মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

পাইকগাছায় স্কুল ফিডিংয়ে পচা ডিম ও মানহীন খাবার, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০১ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় স্কুল ফিডিংয়ে পচা ডিম ও মানহীন খাবার, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা

কপিলমুনি (পাইকগাছা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চলমান স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে ব্যাপক অনিয়ম ও নি¤œমানের খাদ্য সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। সরবরাহকৃত রুটিতে ফাঙ্গাস (ছত্রাক), পচা ডিম এবং কাঁচা কলা দেওয়ার ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় অভিভাবক ও জনমনে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

 

গত ২০ এপ্রিল উপজেলার ৮ নম্বর কপিলমুনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়ে সরেজমিন গিয়ে নি¤œমানের খাবার সরবরাহের সত্যতা পাওয়া গেছে। তালিকায় বিস্কুট থাকার কথা থাকলেও অধিকাংশ স্কুলে আজও তার দেখা মেলেনি। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকদের অভিযোগ, সরবরাহকৃত বনরুটির কোনোটিতে মেয়াদ নেই, আবার কোনোটি মেয়াদোত্তীর্ণ। প্যাকেটজাত অনেক রুটিতে ছত্রাক দেখা দিয়েছে এবং তা থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। প্রতিদিন সরবরাহ করা

 

ডিমের মধ্যে ২০ থেকে ৪০টিই নষ্ট থাকছে। এমনকি ইউএইচটি দুধের গুণগত মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষকেরা। ৫নম্বর সলুয়া গোলাবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রমা জানায়, “দুধ খেলে মাঝেমধ্যে বমি হয়, পেট খারাপ করে। সিদ্ধ ডিমগুলো দেখে মনে হয় পরিষ্কার না করেই সিদ্ধ করা হয়েছে। আর কলা দেওয়া হয় একদম কাঁচা।”

জানা গেছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে পাবনার ‘ওসাকা’ নামের একটি এনজিও। তবে স্থানীয়ভাবে খাবার সরবরাহ করছে ‘বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. মাহদী হাসান নিজের সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করেছেন।

উপজেলার ১৬৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষার্থী এই কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। নি¤œমানের এই খাবারের কারণে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত হওয়ার বদলে উল্টো অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “উপজেলার প্রায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই নি¤œমানের খাবারের অভিযোগ আসছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।”

এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি কল ধরেননি। তবে অভিভাবকেরা অনতিবিলম্বে শিশুদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

 

 

Ads small one

কেশবপুরে দুই সন্তানসহ বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু, কন্যা আশঙ্কাজনক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
কেশবপুরে দুই সন্তানসহ বিষপানে গৃহবধূর মৃত্যু, কন্যা আশঙ্কাজনক

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের কেশবপুরে দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে ঘাস মারার বিষপান করে রহিমা খাতুন (২৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে ওই গৃহবধূ কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার শিশু কন্যা নুসরাত (৯) ও ছেলে রহিম (২) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শিশু নুসরাতের অবস্থা আশঙ্কাজন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
হাসপাতাল ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর উপজেলার মূলগ্রামে বাবার বাড়ির পাশে স্থানীয় বিদ্যালয়ের পিছনে গত ১১ এপ্রিল সন্ধ্যায় রহিমা খাতুন তার শিশু কন্যা নুসরাত ও ছেলে রহিমকে ঘাস মারার বিষ খাওয়ায়ে নিজেও খান। এলাকার মানুষ টের পেয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
মঙ্গলবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূ রহিমা খাতুন মারা যান। শিশু কন্যা নুসরাত ও ছেলে রহিম বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শিশু নুসরাতের অবস্থা আশঙ্কাজন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। পার্শ্ববর্তী মণিরামপুর উপজেলার আটঘরা গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী রহিমা খাতুন। তার বাবার বাড়ি কেশবপুর উপজেলার মূলগ্রামে। বাবার নাম আব্দুল মতলেব।
কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সমরেশ দত্ত বলেন, মঙ্গলবার ভোরে ওই গৃহবধূ মারা যান। শিশু নুসরাতের অবস্থা আশঙ্কাজন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য তার স্বজনদেরকে জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

শ্যামনগরে এসএসসি, দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৫০ জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
শ্যামনগরে এসএসসি, দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ৫০ জন

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শ্যামনগরে এসএসসি,দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষায় প্রথমদিনে অনুপস্থিত শিক্ষার্থী ৫০ জন এবং উপস্থিত শিক্ষার্থী ২১৮২ জন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে প্রকাশ, এসএসসি পরীক্ষার তিনটি কেন্দ্রে অনুপস্থিত শিক্ষার্থী ১০ জন, দাখিলে দুটি কেন্দ্রে অনুপস্থিত ৩৭ জন ও কারিগরির দুটি কেন্দ্রে অনুপস্থিত শিক্ষার্থী ৩ জন। উপস্থিত শিক্ষার্থী এসএসসিতে ১৩৩৯ জন, দাখিলে ৭৩৩ জন ও কারিগরিতে ১১০ জন। এসএসসি পরীক্ষার তিনটি কেন্দ্র হল নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও নওয়াবেঁকী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। দাখিলের দুটি কেন্দ্র হল শ্যামনগর কেন্দ্রিয় দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা ও নওয়াবেঁকী বিড়ালাক্ষা¥ী কাদেরিয়া ফাজিল মাদ্রাসা। কারিগরি পরীক্ষার কেন্দ্র দুটি হল শ্যামনগর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ ও নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।

তালায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
তালায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গাজী সাইফুল ইসলাম-এর বদলিজনিত কারণে এক আবেগঘন বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি হলরুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সন্তোষ কুমার মন্ডল।
বিদায়ী বক্তব্যে গাজী সাইফুল ইসলাম তালা উপজেলার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউপিইটিসি ইন্সট্রাক্টর মো. ঈমান উদ্দীন, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম এবং অন্যান্য সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারবৃন্দ।
তালা উপজেলার ২১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বিপুল সংখ্যক সহকারী শিক্ষকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। বক্তারা বিদায়ী কর্মকর্তার কর্মদক্ষতা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠান শেষে তাকে সম্মাননা স্মারক ও ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়।