শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে কাঁদলেন ও কাঁদালেন আনোয়ারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ
শিল্পী সমিতির নির্বাচনে কাঁদলেন ও কাঁদালেন আনোয়ারা

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন মানেই এক নতুন উত্তেজনা, প্যানেলে প্যানেলে লড়াই আর উৎসবের আমেজ। তবে এবারের ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নির্বাচনে সব আলোচনা আর প্রচারণাকে ছাপিয়ে গেছে একটি মাতৃত্বের আবেগ ও অশ্রু। ঢাকাই চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম সফল ও শক্তিমান অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগমের জীবনের শেষ ইচ্ছা—তার সুযোগ্য কন্যা রুমানা ইসলাম মুক্তি যেন শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে সাধারণ শিল্পীদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেন।

‘চাঁদের আলো’ এবং ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ খ্যাত নব্বই দশকের তুমুল জনপ্রিয় নায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি দীর্ঘদিন রুপালি পর্দা থেকে দূরে থাকলেও সবসময় এফডিসির শিল্পীদের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন। বর্তমানে সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মুক্তি এবার সরাসরি আরমান-মুক্তি পরিষদ থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন।

এই নির্বাচনি আমেজের মধ্যেই গত বুধবার রাতে আরমান-মুক্তি পরিষদের প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠানে নেমে এলো পিনপতন নীরবতা, যা পরে রূপ নেয় এক আবেগঘন মুহূর্তে। ঢালিউডের সোনালি যুগের অন্যতম জনপ্রিয় ও নন্দিত অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগম তার মেয়ে চিত্রনায়িকা মুক্তির জন্য ভোট চাইতে এসে প্রকাশ্যেই চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।

জানা গেছে, মুক্তি নিজে থেকে এই নির্বাচনে আসতে চাননি; বরং তার মা আনোয়ারার দীর্ঘদিনের ইচ্ছা, সাধারণ সদস্যদের আগ্রহ এবং মায়ের স্বপ্নপূরণ করতেই তিনি এবার ভোটে দাঁড়িয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে চলচ্চিত্রে পর্দার আড়ালে থাকা এই মায়ের একটাই চাওয়া—তার মেয়ে যেন চলচ্চিত্র জগতের মানুষদের পাশে দাঁড়াতে পারে এবং তাদের কল্যাণে কাজ করতে পারে।

প্যানেল পরিচিতি অনুষ্ঠানের মঞ্চে যখন প্রবীণ অভিনেত্রী আনোয়ারাকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য মাইক্রোফোন দেওয়া হয়, তখন তিনি পুরোনো দিনের স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। এফডিসির সঙ্গে তার জীবনের বহু বছরের স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। জীবনের এই শেষ সময়ে এসে মেয়ের জন্য সবার কাছে ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করার সময় তিনি আর নিজের কান্না চেপে রাখতে পারেননি। মাইক্রোফোনের সামনেই তিনি ডুকরে কেঁদে ওঠেন এবং বলেন, ‘আমার মেয়ে আপনাদেরই বোন, মেয়ে এবং সহকর্মী। ও আমার স্বপ্নপূরণ করতে এখানে এসেছে। আপনাদের জন্য কাজ করতে চায়। আপনারা ওকে ফিরিয়ে দেবেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার অস্তিত্ব আমার মেয়ে। মুক্তি শিল্পীদের জন্য কতটা উপযুক্ত, তা আপনারা নিশ্চয়ই মুক্তির কাজের মাধ্যমে এরই মধ্যে প্রমাণ পেয়েছেন। আশা করি, আমার শিল্পী সমিতির ভালোবাসার মানুষরা মুক্তিকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন। সবাই আরমান-মুক্তি প্যানেলের সঙ্গে থাকবেন। আমার মেয়েকে ভোট দেওয়া মানে আমাকে ভোট দেওয়া। আমার মেয়ের বিজয় মানে আমার বিজয়। মুক্তি হারলে আমি হেরে যাবো। তাই আমার প্রাণের শিল্পীরা আমার সম্মান রাখবেন।’

