শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

পাইকগাছায় নেশার টাকা না পেয়ে ইটের আঘাতে পিতার মাথা ফাঁটালো ছেলে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় নেশার টাকা না পেয়ে ইটের আঘাতে পিতার মাথা ফাঁটালো ছেলে

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছায় নেশার টাকা না পেয়ে ইটের আঘাতে পিতার মাথা ফাঁটিয়ে হাসপাতালে পাঠালেন নেশাগ্রস্থ এক ছেলে। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের সাহাপাড়া গ্রামে। খবর পেয়ে স্থানীয়রা রক্তাক্ত পিতা শহীদ গাইন (৫৫) কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

 

এ ঘটনায় আহত পিতা থানায় অভিযোগ করলে দুপুরে এসআই পিংকু ও একরামুল হক অভিযান চালিয়ে মাদকাসক্ত পুত্র আমিন গাইন (২৩) আটক করে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছেন। ভুক্তভোগী দম্পতির আক্ষেপ নেশার টাকা না দিলে অত্যাচার করে এমনকি গলায় রঁঁশি দিয়ে নেশাগ্রস্থ ছেলে আত্মহত্যার হুমকি দেয়।

এ বিষয়ে ইন্সপেক্টর (তদন্ত) এসএম মিজানুর রহমান বলেন, মা-বাবার অভিযোগ প্রেক্ষিত বাড়িতে মাদকসহ নেশাগ্রস্থ ছেলেক আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

Ads small one

লবণাক্ত পানিতে সাতক্ষীরার উপকূল: জরায়ুর টিউমারসহ ও নারীদের নীরব স্বাস্থ্যঝুঁকি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
লবণাক্ত পানিতে সাতক্ষীরার উপকূল: জরায়ুর টিউমারসহ ও নারীদের নীরব স্বাস্থ্যঝুঁকি

গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

‎সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চলের তীব্র লবণাক্তত পানির প্রভাবে হাজার হাজার মানুষ এক নীরব স্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছে। বিশেষ করে মানুষের শরীরের অত্যন্ত সংবেদনশীল অঙ্গ ‘সুরুল’ বা কুঁচকি অঞ্চল এবং নারীদের জরায়ুতে মারাত্মক সংক্রমণ ও চর্মরোগের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। গ্রামীণ মানুষের চিরন্তন লজ্জা ও সামাজিক ট্যাবুকে পুঁজি করে এই নীরব ব্যাধি প্রকট আকার ধারণ করলেও, লোকচক্ষুর আড়ালে থাকায় এতদিন সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টির বাইরেই থেকে গেছে এই তীব্র সংকট।

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগর, আশাশুনি উপকূলীয় এলাকায় অনুসন্ধানে জানা গেছে, ওই অঞ্চলের নারীদের একটা বড় অংশ দীর্ঘক্ষণ চিংড়ি ঘের কিংবা নদীর অতিরিক্ত লবণাক্ত পানিতে দাঁড়িয়ে কাজ করেন। দীর্ঘ সময় ধরে এই লবণাক্ত পানি সংবেদনশীল অঙ্গে লেগে থাকার কারণে সেখানে মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস বাসা বাঁধছে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘পেলভিক ইনফ্লামেটরি ডিজিজ’ এবং তীব্র চর্মরোগ ‘টিনিয়া ক্রুরিস’ বলা হলেও স্থানীয় চিকিৎসকেরা গ্রামীণ মানুষের মুখের ভাষায় একে চিহ্নিত করছেন “সুরুল লাগা”, “সুরুল ফোলা” কিংবা “কুঁচকি নামা” হিসেবে। স্থানীয় নারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কুঁচকি বা তলপেটের দুই পাশের সংযোগস্থলে প্রচ- চুলকানি, ক্ষত এবং লিম্ফ নোড বা গ্রন্থি ফুলে ওঠার মতো তীব্র যন্ত্রণায় তারা দীর্ঘদিন ভুগছেন।

 

