মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

দীর্ঘ তিন মাস পর খুলছে সুন্দরবনের দুয়ার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
দীর্ঘ তিন মাস পর খুলছে সুন্দরবনের দুয়ার

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): জেলে-বাওয়ালি ও পর্যটকদের পদচারণায় আবারও মুখরিত হবে সুন্দরবন, প্রস্তুত নৌকা-জাল ও পর্যটকবাহী ট্রলার।

দীর্ঘ তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে ১ সেপ্টেম্বর থেকে খুলে যাচ্ছে সুন্দরবনের দুয়ার। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর নিয়ম মেনে পারমিট নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন জেলে-বাওয়ালি ও অন্যান্য বনজীবীরা। একই সঙ্গে পর্যটকদের জন্যও খুলে দেওয়া হচ্ছে সুন্দরবনের পর্যটনকেন্দ্রগুলো।

সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য, বন্যপ্রাণী ও মৎস্যসম্পদের প্রজনন সুরক্ষায় প্রতিবছরের মতো এবারও ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ ও কাঁকড়া আহরণসহ বনে প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়। এ সময়ে জেলে, বাওয়ালি, মৌয়াল ও পর্যটক—কেউই সুন্দরবনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারেননি।

দীর্ঘ তিন মাসের বিরতির পর সুন্দরবন খোলার খবরে উপকূলীয় জনপদে ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য। বিশেষ করে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবনসংলগ্ন বুড়িগোয়ালিনী, গাবুরা, পদ্মপুকুর ও কৈখালীসহ বিভিন্ন এলাকার জেলে-বাওয়ালিরা বনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কেউ নৌকা মেরামত করছেন, কেউ পুরোনো জাল সংস্কার করছেন, আবার কেউ নতুন করে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ করছেন।

অন্যদিকে পর্যটন মৌসুমকে সামনে রেখে পর্যটকবাহী ট্রলার ও নৌযানগুলোরও চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সুন্দরবনে পর্যটকদের আনাগোনা শুরু হলে পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ী, ট্রলার মালিক, মাঝি ও শ্রমিকদের মধ্যেও নতুন করে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসবে।

স্থানীয় জেলে আমিরুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবন বন্ধ থাকায় গত তিন মাস আমাদের আয়-রোজগারের প্রধান পথ বন্ধ ছিল। অনেক পরিবার ধারদেনা করে সংসার চালিয়েছে। এখন সুন্দরবন খোলার অপেক্ষায়।

রিপন গাজী বলেন, দীর্ঘ তিন মাস সুন্দরবনের পাববেন্ধর কারণে বনে ঢুকতে পারিনি। বন খুললেই মাছ ও কাঁকড়া আহরণের মাধ্যমে আবারও আয়-রোজগার শুরু করার সম্পন্ন করলাম, পাশ খুললেই চলে যাব সুন্দরবনে। তবে রিপন গাজী অভিযোগ করে বলেন সুন্দরবনের বনদস্যদের কারণে অনেক জেলে সুন্দরবন নিয়ে না যাওয়ার কথা ভাবছেন।

বন বিভাগও সুন্দরবন খোলার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। জেলে-বাওয়ালিদের নিয়ম অনুযায়ী পাস ও পারমিট দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট বন কার্যালয়গুলোতে বনজীবীদের প্রবেশসংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

তবে সুন্দরবনে প্রবেশের ক্ষেত্রে বন বিভাগের নির্ধারিত নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে। অনুমোদিত পাস ও পারমিট ছাড়া বনে প্রবেশ, নিষিদ্ধ এলাকায় মাছ ধরা, বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার, অবৈধ জাল ব্যবহার কিংবা বন্যপ্রাণীর ক্ষতি করা থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে।

বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা এরফান উদ্দিন বলেন, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবহারের জন্য বনজীবী ও পর্যটকদের দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। নিষেধাজ্ঞার সময় বনকে নিরবচ্ছিন্ন রাখার ফলে মাছ, বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বিকাশের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

দীর্ঘ তিন মাস পর মঙ্গলবার থেকে সুন্দরবনের নদী-খালে আবার শোনা যাবে জেলেদের নৌকার বৈঠার শব্দ, জাল ফেলার ব্যস্ততা এবং পর্যটকবাহী ট্রলারের আনাগোনা।
পাস পারমিট দেওয়ার ফলে, সুন্দরবনকেন্দ্রিক অর্থনীতির সঙ্গে জড়িত হাজারো মানুষের জীবিকায়ও ফিরবে নতুন গতি—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

তবে অনেক জেলে সুন্দরবনে না যাওয়ার মনোভাব প্রকাশ করেছেন। কেন সুন্দরবনে যাবেন না জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে বলেন, সুন্দরবনে ঢাকার দল অনেক বেড়ে গেছে। সে কারণে আমরা সুন্দরবনে ভিতরে মাছ ধরতে যাব না। সুন্দরবনের ঢুকলেই গুনতে হবে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। কোথায় পাব এত টাকা। এজন্য সুন্দরবনে মাছ, কাঁকড়া আহরণ করতে যাব না।

Ads small one

ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে প্রণোদনা পাবেন বাড়িওয়ালা, প্রজ্ঞাপন জারি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে প্রণোদনা পাবেন বাড়িওয়ালা, প্রজ্ঞাপন জারি

টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বর্তমান বাজারদর এবং বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক প্রাপ্ত বিভিন্ন দরপত্রের মূল্য বিবেচনায় ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় প্রতি ইউনিট সর্বোচ্চ ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ প্রণোদনার অংশ হিসেবে এই উৎপাদন ব্যয়ের ওপর ২০ শতাংশ মুনাফা ও ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ প্রিমিয়াম যুক্ত করে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কোনও গ্রাহক নির্ধারিত ব্যয়ের চেয়ে কম খরচে এ ধরনের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে সক্ষম হলে সাশ্রয়কৃত অর্থ তার লভ্যাংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।

নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫ অনুযায়ী, যেসব গ্রাহক ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ তারিখের মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করে নিজস্ব ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবেন, তারা পরবর্তী তিন বছর অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০৩০ পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে মূল্য পাবেন।

বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো গ্রাহকদের তথ্য সংরক্ষণ, জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুতের পরিমাণ নিরূপণ এবং প্রণোদনাসহ বিদ্যুতের মূল্য সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করবে। প্রণোদনার অর্থ গ্রাহকদের ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে পাঠানো হবে। কোনও অবস্থাতেই তা নগদে দেওয়া যাবে না।

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এর পর স্থাপিত সিস্টেমের ক্ষেত্রে এই প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না।

সৌরভিত্তিক সিস্টেম স্থাপনে ব্যবহৃত সোলার প্যানেল, ব্যাটারি, ইনভার্টার, মিটারসহ সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এবং টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এসআরইডিএ) নির্ধারিত কারিগরি মানদণ্ড অনুযায়ী হতে হবে।

বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক ইতিমধ্যে স্থাপিত ওয়ান-স্টপ সার্ভিস সেন্টার থেকে এ সংক্রান্ত নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলোর আওতাধীন সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কার্যালয় থেকেও এ সহায়তা পাওয়া যাবে।

তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপপ্রধান তথ্য অফিসার) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক জানান, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে এই প্রজ্ঞাপন কার্যকর হবে।

সুন্দরবনের দুয়ার খুলতেই পর্যটক-জেলেদের ব্যস্ততা, প্রথম দিনেই গেল দুই ট্রলার ২৬ পর্যটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনের দুয়ার খুলতেই পর্যটক-জেলেদের ব্যস্ততা, প্রথম দিনেই গেল দুই ট্রলার ২৬ পর্যটক

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): দীর্ঘ তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে খুলে দেওয়া হয়েছে সুন্দরবনের দুয়ার। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে সুন্দরবনে পর্যটক ও জেলে-বাওয়ালিদের প্রবেশের সুযোগ মিলেছে। সুন্দরবন খোলার প্রথম দিনেই পর্যটক ও জেলেদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকা।

বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন থেকে প্রথম দিনেই দুইটি পর্যটকবাহী ট্রলার ২৬ জন পর্যটক নিয়ে সুন্দরবনের কলাগাছিয়া ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে। একই দিনে সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া আহরণের জন্য ১০টি পাস নিয়েছেন জেলেরা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা এরফান উদ্দিন বলেন, “সুন্দরবনের দুয়ার খোলার প্রথম দিন দুইটি পর্যটকবাহী ট্রলার ২৬ জন পর্যটক নিয়ে কলাগাছিয়া ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রে গেছে। এছাড়া মাছ ও কাঁকড়া আহরণের জন্য জেলেরা ১০টি পাস নিয়েছেন। নিয়ম মেনে জেলেরা সুন্দরবনে প্রবেশ করছেন।”

দীর্ঘদিন পর সুন্দরবনে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত জেলেরা। বুড়িগোয়ালিনী এলাকার জেলে জেহের আলী বলেন, “তিন মাস সুন্দরবন বন্ধ থাকায় আমরা খুব কষ্টে সংসার চালিয়েছি। সুন্দরবন বন্ধ থাকায় নৌকা-জাল প্রস্তুত করে রেখেছিলাম। এখন পাস নিয়ে আবার সুন্দরবনে যেতে পারছি, এতে আমরা খুশি। সুন্দরবনই আমাদের জীবিকার প্রধান ভরসা।”

আরেক জেলে বক্স সরদার বলেন, “সুন্দরবন বন্ধ থাকার সময় অনেক কষ্ট হয়েছে। আজ প্রথম দিন পাস নিয়ে বনে যাচ্ছি। আশা করছি, এবার বনে ভালো মাছ ও কাঁকড়া পাওয়া যাবে। পরিবারের খরচ চালাতে পারব।”

জেলেরা জানান, সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ তাদের দীর্ঘদিনের পেশা। বছরের একটি বড় সময় তারা সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল। নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রথম দিন পাস নিয়ে বনে যেতে পেরে তাদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

অন্যদিকে, পর্যটকদের আগমনে সুন্দরবনসংলগ্ন পর্যটনকেন্দ্রগুলোতেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরতে শুরু করেছে। বন বিভাগের অনুমতি ও নির্ধারিত নিয়ম মেনে পর্যটক ও জেলেরা সুন্দরবনে প্রবেশ করছেন।

 

 

সাতক্ষীরায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী সফটস্কিলস প্রশিক্ষণের সমাপনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী সফটস্কিলস প্রশিক্ষণের সমাপনী

বাংলাদেশের প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন (২য় ফেইজ) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী পেশাভিত্তিক সফটস্কিলস প্রশিক্ষণের ২য় ব্যাচের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ডিজিটাল কর্ণারে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র ও এককালীন আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৩০ জন প্রান্তিক পেশাজীবী এ ১০ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশ নেন।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক এসএম রফিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. শরীফুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রশিক্ষণে ট্রেইনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিএইচটি সেন্টার, খুলনার সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রান্তিক পেশাজীবীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও জীবনমানের ইতিবাচক পরিবর্তনে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাবেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি