বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

মুক্তমত/ সাতক্ষীরায় জ্বালানি সংকট: অব্যবস্থাপনার চরমপত্র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
মুক্তমত/ সাতক্ষীরায় জ্বালানি সংকট: অব্যবস্থাপনার চরমপত্র

গাজী হাবিব
সাতক্ষীরা জেলায় জ্বালানি তেলের চলমান সংকট এখন আর শুধু মোটরবাইকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি ধীরে ধীরে জনজীবন, অর্থনীতি ও উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। আগের দিন রাত থেকেই ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, পরিবহন সংকট, কৃষিকাজে বিঘœ- এসব এখন নিত্যদিনের চিত্র। কিন্তু গভীরে গেলে দেখা যায়, এই সংকটের মূল কারণ শুধু জ্বালানির ঘাটতি নয়; বরং সুষ্ঠু বণ্টন পরিকল্পনার অভাব, দুর্বল তদারকি এবং অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্য এর পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে।
জ্বালানি সংকটকে পুঁজি করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি সিন্ডিকেট। জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গভীর রাতে মোটরসাইকেল রেখে ‘সিরিয়াল’ দখল করা হচ্ছে। পরে সকালে সেই সিরিয়াল টাকার বিনিময়ে বিক্রি করা হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে- ভোরের আলো ফোটার আগেই পাম্পের সামনে শত শত মোটরসাইকেলের সারি। কিন্তু এসব বাইকের বেশিরভাগের কাছেই কোনো চালক নেই। স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু যুবক আগেই ৩০-৪০টি বাইক এনে সারিতে রেখে দেয়। ফলে সকালে আসা সাধারণ মানুষ দেখতে পান তাদের সামনে বিশাল এক ‘ভুতুড়ে’ লাইন। প্রতিবাদ করলে হামলা কিংবা ‘মব’ তৈরির হুমকিও দেওয়া হচ্ছে- যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
সংকটের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে জরুরি সেবায়। অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক, সাংবাদিক, জরুরি পণ্যবাহী যানবাহন- এসবের জন্য কোনো আলাদা লেন বা অগ্রাধিকার নেই। যদিও জেলার দুটি উপজেলায় অগ্রাধিকার রাখা হয়েছে- সেখানেও মব সৃষ্টি করে সাংবাদিককে চরম হেনস্থা করা হয়েছে।
আমরা দেখেছি- পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করে ড্রাম বা বোতলে ভরে গোপনে বিক্রির ঘটনা প্রকাশ্যে ঘটছে। এই তেল নির্ধারিত দামের চেয়ে লিটারপ্রতি ৮০- ১০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এর ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে এবং সাধারণ ভোক্তারা আরও বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত, বিজিবি ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে সিন্ডিকেটের কৌশলী তৎপরতার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হচ্ছে না।
চলমান এই সংকট মোকাবিলায় কিছু বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে-
১) টোকেনভিত্তিক সরবরাহ ব্যবস্থা- প্রতি পাম্পে সাপ্তাহিক সরবরাহ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সংখ্যক টোকেন ইস্যু
নির্ধারিত দিনে নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী তেল বিতরণ ২) জ্বালানি ব্যবহারের খাতভিত্তিক বিভাজন- পেট্রোল: মোটরসাইকেল ও জরুরি জেনারেটর, অকটেন: প্রাইভেট গাড়ি, ডিজেল: পরিবহন ও কৃষি, ৩। সর্বোপরি ফুয়েল কার্ড চালু করা। জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে ফুয়েল কার্ড ইস্যু করা, অপব্যবহার ও অতিরিক্ত মজুদ কমানো। ৪) জরুরি সেবার জন্য সংরক্ষিত লেন- মোট সরবরাহের একটি অংশ অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসা ও জরুরি সেবার জন্য বরাদ্দ রাখা, মনস্তাত্ত্বিক চাপ বা পিনিক- সংকটের আরেকটি বড় দিক হলো ‘প্যানিক বাইং’ বা পিনিক ওঠা। মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনে মজুদ করছে, ফলে কৃত্রিম চাহিদা তৈরি হচ্ছে।
একটি পাম্পে একদিনে যে পরিমাণ তেল বিক্রি হওয়ার কথা, তা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে- এতে প্রকৃত প্রয়োজনের মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন। শহরাঞ্চলে তুলনামূলক সরবরাহ থাকলেও গ্রামীণ এলাকায় তীব্র সংকট দেখা যাচ্ছে। এর ফলে- সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, মাছের ঘের পরিচালনায় সমস্যা ও কৃষি উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। যা জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তার জন্যও হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য তাৎক্ষণিক সমাধানের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও জরুরি- প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং (ডিজিটাল ট্র্যাকিং), কঠোর প্রশাসনিক নজরদারি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও অপ্রয়োজনীয় যান ব্যবহার কমানো
সবশেষে সাতক্ষীরার জ্বালানি সংকট আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়- কোনো সংকট একক কারণে তৈরি হয় না, এবং এর সমাধানও একমুখী হতে পারে না। সরবরাহ বৃদ্ধি, সঠিক বণ্টন, কঠোর তদারকি এবং জনসম্পৃক্ত উদ্যোগ- এই চারটি স্তম্ভের সমন্বিত প্রয়োগই পারে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে। এখন প্রয়োজন বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত এবং তার কার্যকর বাস্তবায়ন, যাতে ভবিষ্যতে এমন সংকট আর না ফিরে আসে।
গাজী হাবিব: সাংবাদিক

Ads small one

সংবাদ সম্মেলনে রাস্তা দখলের অভিযোগ অস্বীকার করলেন জামায়াত নেতা ওমর ফারুক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ
সংবাদ সম্মেলনে রাস্তা দখলের অভিযোগ অস্বীকার করলেন জামায়াত নেতা ওমর ফারুক