পুরুষদের ক্ষেত্রেও কুঁচকি অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ ও টিউমার সদৃশ ফোলা ভাব দেখা দিচ্ছে। কিন্তু রোগটি শরীরের অত্যন্ত গোপন ও সংবেদনশীল অংশে হওয়ায় গ্রামীণ নারীরা লজ্জায় পরিবারের অন্য সদস্য বা পুরুষ চিকিৎসকদের কাছে মুখ খোলেন না। ফলে কোনো ধরনের সুচিকিৎসা না পেয়ে রোগটি ভেতরে ভেতরে আরও জঘন্য রূপ নিচ্ছে, যা অনেক ক্ষেত্রে জরায়ুর বড় ধরনের ক্ষতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকায় সুপেয় পানির সংকট এবং পানির অতিরিক্ত লবণাক্ততাই এই সংকটের মূল কারণ।

 

এই বিপর্যয় রোধে এখনই উপকূলীয় নারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, সুপেয় পানির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং বিশেষায়িত মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়া জরুরি। তা না হলে সুন্দরবন সংলগ্ন এই জনপদের নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এক চরম অন্ধকারের দিকে ধাবিত হবে। উপকূলীয় জনপদের বাস্তবতায় নারীদের একটি বড় অংশ সংসারের পাশাপাশি চিংড়ি ঘের, কৃষিকাজ, মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং নদী-খালের আশপাশের বিভিন্ন কাজে যুক্ত। এসব কাজে দীর্ঘ সময় পানি, কাদা, ভেজা কাপড় ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের সংস্পর্শে থাকতে হয়। বিশেষ করে পর্যাপ্ত নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট এবং গোসলের সুবিধা না থাকলে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

‎অনেক নারী জানান, দিনের পর দিন একই ধরনের অস্বস্তি, চুলকানি বা জ্বালাপোড়া থাকলেও তারা বিষয়টি কাউকে বলতে চান না। কেউ কেউ স্থানীয় ফার্মেসি থেকে নিজের মতো করে ওষুধ বা মলম ব্যবহার করেন। সাময়িকভাবে উপসর্গ কমে গেলেও সমস্যার প্রকৃত কারণ নির্ণয় হয় না ফলে আবার ফিরে আসে। এ কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ওষুধ ব্যবহার করে ও নতুন জটিলতা তৈরি হচ্ছে। উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ এখনো শরীরের গোপন অঙ্গ নিয়ে কথা বলাকে অনেক পরিবার অস্বস্তিকর মনে করে। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে এই সংকোচ আরও বেশি। ফলে অনেকেই ব্যথা, চুলকানি, অস্বাভাবিক গ্রাব, ফোলা, ক্ষত কিংবা প্রগ্রাবের সময় জ্বালাপোড়ার মতো উপসর্গ প্রকাশ করেন না। ‎

লেখক: সাবেক ছাত্রনেতা ও উদ্যোক্তা

সংবাদকর্মী থেকে গণমাধ্যম উদ্যোক্তা-সাংবাদিক শেখ আমিনুর হোসেনের কর্ম ও সমাজভাবনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪১ অপরাহ্ণ
সংবাদকর্মী থেকে গণমাধ্যম উদ্যোক্তা-সাংবাদিক শেখ আমিনুর হোসেনের কর্ম ও সমাজভাবনা

মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল

সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়, সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতারও এক অনন্য মাধ্যম। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, অনিয়ম-দুর্নীতি ও অসঙ্গতির চিত্র তুলে ধরা, নিপীড়িত মানুষের কথা বলা এবং জনস্বার্থের বিষয়গুলোকে সামনে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে একজন সাংবাদিক সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সেই দায়িত্ববোধ ও পেশাগত নিষ্ঠাকে ধারণ করে দীর্ঘ সময় ধরে সাংবাদিকতায় কাজ করে আসছেন সাতক্ষীরার সিনিয়র সাংবাদিক শেখ আমিনুর হোসেন।

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত থেকে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন গণমাধ্যমে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। মাঠপর্যায়ে সংবাদ সংগ্রহ থেকে শুরু করে রিপোর্টিং, সম্পাদনা, সাংগঠনিক কর্মকা- এবং গণমাধ্যম পরিচালনাÑসাংবাদিকতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে রয়েছে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। একই সঙ্গে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকা-েও তার সম্পৃক্ততা তাকে সাতক্ষীরার নাগরিক সমাজের একটি পরিচিত মুখে পরিণত করেছে।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকা-ে সম্পৃক্ত থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা তার কর্মজীবনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি স্থানীয় পর্যায়ে নানা ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মকা-ে অংশগ্রহণ করে আসছেন।

