শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

অবৈধ বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ায় গ্রামবাসীদের ওপর হামলা, আটক ৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
অবৈধ বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ায় গ্রামবাসীদের ওপর হামলা, আটক ৩

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়ায় স্থানীয় গ্রামবাসীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার খোলপেটুয়া নদী তীরবর্তী ঘোলা ত্রিমোহনী এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের বালুর আড়ত সংলগ্ন স্থানে এই ঘটনা ঘটে। হামলায় আব্দুস সামাদ, আব্দুল হালিম, হাফিজুর রহমান ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুস সবুরসহ ১০ থেকে ১২ জন গ্রামবাসী আহত হয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আব্দুর রহমান বাবু এবং উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আনোয়ারুল ইসলাম আঙুরের নেতৃত্বে বালু সিন্ডিকেটের লোকজন এই হামলা চালিয়েছে। ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি নৌযানসহ হাফিজুল ইসলাম, মতিয়ার রহমান ও জালাল গাজী নামের তিন শ্রমিককে আটক করে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করে।
আহত গ্রামবাসী আব্দুল হালিম জানান, এলাকাটি অত্যন্ত দুর্যোগপ্রবণ ও ভাঙনকবলিত হওয়ায় সরকারিভাবে চলতি নতুন বছরের জন্য খোলপেটুয়া নদীর কোনো অংশকেই বালুমহাল হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি। তা সত্ত্বেও বিগত বছরের বালুমহাল ইজারাদার যুবদল নেতা আনোয়ারুল ইসলাম ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আব্দুর রহমান বাবুর লোকজন নদীতে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু তুলছিল। খবর পেয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীরা সমবেত হয়ে বাধা দিতে গেলে তাঁদের ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুস সবুর বলেন, প্রতিবছর তাঁদের এলাকা নদীভাঙনের মুখে পড়ছে। বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ হচ্ছে না। সোমবার রাতে এলাকাবাসী ঘুমিয়ে থাকার সুযোগে চক্রটি বালু তোলা শুরু করে। বাধা দেওয়ায় তাঁদের ওপর হামলা করা হলেও গ্রামবাসীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তিন শ্রমিকসহ বালু বহনের নৌযানটি আটকে প্রশাসনকে খবর দেয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় কয়েকজনকে স্থানীয় বাসিন্দারা আটক করেছিলেন। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে মুচলেকা নিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, বালু উত্তোলনে জড়িত প্রভাবশালী সিন্ডিকেট ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সুপারিশের কারণে প্রশাসন আটককৃতদের সহজেই ছেড়ে দিয়েছে।

Ads small one

কয়রা-পাইকগাছার ইলেকট্রিশিয়ানদের সাথে এমইপি কোম্পানির মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
কয়রা-পাইকগাছার ইলেকট্রিশিয়ানদের সাথে এমইপি কোম্পানির মতবিনিময়

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা ও পাইকগাছা উপজেলার ইলেকট্রিশিয়ানদের সাথে এমইপি কোম্পানির এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১ টায় বামিয়া গ্রামে এমইপি কোম্পানির কয়রা পাইকগাছা পরিবেশক রহিম ইলেকট্রনিক্স এর আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ৮০ জন ইলেকট্রিশিয়ান অংশ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, এমইপি গ্রুপ কোম্পানির ডিভিশনাল সেলস ম্যানেজার মোঃ হাবিবুর রহমান।

 

এসময় ইলেকট্রিশিয়ান আবুল হাশেমের সভাপতিত্বে ও রাসেল আহাম্মেদের সঞ্চালনায় ‎সন্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, কয়রা পল্লী বিদ্যুত সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোঃ মাহফুজুর রহমান খান।

‎বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন এমইপি গ্রুপ কোম্পানির টি.এস.এম মোঃ ইব্রাহিম, কয়রা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ তারিকুল ইসলাম সাংবাদিক রিয়াজুল আকবর, সানরাইজ সোলার এন্ড তুহিন ইলেকট্রনিকস এর প্রোপাইটার মোঃ তুহিন আহসান, এ্যাসিসন্টান্স কো-অর্ডিনেটর জামাল বাদশা।

