মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরা র‌্যাব ও পুলিশের অভিযানে ২৬৩৭পিস ইয়াবাসহ আটক ৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা র‌্যাব ও পুলিশের অভিযানে ২৬৩৭পিস ইয়াবাসহ আটক ৫

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় র‌্যাব ও পুলিশের পৃথক অভিযানে ২ হাজার ৬৩৭পিস ইয়াবাসহ ৫জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া নিয়মিত অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরো ৬জনকে। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার নিয়মিত মর্ণিং রিপোর্টে ১১জন গ্রেপ্তার ও ইয়াবা উদ্ধারের এ তথ্য জানানো হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত আনুমান ২ টার দিকে শহরের পলাশপোল মধুমাল্লারডাংঙ্গী এলাকা থেকে ইয়াসিন আরাফাত নামক এক যুবককে আটক করা হয়। তার নিকট থেকে উদ্ধার করা হয় ২৫২০ পিস ইয়াবা।

র‌্যাব জানায়, ইয়াসিন আরাফাত দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাদকের কারবার চালিয়ে আসছিলেন। পলাশপোল মধুমাল্লারডাংঙিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তার মাদক সিন্ডিকেট স্থানীয় যুবসমাজের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব বেশ কিছুদিন ধরেই তাকে আটকের চেষ্টা চালানো হচ্ছিল। র‌্যাবের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়, আটককৃত ইয়াসিন আরাফাতের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাকে সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার প্রেসবিজ্ঞপ্তির তথ্যানুযায়ী সাতক্ষীরা সদর থানায় ৫জন, কালিগঞ্জ থানায় ২জন, ও আশাশুনি থানায় ৪জনকে আটক করা হয়। এরমধ্যে সদর থানায় পৃথক ৩টি ঘটনায় ৪জনকে ২৬৩২পিস ইয়াবা এবং আশাশুনি থানায় ১জনকে ৫পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। মাদক উদ্ধারের ঘটনায় সদর ও আশাশুনি থানায় পৃথক ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Ads small one

কয়রায় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি, সাংবাদিকদের নিন্দা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ
কয়রায় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি, সাংবাদিকদের নিন্দা

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক পত্রদূতের কয়রা প্রতিনিধি জি এম রিয়াজুল আকবরকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মো. হাফিজুর রহমান মন্টু ও মো. লতিফুর রহমান লাল্টু নামের দুই ব্যক্তি এই হুমকি দেন বলে জানা গেছে।
সাংবাদিককে দেওয়া এই হুমকির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কপিলমুনি সিটি প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকেরা। তাঁরা অবিলম্বে হুমকিদাতাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এক যৌথ বিবৃতিতে কপিলমুনি সিটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম আজাদ হোসেন, কার্যকরী সহ-সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম খান, সহ-সভাপতি জি এম এমদাদ, সাধারণ সম্পাদক পলাশ কর্মকার, সহ-সাধারণ সম্পাদক এস কে আলীম, কোষাধ্যক্ষ জগদীশ দে, সাংগঠনিক সম্পাদক পলাশ মজুমদারসহ অন্য সদস্যরা এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান। পৃথক বিবৃতিতে অন্যান্য স্থানীয় সাংবাদিক সংগঠনের নেতারাও দোষীদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

জাতীয় যুবনীতি হালনাগাদে খুলনায় তরুণদের মতামত গ্রহণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
জাতীয় যুবনীতি হালনাগাদে খুলনায় তরুণদের মতামত গ্রহণ