সাংবাদিকতায় পথচলার শুরু: শেখ আমিনুর হোসেনের সাংবাদিকতা জীবনের সূচনা ২০০০ সালে। খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক পাঠকের কাগজে সদর থানা প্রতিনিধি হিসেবে তিনি সাংবাদিকতায় আত্মপ্রকাশ করেন। সেই সময় সাতক্ষীরার স্থানীয় সংবাদ, জনজীবনের সমস্যা, প্রশাসনিক কর্মকা-, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সাধারণ মানুষের নানা প্রত্যাশার বিষয় সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে তার পেশাগত পথচলা শুরু হয়।

শুরু থেকেই সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতাকে গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। একজন সংবাদকর্মীর জন্য স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়া, তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার পেশাগত অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিকতায় তার দায়িত্ব ও পরিধিও বাড়তে থাকে। স্থানীয় পর্যায়ের প্রতিনিধি থেকে তিনি বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করার সুযোগ পান। একপর্যায়ে তিনি সাতক্ষীরার সংবাদপেশায় পরিচিত ও অভিজ্ঞ সাংবাদিক হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করেন।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে দায়িত্ব পালন: শেখ আমিনুর হোসেন বর্তমানে দৈনিক তৃতীয় মাত্রার সাতক্ষীরা ব্যুরো প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর পাশাপাশি তিনি সংবাদ দিগন্তের জেলা প্রতিনিধি, অনলাইন নিউজ পোর্টাল আওয়ার নিউজবিডি, আইনিউজবিডি, কাল মহাকাল, দিগন্তের কাগজে সিনিয়র প্রতিবেদক হিসেবেও কাজ করছেন। সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সাতক্ষীরার সকাল-এর চিফ রিপোর্টার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

একজন সাংবাদিকের পেশাগত দক্ষতার অন্যতম মাপকাঠি হলো বিভিন্ন ধরনের সংবাদ নিয়ে কাজ করার সক্ষমতা। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংবাদ থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন, জনদুর্ভোগ, সামাজিক সমস্যা, সংস্কৃতি ও মানবিক নানা বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

স্থানীয় সংবাদকে আঞ্চলিক ও জাতীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। সাতক্ষীরার বিভিন্ন ঘটনা, সমস্যা, সম্ভাবনা ও মানুষের প্রত্যাশা বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরার ক্ষেত্রে স্থানীয় সাংবাদিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এ দায়িত্ব পালনে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছেন।

এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ মেইল ২৪.নিউজ-এর সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয়, খুলনা ও যশোরের আঞ্চলিক এবং ঢাকার বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকেও তিনি বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিকতা করেছেন বলে জানা যায়।

গণমাধ্যম পরিচালনায় নতুন অভিজ্ঞতা: শুধু সংবাদ সংগ্রহ বা রিপোর্টিংয়ের মধ্যেই তার সাংবাদিকতা সীমাবদ্ধ থাকেনি। গণমাধ্যম পরিচালনার ক্ষেত্রেও তিনি নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছেন। তিনি জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দেশ টাইমস ২৪.নিউজ-এর সম্পাদক ও প্রকাশক।

বর্তমান সময়ে সংবাদপত্রের পাশাপাশি অনলাইন গণমাধ্যম মানুষের সংবাদ গ্রহণের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে। দ্রুত সংবাদ প্রকাশ, তাৎক্ষণিক আপডেট এবং পাঠকের কাছে সহজে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে অনলাইন সংবাদমাধ্যমের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। এই পরিবর্তিত গণমাধ্যম বাস্তবতায় নিজস্ব সংবাদমাধ্যম পরিচালনার মাধ্যমে সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতাকে নতুন পরিসরে কাজে লাগাচ্ছেন শেখ আমিনুর হোসেন।

সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে একটি সংবাদমাধ্যমের নীতি নির্ধারণ, সংবাদ নির্বাচন, রিপোর্টিং কাঠামো, সম্পাদনা এবং সামগ্রিক পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত থাকার সুযোগ তৈরি হয়েছে তার। ফলে মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকতার পাশাপাশি সংবাদ ব্যবস্থাপনারও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তিনি।

