বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩

৩০ মে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রথম পুনর্মিলনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
৩০ মে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রথম পুনর্মিলনী

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের প্রথম পুনর্মিলনী (রিইউনিয়ন) আগামী ৩০ মে কলেজ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার কলেজ মিলনায়তনে বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এক প্রস্তুতি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল হাশেমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান পবিত্র কুমার দাশ। এ সময় বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাহিনা সুলতানা, সহকারী অধ্যাপক মহিতোষ কুমার নন্দী, শাহেদ মোস্তফা চৌধুরী ও আবুল কালাম আজাদসহ অন্য শিক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, ঈদের একদিন পর ৩০ মে শনিবার জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আগামী ২০ মে বুধবারের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০০ টাকা।

রেজিস্ট্রেশনের জন্য ইতোমধ্যে ব্যাচভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন করে দেওয়া হয়েছে। বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান, কাজী নাজমুল আহসান জনি, জোবায়ের আলমসহ অন্য শিক্ষার্থীরা প্রস্তুতিমূলক এই সভায় নিজ নিজ ব্যাচের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন। বিভাগের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের এই মহামিলনে অংশ নিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে। পুরো সভাটি সঞ্চালনা করেন নাজমুল হক।

 

 

 

 

 

 

Ads small one

জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য পদ পেলেন সাতক্ষীরার সাজেদুর রহমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য পদ পেলেন সাতক্ষীরার সাজেদুর রহমান

সাতক্ষীরার সন্তান ও দৈনিক ‘বাণিজ্য প্রতিদিন’ পত্রিকার স্বত্বাধিকারী কাজী সাজেদুর রহমান জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য পদ লাভ করেছেন। জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়ার নেতৃত্বাধীন ৪১১জন সদস্যের অনুমোদিত তালিকায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কাজী সাজেদুর রহমান বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী আলাউদ্দীনের জ্যেষ্ঠ পুত্র। তাঁর শৈশব ও কৈশোর কেটেছে খুলনায়। তিনি খুলনা জিলা স্কুল থেকে এসএসসি এবং খুলনা সুন্দরবন কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি) থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
শিক্ষাজীবন শেষে সাজেদুর রহমান ব্যবসায় আত্মনিয়োগ করেন। তিনি পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে ‘কেপিসি ইন্ডাস্ট্রিজ’ প্রতিষ্ঠা করেন, যা বর্তমানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিসপোজেবল পেপার কাপ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। তিনি পেপার কাপ ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যবসায়িক সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ইতিপূর্বে ‘বর্ষসেরা এসএমই উদ্যোক্তা’ নির্বাচিত হয়ে জাতীয় পুরস্কার লাভ করেছেন। ব্যবসার পাশাপাশি তিনি লেখালেখিও করেন। তাঁর রচিত ‘উদ্যোগ ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের রূপরেখা’ এবং ‘প্রকল্প’ শিরোনামে দুটি বই প্রকাশিত হয়েছে। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য পদ প্রাপ্তি তাঁর সাফল্যের মুকুটে আরও একটি নতুন পালক যোগ করল। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

ভোমরায় নারী ও শিশু পাচার রোধে সমন্বয় সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
ভোমরায় নারী ও শিশু পাচার রোধে সমন্বয় সভা

সাতক্ষীরার ভোমরা ইউনিয়নে নারী ও শিশু পাচার প্রতিরোধ এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভোমরা মানবাধিকার সংরক্ষণ পরিষদ (এমএসপি) ও মানবাধিকার নারী পরিষদের (এমএনপি) দ্বি-মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ভোমরায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এমএসপি সদস্য সৌমেন কুমার ও এমএনপি আহ্বায়ক মধুমালা গাইনের সভাপতিত্বে সভায় শিশুদের জন্ম নিবন্ধন নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে আইনি সহায়তার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় উপস্থিত সদস্যরা নিজ নিজ এলাকায় পাচার ও নির্যাতন রোধে নিয়মিত জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করার সিদ্ধান্ত নেন। স্বদেশ সংস্থার নাগরিকতা প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম অফিসার মো. আজাহারুল ইসলাম ও প্যারালিগ্যাল মো. শরিফুল ইসলাম সভায় কারিগরি সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