সংবাদদাতা: জাতীয় যুবনীতি ২০১৭ হালনাগাদ করে সময়োপযোগী, আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নতুন নীতি প্রণয়নের লক্ষ্যে তরুণদের সরাসরি মতামত নেওয়া হচ্ছে। এই উদ্দেশ্যে খুলনায় অনুষ্ঠিত বিভাগীয় পরামর্শ কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার যুব প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) খুলনার নূরনগরে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় সংলগ্ন কৃষি বিপণন ভবনে দিনব্যাপী এই বিভাগীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
নতুন নীতি প্রণয়ন কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক সচিব ড. আবুল হোসেন। এতে আরও অংশ নেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মরিয়ম আক্তার, খুলনার উপপরিচালক মো. মোস্তাক উদ্দীন, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) টেকনিক্যাল অফিসার হাবিবুর রহমান এবং ভিএসও বাংলাদেশের প্রকল্প সমন্বয়কারী অনুপ গুন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আবুল হোসেন বলেন, দেশ গড়ার মূল কারিগর তরুণ সমাজ। দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠীই যুবসমাজ। পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও জলবায়ু সংকটের মতো বাস্তব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণদের চাহিদাকেই নতুন জাতীয় যুবনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা হচ্ছে।
কর্মশালায় বক্তারা পরিবেশবান্ধব দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি, মানসিক স্বাস্থ্য, ডিজিটাল সক্ষমতা, সামাজিক সুরক্ষা এবং উপকূলীয় জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলার বিষয়গুলোকে নতুন নীতিতে প্রাধান্য দেওয়ার তাগিদ দেন।
কর্মশালায় উপস্থিত তরুণরা দলীয় আলোচনা ও মুক্ত মতবিনিময়ের মাধ্যমে তাঁদের নানা প্রস্তাবনা নীতি-নির্ধারকদের সামনে তুলে ধরেন। খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার দপ্তরপ্রধান এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরাও এতে উপস্থিত ছিলেন। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মরিয়ম আক্তার জানান, দেশের আটটি বিভাগ থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো জাতীয় পর্যায়ে সমন্বয় করে একটি আধুনিক ও টেকসই জাতীয় যুবনীতি প্রণয়ন করা হবে।

চেয়ারম্যানের তদারকিতে শৈলকুর বিলের পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
চেয়ারম্যানের তদারকিতে শৈলকুর বিলের পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা-তালতলা ও কৈখালীসহ আশপাশের এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে শৈলকুর বিলের পানি অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্তের দিকনির্দেশনা ও লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিমের তদারকিতে বিভিন্ন মৎস্যঘেরের মালিকেরা পানি চলাচলের পথ উন্মুক্ত করছেন।
এর আগে জলাবদ্ধতার কারণে প্রায় ১০ হাজার বাসিন্দার দুর্ভোগ দেখে ইউপি চেয়ারম্যান গত ২৬ জুলাই বিকেলে মাগুরা পূর্বপাড়া জামে মসজিদের সামনে মৎস্যঘেরের মালিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে আলোচনা সভা করেন। সেখান থেকে পানি নিষ্কাশনের স্বার্থে ঘেরমালিকদের তিন দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়। পরদিন ২৭ জুলাই বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পুরো এলাকায় মাইকিং করে ঘেরমালিকদের পুনরায় সতর্ক করা হয়।
মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, শৈলকুর বিলের পানি বের করতে বিভিন্ন মৎস্যঘেরের মালিকেরা শ্রমিক নিয়োগ করে পাইপ বসানো ও নেট-পাটা সরিয়ে পানি চলাচলের পথ তৈরি করছেন। তবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বেশ কয়েকটি ঘেরে এ ধরনের কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শৈলকুর বিলের ঘেরগুলোর বেড়িবাঁধ উন্মুক্ত করে দিলে কাটিয়া কাস্টমস গোডাউন মোড়সংলগ্ন স্টাফ কোয়ার্টার, মিলবাজার আবহাওয়া অফিস, মিলগেট, মাগুরা কর্মকারপাড়া, দাসপাড়া, কৈখালী মাদ্রাসা মোড় ও তালতলাসহ বিস্তীর্ণ এলাকার জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হবে। এই বিলের কাটাখাল দিয়ে পানি সরাসরি বেতনা নদীতে গিয়ে পড়বে।
কামরুজ্জামান নামের এক মৎস্যঘের ব্যবসায়ী জানান, জলাবদ্ধতা দূর করতে দ্রুত বাঁধ কেটে ও পাইপ বসিয়ে পানি বের করে দেওয়ার জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী বেশ কিছু ঘেরের আইল কেটে পথ তৈরি করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ শেষ হলে দ্রুত এলাকার পানি নেমে যাবে।
এ বিষয়ে লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম স্পষ্ট জানান, পানি আটকে রেখে ঘের পরিচালনা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত হলে হাজার হাজার মানুষ ও গবাদিপশু জলজট থেকে রক্ষা পাবে।