মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কেশবপুরে মৎস্যজীবী পরিবারের জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে মৎস্যজীবী পরিবারের জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে সংখ্যালঘু মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের পৈতৃক জমি জবরদখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) উপজেলার পরচক্রা বাজারে স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে এ সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী প্রতাপ ম-ল।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পরচক্রা গ্রামের মৃত চিত্ত রঞ্জন ম-লের ছেলে প্রতাপ ম-ল অভিযোগ করেন, পরচক্রা মৌজার ৪৪৩ ও ৫৬৮ নম্বর খতিয়ানের ১৪৫২ নম্বর দাগের পৈতৃক জমির একাংশ (৩৭ শতক) তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। ওই জমিতে থাকা তিনটি দোকানঘরের ভাড়ার টাকায় তাঁদের ৩টি পরিবারের ১৭ জন সদস্যের জীবিকা নির্বাহ হয়। গত বছর ওই দাগের দক্ষিণ পাশ থেকে অন্য এক শরিকের ৮ শতক জমি কেনেন একই গ্রামের ইসমাইল হোসেন। কিন্তু তিনি দলিলের সীমানা অমান্য করে গত ২০ মে উত্তর পাশের দোকানঘর ভেঙে জোরপূর্বক নতুন ঘর নির্মাণ শুরু করেন। এতে বাধা দিলে ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী তাঁদের ওপর হামলা ও মারধর করে। এ বিষয়ে কেশবপুর থানাসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। উল্টো সংখ্যালঘু হওয়ায় স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা অভিযুক্তকে পরোক্ষ সহযোগিতা করছেন এবং এর ফলে চার শরিকের পরিবার চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
জমি দখলের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পরচক্রা ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আরিফ বিল্লাহ বলেন, ইসমাইল হোসেন দক্ষিণ পাশ থেকে জমি কিনলেও জোরপূর্বক উত্তর পাশের ৮ শতক জমি দখল করে নিয়েছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইসমাইল হোসেন বলেন, তিনি শরিক মহারানী ম-লের কাছ থেকে বৈধভাবে ৮ শতক জমি কিনেছেন। জমি দখলে নেওয়ার পর থেকে বাদী তপন কুমার ম-লসহ কয়েকজন তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।
এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকসানা খাতুন বলেন, বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষকে থানায় ডেকে বসা হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তি না হওয়ায় তাঁদের আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Ads small one

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কারা, কেমন তাদের অতীত ইতিহাস?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কারা, কেমন তাদের অতীত ইতিহাস?

গ্রুপ সি-তে কাগজে-কলমে সবচেয়ে এগিয়ে ব্রাজিল ও মরক্কো। তবে বিশ্বকাপের ইতিহাস বলছে, প্রত্যাবর্তনের গল্পও অনেক সময় বড় চমক উপহার দেয়। স্কটল্যান্ড ও হাইতি সেই স্বপ্ন নিয়েই মাঠে নামবে। তবে ব্রাজিল চাইবে দুই দশকের বেশি সময়ের শিরোপা খরা কাটানোর পথে প্রথম পদক্ষেপটি দৃঢ়ভাবে রাখতে। মরক্কোও প্রমাণ করতে চাইবে কাতারের সাফল্য বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা ছিল না।

এবার দেখে নেওয়া যাক তাদের অতীত ইতিহাস-

ব্রাজিল

বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে সফল দল ব্রাজিল সর্বশেষ শিরোপা জিতেছিল ২০০২ সালে। এরপর থেকে বারবার শিরোপার স্বপ্ন নিয়ে মঞ্চে এলেও শেষ পর্যন্ত হতাশাই সঙ্গী হয়েছে সেলেসাওদের।

পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা ২০১৪ সালে স্বাগতিক হিসেবে সেমিফাইনালে উঠলেও জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের লজ্জাজনক হার এখনও ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের দুঃস্বপ্ন। চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের।

এবার দলের নেতৃত্বে থাকবেন রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও বার্সেলোনার উইঙ্গার রাফিনহা। তবে হাঁটুর চোটে বিশ্বকাপ মিস করছেন রিয়াল মাদ্রিদের আরেক গুরুত্বপূর্ণ ফরোয়ার্ড রদ্রিগো।