‎‎মতবিনিময় সভা শেষে উপস্থিতিদের অংশগ্রহণে র‌্যাফেল ড্র ও পুরস্কার বিতরণ করেন এমইপি গ্রুপ কোম্পানির কয়রা-পাইকগাছা পরিবেশক আব্দুর রহিম, ফিল্ড অফিসার আমিনুর ইসলাম।

 

 

যুব নেতৃত্বে সংগঠন উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ
যুব নেতৃত্বে সংগঠন উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা ইয়ূথ হাবে যুব নেতৃত্বে যুব সংঘের বিকাশের জন্য সংগঠন উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন ২০২৬) সকাল ৯ টায় সাতক্ষীরা ইয়ূথ হাবে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো, সাতক্ষীরার বাস্তবায়নে এবং একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় এফরটি প্রকল্পের আওতায় যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠন উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণটিতে স্বাগত বক্তব্য ও উদ্বোধন করেন সিডো সংস্থার প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাস।

 

প্রশিক্ষণে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন ও পৌরসভা এবং তালা উপজেলার ধানদিয়া ও নগরঘাটা ইউনিয়নের ১৩টি যুব সংঘ থেকে তরুণ-তরুণীরা অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণটি ৩ দিন চলবে।

প্রশিক্ষণের দায়িত্ব পালন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ তহিদুজ্জামান (তহিদ), ইন্সপিরেটর নয়ন হোসেন, প্রোগ্রাম অফিসার চন্দ্র শেখর হালদার, ফাইন্যান্স অফিসার চন্দন কুমার বৈদ্য, এসোসিয়েট ট্রেইনার সাকিব হাসান প্রমুখ।

সাতক্ষীরার মাছখোলায় রাস্তার অভাবে দুর্ভোগে অর্ধশতাধিক পরিবার, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার মাছখোলায় রাস্তার অভাবে দুর্ভোগে অর্ধশতাধিক পরিবার, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

সংবাদদাতা: স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মাছখোলা পশ্চিম মাঝেরপাড়ার বাসিন্দাদের ভাগ্যে জোটেনি একটি চলাচলের পথ। সামান্য বৃষ্টিতেই কোমর সমান পানি আর কাদা মাড়িয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে অবহেলিত এই এলাকার সাধারণ মানুষকে। যাতায়াতের সুনির্দিষ্ট কোনো রাস্তা না থাকায় চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন স্থানীয় অর্ধশতাধিক পরিবার। এই মানবিক সংকট থেকে মুক্তি পেতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ, লতিফ হাজীর মিলের অপর পাশের এই অবহেলিত এলাকায় নির্বাচনের সময় এলেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা রাস্তা পাকা করার বড় বড় আশ্বাস দেন। কিন্তু ভোট শেষ হওয়ার পর সেই প্রতিশ্রুতির কথা আর কেউ মনে রাখেন না। বর্তমান বর্ষা মৌসুমে এলাকার চিত্র অত্যন্ত করুণ। কাদা আর জলাবদ্ধতার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে স্কুল-কলেজগামী কোমলমতি শিক্ষার্থী, গর্ভবতী নারী এবং বয়োবৃদ্ধরা। হঠাৎ কেউ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার মতো ন্যূনতম কোনো পথও অবশিষ্ট নেই।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, জনস্বার্থে এলাকার প্রতিটি বাসিন্দা রাস্তার জন্য নিজেদের পৈতৃক জমি ছেড়ে দিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের এই দুর্ভোগ লাঘবে ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান এবং স্থানীয় প্রতিনিধি শাহিনুর রহমান নিজ উদ্যোগে রাস্তাটিতে মাটি কাটার কাজ শুরু করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এক অনাকাঙ্খিত বাধা ও স্থানীয় কিছু জটিলতার মুখে সেই উন্নয়নমূলক কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সামান্য কিছু প্রতিবন্ধকতার কারণে জিম্মি হয়ে পড়েছে অর্ধশতাধিক পরিবারের মৌলিক অধিকার।

ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা এলাকার সবাই নিজের জমি ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেন অর্ধশত মানুষের যাতায়াত বন্ধ থাকবে? আমরা এই অবর্ণনীয় কষ্ট ও দুর্ভোগ থেকে মুক্তি চাই।” এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও শিশুদের নিরাপদ যাতায়াতের কথা বিবেচনা করে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত রাস্তার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।