শখ থেকে স্বপ্নপূরণ: কলারোয়ায় আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ
শখ থেকে স্বপ্নপূরণ: কলারোয়ায় আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনা

0-4024x1784-0-0-{}-0-12#

শেখ জিল্লু, কলারোয়া: কলারোয়ায় শখের বশে শুরু হওয়া আঙুর চাষ এখন রীতিমতো আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে করা এই চাষেই বাগানে ঝুলছে থোকা থোকা আঙুর। স্থানীয়দের বিস্মিত করে আঙুর চাষে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন জাহিদ হোসেন নামের এক উদ্যোক্তা কৃষক। কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের ধানঘরা গ্রামে জাহিদ হোসেনের এই আঙুর বাগান দেখতে প্রতিদিনই কৌতূহলী মানুষের আগমন ঘটছে। গত মঙ্গলবার সরেজমিনে আঙুর বাগান ঘুরে কেরালকাতা গ্রামের জাহিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তিনি পৈত্রিকভাবে পাওয়া দুই বিঘা জমি চাষাবাদ করে কোনো রকমে সংসার নির্বাহ করছিলেন। সচ্ছলতা ফেরাতে এর আগে কুল ও ড্রাগন চাষ করেছেন। গত বছর ইউটিউবে আঙুর চাষের ভিডিও দেখে তিনি এই চাষে উদ্বুদ্ধ হন। গত বছরের জুনে আড়াই বিঘার মতো জমি লিজ নিয়ে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে আঙুর চাষ শুরু করেন। কারো কোনো পরামর্শ ছাড়া সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থেকে আঙুর গাছের চারা নিয়ে এসে রোপণ করেন। এরপর জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ, নিয়মিত পানি দেওয়াসহ নেট, বেষ্টনী ও রশির মাচা বানিয়ে চারাগুলো গত ১১ মাস নিবিড় পরিচর্যা করেন। এরপর চলতি মাসে প্রতিটি গাছেই থোকায় থোকায় আঙুর ধরেছে। এই বাগানের আঙুরগুলো স্বাদেও অনন্য। সবুজ ও বেগুনি রঙের এই আঙুরগুলো যেনো নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে। আধুনিক কৃষির প্রতি আগ্রহ থেকে স্বল্প পরিসরে আঙুরের চারা রোপণ করেন জাহিদ হোসেন। পরিপাটি এই বাগান ঘুরে দেখা যায়, সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ঝুলছে নজরকাড়া থোকা থোকা আঙুর। প্রতিদিন বাগান দেখতে ভিড় করছেন মানুষ। অনেকেই বলছেন, এই অঞ্চলের মাটিতে আঙুর চাষ সম্ভব-এ ধারণা আগে তাদের ছিল না। জাহিদ হোসেন জানান, প্রথমবার করা এই বাগানে লিজসহ ত ৮ লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। তিনি বলেল, এখানে বাগান করার বিষয়টি উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর অবগত ছিলো না। পরে জানতে পেরে তারা সবধরনের পরামর্শ ও সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার জিয়াউল হক জানান, খুলনা বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক রফিকুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তারা এই আঙুর বাগান পরিদর্শন করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম ইতোমধ্যে এই বাগানটি পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে বাগান উদ্যোক্তা জাহিদুল ইসলাম ধানঘরা প্রাইমারি স্কুল থেকে বাগান অভিমুখী রাস্তাটি কাঁচা হওয়ায় তা পাকাকরণের দাবি জানান। এছাড়া এখানে বিদ্যুৎ না থাকায় তিনি বিদ্যুতায়নেরও দাবি জানান। বাজারে বিদেশি আঙুরের চাহিদা থাকায় দেশীয়ভাবে উৎপাদিত আঙুরেরও ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। এখকনকার সুস্বাদু এই আঙুর আমদানিকৃত আঙুরের তুলনায় মানগত দিক থেকে যথেষ্ট উৎকৃষ্ট। কৃষি বিভাগের সহযোগিতা ও পরামর্শ পেলে আরও বড় পরিসরে আঙুর চাষ সম্প্রসারণের আশা করছেন জাহিদ হোসেন। শখের বসে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ এখন এলাকার কৃষিতে নতুন স্বপ্ন ও সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।