শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্ব কার্ড তৈরি দিবস: কাগজে লেখা অনুভূতির অমলিন গল্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
বিশ্ব কার্ড তৈরি দিবস: কাগজে লেখা অনুভূতির অমলিন গল্প

সাকিবুর রহমান বাবলা

প্রতি বছর অক্টোবরের প্রথম শনিবার বিশ্ব কার্ড তৈরি দিবস পালিত হয়। ২০২৬ সালে দিবসটি পড়েছে ৩ অক্টোবর, শনিবার। ২০০৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পেপার ক্র্যাফটস’ ম্যাগাজিনের উদ্যোগে দিবসটির সূচনা। শুরুতে ম্যাগাজিনের পাঠকদের কার্ড তৈরিতে উৎসাহিত করার আয়োজন হলেও পরে তা দেশ-সীমানা পেরিয়ে কার্ডপ্রেমী ও পেপার-ক্রাফট অনুরাগীদের একটি বৈশ্বিক আয়োজনে পরিণত হয়। অক্টোবরের শুরুতে দিনটি রাখার উদ্দেশ্যও ছিল তাৎপর্যপূর্ণ-বড়দিনসহ বছরের শেষভাগের উৎসবগুলোর জন্য আগেভাগে হাতে তৈরি কার্ড প্রস্তুত করার সুযোগ ও উৎসাহ সৃষ্টি করা।

কার্ড শুধু একটি কাগজের টুকরো নয়; এটি মানুষের অনুভূতিকে দৃশ্যমান করার একটি মাধ্যম। জন্মদিন, বিবাহ, নববর্ষ, উৎসব, অভিনন্দন, কৃতজ্ঞতা কিংবা সহমর্মিতার বার্তা-সবকিছুকে একটি ছোট কার্ডে ধারণ করা যায়। ডিজিটাল বার্তার যুগে যেখানে কয়েক সেকেন্ডে একটি শুভেচ্ছা পাঠানো সম্ভব, সেখানে নিজের হাতে কাগজ নির্বাচন, নকশা আঁকা, রং করা, কেটে-ছেঁটে সাজানো এবং শেষে নিজের হাতের লেখা যোগ করার মধ্যে আলাদা এক মানবিকতা রয়েছে।

 

একটি হাতে তৈরি কার্ড তাই বার্তার পাশাপাশি সময়, মনোযোগ ও যতেœরও স্মারক হয়ে ওঠে।
কার্ড তৈরির ইতিহাসও দীর্ঘ। আধুনিক গ্রিটিং কার্ডের আগে বিভিন্ন সমাজে শুভেচ্ছা ও বার্তা বিনিময়ের নানা রীতি ছিল। চীনে নববর্ষ উপলক্ষে লিখিত শুভেচ্ছা বিনিময়ের ঐতিহ্য বহু পুরোনো। ইউরোপে মধ্যযুগের শেষভাগ ও পরবর্তী সময়ে হাতে লেখা ভ্যালেন্টাইন বার্তার প্রচলন দেখা যায়। ১৪১৫ সালে ইংল্যান্ডের টাওয়ারে বন্দি ফ্রান্সের ডিউক অব অরলিয়ঁর চার্লস তাঁর স্ত্রীকে যে ভালোবাসার বার্তা পাঠিয়েছিলেন, সেটিকে প্রাচীনতম টিকে থাকা ভ্যালেন্টাইন হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

আধুনিক বাণিজ্যিক গ্রিটিং কার্ডের ইতিহাসে ১৮৪৩ সাল একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ব্রিটিশ নাগরিক ও ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড অ্যালবার্ট মিউজিয়ামের প্রথম পরিচালক স্যার হেনরি কোল শিল্পী জন ক্যালকট হর্সলির নকশায় একটি বড়দিনের কার্ড ছাপান। প্রায় এক হাজার কপি তৈরি করা হয়েছিল; নিজের প্রয়োজনের অতিরিক্ত কার্ড বিক্রিও করা হয়। পরবর্তী সময়ে মুদ্রণপ্রযুক্তির উন্নতি, রঙিন ছাপা এবং ডাকব্যবস্থার প্রসারের ফলে কার্ড সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আসে। ১৯১০ সালে জে.সি. হলের পোস্টকার্ড ব্যবসার সূচনা এবং পরে হলমার্কের নিজস্ব গ্রিটিং কার্ড মুদ্রণ এই শিল্পের বাণিজ্যিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কার্ডের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা হলো আমন্ত্রণপত্র। বিয়ে, জন্মদিন, ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন-প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমন্ত্রণপত্র শুধু সময় ও স্থান জানায় না; আয়োজকের রুচি, ঐতিহ্য ও অনুষ্ঠানের চরিত্রও প্রকাশ করে। আধুনিক আমন্ত্রণপত্রে কাগজের পাশাপাশি ডিজিটাল নকশা, কিউআর কোড, অ্যানিমেশন ও অনলাইন আরএসভিপি যুক্ত হয়েছে। ফলে কার্ডের মৌলিক উদ্দেশ্য-মানুষকে একটি সম্পর্ক বা অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করা-অটুট রেখেই তার মাধ্যম বদলে গেছে।

কার্ডের জগৎ একই সঙ্গে ইতিহাস, সংস্কৃতি ও শিল্পকলার মিলনস্থল। ক্যালিগ্রাফি, টাইপোগ্রাফি, জলরং, ইলাস্ট্রেশন, কাগজ কাটা, কুইলিং, এমবসিং, স্ট্যাম্পিং, ফয়েলিং ও পপ-আপ নকশা-বিভিন্ন কৌশলে একটি সাধারণ কাগজকে শিল্পকর্মে পরিণত করা যায়। বিয়ের আমন্ত্রণপত্রে ক্যালিগ্রাফি, উৎসবের কার্ডে অলংকরণ, শিশুর জন্মদিনের কার্ডে রঙিন ইলাস্ট্রেশন কিংবা আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে মার্জিত টাইপোগ্রাফি-প্রতিটি নকশাই তার নিজস্ব সংস্কৃতি ও উপলক্ষের ভাষা বহন করে।

কার্ড তৈরি মানুষের সৃজনশীলতা চর্চারও একটি সহজ পথ। কাগজ, কার্ডস্টক, রং, পেন্সিল, কলম, কাঁচি, আঠা, ফিতা, স্টিকার বা পুনর্ব্যবহৃত কাগজ দিয়েই শুরু করা যায়। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি রং, আকার, লেখা ও হাতের কাজের সঙ্গে পরিচিত হতে সাহায্য করতে পারে; বড়দের জন্য এটি অবসর বিনোদন ও সৃজনশীল প্রকাশের একটি মাধ্যম। দলবদ্ধভাবে কার্ড তৈরি করলে পরিবার, বন্ধু বা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহযোগিতা ও ভাবনা বিনিময়ের সুযোগও তৈরি হয়।

স্মৃতির দিক থেকেও কার্ডের গুরুত্ব আলাদা। একটি পুরোনো কার্ডের কাগজ, হাতের লেখা, তারিখ বা নকশা বহু বছর পর কোনো ঘটনা, মানুষ কিংবা সম্পর্কের কথা মনে করিয়ে দিতে পারে। এ অর্থে কার্ড ব্যক্তিগত জীবনের ছোট ছোট স্মৃতিকে ধরে রাখার এক ধরনের বস্তুগত দলিল। অনেক সময় একটি পুরোনো কার্ডের কয়েকটি শব্দই হারিয়ে যাওয়া সময়ের দরজা খুলে দিতে পারে।

ডিজিটাল যুগ কার্ডের অস্তিত্ব মুছে দেয়নি; বরং এর রূপকে আরও বিস্তৃত করেছে। ই-কার্ড, ডিজিটাল ইলাস্ট্রেশন, অ্যানিমেটেড শুভেচ্ছা ও অনলাইন আমন্ত্রণের পাশাপাশি হাতে তৈরি কাগজের কার্ড এখনও ব্যক্তিগত স্পর্শের প্রতীক। একই সঙ্গে ডিজিটাল প্রযুক্তি নতুন প্রজন্মকে নকশা, টাইপোগ্রাফি ও চিত্রকলার নতুন সম্ভাবনার সঙ্গে যুক্ত করেছে।

বিশ্ব কার্ড তৈরি দিবসের আসল সৌন্দর্য তাই শুধু একটি কার্ড বানানোতে নয়, বরং ‘সময় দেওয়ার’ সংস্কৃতিকে ফিরিয়ে আনা। একটি হাতে লেখা বাক্য, একটি আঁকা ফুল, একটি ছোট্ট শুভেচ্ছা কিংবা নিজের হাতে তৈরি নকশা ভবিষ্যতে একটি স্মৃতিচিহ্ন হয়ে থাকতে পারে। ডিজিটাল বার্তা মুহূর্তের যোগাযোগ তৈরি করে; হাতে তৈরি কার্ড তৈরি করতে হয় ধৈর্য নিয়ে, আর সেই শ্রমই তার আবেগকে গভীর করে।

৩ অক্টোবরের এই দিনটি তাই কাগজ, রং ও কারুশিল্পের উৎসবের পাশাপাশি মানবিক সম্পর্ক, সৃজনশীলতা, স্মৃতি ও আন্তরিকতারও উদযাপন। ব্যস্ত ও দ্রুতগতির পৃথিবীতে একটু থেমে নিজের হাতে কারও জন্য একটি কার্ড তৈরি করা-হয়তো সেটিই এই দিবসের সবচেয়ে সুন্দর বার্তা। আর অন্ততঃ একজন প্রিয় মানুষের জন্য হাতে তৈরি একটি কার্ড বানিয়ে ফেলি।

Ads small one

বেনাপোল সীমান্তে ৭ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
বেনাপোল সীমান্তে ৭ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ

Oplus_131072

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোল সীমান্তে অভিযান চালিয়ে আনুমানিক পৌনে সাত লাখ টাকার চোরাচালানি মালামাল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান জানান, বেনাপোল আইসিপি ও আমড়াখালী চেকপোস্টে বিজিবির টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ৩৩টি শাড়ি, ১৮টি থ্রি-পিস, ৫টি বালিশের কভার, ৫টি বিছানার চাদর, ৬৮৬টি কসমেটিকস সামগ্রী এবং জিরার মতো কিছু খাদ্যসামগ্রী উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ লাখ ৬৯ হাজার ৭২৫ টাকা।

অধিনায়ক আরও জানান, মাদকদ্রব্য ও সীমান্ত চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি এবং আভিযানিক কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী এ ধরনের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

জ্ঞানচর্চার বিকল্প নেই: পাঠক সমাবেশে ইজ্জত উল্লাহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
জ্ঞানচর্চার বিকল্প নেই: পাঠক সমাবেশে ইজ্জত উল্লাহ

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ইসলামকাটী খান নাজমুল পাবলিক লাইব্রেরির পাঠক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। লাইব্রেরি কার্যালয়ে আয়োজিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ।

লাইব্রেরির সভাপতি মাস্টার আবদুল মান্নান ফকিরের সভাপতিত্বে এবং সুপার মাওলানা আইয়ুব আলী মোড়লের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, পাটকেলঘাটা প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক সাংবাদিক নাজমুল হক খান, অধ্যাপক ইয়াসিন আলী সরদার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আইয়ুব আলী মোড়ল, মাওলানা রেজাউল করিম, চিকিৎসক রুহুল আমিন, চিকিৎসক শরফুদ্দিন শেখ, শিক্ষক হাবিবুল্লাহ শাহীন ও শিক্ষক সাইফুল ইসলাম মোড়ল। এ ছাড়া স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, লাইব্রেরির কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সামাজিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি পাঠকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “একটি সমৃদ্ধ জাতি গঠনে জ্ঞানচর্চার কোনো বিকল্প নেই। পাঠাভ্যাস মানুষের চিন্তা, মনন ও বিবেককে সমৃদ্ধ করে। তরুণ প্রজন্মকে বই পড়ায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি লাইব্রেরিগুলোকে আরও সমৃদ্ধ ও পাঠকবান্ধব করে তুলতে হবে।” অনুষ্ঠানে লাইব্রেরির উন্নয়ন, সেবা বৃদ্ধি এবং নতুন প্রজন্মের বই পড়ার আগ্রহ তৈরির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

নগরঘাটায় ফুটবল টুর্নামেন্টের বিজয়ী দলের পুরস্কারের গরু-ছাগলের মাংসে গণভোজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
নগরঘাটায় ফুটবল টুর্নামেন্টের বিজয়ী দলের পুরস্কারের গরু-ছাগলের মাংসে গণভোজ

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার নগরঘাটায় ওয়ার্ডভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্টের বিজয়ী দলের পুরস্কার হিসেবে দেওয়া গরু ও ছাগলের মাংস দিয়ে প্রায় দুই হাজার গ্রামবাসীর জন্য ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর মিঠাবাড়ি ঈদগাহ ময়দানে এ ভোজের আয়োজন করা হয়। এতে একটি গরু ও একটি ছাগলের মাংস দিয়ে মোট ২৪ ডেগ খিচুড়ি রান্না করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব ইবাদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মনিরুল ইসলাম মনি, ধারাভাষ্যকার অলিউল ইসলাম ওলি, জাকির হোসেন, আলমগীর হোসেন, টুর্নামেন্টের রেফারিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

মিঠাবাড়ি বহুমুখী সংঘের সভাপতি স. ম. লিয়াকত আলীর উপস্থিতিতে ভোজের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সংঘের সহ-সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আতাউর রহমান আতা ও মোশাররফ হোসেন।

আয়োজকরা জানান, সম্প্রতি মিঠাবাড়ি বহুমুখী সংঘের উদ্যোগে নগরঘাটায় ওয়ার্ডভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। টুর্নামেন্টের বিজয়ী দলকে পুরস্কার হিসেবে একটি গরু দেওয়া হয়। সেই গরু ও একটি ছাগলের মাংস দিয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীর জন্য এই ভোজের আয়োজন করা হয়।
ভোজে বিপুলসংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা অংশ নেন। আয়োজকদের এমন উদ্যোগে গ্রামবাসীর মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।