রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মুক্তমত/ সাতক্ষীরায় জ্বালানি সংকট: অব্যবস্থাপনার চরমপত্র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
মুক্তমত/ সাতক্ষীরায় জ্বালানি সংকট: অব্যবস্থাপনার চরমপত্র

গাজী হাবিব
সাতক্ষীরা জেলায় জ্বালানি তেলের চলমান সংকট এখন আর শুধু মোটরবাইকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি ধীরে ধীরে জনজীবন, অর্থনীতি ও উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। আগের দিন রাত থেকেই ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, পরিবহন সংকট, কৃষিকাজে বিঘœ- এসব এখন নিত্যদিনের চিত্র। কিন্তু গভীরে গেলে দেখা যায়, এই সংকটের মূল কারণ শুধু জ্বালানির ঘাটতি নয়; বরং সুষ্ঠু বণ্টন পরিকল্পনার অভাব, দুর্বল তদারকি এবং অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্য এর পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে।
জ্বালানি সংকটকে পুঁজি করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি সিন্ডিকেট। জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গভীর রাতে মোটরসাইকেল রেখে ‘সিরিয়াল’ দখল করা হচ্ছে। পরে সকালে সেই সিরিয়াল টাকার বিনিময়ে বিক্রি করা হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে- ভোরের আলো ফোটার আগেই পাম্পের সামনে শত শত মোটরসাইকেলের সারি। কিন্তু এসব বাইকের বেশিরভাগের কাছেই কোনো চালক নেই। স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু যুবক আগেই ৩০-৪০টি বাইক এনে সারিতে রেখে দেয়। ফলে সকালে আসা সাধারণ মানুষ দেখতে পান তাদের সামনে বিশাল এক ‘ভুতুড়ে’ লাইন। প্রতিবাদ করলে হামলা কিংবা ‘মব’ তৈরির হুমকিও দেওয়া হচ্ছে- যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
সংকটের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে জরুরি সেবায়। অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক, সাংবাদিক, জরুরি পণ্যবাহী যানবাহন- এসবের জন্য কোনো আলাদা লেন বা অগ্রাধিকার নেই। যদিও জেলার দুটি উপজেলায় অগ্রাধিকার রাখা হয়েছে- সেখানেও মব সৃষ্টি করে সাংবাদিককে চরম হেনস্থা করা হয়েছে।
আমরা দেখেছি- পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করে ড্রাম বা বোতলে ভরে গোপনে বিক্রির ঘটনা প্রকাশ্যে ঘটছে। এই তেল নির্ধারিত দামের চেয়ে লিটারপ্রতি ৮০- ১০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এর ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে এবং সাধারণ ভোক্তারা আরও বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত, বিজিবি ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে সিন্ডিকেটের কৌশলী তৎপরতার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হচ্ছে না।
চলমান এই সংকট মোকাবিলায় কিছু বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে-
১) টোকেনভিত্তিক সরবরাহ ব্যবস্থা- প্রতি পাম্পে সাপ্তাহিক সরবরাহ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সংখ্যক টোকেন ইস্যু
নির্ধারিত দিনে নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী তেল বিতরণ ২) জ্বালানি ব্যবহারের খাতভিত্তিক বিভাজন- পেট্রোল: মোটরসাইকেল ও জরুরি জেনারেটর, অকটেন: প্রাইভেট গাড়ি, ডিজেল: পরিবহন ও কৃষি, ৩। সর্বোপরি ফুয়েল কার্ড চালু করা। জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে ফুয়েল কার্ড ইস্যু করা, অপব্যবহার ও অতিরিক্ত মজুদ কমানো। ৪) জরুরি সেবার জন্য সংরক্ষিত লেন- মোট সরবরাহের একটি অংশ অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসা ও জরুরি সেবার জন্য বরাদ্দ রাখা, মনস্তাত্ত্বিক চাপ বা পিনিক- সংকটের আরেকটি বড় দিক হলো ‘প্যানিক বাইং’ বা পিনিক ওঠা। মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনে মজুদ করছে, ফলে কৃত্রিম চাহিদা তৈরি হচ্ছে।
একটি পাম্পে একদিনে যে পরিমাণ তেল বিক্রি হওয়ার কথা, তা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে- এতে প্রকৃত প্রয়োজনের মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন। শহরাঞ্চলে তুলনামূলক সরবরাহ থাকলেও গ্রামীণ এলাকায় তীব্র সংকট দেখা যাচ্ছে। এর ফলে- সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, মাছের ঘের পরিচালনায় সমস্যা ও কৃষি উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। যা জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তার জন্যও হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য তাৎক্ষণিক সমাধানের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও জরুরি- প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং (ডিজিটাল ট্র্যাকিং), কঠোর প্রশাসনিক নজরদারি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও অপ্রয়োজনীয় যান ব্যবহার কমানো
সবশেষে সাতক্ষীরার জ্বালানি সংকট আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়- কোনো সংকট একক কারণে তৈরি হয় না, এবং এর সমাধানও একমুখী হতে পারে না। সরবরাহ বৃদ্ধি, সঠিক বণ্টন, কঠোর তদারকি এবং জনসম্পৃক্ত উদ্যোগ- এই চারটি স্তম্ভের সমন্বিত প্রয়োগই পারে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে। এখন প্রয়োজন বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত এবং তার কার্যকর বাস্তবায়ন, যাতে ভবিষ্যতে এমন সংকট আর না ফিরে আসে।
গাজী হাবিব: সাংবাদিক