সাংবাদিক সংগঠনে নেতৃত্ব: পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি সাংবাদিকদের সাংগঠনিক কর্মকা-েও সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে শেখ আমিনুর হোসেনের। তিনি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য।
এছাড়া তিনি সাতক্ষীরা জেলা সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক। সংগঠনটির নিবন্ধন নম্বর ৫৮৩/০৪। সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার, পারস্পরিক সহযোগিতা, ঐক্য এবং গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সাংগঠনিক কর্মকা-ে সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।
সাংবাদিকদের সংগঠনগুলো সাধারণত পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক সহযোগিতা, সামাজিক দায়িত্ব পালন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করে থাকে। দীর্ঘ সময় ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি সংগঠনের দায়িত্ব পালন তার কর্মজীবনে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

সাংবাদিকতার বাইরে সমাজসেবার বিস্তৃত পরিসর: শেখ আমিনুর হোসেনের কর্মপরিধি শুধু সাংবাদিকতা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও মানবিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।

তিনি নলকুড়া দারুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি নলকুড়া কাসিমুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার সহ-সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত থাকা স্থানীয় পর্যায়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক দায়িত্ব। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও এতিম শিশুদের শিক্ষা, নৈতিক বিকাশ এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়, তার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ রয়েছে তার।

মানবিক কর্মকা-ের ক্ষেত্রেও রয়েছে তার সম্পৃক্ততা। তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, সাতক্ষীরা ইউনিটের আজীবন সদস্য। দুর্যোগ, মানবিক সংকট ও বিভিন্ন সামাজিক প্রয়োজনে রেড ক্রিসেন্টের কার্যক্রম দেশের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের একটি মানবিক সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পৃক্ততা তার সামাজিক কর্মকা-ের পরিধিকে আরও বিস্তৃত করেছে।

সংস্কৃতি ও সামাজিক কর্মকা-েও সক্রিয়: সাংবাদিকতার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকা-ের সঙ্গেও তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। তিনি সাতক্ষীরা জেলা সাংস্কৃতিক পরিষদের সদস্য এবং সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছেন।

সংস্কৃতি একটি সমাজের মূল্যবোধ, ঐতিহ্য ও ইতিহাসকে ধারণ করে। সাংবাদিকতার মাধ্যমে যেমন সমাজের বাস্তব চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরা হয়, তেমনি সাংস্কৃতিক কর্মকা- মানুষের সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে ভূমিকা রাখে। সাংবাদিকতা ও সংস্কৃতির এই দুই ক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততা তার কর্মজীবনকে বহুমাত্রিক করেছে।

তিনি সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সদস্য হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন। ব্যবসায়ী ও পেশাজীবী সমাজের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও উদ্যোক্তাদের কর্মকা- সম্পর্কেও কাজ করার সুযোগ রয়েছে তার।

তরুণদের সংগঠিত করতে উদ্যোগ: স্থানীয় তরুণদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকা-ে সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রেও তার উদ্যোগ রয়েছে। তিনি নলকুড়া তরুণ সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি।
একটি এলাকার তরুণদের সংগঠিত করে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকা-ে যুক্ত করার উদ্যোগ স্থানীয় সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তরুণদের মাদক, অপরাধ ও বিভিন্ন নেতিবাচক কর্মকা- থেকে দূরে রেখে শিক্ষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে স্থানীয় সংগঠনগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

নলকুড়া তরুণ সংঘের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততাও এ ধরনের সামাজিক কর্মকা-ের একটি অংশ। একই সঙ্গে তিনি নলকুড়া নাট্যগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। নাট্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকা-ের মধ্য দিয়ে স্থানীয় মানুষের মধ্যে সৃজনশীলতা, সামাজিক সচেতনতা এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

শেখ আমিনুর হোসেনের শিকড় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১৩ নম্বর লাবসা ইউনিয়নের নলকুড়া গ্রামে। একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। তার বাবা শেখ আজাদ হোসেন এবং মাতা মোছা. আয়শা খাতুন।

চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি পঞ্চম। গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠা একজন মানুষের জন্য স্থানীয় সমাজ, মানুষের জীবনযাপন ও নানা সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে প্রত্যক্ষ পরিচয় তার পরবর্তী জীবনের কর্মধারায় প্রভাব ফেলতে পারে। সাংবাদিকতা জীবনে স্থানীয় মানুষের জীবন, সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রেও নিজের শিকড়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হতে পারে।

