বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

চরিত্রের প্রয়োজনে ৯ কেজি ওজন বাড়াতে হয়েছে: ভাবনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ
চরিত্রের প্রয়োজনে ৯ কেজি ওজন বাড়াতে হয়েছে: ভাবনা

বিনোদন ডেস্ক: চরিত্রের প্রয়োজনে নিজেকে ভেঙে নতুন করে গড়ে তোলার উদাহরণ নতুন নয়, তবে এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। ‘কিং ইন দ্য ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তাকে বাড়াতে হয়েছে প্রায় ৯ কেজি ওজন—যা তার ক্যারিয়ারের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং অভিজ্ঞতা বলে জানিয়েছেন তিনি।

ভাবনা বলেন, “এটি আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম কঠিন কাজ। চরিত্রের প্রয়োজনে প্রায় ৯ কেজি ওজন বাড়াতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, যাত্রাশিল্পীদের মতো নাচ ও অভিনয়ও শিখতে হয়েছে। ‘রোজি’ চরিত্রটি করতে গিয়ে শারীরিক ও মানসিক—দুই দিকেই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। চরিত্রটিকে আমি ভালোবেসে ফেলেছি।”

আসিফ ইসলাম পরিচালিত ‘কিং ইন দ্য ল্যান্ড অব দ্য প্রিন্সেস’ ছবিটি যাত্রাপালার ক্রমাবনতির গল্প নিয়ে নির্মিত। এতে ‘প্রিন্সেস’ নামের এক নৃত্যশিল্পীকে ঘিরে আবর্তিত হয় কাহিনি, যেখানে দর্শকের চাহিদা ও বিনোদনের পরিবর্তিত রুচির প্রতিফলন তুলে ধরা হয়েছে।

ছবিটি প্রসঙ্গে পরিচালক আসিফ ইসলাম বলেন, “শৈশবে ঢাকার প্রান্তবর্তী একটি দুর্গাপূজার মেলায় প্রথম যাত্রা দেখি। সেই অভিজ্ঞতা আমার মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। পরে বহু বছর পর আবার যাত্রা দেখতে গিয়ে বুঝতে পারি, একসময়কার কাহিনিনির্ভর যাত্রা অনেকটাই বদলে গেছে। সেই পরিবর্তনের অভিজ্ঞতাই এই সিনেমার গল্পে তুলে ধরেছি।”

“এটি বর্তমান যাত্রাশিল্পের ভঙ্গুর বাস্তবতার একটি প্রতিচ্ছবি। ছবির একটি বিশেষ দিক হলো—যাত্রাশিল্পীদের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বাস্তবের যাত্রা শিল্পীরাই।”-যোগ করেন আসিফ।

আগামী ১৬ এপ্রিল শুরু হতে যাওয়া ৪৮তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রতিযোগিতা বিভাগের বাইরে ‘আর্টকোর’ বিভাগে প্রদর্শিত হবে সিনেমাটি। এর আগে আসিফ ইসলামের ‘নির্বাণ’ একই উৎসবে স্পেশাল জুরি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছিল।

ইতোমধ্যে উৎসবে অংশ নিতে মস্কোর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন পরিচালক আসিফ ইসলাম, অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা এবং প্রযোজক জান্নাতুল বাকের খান।

Ads small one

সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
সিসিডিবি’র উদ্যোগে শ্যামনগরে সমমনা সংস্থাগুলোর কর্মশালা

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরে সরকারি ও বেসরকারি সমমনা সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণে সিসিআরসি ও আরবিএ বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৪ জুন দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিসিডিবি এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সিসিডিবি’র উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রূপন। সিসিডিবি’র রেজিলিয়েন্স বিল্ডিং ম্যানেজার সামিউল আলিম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও শামসুজ্জামান কনক। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সারিদ বিন শফিক, সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
জমি বিরোধে গাছ কাটার অভিযোগ, দেবহাটায় আদালতে মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গাছপালা কেটে ফেলা এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বসন্তপুর গ্রামের বৈদ্যনাথ দাস বাদী হয়ে শংকর দাস ও দিপঙ্কর দাসসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলা (নং-৪০৬/২০২৬) দায়ের করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বসন্তপুর মৌজার ৫৮ শতক পৈতৃক সম্পত্তির একটি রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে, যা নিয়ে আগেও একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। বাদীর অভিযোগ, চলমান মামলার তোয়াক্কা না করে প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক তাঁর জমিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছগাছালি কেটে সাবাড় করেছে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে। বিবাদীদের আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানবেতর জীবনযাপন করছে উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
উচ্ছেদ অভিযানে নিঃস্ব হওয়ার শঙ্কা: জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপ চান কুলিয়াবাসী

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আলিপুর থেকে কুলিয়া বাজার পর্যন্ত অংশে সরকারি খাস জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে। সড়কের ‘অপ্রয়োজনীয় অংশ’ উচ্ছেদ না করে কেবল মূল কাজের জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু জমি ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে গত ২৪ জুন জেলা পরিষদ প্রশাসকের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি দিয়েছেন তাঁরা। আগামী ৮ ও ৯ জুলাই সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের পক্ষ থেকে মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁর হাতে আবেদনপত্রটি তুলে দেন।
এ সময় কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলু, কুলিয়া বাজার কমিটির সভাপতি রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু হুরাইরা এবং সমাজসেবক মোজাম্মেল হোসেনসহ (মিনু ডাক্তার) এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা পরিষদ প্রশাসক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এলাকার অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা-ভেটখালি মহাসড়কের উন্নয়ন কাজকে স্থানীয়রা স্বাগত জানান। তবে সওজ-এর নকশা অনুযায়ী ঢালাওভাবে উচ্ছেদ করা হলে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান, পুঁজি ও জীবিকা হারিয়ে পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে পড়বেন। গ্রামীণ অর্থনীতি, মাছের শেড ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী বহু ভূমিহীন পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। মানবিক ও সামাজিক দিক বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়নে যতটুকু জমি অপরিহার্য, ঠিক ততটুকু রেখে বাকি অংশ উচ্ছেদ না করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।