কিংবদন্তি অভিনেত্রী আনোয়ারা এখন বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছেন। বয়সের ভারে আগের মতো এফডিসিতে নিয়মিত আসতে না পারলেও মেয়ের জন্য তার মন পড়ে রয়েছে চলচ্চিত্রের আঙিনায়। মেয়ের নির্বাচনী প্রচারণা এবং তার প্রতি সহকর্মীদের ভালোবাসা দেখে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি এই প্রবীণ অভিনেত্রী।

চলচ্চিত্রের মানুষদের কাছে নিজের মেয়ের জন্য ভোট ও দোয়া চাইতে গিয়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন আনোয়ারা। তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্রের মানুষই আমার আসল পরিবার। আর এই পরিবারের কল্যাণে আমার মেয়ে মুক্তি যেন আজীবন কাজ করে যেতে পারে, সেটাই আমার জীবনের শেষ আকাঙ্ক্ষা।’ একজন মায়ের এই কান্নায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন সাধারণ ভোটার থেকে শুরু করে ঢাকাই সিনেমার তারকারাও।

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের মতে, নির্বাচনী প্রচারণায় কাদা ছোড়াছুড়ি বা মারমুখী আচরণের বাইরে আনোয়ারার এই মাতৃত্বের টান এবং কান্না ভোটারদের হৃদয়ে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। মায়ের এই অশ্রুসজল আবেদন ভোটের মাঠে মুক্তির পক্ষে কতটা জোয়ার তৈরি করে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

Ads small one

পাইকগাছায় আঁশফলের বাম্পার ফলন; বাজারে চাহিদা প্রচুর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় আঁশফলের বাম্পার ফলন; বাজারে চাহিদা প্রচুর

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): লিচুর মৌসুম শেষ হলেও এখন লিচুর মতো স্বাদের আঁশফল নামে এক ধরনের ফল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। আঁশফল এক প্রকার লিচু জাতীয় সু-স্বাদু ফল। অনেকের কাছে এটি কাঠলিচু বা লংগান নামে পরিচিতি। এই ফল থোকায় থোকায় লিচুর মতোই ঝুলে থাকে গাছে। এটি দেখতেও অনেকটা লিচুর মতো গোলাকার। তবে আকারে ছোট এবং এর রসাল অংশ খুবই কম।

আঁশফল গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ফল। একে বলা হয় গরীবের লিচু। ফল গোল আকারের, শাঁস সাদা, খুব রসালো ও মিষ্টি। এক সময় দেশেএই আঁশফল খেয়ে আষাঢ় উদযাপন করেছে বাঙালি। আপেল, কমলা, আঙ্গুর, লিচুতে আশক্ত হয়ে এই ফলটির কদর হারিয়েছে। স্থানীয় জাতের এই ফলটির গুণগতমান তেমন একটা ভাল না হওয়ায় এর কদর কমলেও উন্নত জাতের আঁশফলের চাহিদা বেড়েছে।

বর্তমানে বাজারে এর কদর বাড়েছে। এর ফলে ব্যবসায়ীরাও লাভবান হচ্ছে। উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়ানের কাঠিপাড়া বাজারে প্রতিদিন ভোর বেলা আঁশফল বা কাঠ লিচুর পাইকারি হাট বসে। ব্যবসায়ীরা হাট থেকে আঁশফল কিনে উপজেলার বিভিন্ন হাট ও পাশের জেলাসহ ঢাকা শহরে সরবরাহ করছে।