ব্রাজিল এমনিতেই বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে পারেনি। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার কাছে হতাশাজনক হারসহ একাধিক ব্যর্থতার পর ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন রিয়াল মাদ্রিদ থেকে অভিজ্ঞ কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে দায়িত্ব দিয়েছে।

আনচেলত্তি দলকে বিশ্বকাপে তুলতে সক্ষম হলেও দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাই পর্বে ব্রাজিল শেষ করেছে পঞ্চম স্থানে। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগজয়ী এই কোচের বিশ্বকাপ অভিজ্ঞতা অবশ্য সীমিত। ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে ইতালির সহকারী কোচ ছিলেন তিনি। সেবার ফাইনালে ব্রাজিলের কাছেই হেরেছিল ইতালি।

মরক্কো
গত বিশ্বকাপে চতুর্থ স্থান অর্জন করে ইতিহাস গড়েছিল মরক্কো।
মরক্কো

গত বিশ্বকাপে চতুর্থ স্থান অর্জন করে ইতিহাস গড়েছিল মরক্কো। বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনও আফ্রিকান দলের সেরা সাফল্য সেটিই।

কাতারে শেষ ষোলোতে স্পেন এবং কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে হারিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল দলটি। শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালে ফ্রান্সের কাছে হেরে থামতে হয় তাদের।

তবে বিশ্বকাপের আগে দলটি এসেছে এক অস্থির সময় পার করে। নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের ফাইনালে সেনেগালের কাছে হারলেও পরে সেই ফল বাতিল করে আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ)। রেফারির অনুমতি ছাড়া মাঠ ছাড়ায় সেনেগালের কাছ থেকে কাপ ছিনিয়ে মরক্কোকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়।

ফাইনালের পর দায়িত্ব ছাড়েন কোচ ওয়ালিদ রেগরাগুই। ফলে বিশ্বকাপে নতুন কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবির অধীনে খেলবে মরক্কো। যুব বিশ্বকাপে মরক্কোর অনূর্ধ্ব-২০ দলকে শিরোপা জেতানোর কৃতিত্ব রয়েছে তার।

হাইতি
১৯৭৪ সালের পর বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছে হাইতি।
হাইতি

ক্যারিবীয় দেশ হাইতির জন্য এবারের বিশ্বকাপ এক ঐতিহাসিক উপলক্ষ। ১৯৭৪ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলতে যাচ্ছে দলটি।

কনকাকাফ অঞ্চলের বাছাই পর্বে নিজেদের গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে টিকিট নিশ্চিত করেছে হাইতি। তবে ১৯৭৪ সালের অভিজ্ঞতা সুখকর ছিল না। ইতালি, পোল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার কাছে টানা তিন ম্যাচ হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। এবারও কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে তারা। ফরাসি কোচ সেবাস্তিয়ান মিনের অধীনে থাকা দলটি বর্তমানে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের ৮৩তম দল। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮ দলের মধ্যে কেবল নিউজিল্যান্ডই তাদের নিচে অবস্থান করছে।

দলের সবচেয়ে বড় ভরসা ৩২ বছর বয়সী স্ট্রাইকার ডুকেন্স নাজো। বাছাই পর্বে ছয় গোল করে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় ছিলেন তিনি। কোস্টারিকার বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে হ্যাটট্রিক করাও ছিল তার অন্যতম স্মরণীয় অর্জন।

১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে ফিরেছে স্কটল্যান্ড।
১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে ফিরেছে স্কটল্যান্ড।
স্কটল্যান্ড

প্রায় তিন দশকের অপেক্ষার পর আবার বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছে স্কটল্যান্ড। ১৯৯৮ সালের পর এবারই প্রথম তারা বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। গত বছরের শেষ বাছাই ম্যাচে ডেনমার্ককে নাটকীয়ভাবে ৪-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে স্কটিশরা। সেই ম্যাচে গোল করেছিলেন দলের অন্যতম তারকা স্কট ম্যাকটোমিনে।

