বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

গুজব প্রতিরোধ ও সঠিক তথ্য প্রচারে গণমাধ্যমকর্মীদের সহায়তা চায় সরকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ
গুজব প্রতিরোধ ও সঠিক তথ্য প্রচারে গণমাধ্যমকর্মীদের সহায়তা চায় সরকার

তথ্য অধিদফতর ঢাকার আয়োজনে এবং খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের সহযোগিতায় সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত প্রধান প্রতিশ্রুতিসমূহ বাস্তবায়নে গণমাধ্যমে প্রচার সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা আজ (শনিবার) খুলনা সার্কিট হাউজের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য অফিসার (রুটিন দায়িত্ব) ইয়াকুব আলী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, সরকার গঠন হয়েছে দুই মাস; ভোটের কালি এখনও মুছেনি। জনকল্যাণমুখী সরকার জনকল্যাণে প্রথমেই ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিং প্রকল্প চালু করেছে। ইতোমধ্যে সরকারের কৃষি ঋণ মওকুফে ১২ লাখ কৃষক উপকৃত হয়েছে। ২১ হাজার ১৪ জন কৃষকের হাতে পৌঁছে গেছে কৃষক কার্ড; এরই অংশ হিসেবে মোট ১৫টি উপজেলায় শতভাগ কৃষক কার্ড পাবে।

 

তিনি আরও বলেন, ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ ধর্মগুরুদের সম্মানি ও উৎসব ভাতা চালু করেছে সরকার। সারা দেশে চলমান খাল খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এবার হজ ব্যবস্থাপনায় প্রত্যেক হজযাত্রীর থেকে ১২ হাজার টাকা করে কম নেওয়া হয়েছে। আপনারা জানেন, হামের প্রকোপ মোকাবেলায় ইতোমধ্যে টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে স্বাস্থ্য খাতে এক লাখ কর্মী নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার যার ৮০ শতাংশই নারী।

প্রধান অতিথি বলেন, সাংবাদিকরা সরকারের অংশীজন। সরকার জানতে চায় তার অংশীজনেরা কি ভাবছে। বিশে^র যুদ্ধ পরিস্থিতিতে, বিশ^মন্দা মোকাবেলায় সরকারকেও কিছু ব্যবস্থা নিতে হয়েছে। ব্যয় সংকোচন করতে হচ্ছে সব ক্ষেত্রে যার প্রভাব আমাদের উপরও পড়বে। যার কারণে গুজব, অপতথ্য, মিথ্যাতথ্য ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই এই গুজব প্রতিরোধ ও সঠিক তথ্য প্রচারে গণমাধ্যমকর্মীদের সহায়তা কামনা করে সরকার।

সভায় সরকারের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় তথ্য অধিদফতরের ভূমিকা এবং আগামীর চ্যালেঞ্জ বিষয়ে তথ্য অধিদফতরের সিনিয়র উপপ্রধান তথ্য অফিসার (প্রেস) মোছাঃ মোবাস্বেরা কাদেরী বলেন, সরকারের সেবাসমূহ যেন প্রকৃত উপকারভোগীর কাছে পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে সাংবাদিকদের তাদের লেখনীর মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা সৃষ্টি এবং সচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।

 

গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে তথ্য অধিদফতর ফ্যাক্ট চেকিং কার্যক্রম শুরু করেছে। অপতথ্য প্রচাররোধে ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট প্রভৃতির সন্ধান দিয়ে তথ্য অধিদফতরকে একাজে সহায়তা করার আহবান জানান তিনি। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, হজ প্যাকেজ, খাল খনন প্রতিটি সেবা একটি আর একটির সাথে সংযুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে তাই তিনি বলেন, সঠিক তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে সাংবাদিকদের। তবেই সম্মিলিতভাবে এগিয়ে যেতে পারবে সরকার।

গুজব প্রতিরোধ, কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার ও নিউমিডিয়া বিষয়ে আলোচনা করেন উপপ্রধান তথ্য অফিসার (নিউমিডিয়া) নাসরীন জাহান লিপি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন তথ্য অধিদফতরের উপপ্রধান তথ্য অফিসার (প্রশাসন ও অর্থ) হাছিনা আক্তার। খুলনা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কানিজ ফাতেমা লিজা এর সভাপতিত্বে এতে স্বাগত বক্তৃতা করেন খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার এ এস এম কবীর।

 

সভায় তথ্য অধিদফতরের উপপ্রধান তথ্য অফিসার (মনিটরিং) অনসূয়া বড়–য়া, খুলনা প্রেসক্লাবের আহবায়ক এনামুল হক, সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ রাশিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানা, সিনিয়র সাংবাদিক শেখ দিদারুল আলমসহ গণমাধ্যমকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

সভায় তথ্য অধিদফতর, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিস, জেলা তথ্য অফিসের কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক এবং নিবন্ধিত অনলাইন মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন। তথ্যবিবরণী

Ads small one

বাস্তুচ্যুত অভিবাসীদের সামাজিক সুরক্ষায় মিডিয়া অ্যাডভোকেসি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:১৮ অপরাহ্ণ
বাস্তুচ্যুত অভিবাসীদের সামাজিক সুরক্ষায় মিডিয়া অ্যাডভোকেসি সভা

সমন্বিত সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ও অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত অভিবাসীদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনী শক্তিশালীকরণ, চ্যালেঞ্জ ও করণীয় শীর্ষক মিডিয়া অ্যাডভোকেসি সভা আজ (বুধবার) খুলনা প্রেসক্লাবের শহিদ হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস বাংলাদেশ খুলনা অঞ্চল আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের আহবায়ক এনামুল হক।

অ্যাডভোকেসি সভায় অতিথিরা বলেন, জলবায়ু পরির্বতনের কারণে ভিটামাটি হারিয়ে শুধু একটি পরিবার নয় একটি সমাজ ধ্বংস হয়ে যায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের জীবন-জীবিকাকে ক্রমাগতভাবে হুমকির মুখে ফেলছে। ফলে উপকূলীয় ও দুর্যোগ প্রবণ এলাকা থেকে মানুষ বাধ্য হয়ে শহরমুখী হচ্ছে বিশেষ করে খুলনার মতো শহরে।

 

বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরনের সুবিধা থাকলে তারা শহরে আসবে কম। যেহেতু গণমাধ্যম জনমত গঠন ও নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তাই গণমাধ্যম জলবায়ু অভিবাসীদের বাস্তবতা তুলে ধরে অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার পক্ষে জোরালো সমর্থন গড়ে তুলবে বক্তারা এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (কুয়েট) এর সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী পবিত্র কুমার মন্ডল।

অ্যাডভোকেসি সভায় সিনিয়র সাংবাদিক শেখ দিদারুল আলম, গণমাধ্যমকর্মী ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের চারটি ওয়ার্ডের কমিউনিটি লিডাররা অংশ নেন।

সভার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানানো হয়, জলবায়ু অভিবাসীদের সমস্যা ও অধিকার সম্পর্কে গণমাধ্যমকর্মীদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা, বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সীমাবদ্ধতা ও ঘাটতি তুলে ধরা, তথ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল প্রতিবেদন তৈরিতে গণমাধ্যমকে উৎসাহিত করা এবং গণমাধ্যম, সরকার ও সুশীল সমাজের মধ্যে সংলাপের সুযোগ সৃষ্টি করা। তথ্যবিবরণী

সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের বিবৃতি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের বিবৃতি
দেশ টিভির স্টাফ রিপোর্টার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হ‌য়ে‌ছেন। প্রয়োজনীয় চি‌কিৎসা শে‌ষে তি‌নি বর্তম‌া‌নে নিজ বা‌ড়ি‌তে চি‌কিৎসাধীন র‌য়েছেন। তার আশু সুস্থতা কামনা ক‌রে বিবৃ‌তি দি‌য়ে‌ছে সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্র।
বুধবার (২২ এপ্রিল) এক বিবৃ‌তি‌তে সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি ও বাংলাদেশের খবরের আব্দুস সামাদ, সাধারণ সম্পাদক ও এখন টিভির আহসানুর রহমান রাজীব, সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা টাইমস এবং দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের মো. হোসেন আলী, নির্বাহী সদস্য (অর্থ) মানবজমিনের এসএম বিপ্লব হোসেন, নির্বাহী সদস‌্য (দপ্তর) ও এন‌টিভির এসএম জিন্নাহ, বৈশাখী টিভির শামীম পারভেজ, কালেরকণ্ঠের মোশারফ হোসেন, প্রতিদিনের বাংলাদেশ ও নাগরিক টিভির কৃষ্ণ ব্যানার্জি, বাংলাট্রিবিউন ও ঢাকাট্রিবিউনের আসাদুজ্জামান সরদার, গ্লোবাল টিভির রাহাত রাজা, যুগান্তরের মোজাহিদুল ইসলাম, স্বদেশ প্রতিদিনের হাবিবুর রহমান সোহাগ, দ্য এডিটরসের রিজাউল করিম, রানারের শহীদুজ্জামান শিমুল, খবরের কাগজের নাজমুস সাহাদাৎ জাকির, ঢাকা পোস্টের ইব্রাহিম খলিল, ভয়েস অব টাইগারের মিলন রুদ্র, বার্তা টুয়েন্টিফোরের মৃত্যুঞ্জয় রায় অপূর্ব, বাংলানিউজের তানজির কচি, হৃদয় বার্তার আলী মুক্তাদা হৃদয় তার দ্রুত সুস্ততা কামনা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি ধানের দামে ধস, দুশ্চিন্তায় সাতক্ষীরার কৃষকরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৭ অপরাহ্ণ
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি ধানের দামে ধস, দুশ্চিন্তায় সাতক্ষীরার কৃষকরা

ইব্রাহিম খলিল: উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় চলতি বোরো মৌসুমে ধান আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেলেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট এবং বাজারে ধানের দামে ধস এই দুই চাপে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। ফলে একদিকে রেকর্ড উৎপাদনের সম্ভাবনা তৈরি হলেও অন্যদিকে উৎপাদন খরচ ও কম দামের কারণে লোকসানের আশঙ্কা বাড়ছে কৃষক পর্যায়ে।

জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ৮০ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও আবাদ হয়েছে ৮২ হাজার ৭৩৫ হেক্টর জমিতে। অতিরিক্ত আবাদ মূলত ঘের এলাকার সম্প্রসারণের মাধ্যমে হয়েছে। সাতক্ষীরা আশাশুনি প্রতাপনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় এই অতিরিক্ত চাষাবাদ লক্ষ্য করা গেছে। তবে মাঠপর্যায়ের কৃষকদের অভিযোগ, উৎপাদন ভালো হলেও সেচ, জ্বালানি ও বাজারদরের অস্থিরতায় লাভের হিসাব মেলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার রইচপুর গ্রামের কৃষক আমিনুল ইসলাম বলেন, জমিতে ঠিকমতো পানি না দিলে ধান ভালো হয় না। কিন্তু বিদ্যুৎ ঠিকমতো পাওয়া যায় না, আবার ডিজেলও ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। লাইনে দাঁড়িয়ে কম জ্বালানি নিতে হচ্ছে, অনেক জায়গায় আবার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সারাদিন একটু করে কারেন্ট দেয়, আবার বন্ধ হয়ে যায়। এতে সেচ ঠিকমতো দেওয়া যায় না। ৪০ বছর ধরে চাষ করি, কিন্তু এখন সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছি।

মন্টুমিয়ার বাগানবাড়ি এলাকার কৃষক লিটন বাবু বলেন, লোডশেডিংয়ের কারণে ঠিকমতো পানি তুলতে পারছি না। রাতে পানি তুলতে গেলে অনেক সময় বিদ্যুৎ থাকে না। পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় সেচ আরও কঠিন হয়ে গেছে।

সাতক্ষীরার খড়িবিলা এলাকার কৃষক শরিফুল ইসলাম বলেন, আমি ১১ বিঘা জমিতে ধান চাষ করি। কিন্তু এ বছর খরচের তুলনায় দাম একেবারেই কম। প্রতি বিঘায় রোপণ খরচ প্রায় ২৫০০ টাকা, সার, বিদ্যুৎ বিল, ঘাস পরিষ্কার ও শ্রমিক খরচ মিলিয়ে লাভ তো দূরের কথা, কোনো মতে সমান থাকবে। তিনি আরও বলেন, এক বিঘা জমির লিজ দিতে লাগে ২০ হাজার টাকা। আমার ১১ বিঘায় শুধু লিজ বাবদই প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সব খরচ বাদ দিলে কোনো লাভ থাকবে না।

কৃষকদের অভিযোগ, গত বছর যেখানে প্রতি বস্তা ধান ২৩০০ থেকে ২৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, সেখানে এবার তা নেমে এসেছে ১৬০০ থেকে ১৭০০ টাকায়। এতে উৎপাদন খরচই তুলতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।

তাদের দাবি, সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং ধানের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ না হলে ভবিষ্যতে অনেক কৃষক চাষাবাদ থেকে সরে যেতে বাধ্য হবেন।

এদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “সাতক্ষীরা একটি খাদ্য উদ্বৃত্ত জেলা। এখানে আউশ, আমন ও বোরো এই তিন মৌসুমেই ধান উৎপাদন হয়। এ বছর ফসল অত্যন্ত ভালো হয়েছে। আমরা যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলাম, তার চেয়েও বেশি জমিতে আবাদ হয়েছে। আমরা আশা করছি, সামগ্রিক উৎপাদনও ভালো হবে।

তিনি আরও বলেন, তেল ও জ্বালানি সংকটের যে কথা বলা হচ্ছে, বাস্তবে এর তেমন বড় প্রভাব পড়বে না। কারণ ৫ থেকে ৬ দিনের বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা অনেক এলাকায় সেচের চাপ কমিয়েছে। যেসব এলাকায় সমস্যা রয়েছে, সেখানে আমাদের কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে মাঠে কাজ করছেন।