আঁশফল লিচু পরিবারের একটি সদস্য। ফলের উপেরভাগ মিশ্রণ, ফলের রং বাদামি, আকার গোল। লিচুর চেয়ে অনেক ছোট হলেও ফলের শাঁস অবিকল লিচুর মত। ফল খেতে লিচুর মত বা লিচুর চেয়েও মিষ্টি। ফলের শাঁস সাদা চকচকে। আঁশফলের বিজ গোলাকার চকচকে কালো এবং শাঁস বীজকে আবৃত করে রাখে। যা সহজে আলাদা করা যায়।

পাইকগাছায় আঁশফলের ফলন ভালো হয়েছে। বাজারে চাহিদা ও ভালো মুল্য থাকায় বাগান মালিকরা লাভবান হচ্ছে। তবে বাদুরের উপদ্রব থেকে আঁশফল রক্ষা করতে ব্যবসায়ীরা হিমশিম খাচ্ছে। আঁশফল রক্ষার জন্য প্রায় প্রতিটি গাছ নেট দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ আঁশফল বেশ কিছু উন্নত মানের জাত প্রবর্তনের মাধ্যমে বিস্তার লাভ করেছে। দেশে বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলে এ গাছ প্রচুর দেখা যায়। এটি দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার উদ্ভিদ। যা ক্রাশ্লীয় অঞ্চলের বৃক্ষ।

 

আঁশফল গাছ মধ্যমাকারের চিরসবুজ বৃক্ষ। যা ৬ থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। বেলে মাটিতে এই গাছ ভালো জন্মে।
চলতি মৌসুমে উপজেলার গদাইপুর, রাড়ুলী, হরিঢালী ও কপিলমুনি ইউনিয়নে ছড়ানো ছিটানো আঁশফলের গাছ রয়েছে। বাজারে একশটি আঁশফল ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এলাকার এক একটি আঁশফল গাছ পাইকারী ৮শ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

আঁশফল ব্যবসায়ী উপজেলার মঠবাটী গ্রামের আলাউদ্দীন জানান, আঁশফল পাঁকা শুরু হলে তাড়াতাড়ি না পাড়লে ঝরে পড়ে। তাছাড়া বাদুর একবার টের পেলে দল বেঁধে এক রাতেই সব ফল খেয়ে সাবাড় করে ফেলে। এ জন্য আঁশফল গাছে নেট দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে বাদুরের হাত থেকে রেহায় পেতে। আঁশফল প্রায় আগস্ট মাস পর্যন্ত পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন জানান, আঁশফল পুষ্টিকর ফল। এলাকায় আঁশফলের গুণগতমান খুব বেশি ভাল না হলেও হাইব্রিড জাতের আঁশ ফলের মান অনেকটা ভালো। ফল বেশ বড় ও চাহিদা রয়েছে প্রচুর। পরিত্যাক্ত জায়গায় আঁশফলের আবাদ করা যায় এবং কৃষকরা লাভবান হচ্ছে। এ জন্য এলাকার কৃষকদেরকে আঁশফল গাছের চারা লাগাতে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

 

তালার ধুলন্ডা গ্রামে মূল্যবান গাছ কাটার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১:৪৩ অপরাহ্ণ
তালার ধুলন্ডা গ্রামে মূল্যবান গাছ কাটার অভিযোগ

তালা প্রতিনিধি: ‎তালার ধুলন্ডা গ্রাম থেকে অবৈধ ভাবে গাছ কাটা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অর্ধলক্ষাধিক টাকা মূল্যের গাছটি জেঠুয়া বাজারে বিক্রিকালে সংবাদ পেয়ে গাছের মালিক তা আটক করেন। এঘটনায় গাছ মালিক আ.ব.ম. খুরশিদুর জামান থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।

 

উপজেলার ধুলন্ডা গ্রামের মৃত, জমির উদ্দীন আহম্মাদ’র ছেলে আ.ব.ম খুরশিদুর জামান জানান, তাদের বাড়িতে বসবাস করার মতো তেমন লোকজন না থাকায় প্রতিবেশি আছাদ শেখ বিভিন্ন সময়ে জমি দখল চেষ্টা, গাছপালা কেটে নেয়া, বাড়ি-ঘর থেকে জিনিসপত্র হাতিয়ে নেয়া সহ নানান উৎপাত করে আসছে। এবিষয়ে তাকে বারবার নিষেধ করলেও তিনি তা অমান্য করে গোপনে নানান উৎপাত করে। এরমধ্যে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে পিতা মৃত, জমির উদ্দীন আহম্মাদ’র রোপন করা অর্ধ লক্ষ টাকা মূল্যের একটি বড় মেহগনি গাছ আছাদ শেখ কেটে নেয়।

 

পরে ওই গাছটি জেঠুয়া বাজারে কাঠ ব্যবসায়ীর নিকট বিক্রিকালে জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের সহযোগীতায় সেটি আটকানো হয়। এঘটনায় অবৈধভাবে গাছ কাটার অভিযোগে আছাদ শেখসহ নেহালপুর গ্রামের শবুজ মোড়ল, জুয়েল খাঁ এবং জেঠুযা বাজারের সিরাজুল ইসলাম সরদারের বিরুদ্ধে তালা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। উক্ত আছাদ শেখ বিভিন্ন সময়ে গাছ কাটা ও জমি দখল চেষ্টাসহ মারপিট করে মানুষকে আহত করে বলে খুরশিদুর জামান জানান।

‎এবিষয়ে তালা থানার ওসি (তদশ্ল) মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গাছ কেটে নিয়ে যাবার বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। গাছটি জেঠুয়া বাজারে জব্দ করা আছে। এবিষয়ে তদশ্ল চলছে এবং তদন্ত পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

 

শ্যামনগরের বিভিন্ন নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৮ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরের বিভিন্ন নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চলের খোলপাটুয়া ও কপোতাক্ষ নদে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দিন-রাত সমানতালে একাধিক বাল্কহেড ও নৌকায় করে প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীর নাব্যতা, তীরবর্তী এলাকা ও পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নদীতে বালু উত্তোলনের কাজ চলে। বালুভর্তি বাল্কহেড ও নৌযান বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “প্রতিদিনই নদী থেকে প্রকাশ্যে বালু তোলা হচ্ছে। রাতের বেলাতেও একইভাবে বাল্কহেড চলাচল করে। আমরা প্রশাসনের কাছে একাধিকবার বিষয়টি জানিয়েছি, কিন্তু এখনো কার্যকর ব্যবস্থা দেখতে পাইনি।”

আরেকজন স্থানীয় বলেন, “এভাবে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে নদীর তীর ভাঙন বাড়বে, কৃষিজমি ও বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়বে। দ্রুত অভিযান চালিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করা প্রয়োজন।”

পরিবেশ সচেতন মহলের মতে, অনুমতি ছাড়া নদী থেকে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

এ বিষয়ে বুড়িগোয়ালিনী নৌ থানার অফিসার ইনর্চাজ ওহিদুজ্জামান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নৌ পুলিশ প্রতিনিয়ত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করেন, তবে রাতের আধারে, আমাদের অজানতে হয়তো অবৈধ ভাবে বালু উঠছে কি না নৌ পুলিশের জানার বাহিরে। তিনি আরো বলেন, বুড়িগোয়ালিনী নৌ পুলিশের অভিযানে মাঝে মধ্যে বালুর নৌকা জব্দ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে, ভ্রাম্যমাণ আদালত করে জেল জরিমানা করা হয়ে থাকে। তবে নৌ পুলিশ কে সঠিক তথ্য দিলে সাথে সাথে অভিযান করে তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

গাবুরা ইউনিয়নের সাইফুল ইসলাম বলেন, মাঝে মধ্যে দেখা যায়, নীলডুমুর বিজিবির অভিযানে বালু উত্তোলন করা বাল্কহেডসহ বালু খাদকদের আটক করা হয়।

তবে স্থানীয়রা দ্রুত তদশ্ল করে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।