বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

স্থানীয়দের হামলায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী আহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ
স্থানীয়দের হামলায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী আহত

অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) রেলক্রসিং এলাকায় স্থানীয়দের হামলায় সময় টিভির ক্যাম্পাস প্রতিবেদকসহ তিন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। হামলায় গুরুতর আহত সাংবাদিক জাহিন সরকার আবিরের বাঁ হাত ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর রেলক্রসিং গেট সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা গেছে, রাতে যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ৬-৭ জন শিক্ষার্থী রেলক্রসিং এলাকার ইসলামিয়া হোটেলে খাওয়া-দাওয়া শেষ করেন। এরপর তারা ক্যাম্পাসে ফেরার জন্য গাড়ির অপেক্ষায় ছিলেন। রাত ১০টার দিকে ৩ নম্বর রুটের একটি বাস এলে শিক্ষার্থীরা আনন্দ ও হৈ-হুল্লোড় করতে করতে বাসের দিকে এগিয়ে যান।

এ সময় ইমন নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি শিক্ষার্থীদের দিকে তেড়ে আসেন এবং গালিগালাজ শুরু করেন। উল্লেখ্য, অভিযুক্ত এই ইমন এর আগেও (৩১ আগস্ট ২০২৫) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ইমন ও তার সহযোগীরা শিক্ষার্থীদের গালিগালাজ করতে থাকেন। এই ঘটনার সময় সময় টিভির ক্যাম্পাস প্রতিবেদক জাহিন সরকার আবির পুরো বিষয়টি ভিডিও ধারণ করছিলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হামলাকারীরা তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেন এবং তাকে গালিগালাজ করেন। আবির নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিলেও তাতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

পরে শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদ জানালে হামলাকারীরা তাদের ওপর চড়াও হয়। এ সময় আবিরকে লাঠিসোঁটা দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়, যার ফলে তার বাঁ হাত ভেঙে যায়। একই ঘটনায় যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আলিমুল শামীম, তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আশিকুর ইসলামও আহত হন।

মারধরের শিকার আলিমুল শামীম বলেন,আমরা ইসলামিয়া হোটেলে খাবার খেয়ে ক্যাম্পাসে ফিরতে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলাম। বাস এলে আমরা সেটি থামাই। পরে কিছুটা সামনে গিয়ে দাঁড়ালে আমরা আনন্দের সঙ্গে বাসে উঠতে যাচ্ছিলাম। তখন স্থানীয় কয়েকজন আমাদের গালিগালাজ শুরু করে। আমরা ছয়জন ছিলাম। আমাদের জুনিয়র আশিক প্রতিবাদ করলে তারা তার দিকে তেড়ে আসে। এ সময় সাংবাদিক আবির ভিডিও করা শুরু করলে তারা তার ফোন নিয়ে নেয়। আবির নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে মারধর শুরু করে। পরে আশিককেও মারধর করা হয়। আবিরকে লাঠি দিয়ে আঘাত করতে থাকলে তার হাত ভেঙে যায়।

এ ঘটনায় যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা হামলাকারীকে এক ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার অথবা তার অভিভাবকদের ক্যাম্পাসে উপস্থিত করার দাবি জানান।

আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টারে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর গুরুতর অবস্থার কারণে জাহিন সরকার আবিরকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে চবি মেডিক্যাল সেন্টারের দায়িত্বরত চিকিৎসক মোহাম্মদ আবুল কাশেম বলেন, প্রথমে দুই জন আসে। তাদের মধ্যে আবির নামের একজনের বাঁ হাতের উপরের অংশে গুরুতর আঘাত রয়েছে। এক্স-রে প্রয়োজন হওয়ায় তাকে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে। আশিকুর নামের আরেকজনের ঘাড় ও বাম হাতে আঘাত রয়েছে। তাকে আপাতত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফুরকান বলেন, ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গে আমি প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলা হয়েছে।

ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযানে নামে। হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে গ্রেফতার করা হবে। রাত ১২টার পর থেকেই অভিযানের প্রস্তুতি নিয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাবের দুটি টিমও ঘটনাস্থলে অভিযান চালাচ্ছে।

Ads small one

বাস্তুচ্যুত অভিবাসীদের সামাজিক সুরক্ষায় মিডিয়া অ্যাডভোকেসি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:১৮ অপরাহ্ণ
বাস্তুচ্যুত অভিবাসীদের সামাজিক সুরক্ষায় মিডিয়া অ্যাডভোকেসি সভা

সমন্বিত সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ও অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত অভিবাসীদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনী শক্তিশালীকরণ, চ্যালেঞ্জ ও করণীয় শীর্ষক মিডিয়া অ্যাডভোকেসি সভা আজ (বুধবার) খুলনা প্রেসক্লাবের শহিদ হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস বাংলাদেশ খুলনা অঞ্চল আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের আহবায়ক এনামুল হক।

অ্যাডভোকেসি সভায় অতিথিরা বলেন, জলবায়ু পরির্বতনের কারণে ভিটামাটি হারিয়ে শুধু একটি পরিবার নয় একটি সমাজ ধ্বংস হয়ে যায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের জীবন-জীবিকাকে ক্রমাগতভাবে হুমকির মুখে ফেলছে। ফলে উপকূলীয় ও দুর্যোগ প্রবণ এলাকা থেকে মানুষ বাধ্য হয়ে শহরমুখী হচ্ছে বিশেষ করে খুলনার মতো শহরে।

 

বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরনের সুবিধা থাকলে তারা শহরে আসবে কম। যেহেতু গণমাধ্যম জনমত গঠন ও নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তাই গণমাধ্যম জলবায়ু অভিবাসীদের বাস্তবতা তুলে ধরে অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার পক্ষে জোরালো সমর্থন গড়ে তুলবে বক্তারা এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (কুয়েট) এর সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী পবিত্র কুমার মন্ডল।

অ্যাডভোকেসি সভায় সিনিয়র সাংবাদিক শেখ দিদারুল আলম, গণমাধ্যমকর্মী ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের চারটি ওয়ার্ডের কমিউনিটি লিডাররা অংশ নেন।

সভার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানানো হয়, জলবায়ু অভিবাসীদের সমস্যা ও অধিকার সম্পর্কে গণমাধ্যমকর্মীদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা, বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সীমাবদ্ধতা ও ঘাটতি তুলে ধরা, তথ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল প্রতিবেদন তৈরিতে গণমাধ্যমকে উৎসাহিত করা এবং গণমাধ্যম, সরকার ও সুশীল সমাজের মধ্যে সংলাপের সুযোগ সৃষ্টি করা। তথ্যবিবরণী

সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের বিবৃতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের বিবৃতি
দেশ টিভির স্টাফ রিপোর্টার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হ‌য়ে‌ছেন। প্রয়োজনীয় চি‌কিৎসা শে‌ষে তি‌নি বর্তম‌া‌নে নিজ বা‌ড়ি‌তে চি‌কিৎসাধীন র‌য়েছেন। তার আশু সুস্থতা কামনা ক‌রে বিবৃ‌তি দি‌য়ে‌ছে সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্র।
বুধবার (২২ এপ্রিল) এক বিবৃ‌তি‌তে সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি ও বাংলাদেশের খবরের আব্দুস সামাদ, সাধারণ সম্পাদক ও এখন টিভির আহসানুর রহমান রাজীব, সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা টাইমস এবং দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের মো. হোসেন আলী, নির্বাহী সদস্য (অর্থ) মানবজমিনের এসএম বিপ্লব হোসেন, নির্বাহী সদস‌্য (দপ্তর) ও এন‌টিভির এসএম জিন্নাহ, বৈশাখী টিভির শামীম পারভেজ, কালেরকণ্ঠের মোশারফ হোসেন, প্রতিদিনের বাংলাদেশ ও নাগরিক টিভির কৃষ্ণ ব্যানার্জি, বাংলাট্রিবিউন ও ঢাকাট্রিবিউনের আসাদুজ্জামান সরদার, গ্লোবাল টিভির রাহাত রাজা, যুগান্তরের মোজাহিদুল ইসলাম, স্বদেশ প্রতিদিনের হাবিবুর রহমান সোহাগ, দ্য এডিটরসের রিজাউল করিম, রানারের শহীদুজ্জামান শিমুল, খবরের কাগজের নাজমুস সাহাদাৎ জাকির, ঢাকা পোস্টের ইব্রাহিম খলিল, ভয়েস অব টাইগারের মিলন রুদ্র, বার্তা টুয়েন্টিফোরের মৃত্যুঞ্জয় রায় অপূর্ব, বাংলানিউজের তানজির কচি, হৃদয় বার্তার আলী মুক্তাদা হৃদয় তার দ্রুত সুস্ততা কামনা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি ধানের দামে ধস, দুশ্চিন্তায় সাতক্ষীরার কৃষকরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৭ অপরাহ্ণ
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি ধানের দামে ধস, দুশ্চিন্তায় সাতক্ষীরার কৃষকরা

ইব্রাহিম খলিল: উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় চলতি বোরো মৌসুমে ধান আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেলেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট এবং বাজারে ধানের দামে ধস এই দুই চাপে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। ফলে একদিকে রেকর্ড উৎপাদনের সম্ভাবনা তৈরি হলেও অন্যদিকে উৎপাদন খরচ ও কম দামের কারণে লোকসানের আশঙ্কা বাড়ছে কৃষক পর্যায়ে।

জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ৮০ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও আবাদ হয়েছে ৮২ হাজার ৭৩৫ হেক্টর জমিতে। অতিরিক্ত আবাদ মূলত ঘের এলাকার সম্প্রসারণের মাধ্যমে হয়েছে। সাতক্ষীরা আশাশুনি প্রতাপনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় এই অতিরিক্ত চাষাবাদ লক্ষ্য করা গেছে। তবে মাঠপর্যায়ের কৃষকদের অভিযোগ, উৎপাদন ভালো হলেও সেচ, জ্বালানি ও বাজারদরের অস্থিরতায় লাভের হিসাব মেলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার রইচপুর গ্রামের কৃষক আমিনুল ইসলাম বলেন, জমিতে ঠিকমতো পানি না দিলে ধান ভালো হয় না। কিন্তু বিদ্যুৎ ঠিকমতো পাওয়া যায় না, আবার ডিজেলও ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। লাইনে দাঁড়িয়ে কম জ্বালানি নিতে হচ্ছে, অনেক জায়গায় আবার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সারাদিন একটু করে কারেন্ট দেয়, আবার বন্ধ হয়ে যায়। এতে সেচ ঠিকমতো দেওয়া যায় না। ৪০ বছর ধরে চাষ করি, কিন্তু এখন সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছি।

মন্টুমিয়ার বাগানবাড়ি এলাকার কৃষক লিটন বাবু বলেন, লোডশেডিংয়ের কারণে ঠিকমতো পানি তুলতে পারছি না। রাতে পানি তুলতে গেলে অনেক সময় বিদ্যুৎ থাকে না। পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় সেচ আরও কঠিন হয়ে গেছে।

সাতক্ষীরার খড়িবিলা এলাকার কৃষক শরিফুল ইসলাম বলেন, আমি ১১ বিঘা জমিতে ধান চাষ করি। কিন্তু এ বছর খরচের তুলনায় দাম একেবারেই কম। প্রতি বিঘায় রোপণ খরচ প্রায় ২৫০০ টাকা, সার, বিদ্যুৎ বিল, ঘাস পরিষ্কার ও শ্রমিক খরচ মিলিয়ে লাভ তো দূরের কথা, কোনো মতে সমান থাকবে। তিনি আরও বলেন, এক বিঘা জমির লিজ দিতে লাগে ২০ হাজার টাকা। আমার ১১ বিঘায় শুধু লিজ বাবদই প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সব খরচ বাদ দিলে কোনো লাভ থাকবে না।

কৃষকদের অভিযোগ, গত বছর যেখানে প্রতি বস্তা ধান ২৩০০ থেকে ২৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, সেখানে এবার তা নেমে এসেছে ১৬০০ থেকে ১৭০০ টাকায়। এতে উৎপাদন খরচই তুলতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।

তাদের দাবি, সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ধানের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ না হলে ভবিষ্যতে অনেক কৃষক চাষাবাদ থেকে সরে যেতে বাধ্য হবেন।

এদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “সাতক্ষীরা একটি খাদ্য উদ্বৃত্ত জেলা। এখানে আউশ, আমন ও বোরো এই তিন মৌসুমেই ধান উৎপাদন হয়। এ বছর ফসল অত্যন্ত ভালো হয়েছে। আমরা যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলাম, তার চেয়েও বেশি জমিতে আবাদ হয়েছে। আমরা আশা করছি, সামগ্রিক উৎপাদনও ভালো হবে।

তিনি আরও বলেন, তেল ও জ্বালানি সংকটের যে কথা বলা হচ্ছে, বাস্তবে এর তেমন বড় প্রভাব পড়বে না। কারণ ৫ থেকে ৬ দিনের বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা অনেক এলাকায় সেচের চাপ কমিয়েছে। যেসব এলাকায় সমস্যা রয়েছে, সেখানে আমাদের কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে মাঠে কাজ করছেন।