সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সংবাদ যখন রায় হয়ে যায়/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৯:৪১ অপরাহ্ণ
সংবাদ যখন রায় হয়ে যায়/ সচ্চিদানন্দ দে সদয়

সচ্চিদানন্দ দে সদয়

গণমাধ্যমকে বলা হয় সমাজের দর্পণ। মানুষ বিশ্বাস করে, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য সত্য, নিরপেক্ষ এবং যাচাই করা। এই বিশ্বাসই সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় সম্পদ। কিন্তু যখন একটি ভুল শব্দ, অসতর্ক একটি শিরোনাম কিংবা প্রেক্ষাপটহীন একটি ক্যাপশন কোনো মানুষের পরিচয় বদলে দেয়, তখন শুধু একজন ব্যক্তি নন, ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাংবাদিকতার বিশ্বাসযোগ্যতাও।

 

ম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অপরাধসংক্রান্ত সংবাদে একটি বিষয় ক্রমেই বেশি চোখে পড়ছে। কোনো ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হলেই অনেক ক্ষেত্রে সবাইকে একই পরিচয়ে উপস্থাপন করা হচ্ছে। অথচ তদন্তে দেখা যায়, একজনের বিরুদ্ধে মূল অপরাধের অভিযোগ, আরেকজনের বিরুদ্ধে সহযোগিতার অভিযোগ, আবার অন্য কারও বিরুদ্ধে চোরাই মাল কেনা বা সংরক্ষণের অভিযোগ। কিন্তু সংবাদে এই পার্থক্য অনেক সময় হারিয়ে যায়। এক শব্দেই সবাই হয়ে যানÑ‘চোর’, ‘ডাকাত’ কিংবা ‘প্রতারক’।

 

এটি শুধু ভাষাগত ভুল নয়; এটি একটি গুরুতর পেশাগত ত্রুটি। আইনের ভাষায় প্রতিটি অপরাধের সংজ্ঞা আলাদা। চুরি করা, চুরিতে সহায়তা করা এবং চোরাই মাল জেনেশুনে ক্রয় করাÑতিনটি ভিন্ন অপরাধ। প্রত্যেকটির জন্য আইনে পৃথক বিধান রয়েছে। ফলে একজনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ, আরেকজনের বিরুদ্ধে সেই একই অভিযোগ নাও থাকতে পারে।

 

সাংবাদিকতারও উচিত সেই পার্থক্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরা। সংবাদের কাজ তথ্য দেওয়া, বিচার করা নয়। আদালতের আগে কোনো ব্যক্তিকে এমনভাবে উপস্থাপন করা উচিত নয়, যাতে পাঠকের কাছে মনে হয় তার অপরাধ ইতোমধ্যেই প্রমাণিত। কারণ আইন একটি মৌলিক নীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছেÑঅপরাধ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যেক ব্যক্তি অভিযুক্ত, দোষী নন। এই নীতি সাংবাদিকতার ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য।

 

একটি ভুল শিরোনাম বা অসতর্ক শব্দচয়ন একজন মানুষের সামাজিক পরিচয়কে মুহূর্তেই বদলে দিতে পারে। ব্যবসা, পেশা, পারিবারিক সম্পর্ক, সামাজিক মর্যাদাÑসবকিছুই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যেতে পারে। পরে আদালত যদি তাকে নির্দোষ ঘোষণা করে, তবুও প্রথম সংবাদে সৃষ্ট নেতিবাচক ধারণা সহজে মুছে যায় না। এই কারণেই বিশ্বজুড়ে দায়িত্বশীল গণমাধ্যম ‘অভিযুক্ত’, ‘গ্রেপ্তার’, ‘চোরাই মাল ক্রয়ের অভিযোগ’, ‘সহযোগিতার অভিযোগ’Ñএ ধরনের নির্দিষ্ট ও সতর্ক শব্দ ব্যবহার করে। কারণ প্রতিটি শব্দের আলাদা আইনি ও সামাজিক অর্থ রয়েছে।

 

বর্তমানে আরেকটি উদ্বেগজনক প্রবণতা হলো কপি-পেস্ট সাংবাদিকতা। কোনো একটি সংবাদ প্রকাশের পর সেটি যাচাই না করেই বহু গণমাধ্যম একই ভাষায় প্রকাশ করে। অনেক সময় থানার প্রেস বিজ্ঞপ্তির ভাষাও হুবহু সংবাদে স্থান পায়। অথচ একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি তথ্যের উৎস হতে পারে, কিন্তু সেটিই পূর্ণাঙ্গ সংবাদ নয়। একজন সাংবাদিকের কাজ হলো তথ্য যাচাই করা, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া, ঘটনার প্রেক্ষাপট বোঝা এবং নিজের ভাষায় পাঠকের সামনে তুলে ধরা। সাংবাদিকতা কখনোই শুধু দ্রুত সংবাদ প্রকাশের প্রতিযোগিতা নয়। এটি সত্য অনুসন্ধানের পেশা।

 

একজন সাংবাদিকের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার নিজস্ব অনুসন্ধান, ভাষার শুদ্ধ ব্যবহার এবং নিরপেক্ষতা। বিশেষ করে অপরাধবিষয়ক সংবাদে আরও বেশি সতর্ক হওয়া জরুরি। কারণ এখানে একটি শব্দের ভুল ব্যবহারও মানুষের মৌলিক অধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। একজন ব্যক্তি যদি চোরাই মাল কেনার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন, তবে তাকে ‘চোর’ বলা তথ্যগতভাবে সঠিক নয়। আবার কেউ যদি তদন্তাধীন থাকেন, তবে তাকে নিশ্চিত অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করাও অনুচিত। সংবাদের ভাষা কখনো আবেগের ভাষা হতে পারে না; হতে হবে তথ্যের ভাষা।

 

সেখানে ব্যক্তিগত রাগ, পক্ষপাত, অনুমান কিংবা অতিরঞ্জনের কোনো স্থান নেই। কারণ সংবাদপত্রের প্রতিটি শব্দই ইতিহাসের অংশ হয়ে যায়।আজকের ডিজিটাল যুগে একটি ভুল সংবাদ কয়েক মিনিটের মধ্যেই হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। পরে সেটি সংশোধন করা হলেও প্রথম ভুল তথ্যই মানুষের মনে বেশি স্থায়ী হয়। তাই প্রকাশের আগে প্রতিটি তথ্য ও প্রতিটি শব্দ বারবার যাচাই করা সাংবাদিকতার ন্যূনতম দায়িত্ব।

 

সমালোচনা সাংবাদিকতার শত্রু নয়; বরং আত্মসমালোচনাই পেশাটিকে শক্তিশালী করে। ভুল হলে তা স্বীকার করা এবং ভবিষ্যতে সংশোধনের চেষ্টা করাই একজন পেশাদার সাংবাদিকের বৈশিষ্ট্য। কারণ সাংবাদিকের কলমের শক্তি তার সততায়, উচ্চস্বরে নয়। গণমাধ্যমকে মানুষ এখনো সমাজের বিবেক হিসেবে দেখতে চায়। সেই মর্যাদা ধরে রাখতে হলে উত্তেজনাপূর্ণ শিরোনামের চেয়ে নির্ভুল তথ্যকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। জনপ্রিয়তার চেয়ে বিশ্বাসযোগ্যতা বড়Ñএই উপলব্ধিই সাংবাদিকতার প্রকৃত ভিত্তি।শেষ পর্যন্ত একটি কথাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণÑসংবাদে ব্যবহৃত প্রতিটি শব্দ একজন মানুষের জীবন, সম্মান ও ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত।

 

তাই কাউকে যে পরিচয়ে উপস্থাপন করা হচ্ছে, সেটি যেন তথ্য, আইন ও বাস্তবতার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। কারণ একটি ভুল শব্দ মুহূর্তে একজন মানুষকে সমাজের চোখে অপরাধী বানিয়ে দিতে পারে, কিন্তু সেই ভুলের ক্ষত সারতে অনেক সময় একটি জীবনও যথেষ্ট হয় না। সাংবাদিকতার সার্থকতা তখনই, যখন সত্যের প্রতি দায়বদ্ধতা শব্দের চেয়ে বড় হয়ে ওঠে। আর সেই দায়বদ্ধতাই গণমাধ্যমকে মানুষের আস্থার সর্বোচ্চ স্থানে পৌঁছে দেয়।

Ads small one

এক বছর বিচারকশূন্য সাতক্ষীরা নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ
এক বছর বিচারকশূন্য সাতক্ষীরা নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল
৫ হাজারের কাছাকাছি  মামলা ঝুলছে, দ্রুত বিচারক পদায়নের দাবি
বদিউজ্জামান:
সাতক্ষীরা জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দীর্ঘ আট মাস ধরে কোনো বিচারক না থাকায় বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। একমাত্র এই ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে প্রায় ৫ হাজারের কাছাকাছি  মামলা বিচারাধীন রয়েছে। দীর্ঘদিন বিচারকার্য বন্ধ থাকায় মামলার জট ক্রমেই বাড়ছে। দ্রুত একজন বিচারক পদায়নের দাবি জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতি সহ বিভিন্ন মানবাধিকার ও নারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ নুরুল আমিন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল বরাবর ২৩ আগস্ট একটি লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনে সাতক্ষীরা জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দ্রুত একজন বিচারক পদায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়েছে, সাতক্ষীরা জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য একমাত্র নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রায় এক বছর ধরে ট্রাইব্যুনালটি বিচারকশূন্য থাকায় বিপুলসংখ্যক মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। বর্তমানে সেখানে ৫ হাজারের কাছাকাছি মামলা বিচারাধীন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর ফলে নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো স্পর্শকাতর মামলার বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে। মামলার বাদী, ভুক্তভোগী নারী ও শিশু এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত আদালতে এসে বিচারকার্যের অগ্রগতি না পাওয়ায় তাদের ভোগান্তি বাড়ছে। একই সঙ্গে বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্ব সৃষ্টি হচ্ছে।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলাগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল ও মানবিক বিষয়। এসব মামলার দ্রুত বিচার ও নিষ্পত্তি ভুক্তভোগী ও বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু একটি মাত্র ট্রাইব্যুনালে বিপুলসংখ্যক মামলা এবং দীর্ঘদিন বিচারক না থাকায় মামলার জট নিরসন কার্যত কঠিন হয়ে পড়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের জন্য একজন বিচারক পদায়নের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় থেকে সুপারিশ/প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রয়োজনীয় কার্যক্রমের জন্য বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
এ অবস্থায় সাতক্ষীরার হাজার হাজার বিচারপ্রার্থীর ন্যায়বিচারের অধিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত একজন যোগ্য বিচারক পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ নুরুল আমিন বলেন, “নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল দীর্ঘদিন বিচারকশূন্য থাকায় বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ বাড়ছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি অত্যন্ত জরুরি। বিষয়টি মানবিক ও ন্যায়বিচারের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে দ্রুত একজন বিচারক পদায়ন করা প্রয়োজন।”
আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের প্রত্যাশা, বিষয়টি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় প্রধান বিচারপতির সদয় বিবেচনায় এনে দ্রুত সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একজন বিচারক পদায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ হাজার হাজার মামলার বিচারকার্য পুনরায় গতিশীল হবে এবং বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ সুগম হবে।

সুন্দরবনে ট্রলারসহ ৫ জেলেকে অপহরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ণ
সুন্দরবনে ট্রলারসহ ৫ জেলেকে অপহরণ

অনলাইন ডেস্ক: সুন্দরবনের  শ্যালক চর ও নারকেলবাড়িয়া এলাকায় আশ্রয় নেওয়া জেলে বহর হানা দিয়ে একটি ফিশিং ট্রলারসহ ৫ জেলেকে অপহরণ করে বনদস্যু বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী। শনিবার (২২ আগস্ট) দিবাগত রাত ১০টার দিকে এ অপহরণের ঘটনা। তবে রবিবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে অপহরণের বিষয়টি জানাজানি হয়।

 

অপহৃত জেলেরা হলেন, বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদার (৩৮), শিহাব হাওলাদার (৩৫), সাব্বির হাওলাদার (৩০), রিপন হাওলাদার (২৮) এবং উত্তর রাজাপুর গ্রামের জাকির হাওলাদার (৪০)। অপহরণের পর জেলেরা কোথায় এবং কী অবস্থায় আছেন তা নিশ্চিত করতে পারেননি বন বিভাগ ও মহাজনরা।

 

অপহৃত জেলেদের মহাজন বাবুল মাঝি জানান, অপহরণের পর দস্যুরা এখন পর্যন্ত কোনো যোগাযোগ করেনি। জেলেদেরকে বনের কোথায় নিয়ে গেছে তাও জানা সম্ভব হয়নি। অপহরণের খবর শুনে জেলেদের পরিবারে উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।

 

সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের শ্যালার চর টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাগর থেকে উঠে বেশ কয়েকটি ট্রলার নিয়ে জেলেরা শ্যালার চরের কালামিয়া ও নারকেলবাড়িয়া এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। রাত ১০ টার দিকে বনদস্যু বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সশস্ত্র দস্যুরা এসে হানা দেয় জেলে বহরে। এসময় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মৎস্য ব্যবসায়ী বাবুল মাঝির একটি ট্রলারসহ তিন জেলেকে এবং অপর দুটি ট্রলার থেকে আরও দুই জেলেসহ মোট পাঁচ জনকে তুলে নিয়ে যায়। জেলে অপহরণের খবর পেয়ে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

 

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, জেলেদের অপহরণের কথা আমরা শুনেছি। আমরা প্রতিনিয়ত খোঁজখবর রাখছি। বিষয়টি কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনকে জানানো হয়েছে। হঠাৎ করে বনদস্যুদের উৎপাত বেড়ে যাওয়ায় কোস্টগার্ড ও বনবিভাগ যৌথভাবে টহল জোরদার করেছে।

পাটকেলঘাটায় এনজিও ঋণের কিস্তি দিতে না পারায় মমতাজ বেগম গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
পাটকেলঘাটায় এনজিও ঋণের কিস্তি দিতে না পারায় মমতাজ বেগম গ্রেপ্তার

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটায় এনজিও ঋণের কিস্তির টাকা দিকে না পারায় গ্রেপ্তার হয়েছে এক নারী। রবিবার দিবাগত রাতে পাটকেলঘাটা থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার নারীর নাম মমতাজ বেগম। তিনি পাটকেলঘাটার তৈলকুপি গ্রামের শাহাজাহান সরদারের স্ত্রী।

 

জানা গেছে, নিয়মিত কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে না পারায় মমতাজ বেগম এর বিরুদ্ধে এনজিও উন্নয়ন প্রচেষ্টা আদালতে মামলা দায়ের করে। এ মামলায় থানা পুলিশ গতকাল রাতে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে।