সীমান্তের পূজাম-পে নিরাপত্তা জোরদার: বেনাপোলসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২২২টি পূজাম-পে ২ হাজার বিজিবি মোতায়েন
এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘœ উদ্যাপন নিশ্চিত করতে যশোর ও বেনাপোল সীমান্ত এলাকাসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২২২টি পূজাম-পে দুই হাজার বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে এবং নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (যশোর ৪৯ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে ২৯টি এবং যশোর শহরে ২০টি পূজাম-পে এ বছর দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজাম-পগুলোতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সদস্যরা ইতিমধ্যে দিনরাত টহল, রেকি এবং মোবাইল পেট্রোল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সীমান্তবর্তী এলাকায় সম্ভাব্য চোরাচালান, নাশকতা ও দুষ্কৃতকারীদের যেকোনো তৎপরতা রোধে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি পূজাম-পে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও আনসারের সঙ্গে সমন্বয় করে ম-পের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি একযোগে কাজ করছে।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান জানান, সীমান্তবর্তী পূজাম-প এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবির পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন, যশোরের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ২২২টি পূজাম-পে দুই হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ৫২টি অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প থেকে এসব পূজাম-পে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হবে। এ ছাড়া সর্বোচ্চ নিরাপত্তার জন্য বিজিবির এপিসি প্লাটুন ও বিশেষায়িত কে-৯ ডগ স্কোয়াড মোতায়েন থাকবে। দুষ্কৃতকারীরা যাতে উৎসবের পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। যেকোনো প্রয়োজনে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)-এর সদরে একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে এবং সীমান্তবর্তী বিওপিগুলোতে জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে।









