রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরা গালর্স হাই স্কুলের সামনের ঝাল মুড়ি বিক্রেতা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা গালর্স হাই স্কুলের সামনের ঝাল মুড়ি বিক্রেতা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ঝাল মুড়ি বিক্রেতা মোঃ ইউনুস হোসেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬ টার সময় সাতক্ষীরা শহরের কামালনগর গোরস্থানের পাশে তার নিজ বাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান।

 

নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মত মোঃ ইউনুস হোসেন ঝালমুড়ি বিক্রির উদ্দেশ্যে ভ্যানগাড়ি গোচাচ্ছিলেন। এসময় তার টিনের চাল বিদ্যুতায়িত হয়ে ভ্যান গাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ভ্যানগাড়ি স্পর্শের সাথে সাথে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে এলাকার শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Ads small one

সাতক্ষীরায় ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরায় ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির আয়োজনে সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অ:দা:) মোঃ আবুল হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আলমগীর কবীর ও সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার মুহা: আবুল খায়ের প্রমূখ।

এসময় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ডি.বি ইউনাইটেড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ মমিনুর রহমান মুকুল, রসুলপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আশরাফুর রহমান খোকন, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মোঃ আব্দুর রউফ, গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অডিটর ও আলিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিএম আব্দুর রকিব, কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক মোঃ আবু সাঈদ প্রমূখ।

এসময় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন খেজুরডাঙ্গা আর কে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস।

কলারোয়ায় সাড়ে ৫ বিঘা জমিতে পেঁপের বাম্পার ফলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় সাড়ে ৫ বিঘা জমিতে পেঁপের বাম্পার ফলন

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার পাচনল গ্রামের মাঠে পেঁপে চাষে ব্যাপক সাফল্য দেখা দিয়েছে। উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ৫.৫ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে তোলা হয়েছে এই আধুনিক পেঁপে বাগান। বর্তমানে বাগানজুড়ে ঝুলে থাকা পেঁপে এবং এর বাম্পার ফলনে মুখে হাসি ফুটেছে সংশ্লিষ্টদের।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কম্পিটিটিভনেস প্রজেক্ট’ (এসএসিপি-রেইনস)-এর আওতায় এবং জিএএফএসপি ও আইএফএডি -এর আর্থিক সহযোগিতায় উচ্চমূল্য ও পুষ্টিসমৃদ্ধ ফল ও সবজি বাগান হিসেবে এটি তৈরি করা হয়েছে। এখানে ‘টপ লেডি’ ও ‘গ্রীন ফায়ার’ জাতের পেঁপে চাষ করা হয়েছে।

বাগান পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১৩০ মণ থেকে ১৪০ মণ কাঁচা ও পাকা পেঁপে তোলা হচ্ছে এই ক্ষেত থেকে। সংগৃহীত পাকা পেঁপেগুলো সুন্দরভাবে ক্যারেট ও প্যাকেটে বন্দি করে সরাসরি রাজধানী ঢাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পাইকারি বাজারে এই পেঁপের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (এসএএও) আকলিমা আক্তার এবং উপজেলা কৃষি অফিসের মাঠপর্যায়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় উন্নত প্রযুক্তি ও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে এই ফলন নিশ্চিত করা হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, প্রচলিত ফসলের তুলনায় পেঁপে চাষে লাভ বেশি এবং উৎপাদনও দ্রুত পাওয়া যায়। এলাকাটিতে পেঁপে চাষের এই বাম্পার ফলন দেখে আশেপাশের অন্য অনেক চাষিও এখন উচ্চমূল্যের এ ফল ও সবজি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তা সৌরভ দেবনাথ জানান, কলারোয়ার মাটি ও আবহাওয়া পেঁপে চাষের জন্য বেশ উপযোগী। কৃষকদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের কারিগরি পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে, যাতে কলারোয়ার এই সফলতার গল্প অন্যান্য এলাকাতেও ছড়িয়ে দেয়া যায়।

 

পাইকগাছায় আমন চাষিদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এলো বৃষ্টি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় আমন চাষিদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এলো বৃষ্টি

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): পাইকগাছায় রোপা আমন ধানের চারা রোপন পুরাদমে এগিয়ে চলেছে। কৃষকরা আমনের আবাদ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাঁটাচ্ছে। আমন ধান চাষ মূলত পুরোপুরি বৃষ্টিনির্ভর, তাই সময়মতো বৃষ্টি আমন আবাদে বড় ধরনের আশীর্বাদ হিসেবে কাজ করে। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে ফসলি জমিতে পানি জমেছে। বৃষ্টির এই সুফল কাজে লাগিয়ে কৃষকরা আমন চাষে মনোযোগী হয়ে উঠেছেন। এই ভারি বৃষ্টি যেন আমন চাষিদের স্বপ্নে আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে।

জলবায়ু পরিবর্তন ও আবহাওয়া জনিত কারণে উপকূল এলাকায় কৃষির মৌসুম দেরিতে শুরু হয়। লবণাক্ত উপকূল এলাকার পানি ও মাটি আমন চাষের জন্য লবনমুক্ত তৈরী করতে কিছুটা সময় বেশি লাগে। মাটি থেকে অতিরিক্ত লবণ দূর করে চাষ উপযোগী ও লবণমুক্ত হলে চারা রোপন করা হয়। তাছাড়া মৎস্য লীজ ঘের গুলো কিছুটা নিচু হওয়ায় আমন চাষের উপযোগি করতে আরো বেশি সময় লাগে। সে কারণে উপকূলের এ অঞ্চলে কৃষির আবাদ অন্যান্য এলাকা থেকে ২০ থেকে এক মাস পরে আবাদ শুরু হয়।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে উপজেলায় ১৩ হাজার ৩৩০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। আমন আবাদের জন্য ৭২৬ হেক্টর বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ১০ হাজার ৬শ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। কৃষকরা জমি তৈরি ও চারা রোপন নিয়ে ব্যস্ত দিন পার করছে। উপজেলার গদাইপুর গ্রামের কৃষক রফিকুল বলেন, বৃস্টির কারণে আউশ ধান কাটতে দেরী হওয়ায় আমনের চাষও দেরিতে শুরু হয়েছে। গোপালপুর গ্রামের কৃষক শহিদুল বলেন, এলাকায় চাহিদার তুলনায় ধানের চারা কম থাকায় বিভিন্ন এলাকা থেকে অধিক মূল্য দিয়ে ধানের চারা ক্রয় করতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন জানান, উপকূলের পাইকগাছা অঞ্চলের চাষাবাদ কিছুটা আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে। সে জন্য অন্য এলাকার তুলনায় এ এলাকার কৃষি কাজ কিছুটা দেরিতে শুরু হয়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমনের আবাদ ভাল হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন।