বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরায় “হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬” এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার।

জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, জেলা জামায়াতের আমীর শহিদুল ইসলাম মুকুল, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত, জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডাঃ রাশেদ উদ্দিন মৃধা, শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম আবুল কালাম আজাদসহ আরো অনেকে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ ক্যাম্পেইনের আওতায় সাতক্ষীরা জেলায় মোট ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৫ জন শিশুকে টিকা প্রদান করা হবে। নির্ধারিত এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জেলাজুড়ে মোট ২ হাজার ৪১৭টি টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

বক্তারা বলেন, হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদানের কোনো বিকল্প নেই। শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে নির্ধারিত বয়সের সকল শিশুকে এ টিকার আওতায় আনার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

Ads small one

বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ প্রযুক্তিতে অনাবাদী জমি এখন তরমুজের ক্ষেত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ প্রযুক্তিতে অনাবাদী জমি এখন তরমুজের ক্ষেত

নাজমুল শাহাদাৎ (জাকির): সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততার কারণে এক সময় আমন পরবর্তী সময়ে শতশত হেক্টর জমি অনাবাদী পড়ে থাকত। কিন্তু সেই চিত্র এখন বদলে দিয়েছে পাঁচ শতকের ‘মিনি পুকুর’ প্রযুক্তি। বর্ষার বৃষ্টির পানি ধরে রেখে শুষ্ক মৌসুমে তরমুজ খেতে সেচ দেওয়ার এই কৌশলটিই এখন আশাশুনি ও শ্যামনগরের প্রান্তিক চাষিদের ভাগ্য বদলের প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে তরুণ উদ্যোক্তারা এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে লোনা জমিতে তরমুজ চাষে সফল হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে, চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে সাতক্ষীরা জেলায় ৪৭১ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলায়। লোনা পানির প্রতিকূলতা সত্ত্বেও ‘ক্লাইমেট স্মার্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন’ প্রকল্পের আওতায় খনন করা মিনি পুকুরগুলোই এখন এসব উপজেলায় সেচের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করছে।

উপকূলের কৃষকদের কাছে এই মিনি পুকুর মূলত একটি ‘মিষ্টি পানির প্রাকৃতিক ব্যাংক’। এটি সাধারণত চাষযোগ্য জমির এক কোণে নিদিষ্ট একটি জায়গাজুড়ে খনন করা গভীর একটি বিশেষ জলাধার। বর্ষা মৌসুমে যখন উপকূলে বৃষ্টিপাত হয়, তখন সেই পানি প্রাকৃতিকভাবেই নিচু এই পুকুরগুলোতে গিয়ে জমা হয় এবং পুকুরগুলো মিষ্টি পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। পরে শুষ্ক মৌসুমে এই জমানো মিষ্টি পানিই হয়ে ওঠে চাষিদের একমাত্র সম্বল। কৃষকরা পুকুরের এক কোণে ছোট সোলার পাম্প অথবা ডিজেল চালিত পাম্প বসিয়ে ফিতা পাইপের মাধ্যমে পানি ক্ষেতে নিয়ে যান।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপকূলের লোনা জমিতে এখন সারি সারি তরমুজের খেত। অথচ স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, আগে এসব অঞ্চলের বিলগুলোতে আমন ধান কাটার পর বছরের লম্বা একটি সময় জমিগুলো পতিত পড়ে থাকত। মাটির ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততার কারণে যেখানে পানির সেচ সংকট বেশি সেখানকার চাষিরা এই সময়ে বোরো আবাদে সাহস পান না। মূলত বোরো ধানের জন্য যে বিপুল পরিমাণ মিষ্টি পানির প্রয়োজন হয়, শুষ্ক মৌসুমে তা পাওয়া দুষ্কর। অন্যদিকে, তরমুজ একটি লবণসহিষ্ণু ফসল এবং এতে বোরোর তুলনায় পানির প্রয়োজন অনেক কম। ফলে মিনি পুকুরে জমানো সামান্য বৃষ্টির পানি ব্যবহার করে বোরোর ঝুঁকি না নিয়ে চাষিরা এখন তরমুজকেই লাভজনক বিকল্প হিসেবে বেছে নিচ্ছেন।

সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, তরমুজ স্বল্পমেয়াদী ফসল হওয়ায় এটি তোলার পর জমি ফেলে না রেখে আরও একটি ফসল ফলানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে। চৈত্র বা বৈশাখের শুরুতে তরমুজ বাজারজাত করার পর চাষিরা সেই জমিতে আউশ ধান, পাট বা গ্রীষ্মকালীন সবজি আবাদের প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন। এতে করে উপকূলের এক ফসলি জমিগুলো এখন নিবিড় চাষাবাদের আওতায় আসছে।

বড়দল ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সত্যরঞ্জন বৈরাগী জানান, গত বছর তরমুজে কৃষকদের ব্যাপক লাভ হতে দেখে এবার তিনি নিজেও ১০ বিঘা জমিতে আবাদ করেছেন। তিনি বলেন, গত বছর আমাদের এলাকার অনেক কৃষক বিঘা প্রতি ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ করেছিলেন। সেই আগ্রহ থেকেই এবার বড়দলের বিলগুলোতে তরমুজের চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও এবার মজুরি, সার ও বীজের দাম কিছুটা বেশি, তবুও ফলন ভালো হওয়াতে আমরা সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারব।

আর্থিক লাভের ক্ষেত্রে জামালনগর গ্রামের আফছার গাজীর গল্পটি এখন এলাকার কৃষকদের মুখে মুখে। গত মৌসুমে তিনি ১৬ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছিলেন। তার মোট খরচ হয়েছিল ৩ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা এবং তিনি প্রায় ১২ লক্ষ টাকার বেশি তরমুজ বিক্রি করেন। এক মৌসুমে ৮ লক্ষাধিক টাকা মুনাফা করায় তাকে দেখে এলাকার অনেক চাষি এখন নিজ উদ্যোগে মিনি পুকুর খনন করছেন।

আফছার গাজী বলেন, লবণাক্ততার কারণে আগে এসব জমিতে কিছুই হতো না। কিন্তু মিষ্টি পানির ব্যবস্থা হওয়ায় এখন লোনা মাটিতেও সোনা ফলছে।

বড়দল ইউনিয়নের আরেক বড় চাষি মাসুম সরদার এবার ৭০ বিঘা জমিতে আবাদ করেছেন। তিনি জানান, বিঘা প্রতি তরমুজের গড় উৎপাদন ৭০০ থেকে ৮০০টি। বর্তমানে প্রতি বিঘা জমিতে উৎপাদন খরচ হচ্ছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। ফলন ও বাজার দর ভালো থাকলে প্রতি বিঘা তরমুজ ৭০ হাজার টাকার বেশি বিক্রি হয়। এ থেকে একজন কৃষক বিঘা প্রতি প্রায় ৪০ হাজার টাকা লাভ করতে পারেন।

তরমুজ চাষের এই কর্মযজ্ঞ উপকূলীয় গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারী শ্রমিকের কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি করেছে। প্রতিদিন কয়েকশ নারী ৪০০ টাকা মজুরিতে চারা পরিচর্যার কাজ করছেন।

ঝর্ণা রানী নামের এক নারী শ্রমিক জানান, তরমুজ চাষ শুরু হলে এলাকার ৩ থেকে ৪ শত নারী প্রায় দুই মাস কাজের সুযোগ পান। তিনি বলেন, আগে এই সময়ে আমাদের কোনো কাজ থাকত না সে অর্থে। এখন তরমুজের খেতে কাজ করে আমরা সংসারে বাড়তি টাকা দিতে পারছি।

শ্যামনগর উপজেলার চিত্রও একই রকম। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে শ্যামনগরে ১৫২ হেক্টর জমি তরমুজ চাষের আওতায় এসেছে। এর মধ্যে কৈখালী ইউনিয়নে ১০৫ হেক্টর, কাশিমাড়ীতে ২০ হেক্টর এবং ঈশ্বরীপুরে ২১ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। গত মৌসুমে শ্যামনগরে চাষ হয়েছিল ১০০ হেক্টর জমিতে। জাম্বু গ্লোরি, ড্রাগন, পাকিজা ও ওয়ার্ল্ড কুইনের মতো উচ্চফলনশীল জাতের তরমুজ এখন উপকূলের মাঠে দেখা যাচ্ছে।

শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নের চাষি আব্দুল মজিদ জানান, লোনা পানির কারণে এই সময়ে আগে তাদের হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকতে হতো। তিনি বলেন, আগে আমন কাটার পর আমরা বোরো আবাদ করতে পারতাম না, কারণ নদী-খালের পানি তখন বিষের মতো লোনা হয়ে যায়। এখন ছোট পুকুরগুলোতে বৃষ্টির পানি জমিয়ে রেখে আমরা তরমুজ চাষ করছি। এই ফসলটি লোনা মাটি সহ্য করতে পারে এবং ধানের চেয়ে তিনগুণ বেশি লাভ দেয়। তরমুজ তোলার পর আমরা আবার সেই জমিতে আউশ বা সবজি লাগানোর সুযোগ পাচ্ছি।