Ads small one

শ্যামনগরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও দীর্ঘ সময়ের লোড শেডিংয়ের প্রতিবাদে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার(৩০মে)বিকাল ৫টায় শ্যামনগর পৌরসভার প্রধান সড়কে এ কর্মসূচির আয়োজন করে শ্যামনগর উপজেলাবাসী,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী এসোসিয়েশন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সমূহ।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শরুব ইয়ুথ টীমের পরিচালক এস এম জান্নাতুল নাঈম, সিডিওর পরিচালক গাজী আল ইমরান, উপকূলীয় যুব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক মোঃ জাহিদ হোসেন, ভূরুলিয়া ইয়ুথ সোসািটির পরিচালক রুহুল আমীন, নিরাপদ উপকূল চাই নিউচার সভাপতি মোমিনুর রহমান, শ্যামনগর ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি সাইফুদ্দীন সিদ্দিক, উপজেলা রিপোর্টাস ক্লাব সভাপতি এস কে সিরাজ প্রমুখ। সমাবেশে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,ব্যবসায়ী, শিক্ষাথী সহ অন্যান্য পেশাজীবিরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন গ্রীস্ম কালের শুরুতেই শ্যামনগর পৌরসভা সহ গ্রামাঞ্চলে মাত্রাতিরিক্ত বিদ্যুতের লোডশেডিং হচ্ছে।  দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বন্ধ থাকার পরও ভূতুড়ে বিল হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে।  হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি হচ্ছে। এতে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ছে।  বক্তারা এ সময় কয়েকটি দাবী তুলে ধরেন। দাবী সমূহের মধ্যে রয়েছে বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল তৈরী বন্ধ করা,পাওয়ার স্টেশন ৩৩ কেভি থেকে ১০০কেভিতে উন্নীত করণ,বিদ্যুৎ অফিসে অনৈতিক বাণিজ্য বন্ধ করা, গ্রাহক সেবায় হট লাইন চালু করা সহ অন্যান্য দাবী।  এ সময় তারা শ্যামনগর আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডিজিএম, এজিএমকে প্রত্যাহারের দাবী জানান।

এদিকে পল্লী বিদ্যুৎ শ্যামনগরের ডিজিএম জিয়াউল হক বলেন, শ্যামনগরে পৌনে এক লাখ গ্রাহকের জন্য মাত্র ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে।  তবে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দীর্ঘ বিদ্যুৎ লাইনে প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও বিভিন্ন কারণে লাইন ফল্ট হওয়ায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে।  তিনি বলেন শ্যামনগর -কালিগঞ্জ এর মধ্যবতী স্থানে একটি গ্রিড উপকেন্দ্র স্থাপন করা হলে এ সমস্যার সমাধান হবে আশা করা যায়।

পাঁচ দিনের ভারত সফরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ
পাঁচ দিনের ভারত সফরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট

অনলাইন ডেস্ক: মিয়ানমারের জান্তা প্রধান থেকে দেশটির প্রেসিডেন্ট হওয়ার দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সফরে শনিবার (৩০ মে) ভারতে গিয়েছেন মিন অং হ্লাইং। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এটিই তার প্রথম বিদেশ সফর।

পাঁচ দিনের এ সফরে প্রেসিডেন্ট হ্লাইং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করবেন। খবর রয়টার্স ও দ্য প্রিন্টের।

 

সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন জেনারেল হ্লাইং। তারপর থেকে গত পাঁচ বছর ধরে মিয়ানমারের সামরিক নেতৃত্ব থেকে মুখ ঘুরিয়ে রেখেছিল প্রতিবেশী কয়েকটি দেশ।

 

কিন্তু বিতর্কিত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর হ্লাইং আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা আবার ফিরে পাচ্ছেন; তার ভারত সফর এমনটিই তুলে ধরছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ভারতের জন্য হ্লাইংয়ের এ সফর মিয়ানমারের ওপর চীনের বিশাল প্রভাব কমানোর একটা সুযোগ।

 

মিয়ানমারে গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজমাটির মজুতে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে ও ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত বরাবর নিরাপত্তা জোরদার করতে দেশটির সঙ্গে কাজ করছে নয়াদিল্লি।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল শুক্রবার সাংবাদিকদের জানান, ভারত ও মিয়ানমারের মধ্যে সম্পর্কের পরিধির অংশ সব বিষয় আলোচনায় আসবে।

 

ব্রাসেলস ভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের মিয়ানমার বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা রিচার্ড হোসে রয়টার্সকে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেসামরিক পোশাক পরার পর মিন অং হ্লাইং ওই অঞ্চলজুড়ে কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে চাইছেন। থাইল্যান্ড ও আরও কিছু সদস্য দেশের সমর্থন নিয়ে তিনি আসিয়ানের সঙ্গে আরও স্বাভাবিক মিত্রতা আশা করছেন। তিনি শিগগিরই শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বেইজিং সফরে যেতে পারেন।

খুলনার সোনাডাঙ্গায় মিলল নানী ও দুই নাতির মরদেহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ণ
খুলনার সোনাডাঙ্গায় মিলল নানী ও দুই নাতির মরদেহ

অনলাইন ডেস্ক: খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানার সুজুকি কর্নার সংলগ্ন দারুল আমান মহল্লার একটি ভাড়া বাসা থেকে এক বৃদ্ধা ও তার দুই নাতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় মরদেহগুলো উদ্ধার করা হলে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

 

নিহতরা হলেন বেবি (৬৫), তার নাতি মুস্তাকিম (৭) ও শামীম (১২)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে বাসার দরজা বন্ধ থাকায় প্রতিবেশীদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে তারা খোঁজ নিতে গিয়ে ঘরের ভেতরে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর খবর দিলে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

 

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উৎসুক জনতার ভিড় জমে। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার পর থেকে রাকিব খান নামে এক যুবককে এলাকায় দেখা যাচ্ছে না। তবে তার সঙ্গে ঘটনার কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য জানায়নি পুলিশ।

 

সোনাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

 

পুলিশ আরও জানায়, মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য সেগুলো খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

 

এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের পরিবেশ বিরাজ করছে। পুলিশ বলছে, ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।