বাস্তব।

শোটির নির্মাতা ও সঞ্চালক সমায় রায়নাও সুক্রুতকে নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তার মতে, এই তরুণের মধ্যে রয়েছে আলাদা এক আকর্ষণ, যা দর্শকদের চোখ এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

নেটদুনিয়াতেও এখন সুক্রুতকে নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। কেউ বলছেন তিনি অনুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় চমক, কেউ আবার দাবি করছেন— এই মৌসুমের সবচেয়ে স্মরণীয় আবিষ্কার হতে পারেন তিনি।

বিনোদন জগতে প্রায়ই বলা হয়, একটি সুযোগ মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে। সুক্রুত দেওর গল্পটি আপাতত সেই কথারই নতুন সংস্করণ। কয়েক দিন আগেও যিনি ছিলেন হাজারের ঘরে, তিনি এখন লাখো মানুষের নিউজফিডে। আর সবকিছুর শুরু একটি পারফরম্যান্স, কয়েকটি প্রশংসাসূচক বাক্য এবং দর্শকদের অকুণ্ঠ ভালোবাসা থেকে।

৯২ বছরের অপেক্ষার অবসান, বিশ্বকাপে প্রথম জয় পেলো মিসর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
৯২ বছরের অপেক্ষার অবসান, বিশ্বকাপে প্রথম জয় পেলো মিসর

১৯৩৪ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলেছিল মিসর। চলতি বিশ্বকাপসহ অংশ নিয়েছে মোট ৪ আসরে। কিন্তু আগের তিনটি আসরেই ছিল হতাশা। জয় ছিল না একটিও। এবার মোহাম্মদ সালাহের মিসর নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম জয়ের স্বাদ পেয়েছে। তাতে গ্রুপ ‘জি’-এর শীর্ষে উঠে গেছে ফারাওরা।

এই জয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠলেও এখনই নকআউট পর্ব নিশ্চিত হয়নি মিসরের। আগামী শুক্রবার সিয়াটলে ইরানের বিপক্ষে নিজেদের শেষ গ্রুপ ম্যাচে অন্তত ড্র করলেই শেষ ৩২ নিশ্চিত হবে।

চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে জায়গা না পাওয়া মিসর এর আগে ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপে দুটি গোল করেছিলেন সালাহ। এবার ম্যাচের ৬৭ মিনিটে দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। তৃতীয়টিতে রাখেন অবদান।

জয় পেলেও ম্যাচের ১৫ মিনিটে মিসরকে বিপদে ফেলে দিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। কর্নার থেকে টিম পেইনের নিখুঁত ক্রসে হেডে গোল করে নিউজিল্যান্ডকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ফিন সারম্যান।

শেষ পর্যন্ত মিসর খেলায় ফেরে বিরতির পর। আক্রমণের তীব্রতা বাড়িয়ে ৫৮ মিনিটে দলকে সমতায় ফেরান মোস্তফা জিকো। এরপর ৬৭ মিনিটে জিকোর ব্যাকহিল পাস থেকে গোল করে মিসরকে এগিয়ে দেন সালাহ। জাতীয় দলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় কোচ হোসাম হাসানের রেকর্ড স্পর্শ করতে এখন সালাহর প্রয়োজন আর মাত্র একটি গোল। ৮২ মিনিটে ত্রেজেগের ডাইভিং হেডারে ম্যাচের শেষ গোলটি আসে। গোল বানিয়ে দিয়েছেন সালাহ।

উল্লেখ্য, গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বেলজিয়ামের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছিল মিসর। আর ২০১০ সালের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপে খেলছে নিউজিল্যান্ড। দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে তারা তিনটি ম্যাচই ড্র করেছিল। ইরানের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দুইবার এগিয়ে গিয়েও ২-২ গোলে ড্র করেছে তারা।