কাশিমাড়ী এলাকার কৃষক লুৎফর রহমান বলেন, বোরো ধানে যে পরিমাণ সেচ আর সময় লাগে, তাতে আমাদের উপকূলে লাভ করা খুব কঠিন। কিন্তু তরমুজ লবণসহিষ্ণু হওয়ায় এবার ১৫ বিঘা জমিতে আবাদ করেছি। বাজার ভালো থাকলে বোরোর চেয়ে অনেক বেশি টাকা ঘরে আসবে।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, সাতক্ষীরার লোনা মাটি তরমুজের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনা তৈরি করেছে। মাটির লবণাক্ততা সত্ত্বেও ‘ক্লাইমেট স্মার্ট’ প্রযুক্তির মাধ্যমে মিষ্টি পানির সঠিক ব্যবস্থাপনা লোনা মাটিকেও চাষোপযোগী করে তুলেছে। বিশেষ করে রবি মৌসুমে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের লক্ষ্যে খনন করা মিনি পুকুরগুলোই এই সাফল্যের মূল ভিত্তি।

তিনি আরও জানান,বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলায় আবাদের পরিমাণ গত বছরের তুলনায় অনেকাংশে বেড়েছে। প্রকল্পের আওতায় আমরা চাষিদের প্রশিক্ষণ, সোলার পাম্প ও সেচ সরঞ্জাম সরবরাহ করছি। সরকারি পর্যায়ে সহজ শর্তে কৃষি ঋণ এবং পচনশীল ফসল সংরক্ষণের জন্য হিমাগার স্থাপন করা গেলে তরমুজ চাষ এই অঞ্চলের স্থায়ী অর্থনৈতিক ভিত্তি হতে পারে।

পাইকগাছায় কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির নির্বাচনে প্রাণকৃষ্ণ দাশ সভাপতি নির্বাচিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির নির্বাচনে প্রাণকৃষ্ণ দাশ সভাপতি নির্বাচিত

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছায় কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিঃ (ইউআরসিসি) এর নির্বাচনে প্রাণকৃষ্ণ দাশ আবারোও সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচনে প্রাণকৃষ্ণ দাশ ছাতা প্রতিকে-৪৯ ভোট পেয়ে পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোঃ আব্দুল খালেক চেয়ার প্রতীকে-৩২ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। উপজেলার ৮৩ টি সমবায় সমিতির মধ্যে ৮১টি সমিতির প্রতিনিধিরা ভোট প্রদান করেন।

নির্বাচনে ৩ নম্বর ব্লকে এক জন সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর মধ্যে মোঃ রেজাউল করিম- ৯ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। অপরপ্রার্থী ইকবাল হোসেন ৫ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় সহ-সভাপতি পদে আবু সালেহ মোঃ ইকবাল ও বিভিন্ন ব্লকের সদস্য পদে সুধীর চন্দ্র দাশ, এসএম লুৎফর রহমান, দীপক চন্দ্র সরকার, দিপংকর সানা ও প্রকাশ চন্দ্র মন্ডল পুনঃ নির্বচিত হয়েছেন।

২২ এপ্রিল বুধবার সকাল ১০ টা হতে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ চলে। ভোট গণনাকালে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ হুমায়ূন কবির, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ওয়াহিদ মুরাদ, সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান ও সমবায় দপ্তরের পরিদর্শক মোঃ আমির হোসেন।

এদিকে প্রাণকৃষ্ণ দাশ পুনরায় সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার তিনি সকল সমিতির সভাপতি-সম্পাদক, প্রতিনিধি ভোটার, নির্বাচন পরিচালনা কমিটি, গণমাধ্যম কর্মিসহ বিভন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

 

পাইকগাছায় বিশ্ব ধরিত্রী দিবস পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় বিশ্ব ধরিত্রী দিবস পালিত

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: বিশ্ব ধরিত্রী দিবস উপলক্ষে পাইকগাছায় বনবিবির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২ এপ্রিল বুধবার বেলা ১১টায় পাইকগাছার নতুন বাজারস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, নতুন বাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ এর সভাপতি অশোক কুমার ঘোষ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি মাধুরী রানী সাধু, সাংবাদিক আহম্মদ আলী বাঁচা। বক্তব্য রাখেন, লিনজা আক্তার মিথিলা, মরিয়াম, মিতু সেন, মরিয়াম সুলতানা, জান্নাতুল, জয়নাব, গনেশ দাস, কার্তিক বাছাড় প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তরা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পৃথিবী অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে, পৃথিবী না থাকলে মানুষের জীবন অস্তিত্বহীন। পৃথিবীকে তার স্বাভাবিক গতিতে চলতে দিতে হবে। অতিলোভী মানুষ প্রকৃতির সম্পদের অপব্যবহার করেছে। তাতে জনজীবন দুর্বিষহ অবস্থায় পড়েছে। ধরিত্রী আমাদের মায়ের মতন আগলে রেখেছে। তাই পৃথিবী রক্ষার দায়িত্ব আমাদের নিতে হবে।