অপেক্ষার আকাশ
বাপী নাগ
উত্তরায়ণের আলোয় সে দাঁড়িয়েছিল
একা নীরব রাতে।
নির্জনতার বুকে মাথা রেখে খুঁজেছে
স্বপ্ন অজানা পথে।
যুগপুরুষকে নত মস্তকেই জানিয়েছে
শ্রদ্ধা অগাধ মনে।
বাস্তবে নয় কল্প’মানব ছিলেন অন্তরে
শুধু স্বপ্নের ক্ষণে।
কয়েক যুগ পেরিয়ে এল অসংখ্য ঝড়
মনে বারে বারে।
তবু তার প্রতীক্ষা থামেনি কোনো দিন
এই হৃদয় দ্বারে।
ভাবে সে শেষ অবসরের নীরব মুহূর্তে
রাত কি গেল.?
তিনি জানেন-কে অপেক্ষায় আজও
স্বপ্ন কি ফেল?
শিকারির সঙ্গ পেতে লুব্ধক জেগে রয়
এ আকাশ ভরে।
স্বাতী দূরে সেই রোহিণীর স্মৃতি তবুও
এ মন কে নাড়ে।
চায় সে ঘূর্ণি-ঝড়ের মুখে বিলীন হতে
ওই কালপুরুষে।
নক্ষত্র কন্যাও হাঁটতে চায় পাশাপাশি
অসীম আয়ুষে।
ডঃ বিধানচন্দ্র রায়ের পুণ্য জন্মদিন
শ্রদ্ধায় নত প্রতিক্ষণ।
মানব সেবায় উজ্জ্বল অমর পরিচয়
প্রেরণার দীপ অন্তরময়।
স্বাস্থ্যই মোদের জীবনের অমূল্য ধন
সুস্থতার গড়ে মন।
নিয়ম মেনে চলি প্রতিদিন সকালেই
সুস্বাস্থ্য গড়ে তাই।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকি সকাল-সাঁঝ
রোগের বিরুদ্ধে সাজ।
পুষ্টিকর আহার, ব্যায়াম আর বিশ্রাম
সুস্থ জীবনের অবিরাম।
সময়ে চিকিৎসা নিলে কমে দুঃখভার
অবহেলায় বেড়ে ভার।
সঠিক পরামর্শে সুস্থতার এই আলো
জীবন হয়ে ওঠে ভালো।
চিকিৎসার সেবায় জাগে আশার বাণী
খুশিতে ভরে প্রাণখানি।
তাঁদের ত্যাগে রক্ষা পায় অগণিত প্রাণ
শ্রদ্ধা করি মোরা সম্মান।
ডঃ রায়ের আদর্শ যে আজ বিশ্বময়
ঈশ্বর রূপে নব পরিচয়।
চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য-কর্মীদের প্রণাম
সুস্থতার বার্তা অবিরাম।