সংবাদদাতা: নিজের বিরুদ্ধে আনা পারিবারিক রাস্তা দখলের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সাতক্ষীরা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. ওমর ফারুক।

বুধবার বিকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, স্থানীয় মো. শরিফুল আলম (মনু) তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছেন, তার কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরতেই তিনি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন বলে জানান।

লিখিত বক্তব্যে জামায়াত নেতা ওমর ফারুক দাবি করেন, ইফতা হাউজিং লিমিটেডের পক্ষে তিনি ১০ ফুট প্রশস্ত একটি রাস্তা ক্রয় করেছেন, যার উল্লেখ সংশ্লিষ্ট নিবন্ধিত দলিলে সুস্পষ্টভাবে রয়েছে।

তিনি জানান, ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে সম্পাদিত পারিবারিক রেজিস্ট্রি বণ্টননামা অনুযায়ী মো. শরিফুল আলম (মনু) সাবেক দাগ নং-২০৪৯, হাল দাগ নং-৬৩৫২-এর ২৫.৬০ শতক জমির একক মালিক হন। পরে তিনি নিজের সম্পত্তি থেকে ইফতা হাউজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে ৫.৮৪ শতক জমি বিক্রয়ের চুক্তি করেন।

ওমর ফারুকের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯ এপ্রিল ২০১৬ তারিখের ২৭৮১ নম্বর নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে ৬ ফুট এবং বিক্রিত অংশ থেকে আরও ৪ ফুটসহ মোট ১০ ফুট প্রশস্ত ও ২৬৭ ফুট দীর্ঘ রাস্তা হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া ১৯ জুলাই ২০১৬ তারিখের ৪৯৫৪ নম্বর দলিলের মাধ্যমেও খোরশেদ আলম গং-এর নামে জমি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ওই ১০ ফুট রাস্তার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, নিবন্ধিত দলিলসমূহে ১০ ফুট রাস্তার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকায় এটিকে পারিবারিক রাস্তা হিসেবে দাবি করার কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। তাঁর দাবি, এটি মো. শরিফুল আলম (মনু)-এর নিজস্ব সম্পত্তি থেকে নিবন্ধিতভাবে বিক্রয়কৃত রাস্তা।

সংবাদ সম্মেলনে ওমর ফারুক বলেন, তিনি কারও পারিবারিক রাস্তা দখল করেননি। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অসত্য, বিভ্রান্তিকর এবং সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা বলে তিনি দাবি করেন।

এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, গণমাধ্যম ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি নিবন্ধিত দলিল, ভূমি-সংক্রান্ত রেকর্ড এবং প্রকৃত তথ্য যাচাই করে বিষয়টি দেখার আহ্বান জানান

 

 

শাল্যে-বেড়াডাঙ্গায় জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠে নামলেন এক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
শাল্যে-বেড়াডাঙ্গায় জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠে নামলেন এক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শাল্যে ও বেড়াডাঙ্গা গ্রামের প্রায় ৩০০ একর ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে কৃষিকাজ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ পরিস্থিতিতে পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নিয়ে মাঠে নেমেছেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেছ।

বুধবার (২৯ জুলাই, ২০২৬) দুপুরে তিনি শাল্যে এলাকায় গিয়ে জলাবদ্ধতার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে বেতনা নদীর ঘোলের কান্দা এলাকায় পাইপ বসানোর মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন কার্যক্রম শুরু করেন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় অন্যান্য ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়।

অধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেছ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকার মানুষ জলাবদ্ধতার কারণে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। কৃষকদের ফসলি জমি রক্ষা এবং মানুষের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও জনস্বার্থে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. নুরুল হুদা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা শাহিনুর রহমান, সাবেক ইউপি সদস্য আবুল হোসেন ডবলু, শিক্ষক ফিরোজ হোসেন, শেখ আব্দুল ওহাব, বেলাল হোসেন রিপন, সাংবাদিক মো. জামাল উদ্দিন খান, মো. আইয়ুব আলী, জিয়াউর রহমান, আব্দুর রকিব, আব্দুল বারী, আশুতোষ মহালদার, নিতাই, প্রসেনজিৎ, সাকিব, তৌহিদুজ্জামানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসকল্পে সাতক্ষীরায় সচেতনতামূলক রোড শো অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসকল্পে সাতক্ষীরায় সচেতনতামূলক রোড শো অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা: “মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি কমবে জীবন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসকল্পে সচেতনতামূলক সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের উদ্যোগে রোড শো অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই ‘২৬) বিকালে শহরের কেন্দীয় বাসটার্মিনালে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ, বাস মালিক সমিতি, শ্রমিক ইউনিয়ন ও বিআরটিএ সাতক্ষীরার যৌথ আয়োজনে ঘরেফেরা/ঘরমুখো মানুষদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এ রোড শো আয়োজন করা হয়।

বিআরটিএ খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ জিয়াউর রহমান এর দিক নির্দেশনায় অনুষ্ঠিত রোড শোতে পথচারী ও চালকদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

সকলের উদ্দেশ্যে সচেতনতামূলক মাইকিং সঞ্চালনা করেন বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি) উসমান সরওয়ার আলম।

রোড শো তে এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিআরটিএ’র সাতক্ষীরার সার্কেলের মেকানিক্যাল এ্যাসিস্ট্যান্ট মোঃ ওবায়দুর রহমান, উচ্চমান সহকারী মোঃ নাসির উদ্দিন।

রোড শোতে বাসটার্মিনাললে চালক/শ্রমিক ও পথচারীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া পরিলক্ষিত হয়েছে। স্থানীয় মানুষ ও সাধারণ জনগণ এই কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।