২০১৯ সাল থেকে দায়িত্বে থাকা স্টিভ ক্লার্ক স্কটল্যান্ডকে টানা তিনটি বড় টুর্নামেন্টে নেতৃত্ব দেওয়া প্রথম কোচ হতে যাচ্ছেন। এর আগে ২০২০ ও ২০২৪ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল দলটিকে।

বিশ্বকাপে আগের আটবারের অংশগ্রহণে কখনও গ্রুপ পর্বের বাধা পেরোতে পারেনি স্কটল্যান্ড। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপেও তাদের প্রতিপক্ষ ছিল ব্রাজিল। সেবার শিরোপাধারী ব্রাজিলের কাছে ২-১ গোলে হেরে যাত্রা শুরু হয়েছিল স্কটিশদের।

শিল্পকলা একাডেমির বিশেষ সম্মাননায় সৈয়দ আব্দুল হাদী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ
শিল্পকলা একাডেমির বিশেষ সম্মাননায় সৈয়দ আব্দুল হাদী

বাংলা সংগীতের জীবন্ত কিংবদন্তী ও কালজয়ী কণ্ঠশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদীকে বিশেষ সম্মাননা জানাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। সম্প্রতি শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

আগামী ১২ জুন সন্ধ্যা ৬টায় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে এই সম্মাননা প্রদান ও শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় পুরো অনুষ্ঠানটি আয়োজন করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অর্ধশতাব্দীরও অধিক সময় ধরে বাংলা গানকে নিজস্ব কণ্ঠমাধুর্য, শিল্পনিষ্ঠা ও অনবদ্য পরিবেশনার মাধ্যমে সমৃদ্ধ করে জাতির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ঋদ্ধ করার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের সংগীতভুবনের এই জীবন্ত কিংবদন্তীকে এই বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের আধুনিক গানের স্বর্ণযুগকে যারা সমৃদ্ধ করেছেন, সৈয়দ আব্দুল হাদী তাদের মধ্যে অন্যতম। তাঁর কণ্ঠের ব্যাপ্তি, তন্ময়তা আর বিদগ্ধ-গম্ভীর সুরআবেগ সাধারণ শ্রোতা থেকে শুরু করে গুণীজন—সবার হৃদয়কে স্পর্শ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সৈয়দ আব্দুল হাদী এমন একজন মাপের শিল্পী, যিনি খ্যাতির শিখরে থেকেও চিরকাল প্রচারবিমুখ ও অনাড়ম্বর জীবনযাপন করেছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন, প্রকৃত শিল্পী হতে গেলে আত্মপ্রচারের চেয়ে আত্মনিবেদন বড়। শুধু তাঁর গানের গুণগত মানের জন্য নয়, বরং একজন মানুষ হিসেবে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ও জীবনবোধের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

১২ জুনের এই আয়োজনে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও বরেণ্য শিল্পীরা উপস্থিত থাকবেন বলে নিশ্চিত করেছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে পিকআপের ধাক্কায় ৪ জন নিহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ
দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে পিকআপের ধাক্কায় ৪ জন নিহত

টাঙ্গাইলের সখিপুরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাঁশবোঝাই ট্রাকের পেছনে মুরগিবাহী পিকআপের ধাক্কায় চার জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ মে) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সখিপুর-সাগরদিঘী সড়কের কালিয়া বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা আব্দুল হাকিম মিয়ার ছেলে মুরগির পিকআপের চালক নূরনবী (৬৪), নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার পলাশের ছেলে পিকআপের হেলপার রফিকুল (১৮), নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার বাসিন্দা এরশাদের ছেলে সাগর (২২) ও ভোলা সদর উপজেলার সেলিমের ছেলে সুমন (২৬)। তারা সবাই মুরগিবাহী পিকআপের ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, বাঁশবোঝাই ট্রাকটি ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় ঢাকাগামী একটি মুরগিবাহী পিকআপ বাঁশবোঝাই ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয়। পরে ঘটনাস্থলেই চার জন মারা যান। পুলিশ খরব পেয়ে লাশগুলো উদ্ধার করে সখিপুর থানায় নিয়ে যায়।

সখিপুর থানার এএসআই মো. আল মামুন বলেন, ‘নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। পরিবারের লোকজন এলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশগুলো হস্তান্তর করা হবে।’