নলকুড়ার সঙ্গে তার সম্পর্ক কেবল জন্মসূত্রের নয়; সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকা-ের মধ্য দিয়েও তিনি নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। বিভিন্ন সংগঠনের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের সঙ্গে তার যোগাযোগ আরও বিস্তৃত হয়েছে।

পেশার প্রতি দায়িত্ববোধ: সাংবাদিকতা এমন একটি পেশা, যেখানে প্রতিদিনই নতুন ঘটনা, নতুন তথ্য ও নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়। একটি সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য সংগ্রহ, ঘটনার প্রেক্ষাপট বোঝা এবং পাঠকের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরার দায়িত্ব সাংবাদিকের ওপর থাকে।

দীর্ঘ সময় ধরে এই পেশায় থাকার কারণে শেখ আমিনুর হোসেনের সাংবাদিকতা জীবনে বিভিন্ন সময়ের পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করার সুযোগ হয়েছে। প্রিন্টনির্ভর সংবাদমাধ্যমের সময় থেকে বর্তমানের দ্রুতগতির অনলাইন সাংবাদিকতাÑগণমাধ্যমের পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে কাজ করে চলেছেন তিনি।

একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের দায়িত্বশীলতা, সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা এবং স্থানীয় সংবাদকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়েও তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

সম্মাননা ও স্বীকৃতি: দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবন এবং সমাজসেবামূলক কর্মকা-ের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্মাননা পেয়েছেন শেখ আমিনুর হোসেন।

২০২০ সালে এবং ২০২৪ সালের শেষদিকে তাকে বিশেষ ও আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। এসব সম্মাননা তার দীর্ঘ কর্মজীবনের প্রতি বিভিন্ন সংগঠন ও মানুষের স্বীকৃতির বহিঃপ্রকাশ।
তবে একজন মানুষের কর্মজীবনের প্রকৃত মূল্যায়ন শুধু পুরস্কার বা সম্মাননার সংখ্যায় সীমাবদ্ধ থাকে না। দীর্ঘ সময় ধরে একটি পেশায় দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে যাওয়া, মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা এবং নিজের কর্মের মাধ্যমে সমাজে ভূমিকা রাখার ধারাবাহিকতাই একজন পেশাজীবীর সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়ে ওঠে।

সময়ের সঙ্গে বদলেছে সাংবাদিকতা, বদলায়নি দায়বদ্ধতা: গত দুই দশকের বেশি সময়ে সাংবাদিকতার ধরন অনেক বদলে গেছে। একসময় সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট সময়, মুদ্রণপ্রক্রিয়া এবং পত্রিকা প্রকাশের ওপর নির্ভর করতে হতো। এখন মোবাইল ফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন নিউজ পোর্টালের কারণে মুহূর্তেই একটি সংবাদ মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

এই পরিবর্তনের ফলে সাংবাদিকদের দায়িত্বও বেড়েছে। দ্রুততার সঙ্গে সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি তথ্যের সত্যতা যাচাই, গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে পাঠককে সুরক্ষা দেওয়া এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করা এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ।

শেখ আমিনুর হোসেনের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবন এই পরিবর্তনশীল সময়েরই একটি প্রতিচ্ছবি। স্থানীয় সংবাদপত্রের প্রতিনিধি হিসেবে শুরু করে বিভিন্ন গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল পদে কাজ করা এবং পরবর্তীতে নিজেই একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া তার পেশাগত পথচলার ধারাবাহিক পরিবর্তনকে তুলে ধরে।

বহুমাত্রিক পরিচয়ের মানুষ: শেখ আমিনুর হোসেনকে শুধু একজন সাংবাদিক হিসেবে দেখলে তার কর্মপরিধির একটি অংশই সামনে আসে। সাংবাদিকতা, গণমাধ্যম পরিচালনা, সাংবাদিক সংগঠন, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মানবিক সংগঠন, সাংস্কৃতিক সংগঠন, তরুণদের সংগঠন এবং সামাজিক কর্মকা-Ñবিভিন্ন ক্ষেত্রে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।

একজন পেশাজীবীর সামাজিক পরিচয় যখন পেশার সীমানা ছাড়িয়ে মানুষের কল্যাণমূলক কর্মকা-ের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন তার কর্মপরিধিও বিস্তৃত হয়। শেখ আমিনুর হোসেনের দীর্ঘ পথচলায় সেই বহুমাত্রিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।

সাংবাদিক হিসেবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের পাশাপাশি তিনি সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে কাজ করেছেন; সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন; ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করেছেন; মানবিক সংগঠনের সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন এবং স্থানীয় তরুণদের সংগঠিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন।

সামনে আরও দীর্ঘ পথ: সাংবাদিকতা একটি চলমান পেশা। প্রতিদিন নতুন ঘটনা, নতুন প্রশ্ন ও নতুন বাস্তবতার জন্ম হয়। সেই বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে একজন সাংবাদিককে নিজেকেও প্রতিনিয়ত পরিবর্তন ও পরিমার্জন করতে হয়।

দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতা, স্থানীয় সমাজ সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা এবং বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে শেখ আমিনুর হোসেন এখনও সাংবাদিকতা ও সামাজিক কর্মকা-ে সক্রিয়। তার কর্মজীবনের পরবর্তী অধ্যায়েও সংবাদপেশার পাশাপাশি সমাজ ও মানুষের জন্য বিভিন্ন ইতিবাচক কর্মকা-ে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা রয়েছে।

একটি কলম কখনো শুধু সংবাদ লেখে না; মানুষের কথা বলে, সমাজের বাস্তবতা তুলে ধরে এবং কখনো কখনো পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তাকেও সামনে আনে। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে সেই কলমকেই পেশার প্রধান হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছেন শেখ আমিনুর হোসেন।

সাতক্ষীরার নলকুড়া গ্রামের একটি সম্ভ্রান্ত পরিবার থেকে উঠে এসে সাংবাদিকতার মাঠে পা রাখা, স্থানীয় প্রতিনিধি থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন, নিজস্ব অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক ও প্রকাশক হওয়া এবং একই সঙ্গে সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকা-ে যুক্ত থাকাÑতার কর্মজীবনের এই দীর্ঘ পথচলা নিঃসন্দেহে বহুমাত্রিক।

তার জীবন ও কর্মের দিকে তাকালে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠেÑসাংবাদিকতা তার কাছে শুধু জীবিকার মাধ্যম নয়; এটি মানুষের সঙ্গে যুক্ত থাকার, সমাজের কথা বলার এবং নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী জনকল্যাণে ভূমিকা রাখার একটি ক্ষেত্র। সেই পথচলায় অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দায়িত্ব, আর দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা।

দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের অভিজ্ঞতা, পেশাগত দায়িত্ব ও সামাজিক সম্পৃক্ততার সমন্বয়ে শেখ আমিনুর হোসেন সাতক্ষীরার গণমাধ্যম অঙ্গনে নিজের একটি স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছেন। ভবিষ্যতেও সেই অভিজ্ঞতা ও কর্মস্পৃহা সাংবাদিকতা এবং সমাজসেবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবেÑএমন প্রত্যাশা তার সহকর্মী, শুভাকাক্সক্ষী ও পরিচিতজনদের।

লেখক: সাংবাদিক, উন্নয়ন ও মানবাধিকারকর্মী

আশাশুনিতে মহিলা দলের কর্মী সম্মেলনে সংগঠনকে তৃণমূলে শক্তিশালী করার আহ্বান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে মহিলা দলের কর্মী সম্মেলনে সংগঠনকে তৃণমূলে শক্তিশালী করার আহ্বান

oplus_2

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কর্মী সম্মেলন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় আশাশুনি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের আয়োজনে এ কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দীন। উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ জাহান শিলা ও সাংগঠনিক সম্পাদক সালেকা হক কেয়া।

প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আশাশুনি উপজেলা শাখার সহ-সভানেত্রী মোছাঃ জাহানারা বেগম। বিশেষ বক্তা ছিলেন উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুন্নাহারা রিনা।
উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী কামরুন্নাহার (কচি) এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক তাছলিমা পারভীন আইরিনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক স ম হেদায়েতুল ইসলাম, সদস্য সচিব মশিউল হুদা তুহিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস এবং উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আবু জাহিদ সোহাগ।

এ সময় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। পাশাপাশি বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ে নারী কর্মীদের আরও সক্রিয় করা, সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কর্মী সম্মেলন শেষে পরিবেশ সুরক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।